Smell of Books Publication

Smell of Books Publication Ultimate destination for old and new books!!!

দেশভাগের আগে ঢাকার শাঁখারী বাজারে ১৯৪১ সালের সেই মর্মান্তিক দাঙ্গা, তার পর ১৯৪৬-এর ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে এবং নোয়াখালীর দাঙ...
14/12/2025

দেশভাগের আগে ঢাকার শাঁখারী বাজারে ১৯৪১ সালের সেই মর্মান্তিক দাঙ্গা, তার পর ১৯৪৬-এর ডিরেক্ট অ্যাকশন ডে এবং নোয়াখালীর দাঙ্গা— এই সব ঘটনাই এক গভীর ক্ষতের ইতিহাস বয়ে এনেছিল। দেশভাগের পর যখন দলে দলে উদ্বাস্তু হিন্দুরা এপারে চলে আসে, তখন দক্ষিণ থেকে উত্তরের শহরতলি জুড়ে গড়ে ওঠে একের পর এক রিফিউজ়ি কলোনি।

এই দাঙ্গা, দেশভাগ, উদ্বাস্তু এবং কলোনি সংস্কৃতির আঘাতে বারবার ক্ষতবিক্ষত হয়েছে বেলঘরিয়া। বলা যায়, আজকের বেলঘরিয়ার চেহারাটা তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পরের সেই টালমাটাল সময়ে।

এরপর আসে ষাট ও সত্তরের দশক — উত্তাল রাজনীতি, হুলিগানিজ়মের উত্থান, এবং সেই সঙ্গে এক সমাজবাস্তবতার নির্মম প্রতিচ্ছবি। এমন এক সময়, যখন মানুষ বেলঘড়িয়ার ছেলেমেয়েদের সঙ্গে সম্বন্ধ করতেও ভয় পেতেন…

এই প্রজেক্টটি সেই উত্তাল সময়ের ইতিহাস, রাজনীতি ও সমাজমনস্তত্ত্বের বিশদ দলিল — বেলঘড়িয়ার অতীতের গোপন মুখোশ উন্মোচনের চেষ্টা।

প্রচুর গবেষণা, সাক্ষাৎকার, এবং ঐতিহাসিক বিশ্লেষণের ফসল এই বই। এর সমস্ত কৃতিত্ব লেখিকা ময়না মুখোপাধ্যায় -এর, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছেন।

Smell of Books Publication - এর গর্বের সঙ্গে উপস্থাপিত —
পুরীর “মন্দির”, “মহুয়া”-এর পর, আমাদের তৃতীয় স্বপ্নের প্রজেক্ট —

ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন বেলঘরিয়া।

অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছিলেন কবে আসতে চলেছে বইটা। অবশেষে আজ প্রচ্ছদ উন্মোচন আর প্রী বুকিং লিংক।

প্রচ্ছদ : টিম কল্পক
মুদ্রিত মূল্য: ₹৪২৫

প্রী বুকিং লিংক

https://www.smellofbooks.in/product-page/once-upon-a-time-in-belghoria



Mayna Mukhopadhyay Smell of Books Ratnadip Chatterjee Parag Bhunia

নিবিড় নিকষ নিগূঢ় নিঝুম নিথর নিঃসার নিঃস্পন্দ নিঃশোক নিদাঘ নিরংশু নিতলসম নিশীথে, নিঃশব্দে নিঃসংশয় নিঃশঙ্ক নিঃসন্দিগ্ধ নিঃ...
10/12/2025

নিবিড় নিকষ নিগূঢ় নিঝুম নিথর নিঃসার নিঃস্পন্দ নিঃশোক নিদাঘ নিরংশু নিতলসম নিশীথে, নিঃশব্দে নিঃসংশয় নিঃশঙ্ক নিঃসন্দিগ্ধ নিঃসীম নৃপতি নিঃশ্বসনের নিনাদে নিগড়সম নিদ্রিত নিরাকৃতি নিত্যপ্রলয়সম নিঃস্রোতা নিরন্ত নিরালোকে নিবদ্ধ নিকুঞ্জবন নিকৃন্তন করে এগিয়ে চলেছে।

অর্থাৎ ঘুটঘুটে অন্ধকার বনে এক রাজা এগিয়ে চলেছে। বেশ ব্যস্ত হয়েই। এত অন্ধকার যে দুহাত দূরের জিনিস দেখা যায়না।
কারণ দুহাত দূরে কিছু নেই। রাজা হন্তদন্ত হয়ে জঙ্গলের মাঝে একটা ফাঁকা জায়গায় এসে দাঁড়ায়। সামনেই একটা শিশু গাছ আর তাতে জিম্ন্যাস্টিক করতে গিয়ে হার্টঅ্যাটাকে মরে যাওয়ার মতন একটি মৃতদেহ ঝুলছে।
রাজা বিক্রমাদিত্য একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আর ভাবে- “কী পাপ করেছিলাম যে মাঝরাতে উড়ন্ত জম্বির সাথে কুইজ খেলছি?”

বইমেলার অন্যতম ধামাকা। Smell of Books থেকে আসতে চলেছে নিখাদ বাঙালি র " "ফাজিলের বিক্রম বেতাল"।

পাঠক হাসবেন না ধাঁধা সমাধান করবেন সেটা তাঁদের ওপর যদিও....

