Robi

Robi সব সময় ভালো কিছুর সাথে থাকতে চাই!

ঘৃণা নয়, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই বহুকাল!
27/11/2025

ঘৃণা নয়, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই বহুকাল!

অনলাইন দুনিয়ায় নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসাবে  যদি দেখতে চান, তাহলে আপনার প্রয়োজন হবে খুব শক্তিশালী একটি নেটওয়ার্কের।
27/11/2025

অনলাইন দুনিয়ায় নিজেকে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসাবে যদি দেখতে চান, তাহলে আপনার প্রয়োজন হবে খুব শক্তিশালী একটি নেটওয়ার্কের।

বিবেক আছে বলেই আমরা মানুষ!মানুষ হওয়ার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমাদের বিবেক, এক অদৃশ্য শক্তি, যা ভুল আর ঠিকের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমা...
26/11/2025

বিবেক আছে বলেই আমরা মানুষ!

মানুষ হওয়ার সবচেয়ে বড় পরিচয় আমাদের বিবেক, এক অদৃশ্য শক্তি, যা ভুল আর ঠিকের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আমাদের সত্য পথ দেখায়। পৃথিবীতে আমরা অনেক কিছুর গর্ব করি—জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা, সাফল্য, ক্ষমতা, কিন্তু বিবেক ছাড়া এসবই অন্ধ। কারণ বিবেকই একমাত্র জিনিস, যা আমাদের কাজের সামনে আয়নার মতো দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করে
“এটা ঠিক তো?”

বিবেক মানুষের ভিতরের সেই নীরব শিক্ষক, যে কখনও চিৎকার করে না, কিন্তু গভীরভাবে অনুভব করায়। যখন আমরা ভুল পথে পা বাড়াই, তখন মনের গভীরে যে অস্বস্তি জন্ম নেয়, সেটাই বিবেকের সতর্কবার্তা। আর যখন কোনো ভালো কাজ করি, তখন যে প্রশান্তি অনুভব করি, সেটাই বিবেকের প্রশংসা।

দুঃখজনক সত্য হলো, আজকের দুনিয়ায় মানুষ অনেক কিছু থেকে দূরে সরে গেলেও, সবচেয়ে বেশি দূরে সরে যাচ্ছে নিজের বিবেক থেকে। স্বার্থ, লোভ, প্রতিযোগিতা—এসবের চাপে বিবেককে আমরা যেন বন্ধ ঘরে বন্দী করে রাখছি। অথচ ইতিহাস বলে, যেখানেই বিবেক হারিয়ে গেছে, সেখানেই মানবতা ভেঙে পড়েছে, সমাজ দুর্বল হয়েছে, সম্পর্কগুলো নষ্ট হয়েছে।

যে মানুষের বিবেক জাগ্রত থাকে, সে কখনও অন্ধ প্রভাবের অনুসারী হয় না। সে নিজের স্বাধীন চিন্তা দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়, সাহস পায় সত্যের পাশে দাঁড়াতে। সমাজের আসল উন্নতি ঘটে তখনই, যখন মানুষ নিজের ভিতরের এই আলোকশিখাটাকে জ্বালিয়ে রাখে।

বিকৃত মস্তিষ্ক আর বিকৃত মানসিকতা, উভয়ই ধ্বংসের কারণ! মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মস্তিষ্ক, চিন্তা করার ক্ষমতা, বিচার-বিব...
17/11/2025

বিকৃত মস্তিষ্ক আর বিকৃত মানসিকতা, উভয়ই ধ্বংসের কারণ!

মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি তার মস্তিষ্ক, চিন্তা করার ক্ষমতা, বিচার-বিবেচনা করার সক্ষমতা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্যতা। কিন্তু যখন এই মস্তিষ্কের স্বাভাবিক চিন্তাশক্তি বিকৃত হয়ে যায়, তখন মানুষের আচরণ, মূল্যবোধ ও দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যেতে থাকে। ঠিক তেমনই বিকৃত মানসিকতা, যে মানসিকতা নীতিহীন, নৈতিকতা-বিবর্জিত, স্বার্থপর ও ক্ষতিকর, সেটিও ব্যক্তিগত ও সামাজিক ধ্বংসের মূল কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

১. বিকৃত মস্তিষ্ক: ভুল সিদ্ধান্তের কারখানা

যখন একজন মানুষের চিন্তার ভিত্তিটাই সঠিক থাকে না, তখন ছোট ঘটনাকে বড় করা, অহেতুক সন্দেহ, অতিরিক্ত আত্মঅহংকার বা হীনমন্যতা আচরণকে পরিচালনা করতে থাকে।
বিকৃত মস্তিষ্ক মানুষকে যুক্তিহীন পথে ধাবিত করে,

