12/23/2025
আমি ন্যাশনালে পড়াশোনা করছি কিন্তু আমার পুরোটা সময় আমি প্রোডাক্টিভভাবে কাজে লাগাইছি। কীভাবে? কিছু ব্যাপার শেয়ার করি তাহলে আপনাদের মধ্যে আরেকটু ভালো ধারনা হবে যে আমার জার্নি টা কেমন ছিলো।
১. সবচেয়ে ভালো যে কাজটা আমি নিয়মিত করতাম সেটা হচ্ছে সকালবেলা পত্রিকা পড়া। মেসে অনেকগুলা পত্রিকা রাাখা হতো তাই সকালে উঠে পত্রিকার টেবিলে একটা ছোটখাটো আড্ডা হয়ে যেতো আর পেপার পড়াও হতো। সম্পাদকীয় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সব পড়তাম।
২. পড়াশোনা ঠিকমতো করি আর না করি ক্লাশ সবসময় করার চেষ্টা করতাম। এর ফলে পরীক্ষার সময় কম প্যারা কম খাওয়া লাগতো। অনেক কম পড়াশোনা করেও অনার্স এ ৩.৩৩ এবং মাস্টার্স এ ৩.৪৬ ছিলো সিজিপিএ।
৩. ফিনানশিয়ালি নিজের পায়ে দাড়ানোর জন্য প্রাইভেট পড়াইতাম। শেষের দিকে মাসে ১২-১৭ হাজার টাকার মতো ইনকাম হতো এবং তখনও আমি স্টুডেন্ট। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো টাকা যত বেশি আসতো আমি তত হিসেব করে টাকা খরচ করতাম।
৪. এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিতে অনেক বেশি এংগেজ ছিলাম। TIB তে কাজ করছি প্রায় ৩ বছর। বিভিন্ন জরিপ, সভা, ফিল্ডে ভোক্তভুগী মানুষের সাথে কাজ করাসহ আরো কত কি। অনেক ভালো লাগার একটা জায়গা যেখান থেকে অনেক কিছু শিখেছি।
প্রথম আলো বন্ধুসভায় কাজ করেছি। গনিত অলিম্পিয়াড এর কুমিল্লা অঞ্চলের কো-অর্ডিনেটর ছিলাম একবার, ভাষা প্রতিযোগ, i-Gen সহ আরো কত কত কাজ। এই সবকিছু আমি পড়াশোনার পাশাপাশিই করেছি।
৫. অনার্স শেষ করে বেশিদিন বেকার থাকা লাগে নি। কয়েকমাস পরেও চাকরি শুরু করি। এরপর থেকে চলতে থাকে কাজ। কাজের মাঝে ই আবার মাস্টার্স শেষ করলাম।
৬. চাকরি করতে করতে আমার বস ক্যানাডা চলে গেলো। আমাকেও বললো তুমিও ট্রাই করো। পরে আমিও ট্রাই করে আমেরিকা এসে পড়লাম।
এই হলো ছোটখাটো একটা ইতিহাস, সারমর্ম বুঝল কমেন্টে জানাবেন 😉