অরিন্দম মুখার্জীর প্রাসাদোপম বাড়িতে মাত্র দুটি প্রাণী থাকে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী। ছেলে কালিম্পংয়ের কনভেন্টে পড়ে। হোস্টেলে ...
09/12/2025

অরিন্দম মুখার্জীর প্রাসাদোপম বাড়িতে মাত্র দুটি প্রাণী থাকে। তিনি ও তাঁর স্ত্রী। ছেলে কালিম্পংয়ের কনভেন্টে পড়ে। হোস্টেলে থেকে। মহুয়ার মাঝেমধ্যে মনে হয়, এঁদের এভাবে একা থাকতে ভয় করে না? অনেকবার ভেবেছে অরিন্দমকে প্রশ্ন করবে। কিন্তু অত বড় একজন স্টার— তাঁকে কি এইসব ছেঁদো কথা বলা যায়?
“কী রে বিন্তি? চোখ মুখ শুকনো কেন?” পরনে সাদা পাজামা আর একটা হাফ শার্ট। এক মাথা চুল এলোমেলো হয়ে আছে। মহুয়া দেখল, নিতান্ত অগোছালো অবস্থাতেও মানুষটাকে কী অপূর্ব সুন্দর লাগছে, “রবিবার সক্কালবেলায় ছুটে এসেছিস… হ্যাঁ রে, সব ঠিক আছে তো? বাড়ির সবাই ভালো তো? বউদির সঙ্গে দেখা হয়েছে?” একগাদা প্রশ্ন মহুয়ার দিকে ছুড়ে দিয়ে উত্তরের অপেক্ষা না করেই ভিতরের দিকে হাঁক দিলেন অরিন্দম, “ও গো শুনছ? আরে বিন্তি এসেছে। খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করো একটু।”
“আমাকে বাঁচান অরিন্দমদা।” মহুয়ার স্বরে আর্তি ঝরে পড়ল।
অরিন্দম থমকে গেলেন। উদ্বিগ্ন স্বরে বললেন, “কী হয়েছে রে?”
এতটা মানসিক পরিশ্রম মহুয়া আর সহ্য করতে পারছিল না। দীর্ঘদিন সে ভয়ে সিঁটিয়ে থেকেছে। কিন্তু আজ…
...মহুয়া সোফার হাতলে মাথা রেখে ফুঁপিয়ে কাঁদছিল। আক্ষরিক অর্থেই আজ তার মানসিক ধকল প্রচুর হয়েছে। ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতে থাকতে সে ক্লান্ত।
অরিন্দম আরক্ত মুখে বসে আছেন। অরিন্দমের স্ত্রী অনুভাদেবী মহুয়ার পাশে বসে বললেন, “এর তো একটা বিহিত করা দরকার। কী গো? তুমি কিছু করবে না?”
অরিন্দম গম্ভীর স্বরে বললেন, “পুলিশে ফোন করতেই পারি। মুশকিল হল, পুলিশের কাছে তো কিছু লুকানো যাবে না। তখন আবার বিন্তির বাবাকে নিয়ে টানাটানি হবে।”
“তা হোক না,” অনুভাদেবী বলেন, “অন্যায় করলে সাজা তো পেতেই হবে।”
অরিন্দম একটু আনমনা হয়ে বাইরের দিকে তাকালেন, “মিথ্যে কিছু কাদা ছোড়াছুড়ি হবে অনুভা। তাতে বিন্তির বদনাম হবে। তাছাড়া…”
“তাছাড়া?” মহুয়া চোখ তুলে তাকাল।
অরিন্দম মহুয়ার মাথায় স্নেহের হাত রেখে বললেন, “তুই ছোটো বিন্তি। বুঝতে পারছিস না। তোর বাবা যেমনই মানুষ হোক, বাইরের পৃথিবীর কাছে সে তোর জন্য একটা আড়াল। সমাজ যদি জানতে পারে তোর সামনের আড়ালটা নড়বড়ে, তারা তোকে ছিঁড়ে খাবে রে বিন্তি। তোর যদি বিয়ে হয়ে গিয়ে থাকত…”
“তবে তাই হোক অরিন্দমদা। আমি বিয়ে করব। কিন্তু ওই বাড়িতে আর ফিরব না। আপনি বাইরের লোকের কাছ থেকে বাঁচাতে চাইছেন অরিন্দমদা। আর ঘরেই যে শত্রুর বাস। ওখানে আমি নিরাপদ নই।”
“বিয়ে করবি?” অনুভাদেবী অবাক হয়ে তাকান, “এ কী রে, বিয়ে কি ওইভাবে হয়? বিয়ের তো জোগাড়যন্ত্র লাগে। এ কী তোর সিনেমার বিয়ে?”
“অচ্যুতকে এখুনি বিয়ে করতে বললে, এখুনি বিয়ে করবে?” অরিন্দমের প্রশ্নে কী যেন একটা ব্যাপার ছিল। মহুয়া থতোমতো খেয়ে গেল। তারপর একটু দ্বিধা নিয়েই ঘাড় নাড়ল। সেদিকে তাকিয়ে অরিন্দম বললেন, “ভোলাকে তমালের বাড়ির অ্যাড্রেসটা বুঝিয়ে দে। আর অনুভা পুরুতমশাইকে খবর পাঠাও। বলো খুব দরকার, এক্ষুনি যেন পঞ্জিকাটা সঙ্গে করে আসে। আর… আর…”
“ও গো, তুমি কি খেপে উঠলে?” অনুভাদেবী বিস্মিত স্বরে বলে ওঠেন, “আজই বিয়ে দেবে? বিয়েতে কত জিনিস লাগে তা জানো? আজ বিয়ের তিথি আছে কি না কে জানে। আর অচ্যুতের বাড়ির লোকজনই বা মানবে কেন?”
“মানবে না মানে? ওদের ঘাড় মানবে। আমি অরিন্দম চট্টোপাধ্যায়, আমি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এ বিয়ে দেব। দেখি কার কত বুকের পাটা যে এই বিয়ে না মানে।”
“আ গেল যা,” অনুভাদেবী ঝংকার দিয়ে উঠলেন, “সংলাপ বলে বলে অভ্যেস খারাপ হয়ে গেছে। সবাইকেই নাটকের চরিত্র মনে করে। সবকিছু গা জোয়ারি করে হয় না। তুমি ফিল্মের হিরো হতে পারো, কিন্তু তাদের ছেলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার শুধু তাদের।”
স্ত্রীর কথায় খুব একটা পাত্তা দিলেন না অরিন্দম। বরং তাঁর সর্বক্ষণের ছায়াসঙ্গী ভজনকে হাঁক দিয়ে ডাকলেন, “ভজন… ভজন… অ্যাই রাস্কেল ভজা, এক্ষুনি সকলকে খবর দে। আরে আজ বিন্তির বিয়ে রে… আর শোন, বিজলি গ্রিলের মানেজারকে ফোন কর। আমি নিজে মেনু ঠিক করব।”