অন্যকে ছোট করে নিজেকে বড় ভাবা, ভুলকেও নিজের কাছে সঠিক মনে হওয়া, সম্পর্ক, দায়িত্ব বা ভালোবাসার মূল্য না বোঝা।
এই ধরনের অবস্থায় সে বাস্তবতা দেখতে পারে না, আর নিজের ভুল বুঝার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে।

২. বিকৃত মানসিকতা: নৈতিকতার পতন

মানসিকতা যত বিকৃত, তার আচরণ ততই ক্ষতিকর। এমন মানুষ অন্যের ক্ষতি করে আনন্দ পায়, অন্যের সফলতা সহ্য করতে পারে না, আর মিথ্যে, প্রতারণা, হিংসা—সবকিছুকেই স্বাভাবিক মনে করে।
বিকৃত মানসিকতা,

সম্পর্ক নষ্ট করে, সমাজে বিষ ছড়ায়, আস্থার জায়গা ধ্বংস করে, এবং অশান্তির বীজ বপন করে।

৩. দুইয়ের ফল একই: ধ্বংস

বিকৃত মস্তিষ্ক যুক্তিকে মেরে ফেলে,
বিকৃত মানসিকতা মানবিকতাকে হত্যা করে।
এই দুই মিললে মানুষ নিজেকে, তার পরিবারকে, এমনকি একটি সমাজকেও ধ্বংস করে দিতে পারে।
ধ্বংস শুরু হয় নিঃশব্দে, বিবেকের মৃত্যু দিয়ে, সাহসের অভাব দিয়ে, অন্যায়কে স্বাভাবিক মনে করার মাধ্যমে।

৪. সমাধান: সুস্থ চিন্তা ও সৎ মানসিকতা

শিক্ষা, নৈতিকতা, আত্মসমালোচনা ও ভালো পরিবে, এসবই স্বাস্থ্যকর মস্তিষ্ক ও মানসিকতা তৈরি করে।
যে মানুষ নিজের ভুলকে স্বীকার করতে পারে,
যে মানুষ অন্যের ভালোমন্দ বুঝতে পারে,
সে কখনো ধ্বংসের পথে হাঁটে না।

বিকৃত মস্তিষ্ক চিন্তাধারাকে নষ্ট করে,
বিকৃত মানসিকতা মানবতাকে নষ্ট করে।
নিজেকে বাঁচাতে, সম্পর্ককে বাঁচাতে, সমাজকে বাঁচাতে—
সুস্থ চিন্তা, নৈতিক আচরণ এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে বড় অস্ত্র।

Follow me please......সাভারের বাইপাস রোড ধরে সামান্য ভেতরে গেলেই একটা সরু গলি।গলিটায় আজও বাতাসে মিশে থাকে রুক্ষ ধুলোর গন...
14/11/2025

Follow me please......

সাভারের বাইপাস রোড ধরে সামান্য ভেতরে গেলেই একটা সরু গলি।
গলিটায় আজও বাতাসে মিশে থাকে রুক্ষ ধুলোর গন্ধ, পুরোনো সিমেন্টের শীতলতা, আর এক ধরনের অজানা কাঁপন।
ঠিক সেখানেই একসময় দাঁড়িয়ে ছিল সাত নম্বর বিল্ডিং।

এখন শুধু ভাঙা পিলারের কঙ্কাল, মরিচা ধরা লোহার কাঠামো, আর এক গভীর, কান্নার মতো নীরবতা।

মানুষ তাকে "রানা প্লাজা" বলে চেনে।
কিন্তু স্থানীয়রা আজও নামটা মুখে আনে না।
ওদের কাছে এটা একটা অভিশাপ।
তারা শুধু বলে—
“ওই জায়গাটা... ওই দিকটা... ওই অভিশাপ…”
মনে হয়, নামটা উচ্চারণ করলেই মাটির নিচে ঘুমিয়ে থাকা পুরোনো কোনো পাপ আবার জেগে উঠবে।

আমি একজন লেখক।
আমি ভূত খুঁজতে যাই না, আমি খুঁজে ফিরি সত্য।
আর সেই সত্যের মুখোমুখি হয়েছিলাম ২০২৩ সালের মার্চের এক বিকেলে।

বিকেল তখন ফুরিয়ে আসছে।
আকাশজুড়ে কমলা-লাল আলো, যা ভাঙা রডের মাথায় পড়ে রক্ত জমাটের মতো ঝলমল করছিল।
খবর করার জন্য নয়— নিছক কৌতূহলেই গিয়েছিলাম।

ভাঙা বিল্ডিংয়ের পাশে ছোট্ট একটা চায়ের দোকান চালান আবদুল করিম চাচা।
বয়স সত্তরের কাছাকাছি, চোখের কোণে জমে থাকা বহু বছরের ঘুমহীন রাতের ছাপ।

আমি চায়ের কাপ হাতে নিয়ে জিজ্ঞেস করলাম—
“চাচা, এখানে এখনো কেউ আসে?”