রবিবারের শেষ বেলায় আবার মনে করিয়ে দিয়ে গেলাম....সত্তর এবং আশির দশকের বাংলা তথা বোম্বের রূপোলী জগৎ এবং তার পেছনের ভয়ংকর কিছু অন্ধকার দিক নিয়ে লেখা মালবিকা দাশগুপ্ত র ফিকশনাল উপন্যাস "আগুনে ঢেকেছি মুখ" এর প্রী বুকিং শুরু হয়েছে। লেখিকার সই ছাড়াও থাকছে একটা সারপ্রাইজ গিফট, শুধুমাত্র প্রী বুক করা পাঠকদের জন্যে। কি সারপ্রাইজ?? একটু না হয় অপেক্ষা করুন।

https://www.smellofbooks.in/product-page/aagune-dhekechi-mukh-malabika-dasgupta

Smell of Books

সময় গড়িয়ে অহল্যা যুবতী হয়, আর যুবতী হলেই তাকে বিয়ে দিতে হবে। এটাই শ্বাশত নিয়ম। বালিকা থেকে মহিলা হলেই বিয়ে দিয়ে দাও। এদি...
22/11/2025

সময় গড়িয়ে অহল্যা যুবতী হয়, আর যুবতী হলেই তাকে বিয়ে দিতে হবে। এটাই শ্বাশত নিয়ম। বালিকা থেকে মহিলা হলেই বিয়ে দিয়ে দাও। এদিকে ত্রিভুবনে অহল্যার মত সুন্দরী কেউ নেই। গৌতম ঋষি সেইজন্য রিস্ক না নিয়ে ব্রহ্মার কাছে সটান গিয়ে অহল্যাকে হস্তান্তর করে দিয়ে বলে- “এই রইল আপনার সৃষ্টি। দিনরাত আশ্রমের চারিদিকে সৃষ্টিছাড়া ইয়ং দেবতা-ঋষি-রাজপুত্র মায় দৈত্য দানো গন্ধর্ব যেভাবে ছোঁকছোঁক করছে তাতে আপনি শিজ্ঞিরি এই কন্যার একটা বিহিত করুন, নইলে এই মেয়েকে নিয়ে লড়াই শুরু হল বলে।“
ব্রহ্মা দায়গ্রস্ত পিতার মত অহল্যার বিয়ের চিন্তা নিয়ে বসল। কার সাথে বিয়ে দেওয়া যায়? ঠিক এই সময়েই হুড়মুড়িয়ে ব্রহ্মলোকে ইন্দ্র, অগ্নি আর বরুণদেব এসে পড়ে। সরস্বতী পুজোর নিমন্ত্রণ আনা গার্লস স্কুলের মেয়েরা বয়েজ স্কুলে এলে যেরকম ছেলেরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে সেরকমই বোধহয় দেবতারা ব্রহ্মলোকের বাইরেই উঁকিঝুঁকি দিচ্ছিল। তাদের মধ্যে যেমন ক্লাসে র‍্যাঙ্ক করা শ্রেষ্ঠ তিনজন ছাত্র মনিটরগিরি করে প্রিন্সিপালের কাছে কোনো একটা ছুতো নিয়ে রমনীদর্শনে যায়, ঠিক সেরকম ভাবেই তিন দেবতার আবির্ভাব। তাদেরকে দেখেই ব্রহ্মা বলে- “এ কি এই সময়ে তোমরা? আবার মহিষাসুর বা কোনো অসুর আক্রমণ করল নাকি?”
“না স্যার...”- ইন্দ্র বলে- “আমরা আপনার কাছে একটা আর্জি নিয়ে এসেছি।“
“বলো কি আর্জি?”
“না মানে ব্রহ্মা স্যার আমার রাতে ঘুম হচ্ছেনা, দিনে শান্তি পাচ্ছিনা, যা কাজ করি মন লাগছে না...”
“পেট গরম হয়েছে? অতিরিক্ত সোমরস খেয়েছ?”
“সোম তো আর রস দেয়না...”- ইন্দ্র বলে- “মহা চালাক হয়েছে ব্যাটা। এটা পেট গরম নয়। এ ব্যথা কি যে ব্যথা, বোঝে কি আনজনে...”
“সজনী তুমি বুঝি মরেছ মনে মনে...”- অগ্নিদেব বলে।
“খুলে বলো...”-ব্রহ্মা বলে।
“খুললেই তো বন্যা হয়ে যাবে...”- বরুণদেব বলে।
“বলব স্যার? রাগ করবেন না তো?”- ইন্দ্র বলে।
“বলো...”
এমন সময়ে বরুণদেব চেঁচিয়ে ওঠে- “স্যার আমি অহল্যাকে বিয়ে করতে চাই...”
ইন্দ্র রোষকষায়িত নেত্রে বরুণের দিকে তাকাতেই ওদিকে আবার অগ্নি বলে- “আমার সাথে বিয়ে না দিলে সব জ্বালিয়ে দেব।“
ইন্দ্র দাঁত কিড়মিড় করে বলে- “বরুণদা এখান থেকে নড়ুন দেখি, আর অগ্নিদেব একটু কম বুকনি ঝাড়ুন। আমি দেবতাদের রাজা, অহল্যাকে বিয়ের প্রপোজাল একমাত্র আমিই দিতে পারি।“
এই বলতে না বলতে বাকি দেবতারা, আর তাদের পিছনে সাধু-ঋষি, রাক্ষস, দানব, গন্ধর্ব সব দুড়দাড় করে ব্রহ্মলোকে ঢুকে একেবারে ব্রহ্মতেজে শোরগোল তুলল- “আমি বিয়ে করব অহল্যাকে, আমি বিয়ে করব অহল্যাকে...”
তারই মধ্যে দু-চারটে অসুর চেঁচিয়ে চেঁচিয়ে বলছে- “স্যার আমাকে দুটো বর দিন স্যার...অনেকদিন ধরে ডাকছি, একটু দেখুন স্যার...”
কিন্তু তাদের কাতর আর্তি বাড়তি লোকেদের বিবাহ প্রস্তাবে ঢাকা পড়ে যায়। ব্রহ্মা দেখে অবস্থা খারাপ। এরকম চললে আরেকটু পরেই ব্রহ্মলোকের ইঁট-কাঠ পাথর ভাঙ্গা শুরু হয়ে যাবে। সৃষ্টির যত পুরুষ ছিল সব বোধহয় সেদিন ব্রহ্মলোকে এসে হাজির। এমনি সময়ে তপস্যা করে নিজের স্বার্থ ছাড়া ব্রহ্মাদেবকে কারোর মনেও পরেনা, আর আজ একটা মেয়ের জন্য সব লাফাতে লাফাতে এসে হাজির। আমি এই ব্যাপারটা বুঝতে পারিনা। ব্রহ্মলোকে যাওয়া আসা করা যদি এতই সোজা ছিল, তাহলে খামোখা কোটি কোটি বছর ধরে তপস্যা করে ব্রহ্মাকে ডাকার কি দরকার ছিল? সরাসরি ব্রহ্মলোকে গিয়ে ব্রহ্মার পা ধরে ঝোলাঝুলি করলেই হল। ‘বর না দেওয়া পর্যন্ত পা ছাড়বনা’ এরকম একটা গোঁ ধরলেই হল। সেটা না করে উলটে সব “বৌ না দিলে পা ছাড়ব না’ রিকোয়েস্ট নিয়ে গেছে। ব্রহ্মা যে পালাতে পারবেনা সে প্রমান আমরা ভস্মাসুরের গল্পেই পাই।
মোটকথা ব্রহ্মলোকে লোকের ভীড় দেখে ব্রহ্মার চারটে মাথায় চিন্তা ভীড় করে আসে। অনেক ভেবেচিন্তে ব্রহ্মা বলে- “তোমাদের মধ্যে যে আগে পৃথিবীকে এক চক্কর ঘুরে আসতে পারবে সেই একমাত্র অহল্যাকে পাবে...”
ব্যাস... দেবতা-অসুর-রাক্ষস-ঋষি সব যে যার প্রাইভেট প্লেন-রকেট-স্পুটনিক-স্যাটেলাইট-সাবমেরিন ডেকে চেপে বসে গোঁ-গোঁ করতে করতে বেরিয়ে পরল। গোটা পৃথিবী চক্কর মারা চাট্টিখানি কথা নাকি? একমাত্র এই কম্পিটিশনে চাঁদমামা অংশগ্রহন করতে পারলনা। পাঁই করে চাঁদ একদিনে একমাসের চক্কর মেরে নিলে পৃথিবীতে সব শেষ হয়ে যাবে। আর অংশগ্রহণ করলনা কার্তিক আর গণেশ। তারা এইসব দেবতাদের ঊর্দ্ধে। তাছাড়া একই কম্পিটিশন তারাও খেলেছে আগে।
এদিকে গৌতম ঋষি দাঁড়িয়েই আছে। মনে মনে তারও ঘোরতর ইচ্ছে অহল্যাকে বিয়ে করে। তারই আশ্রমে তারই তত্ত্বাবধানে ছোট বালিকা থেকে আজ যুবতী হয়েছে অহল্যা। কন্যার নজরে নিশ্চয় দেখেনি, তাহলে বিবাহের ইচ্ছে হতনা। তলে তলে গৌতম ঋষি বোধহয় অহল্যার প্রেমের তলানিতে তলিয়ে গেছিল, স্রেফ লোকলজ্জার ভয়ে মুখ ফুটে বলতে পারেনি। তাই হয়ত ব্রহ্মার কাছে কথা পাড়তে এসেছিল। দেবতাগুলো এসে সব ভন্ডুল করে দিল। এবার পৃথিবী চক্কর কিভাবে দেবে গৌতম ঋষি?গৌতম ঋষি এইসময়ে গণেশ ঠাকুরের বুদ্ধিটা কাজে লাগায়।
কোন কোন বস্তুকে গোটা পৃথিবী বলা যায়?
প্রথম হল একটা শিবলিঙ্গ। শিব ভক্ত গৌতম ঋষি। তার কাছে শিবঠাকুরই পুরো পৃথিবী। একটা শিবলিঙ্গ রেখে গৌতম ঋষি সেটার এক চক্কর মেরে নিল। তারপরে ব্রহ্মলোকের বাইরেই কামধেনুকে গরুকে দেখতে পেল। কামধেনু তখন তার বাছুরকে অর্দ্ধেক ডেলিভারি করে ঘাস খেয়ে পেট ভারী করে বেড়াচ্ছিল। গৌতম ঋষি গিয়ে কামধেনুর চারিদিকে আরেক চক্কর দিয়ে নিল। কারণ শাস্ত্রে বলা আছে গরুর মধ্যেই সমস্ত দেবতার বাস আর গোটা পৃথিবীটাই গরুর মধ্যে আছে। এখন বাসভর্তি দেবতারা ওয়ার্ল্ড ট্যুরে গেছে যখন, তখন দেবতাদের বাস এই গরুই হল পৃথিবী।
-----------------------------------------------------------------------
নিখাদ বাঙালি
গল্প- অহল্যা
বাকি গল্পটা রয়েছে 'ফাজিলের সপ্তপুরাণ' বইয়ে
প্রকাশক- Smell of Books Publication
https://www.smellofbooks.in/product-page/fajilersaptapuran