চাচা ধীরে চা চুমুক দিয়ে বললেন,
“মানুষ আসে না বাবা… সাহস করে না কেউ। তবে শব্দ আসে।”

আমি অবাক হয়ে বললাম, “শব্দ?”
চাচা চারপাশে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললেন—
“রাতে মনে হয় সেলাই মেশিন চলে। চিঁ চিঁ চিঁ... টক টক টক... যেন কেউ খুব তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করতে চাইছে।”

আমি হেসে বললাম, “হয়তো পাশের কোনো ফ্যাক্টরির শব্দ হবে।”
চাচা মাথা নাড়লেন জোরে।
“না রে বাবা, এই দিকের সব ফ্যাক্টরি বন্ধ। রাতে এখানে শুধু কুকুর ডাকে।
কিন্তু ওই বিল্ডিং থেকে আসে সেলাই মেশিনের শব্দ। মনে হয়... তারা এখনো কাজ শেষ করেনি।”

তার চোখে তখন ভয় আর একরাশ বিষণ্ণতার ছায়া।
আমার হাসিটা মিলিয়ে গেল।

রাত নেমে এলো দ্রুত।
চারপাশটা যেন এক বিশাল কালো ক্যানভাস, আর তার মাঝখানে ভাঙা বিল্ডিংটা অভিশাপের মতো দাঁড়িয়ে।

আমি টর্চ আর ক্যামেরা নিয়ে ভেতরে ঢুকলাম।
বাতাসটা অদ্ভুত ঠান্ডা— যেন গ্রীষ্মের দুপুরেও এখানে বরফ জমে থাকে।
প্রতিটি ধাপে মনে হচ্ছিল মাটির নিচে কোথাও কেউ শ্বাস নিচ্ছে।

ভাঙা সিঁড়ি, ছেঁড়া তারের জাল, কাদামাখা নীল পাড়ের একটা শাড়ির টুকরো…
মনে হলো কেউ পড়ে গেছে, কেউ চেয়েছিল উঠতে— কিন্তু পারেনি।

হঠাৎ টর্চের আলো পড়ল দেয়ালে।
সাদা ধুলোর ওপর স্পষ্ট পাঁচটা আঙুলের ছাপ—
যেন শেষ মুহূর্তে কেউ বাঁচতে চেয়ে থেমে গিয়েছিল।

তবুও সবচেয়ে ভয়ংকর দৃশ্যটা তখনো বাকি।
তৃতীয় তলায় উঠতেই শুনলাম, খুব ক্ষীণ কিন্তু স্পষ্ট এক শব্দ—
চিঁ চিঁ চিঁ... টক টক টক...
ঠিক যেন কেউ দ্রুত সেলাই করছে।

আমি থেমে গেলাম। বাতাস থেমে গেল।
তারপর খুব কাছে, ঠিক কানের পাশে কেউ ফিসফিস করে বলল—
“তুমি রিপোর্ট করতে এসেছো?”

আমি টর্চ ঘুরিয়ে দেখলাম— কেউ নেই।
শুধু আধভাঙা একটা সেলাই মেশিন আর তার পাশে মরিচা ধরা নামফলক—
“শিউলি বেগম, লাইন–৭।”

আমার শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।

পরের দিন সকালে আমি পাশের বস্তিতে গেলাম।
সেখানে রুমা নামে এক মেয়েকে পেলাম—
সে সেই দিনই কাজ করছিল ঐ ভবনে।

তার চোখের নিচে কালচে দাগ, মুখে নিস্তেজ ক্লান্তি।
সে বলল,
“আগের দিনই বিল্ডিংয়ে ফাটল পড়েছিল। আমরা সবাই ম্যানেজারকে বলেছিলাম কাজ বন্ধ করতে।
কিন্তু সে চিৎকার করে বলল— ‘একদিন কাজ না করলে বেতন কাটা যাবে!’
আমরা নিরুপায় হয়ে ঢুকেছিলাম।”

তার গলা কেঁপে উঠল।
“সকাল ৮টা ৫৭-তে ভবনটা ধসে পড়ে। আমার পাশের মেয়েটা, শিউলি... বাঁচেনি।
ওর হাতের ঘড়িটা থেমে গেছিল ঠিক ৯টা ৬ মিনিটে…”