একটি মনস্তাত্ত্বিক ঘূর্ণিপাক, যেখানে মানুষ নিজের ভিতরের অন্ধকারে ডুবে যায়- অচেনা, অদেখা, অথচ চেনা মুখের ভিড়ে।Smell of Bo...
18/11/2025

একটি মনস্তাত্ত্বিক ঘূর্ণিপাক, যেখানে মানুষ নিজের ভিতরের অন্ধকারে ডুবে যায়- অচেনা, অদেখা, অথচ চেনা মুখের ভিড়ে।
Smell of Books Publication থেকে প্রকাশিত হতে চলেছে, সাইকো থ্রিলার, 'ডুবে দেখ দেখি মন।'
এই বইটি নিছক গল্পের বই নয় বরং এক মস্তিষ্কের গোপন অলিগলিতে হারিয়ে যাওয়া একটি অচেনা যাত্রা। তিনটি গল্প, তিনটি ছায়া, তিনটি আতঙ্ক- যেখানে মানবমনের গভীর অন্ধকার আলোয় এসে দাঁড়ায়, আর পাঠক ডুবে যায় বাস্তব আর বিভ্রমের মাঝের ভয়ঙ্কর রেখায়।
২০১৫র চেন্নাইয়ে প্রলয়ঙ্করী বৃষ্টির মধ্যে একজন মানুষ নিজের ভিতরেই আটকে পড়ে। এক ভাসমান স্মৃতি, এক হ্যালুসিনেশনের জগৎ, যেখানে দেখা আর না-দেখার সীমারেখা মুছে যায়। পেডানকুলার হ্যালুসিনোসিসের মতো রোগে আক্রান্ত সে- কিন্তু প্রশ্ন থাকে, রোগটা শরীরের, না মনের? এই আবর্তের ফাঁদে বন্দি মানুষ কখনো শেষ হয়ে যায় আবার কখনো সব শেষ হয়ে গিয়েও কিছুটা বেঁচে থাকে নিজের অজান্তে। অজানা কারণে।
একটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত মনস্তাত্ত্বিক অপরাধগাথা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাস্তায় আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় এক স্যাডিস্টিক ডিসঅর্ডার পার্সোনালিটিতে আক্রান্ত মানুষের চেহারায় নরপিশাচ। কিন্তু সমাজ কি কখনো ভাবেছে- অপরাধীরা জন্ম নেয় না, তারা তৈরি হয়? আইসক্রিমের প্রতিটি পড়তে রক্তের স্বাদ মানবতার ভেতরের হিমশীতলতা অনুভব করাতে বাধ্য।
ভারতবর্ষের সামাজিক ব্যবস্থা, আইন ও রাজনীতি ঠিক কতটা মানুষের কথা মাথায় রেখে বানানো, বর্তমানের পরিস্থিতে তা কেউই ঠিক স্বচ্ছভাবে জানে না, ঠিক যেমনটি জানা ছিলনা, কিরোরী সিং বাইন্সলার নিজের করুন পরিণতির ঠিক আগের মুহূর্তে। এই সমাজ বিষাক্ত হয়ে উঠছে। তবে কি একমাত্র বিষেই হবে বিষক্ষয়?
'ডুবে দেখ দেখি মন,' শুধু একটি থ্রিলার নয়, এটি মানুষের অন্তর্গত ছায়াগুলির মুখোমুখি দাঁড়ানোর আহ্বান। ভয়, হ্যালুসিনেশন, অপরাধ, সমাজ- সবকিছু মিলেমিশে এখানে সৃষ্টি হয়েছে এক সাহিত্য-মনস্তাত্ত্বিক বিস্ফোরণের।
বিশেষ কৃতজ্ঞতা Soham Bagchi -এর প্রতি- এই সাহসী, ঘূর্ণিময় বইটি লেখার জন্যে।
চলুন, মনের দীঘিতে একবার ডুবেই দেখি- ফিরে এলে নাহয় নিজের অভিজ্ঞতা শোনাবেন, এক কাপ চা সহযোগে।

আপনি আপনার কপি বুক করেছেন??
প্রি-বুকিং লিঙ্ক: https://www.smellofbooks.in/product-page/dube-dekh-dekhi-mon-soham-bagchi

#ডুবে_দেখ_দেখি_মন

এই উপন্যাস এক অগ্নিশুদ্ধ মানুষের কথা। যিনি হয়তো কোনো ঐতিহাসিক চরিত্র নন কিন্তু এমন কত শত শত লাখো লাখো অনামা হরি কুমারের...
16/11/2025

এই উপন্যাস এক অগ্নিশুদ্ধ মানুষের কথা। যিনি হয়তো কোনো ঐতিহাসিক চরিত্র নন কিন্তু এমন কত শত শত লাখো লাখো অনামা হরি কুমারের আত্মত্যাগকে অস্বীকার করাও ধৃষ্টতা। হরি কুমার চৌহান নিজের আর্থিক উন্নতি, পারিবারিক প্রতিপত্তি, গার্হস্থ্য সুখ হেলায় সরিয়ে সবার আগে স্থান দিয়েছিলেন দেশের প্রতি ভালোবাসাকে। ব্যর্থ হয়েছেন, হারিয়েছিলেন সব। নিজের মাতৃভূমি গোয়ালিয়র থেকে বাধ্য হয়ে চলে আসেন সিকিমের পাহাড়ি গ্রাম সিপাহিগাঁও। এখানে এসেও থেমে যায়নি
দেশ মাতৃকার সেবা। নিজেকে উজাড় করে দিয়েছেন এই গ্রাম, গ্রামের মানুষ,
গ্রাম সংলগ্ন পাহাড় জঙ্গলের সুরক্ষা ও উন্নতি সাধনে। শেষ শ্বাসবায়ু দিয়েও রক্ষা করেছেন সেখানের মানুষদের। গ্রামবাসী ভালোবেসে নাম দিয়েছে ‘বুড়াবাবা’। তাদের বিশ্বাস তিনি এখনও রয়েছেন সিপাহিগাঁওয়ের প্রহরায়। বিদেশি শত্রুই হোক বা অনৃত দৃষ্টি তাকে প্রতিহত করার জন্য একা বুড়াবাবাই যথেষ্ট।
এই উপন্যাস চেষ্টা করেছে মিথ ও মিথ্যের সীমারেখাকে ভুলে বিশ্বাসের আঙুল ধরে পাঠকের সঙ্গে কিছুটা পথ।

শীঘ্রই আসছে...

সিপাহিগাঁও
সেমিমা হাকিম
Smell of Books Publication

প্রিবুকিং লিঙ্ক - https://www.smellofbooks.in/product-page/sepahigaon-semima-hakim
🔖 এখনই অর্ডার করুন।

#সিপাহিগাঁও #সেমিমাহাকিম

আমাদের আশেপাশে যা ঘটছে, যার গোড়ায় রয়েছে দুর্নীতি, তা সব সময় বাস্তবিকভাবে ফুটিয়ে তোলা যায় না বলেই সাহিত্যিকরা আশ্রয...
05/11/2025

আমাদের আশেপাশে যা ঘটছে, যার গোড়ায় রয়েছে দুর্নীতি, তা সব সময় বাস্তবিকভাবে ফুটিয়ে তোলা যায় না বলেই সাহিত্যিকরা আশ্রয় নিয়েছিলেন ডিস্টোপিয়ান সায়েন্স ফিকশনের। তৈরী হয়েছিল ১৯৮৪, ফারেনহাইট ৪৫১ বা ব্রেভ নিউ ওয়ার্ল্ড এর মত অমর সাহিত্য।
খুব ভালোভাবে লক্ষ্য করলে বুঝবেন আমরা কিন্তু আদতে বাস করছি সেই ডিসটোপিয়াতেই।
আজ যে বই নিয়ে আলোচনা করতে এসেছি তা কোনো ডিস্টোপিয়া বা সায়েন্স ফিকশন নয়। আদ্যন্ত একটি কাল্পনিক উপন্যাস। যার ভিত বাস্তবে, ছাদ ভবিষ্যতে!
এপ্রিল ২২, ২০২৪। কলকাতায় হাইকোর্টের রায়ে ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেলের ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীর চাকরি চলে যায়। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বাতিল করে দেয় আদালত।
৭ মে, ২০২৪। রাজ্য সরকারের আবেদনের ভিত্তিতে হাইকোর্টের রায়ের উপরে স্থগিতাদেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।
৩ এপ্রিল, ২০২৫। ২০১৬ সালের প্যানেল বাতিল করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। চাকুরিহারা হয় ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মী। নির্দেশ দেওয়া হয় নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার।
গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে যে পরিমাণ ঝড় উঠেছে, তার নজির বোধ হয় ইতিহাসে খুব কমই আছে।
রাজনীতি, দুর্নীতি, সিবিআই তদন্ত সব কিছু নিয়েই মিডিয়ায় চর্চা কম হয়নি। কিন্তু এই ক’বছরে যে ভাবে রক্তাক্ত হয়েছে বহু মানুষের জীবন, তা সে ভাবে প্রতিফলিত হয়েছে কোথায়! কত জীবন, কত সংসার যে এই ঝড়ে তছনছ হয়ে গিয়েছে, তার খবর রাখে কে!
যে বীজ আজ বপন হয়েছে, তা দশ বছর পরে কী চেহারা ধারণ করবে, কে জানে!
এই কাহিনি দুই বাংলার। এক সময়কাল ২০২৫ পর্যন্ত। অন্য কাহিনিকাল ২০৩৬-এর পটভূমিকায়!
..ইয়দ ইয়দ কর্ম কৃতম লোকে
শুভম ওয়া ইয়দি ওয়া অশুভম।
তস্য তস্য ফলম ভুক্তা কর্মকারো গচ্ছতি!

আসছে...এই শীতে!
Smell of Books Publication Koushik Das

তাঁকে নিয়ে বাঙালির চায়ের কাপে আজও তুফান ওঠে... তাঁর বর্ণময় জীবন, উত্থান, সোশ্যাল স্ক্যান্ডাল, মৃত্যু সব আজকেও সিনেমাপ...
04/11/2025

তাঁকে নিয়ে বাঙালির চায়ের কাপে আজও তুফান ওঠে... তাঁর বর্ণময় জীবন, উত্থান, সোশ্যাল স্ক্যান্ডাল, মৃত্যু সব আজকেও সিনেমাপ্রেমী বাঙালির আলোচনার কেন্দ্রে, তাঁকে নিয়ে আলোচনা করতেও উৎসাহী অনেকেই, যা লেখিকা প্রমান পেয়েছেন বহুবার গত তিন বছরে বইটি নিয়ে কাজ করার সময়। অথচ অদ্ভুত ভাবে এরা কেউ চাননা তাঁদের নাম প্রকাশ্যে আসুক।
আমাদের মনে বেশ কিছু প্রশ্ন জেগেছিল....যেগুলোকে ধরে একটা অন্য আঙ্গিকে এগোনো হয়েছে এই সুবিশাল উপন্যাসে....তার কিছুটা, অল্প কিছুটা তুলে ধরা হল নিচে...কিন্তু এটা শুধুই হিমশৈলের চূড়া....