আমি নিঃশব্দে বসে রইলাম।
কারণ আগের রাতেই আমি সেই নামটা দেখেছিলাম ধুলোর ভেতরে।

রাতের আঁধারে আবার ফিরে গেলাম সেখানে— ভয়েস রেকর্ডার হাতে।
বিল্ডিংয়ের ভেতরে এখন লতাগুল্ম গজিয়েছে, তবুও বাতাসে ঝুলে আছে অচেনা ধুলোর ভার।
রেকর্ডার চালাতেই শোনা গেল—
চিঁ চিঁ চিঁ... টক টক টক...
তারপর ক্ষীণ এক নারীকণ্ঠ—
“আমরা এখনো কাজ করছি…”

আমার হাত কাঁপছিল। টর্চ পড়ে গেল।
আলোয় দেখলাম, কেউ নেই—
শুধু বাতাসে উড়ছে ছেঁড়া কাপড়ের টুকরো, যেন কেউ সেলাই করছে অদৃশ্যভাবে।

আরেকটা কণ্ঠ এল—
“লাইন বন্ধ কোরো না… পিস শেষ হয়নি…”

আমার মনে হলো, ওরা চিরকাল এখানে আটকে আছে—
একটা অসমাপ্ত কাপড়ের টুকরো সেলাই করে যেতে,
যেন কাজ শেষ না হলে আজও তাদের বেতন কাটা যাবে।

এক সপ্তাহ পর শহরে ফিরে রেকর্ডটা বিশ্লেষণ করালাম।
সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার বিস্ময়ে বলল,
“এটা শুধু মেশিনের শব্দ না। এর মধ্যে মানুষের হার্টবিট ফ্রিকোয়েন্সি আছে—
যেন কেউ আতঙ্কে দ্রুত শ্বাস নিচ্ছে।”

আমি চুপ করে রইলাম।
কারণ আমি জানতাম— ওরা এখনো আছে।
ওরা ফিরে আসে প্রতি বছর ২৪ এপ্রিল রাতে,
যখন নতুন বিল্ডিংয়ের লাইট নিভে যায়, তখন একঘরে সেলাই মেশিন নিজে থেকেই চলতে শুরু করে।

ওরা কাজ থামায় না।
ওরা এখনো সেই অসমাপ্ত পিসটা শেষ করতে চায়।

বিদায় নেওয়ার সময় করিম চাচা আমার হাত ধরলেন।
চোখের কোণে অদ্ভুত শান্তি নিয়ে বললেন—
“তুমি কি জানো বাবা, যে মাটিতে শত শত মানুষ শেষ নিঃশ্বাস ফেলেছিল,
সেই মাটিতেই যখন নতুন কারখানা হয়—
প্রথম কাপড়টা কে সেলাই করে?”

আমি উত্তর দিতে পারিনি।

শুধু দেখলাম— সূর্যের শেষ আলো ভাঙা কাঁচে প্রতিফলিত হচ্ছে।
মনে হলো, ভেতরে বসে আছে শিউলি বেগম।
সেলাই করছে, নরম গলায় গুনগুন করছে—
নিজের পুরোনো স্বপ্নগুলো সেলাই করে জোড়া লাগাতে চায়।

আর তার গানের তালে বাজছে সেই চেনা শব্দ—

চিঁ চিঁ চিঁ... টক টক টক... টক...

তুমি জানো?
সাভারের সাত নম্বর বিল্ডিং আজও নীরব নয়।
হয়তো ওরা এখনো সেলাই করছে সেই শেষ না হওয়া পিসটা...
যেন তাদের বেতন না কাটা যায়।

এই গল্পটা শেয়ার করো—
হয়তো শিউলি বেগমের কাজটা এবার সত্যিই শেষ হবে।

#সাত_নম্বর_বিল্ডিং



চেষ্টা করলে সফল হওয়া যায় কিন্তু সে চেষ্টাটাও হওয়া চাই সঠিক পথে, সঠিক ভাবে!
10/11/2025

চেষ্টা করলে সফল হওয়া যায় কিন্তু সে চেষ্টাটাও হওয়া চাই সঠিক পথে, সঠিক ভাবে!

বিজনেস নেটওয়ার্কিং কিভাবে তৈরি করবেন?আজকের পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরণের ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আপনি ...
10/11/2025

বিজনেস নেটওয়ার্কিং কিভাবে তৈরি করবেন?

আজকের পৃথিবীতে বিভিন্ন ধরণের ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। আপনি যত বেশি ধরণের নেটওয়ার্কিং এ নিজেকে সম্পৃক্ত করবেন, আপনার পেশাদার বৃত্ত বা প্রফেশনাল ক্যারিয়ার তত বড় এবং কার্যকরী হবে।

আপনার ব্যবসার নেটওয়ার্কিং এর জন্য কোন কোন বিষয় সবচাইতে ভালো কাজ করে, সেটা আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে।

নিজেকে হারিয়ে ফেলার কোন মানেই হয় না!
09/11/2025

নিজেকে হারিয়ে ফেলার কোন মানেই হয় না!

Address

Dhanmondi
Dhaka
1209

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Robi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share