(নিচে উল্লিখিত সমস্ত ঘটনা এবং চরিত্র কাল্পনিক এবং বাস্তবের সাথে কোনো মিল থাকলে তা অনিচ্ছাকৃত)

মর্গের হিমশীতল আবহে সাদা চাদরে মুখ ঢেকে শুয়ে আছে। যে মুখ গতকালও কোনও যুবকের বুকে ঝড় তুলেছে, সে মুখের দিকে আর তাকানো যাচ্ছে না। আগুন নির্মমভাবে সে মুখের সব লালিত্য সব সুষমা কেড়ে নিয়েছে।
ফরেনসিকের ছাত্রটির চোখে ঘনিয়েছে সন্দেহের মেঘ। যদিও মুখের অধিকাংশই পুড়ে গিয়েছে, তবুও বাম চোখের কোনায়, পিঠে, যেখানে আগুন অপেক্ষাকৃত কম ছোবল বসিয়েছে, সেখানে গভীর ক্ষত। তা ছাড়াও শরীরে এমন কিছু অন্তর্লীন আঘাত রয়েছে, যার প্রমাণ আগুনও মুছে দিতে পারেনি। তা ছাড়া…
“স্যার?” ছাত্রটি ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের দিকে তাকাল।

“ক্ষতচিহ্নগুলির কথা বলবে তো?” প্রৌঢ় মোটা ফ্রেমের চমশাটা মুছে নিয়ে আবারও চোখে পরে নেন।

“সন্দেহজনক কি একেবারেই নয় স্যার? তা ছাড়া মুখের পোড়াটা তো…”

“অ্যাসিড বার্নের চিহ্ন আছে। দেখেছি। তা ছাড়া লেদারি স্টমাক। তবে ক্ষতচিহ্নগুলোর মধ্যে কিছু আঘাত পুরোনো। অ্যান্টিমর্টেম আঘাত। পিঠের দিকে সিগারেটের ছ্যাঁকার চিহ্ন… না, সিগারেট না, সম্ভবত সিগার…”

“অ্যাসিড তো স্যার…” ছাত্রটি মাথা নামিয়ে বলে, নায়িকা কি তবে গার্হস্থ্য হিংসার শিকার?”

“নায়িকা তো সেলুলয়েডের পর্দায়,সব্যসাচী। রূপালি পর্দার বাইরে হয়তো সে নিতান্তই স্বামীর আজ্ঞাবহ স্ত্রী। আর এক অসহায় নারী।”

“পুলিশের কাছে যাবেন না?”

“কোনও লাভ নেই। মৃত্যুর খবরটা অবধি যারা বাইরে জানাতে দেয়নি, তাদের কাছে গিয়ে কী বলব? ওর বাবা হাসপাতালের বাইরে দাঁড়িয়ে প্রেসকে বলেছেন, মেয়ে নাকি আকণ্ঠ মদ খেয়েছিল। সেই অবস্থায় দুধ গরম করতে গিয়ে গায়ে আগুন ধরে গেছে। তুমি তো অটোপ্সির সময় ছিলে সব্যসাচী। তোমার মনে হয়েছে মহুয়া ইনটক্সিকেটেড?”

“স্যার অটোপ্সি রিপোর্টটা…”

“জানি, ডাস্টবিনে ফেলে দিতে হবে। কারণ হিসেব মতো মহুয়া এখনও জীবিত। সুতরাং এই রিপোর্ট ভিত্তিহীন। তা ছাড়া… আমি জানি না… কিন্তু বারবার আমার ইনটিউশন বলছে এই ঘটনায় মহুয়ার বাড়ির লোকও জড়িত।”

“এটা কেন বলছেন স্যার?”

“একটা মেয়ে পঁচানব্বই শতাংশ পুড়ে গেল অথচ বাড়ির লোকের ঘুম ভাঙল না? যদি বাড়ির লোকের ঘুম ভাঙত সব্যসাচী, তবে তো তাদের মহুয়াকে বাঁচানোর চেষ্টা করা উচিত ছিল। সেটাই তো স্বাভাবিক। আর গায়ে আগুন লাগা একটা মানুষকে বাঁচাতে গেলে কারুরই অক্ষত থাকার কথা নয়। ওর বাবা বা স্বামীর শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন দেখলে?”

“কিন্তু স্যার, গায়ে আগুন লাগা মানুষ… সে যে অসম্ভব যন্ত্রণার স্যার। মানুষটা চিৎকার করবে না? তাহলে তো পাড়ার লোকেদের জড়ো হয়ে যাওয়া উচিত।”

“করবে না, যদি সে চিৎকার করার মতো অবস্থায় না থাকে। তা ছাড়া মুখ সম্ভবত স্টিকিং প্লাস্টার বা কাপড় দিয়ে বন্ধ করা ছিল।”

“কী করে বুঝলেন স্যার?” এ প্রশ্ন একেবারেই ফরেনসিকের ছাত্রের।

“বাঁ গালের কিছুটা চামড়া ব্লেড বা ধারালো কিছু দিয়ে কেটে নেওয়া হয়েছে। কেন? নিশ্চয়ই কিছু লেগেছিল। আর… এটা কী?” অধ্যাপক ফরসেপ দিয়ে মুখের ভিতর থেকে কিছু বের করে আনলেন। গজ কাপড়ের টুকরো, “দেখেছ সব্যসাচী, মুখে গজ কাপড় পুরে দেওয়া হয়েছিল, যাতে চিৎকার করতে না পারে।”

“তাহলে স্যার ঘুরে ফিরে যে ইনটক্সিকেশনের কথা নায়িকার বাবা বলছেন… মদ খেয়ে বেহুঁশ হয়ে ছিলেন বলে নাকি…”

“উনি মিথ্যে বলছেন সব্যসাচী। নিজের কথাকে নিজেই কন্ট্রাডিক্ট করছেন। স্টমাকে যে পরিমাণ মদ পাওয়া গিয়েছে তাতে এমন বেহুঁশ কারুর হওয়ার কথা নয় যে গায়ে আগুন লেগে পঁচানব্বই শতাংশ পুড়ে যাওয়ার পরও তার হুঁশ ফিরবে না। বড্ড বেশি সরলীকরণ হয়ে যাচ্ছে। আর যদি ধরেও নিই যে মহুয়া মদ খেয়ে বেহুঁশ হয়েছিলেন, তাহলে দুধ গরম করতে গেলেন কেন? তাঁর তো জ্ঞানই থাকার কথা নয়। উঠে স্টোভ অবধি যাবেন কী করে? সবচেয়ে বড়ো কথা, ভোররাতে দুধ গরম করার প্রয়োজন হল কেন? তখন তো ঘুমোনোর সময়। তা ছাড়া অ্যাসিড ইনজুরির কথাটাও ভাবো একবার।”

আসছে #আগুনেঢেকেছিমুখ

Smell of Books Publication মালবিকা দাশগুপ্ত

 #বিষাক্ত_মানুষনাহ -- সাপ বা কাঁকড়াবিছে নয়।এমনকি পাতায়,ফুলে বা ফলে বিষ লুকিয়ে রাখা কোনো উদ্ভিদও নয়।ওরা মানুষ-আমার আ...
04/11/2025

#বিষাক্ত_মানুষ

নাহ -- সাপ বা কাঁকড়াবিছে নয়।
এমনকি পাতায়,ফুলে বা ফলে বিষ লুকিয়ে রাখা কোনো উদ্ভিদও নয়।
ওরা মানুষ-আমার আর আপনার মতোই একেবারেই গড়পড়তা কয়েকজন, যাদের বিষে কখনো জ্বলেছে পরিবার,কখনো পুড়েছে সমাজ।আবার কখনো না চাইতেও নিজেদের বিষের টানে নিজেরাই ভেসে গেছে ক্লেদাক্ত অন্ধকার স্রোতে।
আসছে বিষাক্ত মানুষ।
অভিষেক টিটো চৌধুরী
Smell of Books Publication

পুনশ্চ: প্রচ্ছদ চূড়ান্ত নয়। নমুনা মাত্র।

01/11/2025

গত শনিবার Smell of Books Publication থেকে প্রকাশিত হয়েছিল #পদ্মযোনি
এই বইটির কথা যখন Raja দার সঙ্গে আলোচনা করি, তখনই একটি কথা বলেছিলেন -"কী কী সব কাজ করছ ভাই, প্রাউড অফ ইউ"
সৌরভ আঢ্য প্রচ্ছদ শেষ করার পর ব্লার্বের কথা বলতে, লিখতে শুরু করি ব্লার্ব - আর সেটা ১১০০ শব্দের "যাহা জানো লিখো" টাইপের একটা জিনিস দাঁড়ায়।
আবার রাজাদার দ্বারস্থ হতে হয়, এখন প্রচ্ছদে ব্লার্বটি শোভা পাচ্ছে - সেটাও রাজাদার লিখে দেওয়া। বইটি প্রকাশ করেন অন্যতম প্রিয় লেখক রাজা ভট্টাচার্য, এবং যাকে বলে প্লেজ্যান্ট সারপ্রাইজ - সেই রকম একটি বক্তব্য রাখেন বইটি নিয়ে।
Subhabrata Basu

 #হাতুড়েহারু গোপালপুর, পশ্চিমবঙ্গের এক আধা মফস্বল আধা শহুরে জায়গা।  তা এই গোপালপুরে উদয় হয়েছে এক অদ্ভুত সিরিয়াল কিল...
27/10/2025

#হাতুড়েহারু
গোপালপুর, পশ্চিমবঙ্গের এক আধা মফস্বল আধা শহুরে জায়গা। তা এই গোপালপুরে উদয় হয়েছে এক অদ্ভুত সিরিয়াল কিলারের। একের পর এক হয়ে যাওয়া এই বীভৎস খুনগুলিতে, খুনি হাতুড়ি দিয়ে মাথা ফাটিয়ে মেরে ফেলেছে ভিকটিমদের। কিন্তু ঠিক কারা এই খুনীর শিকার??
তারা কি এমন লোক যাদের আপনার হাতে একটি হাতুড়ি থাকলে আপনিও মারতে চাইতেন??
কে এই হাতুড়ে হারু? তাকে কি ধরতে পারবেন ইন্সপেক্টর চয়ন? নাকি...
প্রত্যেকের প্রতিবাদের একটি নিজস্ব ভাষা থাকে। হাতুড়ে হারুর ক্ষেত্রে সেটা একটা হাতুড়ি, লেখক এর ক্ষেত্রে সেটা তার কলম....
আসছে....
Smell of Books Publication থেকে...
Pathik Mitra

প্রী বুকিং - https://www.smellofbooks.in/product-page/hature-haru-pathik-mitra

আলো আর ভক্তির এই উৎসবেঅশুভের অন্ত আর শুভের সূচনা হোক নতুন করে। ✨মা কালী ও আলোর উৎসব দীপাবলি আনুক সবার জীবনেশান্তি, সমৃদ্...
20/10/2025

আলো আর ভক্তির এই উৎসবে
অশুভের অন্ত আর শুভের সূচনা হোক নতুন করে। ✨
মা কালী ও আলোর উৎসব দীপাবলি আনুক সবার জীবনে
শান্তি, সমৃদ্ধি আর সৃজনের অনন্ত প্রেরণা।

স্মেল অফ বুকস পরিবারের তরফ থেকে
সব পাঠক, লেখক ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই
শুভ কালীপুজো ও দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা।

📞 যোগাযোগ: 9535399044, 9874540616
🌐 ওয়েবসাইট: www.smellofbooks.com

Address

90/6A, M. G Road
Kolkata
700007

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smell of Books Publication posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Smell of Books Publication:

Share

Category