Hare Krishna

Hare Krishna এই পেইজে সবাইকে জানাই হরেকৃষ্ণ💝❤️ রাধেরাধে💝❤️
এই চ্যানেল শুধুমাত্র কৃষ্ণ ভক্তদের জন্য........

যেখানে তুমি বিরাজ করছিলে, সেই তোমার স্থান আজ শুন্য..রয়েগেল শুধু তোমায় ঘেরা স্মৃতি,ভক্তি আর তোমার সাথে তোলা কিছু ছবি..তুম...
13/10/2025

যেখানে তুমি বিরাজ করছিলে, সেই তোমার স্থান আজ শুন্য..রয়েগেল শুধু তোমায় ঘেরা স্মৃতি,ভক্তি আর তোমার সাথে তোলা কিছু ছবি..তুমি ছিলে গোটা জগৎ সংসার মেতে ছিল তোমায় নিয়ে,এই কিছু দিন আগে ভোরের আকাশের পেজা তুলোর মেঘ জানান দিলো,তুমি আসছো..তোমার আসার আনন্দে মেতে উঠেছিল,গোটা জগৎ সংসার..আর দেখতে দেখতে তুমি চলেগেলে বুঝতেই পারলাম না, কিভাবে কেটে গেলো এই পাঁচটা দিন..আজ এই স্থান,শহর,গলি, চৌমাথা সব আবার আগের মত অন্ধকার নিস্তব্ধ..তোমার চলে গেলে, সাথে নিয়ে গেলে তোমার সন্তান দের সমস্ত আনন্দ,খুশি,তাদের ভক্তি & ভালোবাসা..যতোই হোক তোমায় ফিরতে হবে জানি কিন্তু তবুও বলবো আর কটা দিন থেকে যেতে পারতে মা ❤️..আমরা বাঙালি মা, তোমায় যেতে দিতে মন চায়না কিন্তু আমাদের তো সেই ক্ষমতা, শক্তি তুমি দাওনি যাতে তোমায় রেখে দিতে পারি আমাদের কাছে চিরকাল..মা ছাড়া যেমন এই সংসার অন্ধকার ঠিক সেইরকম..তুমি ছাড়া এই সংসার অন্ধকার, তাই বলছি আবারো তাড়াতাড়ি ফিরে এসো..তোমার এই অবোধ সন্তান দের কাছে ।।
তোমার অপেক্ষায় রইলাম মা ❤️

Mangala Darshan: 12 Oct 2025 #হরে_কৃষ্ণ
12/10/2025

Mangala Darshan: 12 Oct 2025
#হরে_কৃষ্ণ

Mangala Darshan: 11 Oct 2025 #হরে_কৃষ্ণ
11/10/2025

Mangala Darshan: 11 Oct 2025
#হরে_কৃষ্ণ

Mangala Darshan: 10 Oct 2025  #হরে_কৃষ্ণ Hare Krishna
10/10/2025

Mangala Darshan: 10 Oct 2025
#হরে_কৃষ্ণ Hare Krishna

🌿👉 জেনে রাখুন তুলসী মালা-যে কোনো সময় গলায় পরা যায়। তবে গলায় পরার আগে পরমেশ্বর ভগবানের শ্রী চরণে সর্ম্পন করে পরতে হয়...
09/10/2025

🌿👉 জেনে রাখুন তুলসী মালা-যে কোনো সময় গলায় পরা যায়। তবে গলায় পরার আগে পরমেশ্বর ভগবানের শ্রী চরণে সর্ম্পন করে পরতে হয়। এই জন্য দীক্ষা নেওয়ার বা গুরুদেবের অনুমতি বাধ্যকতা নেই।

🌿👉 গলায় পরার পর যখন তখন মালা খুলতে নেই।অনেকে হয়তো মনে করে থাকেন, আমিষ জাতীয় (মাছ , মাংস ইত্যাদি) আহার গ্রহণ অথবা শৌচাগার ব্যবহার করতে মালা খুলে রাখা ভালো,

আসলে তা মোটেও উচিত নয়।

😊👉 আহার গ্রহণকালীন বা শৌচাগারের সময় থাকাকালীন সময়ে যদি গলায় তুলসী মালা বিহীন করাও মৃত্যু (ভগবান না করুন) ঘটে, তখন যমদূত এসে স্পর্শ করার অধিকার পায় এবং তাকে নরকের পথে নিয়ে যায়।

আর শাস্ত্রেও বলা হয়েছে ''মৃত্যুর সময় গলায় তুলসী মালা এবং কপালে তিলক থাকলে যমদূত তাকে স্পর্শ করার অধিকার পায় না।

তখন বিষ্ণুদূত এসে তাকে বিষ্ণু লোকে নিয়ে যায়।"

🌹👉 হরে কৃষ্ণ 😊 জয় শ্রী রাধে শ্যাম👈🌹

09/10/2025

—ব্যস্ত থাকলে ছেড়ে দিন বিরক্ত করব না 🙂
—Free থাকলে অনুরোধ করলাম কৃষ্ণনাম নেওয়ার
🦚 #হরে_কৃষ্ণ🌿🙏

08/10/2025

বেকিং নিউজ
যাদের ঘুম ভেঙেছে আসুন ভগবান এর নাম দিয়ে দিনটি শুরু করি।
হরেকৃষ্ণ 🙏💙

আজ থেকেই দামোদর ব্রত আরম্ভ🙏🏻, আজকের দিনে যশোদা মা ছোট্ট কানাই কে দাম বন্ধনে বেঁধেছিলেন🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻 দামোদর শব্দের অর্থ হলো,🌺 ...
07/10/2025

আজ থেকেই দামোদর ব্রত আরম্ভ🙏🏻, আজকের দিনে যশোদা মা ছোট্ট কানাই কে দাম বন্ধনে বেঁধেছিলেন🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻 দামোদর শব্দের অর্থ হলো,🌺 এটি শ্রীকৃষ্ণের একটি নাম দামোদর,🙏 কারণ তার মা যশোদা তাকে দুষ্টুমির জন্য দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছিলেন,🙏পেটে বা কোমরে দড়ি দিয়ে বাঁধা হয়েছিল কিন্তু এত বড় দড়ি, কৃষ্ণের পেটের চারিদিকে বাধা যাচ্ছিল না🙏🙏🏻কম পড়ে যাচ্ছিল তাই তখন থেকে তাকে দামোদর বলা হয় 🙏শ্রীকৃষ্ণের লীলা বোঝা বড় দায় 🙏🏻🙏 এই মাসের মাহাত্ম্য অনেক, বেশি বেশি করে হরিনাম জপ করতে হবে আমাদের 🙏🙏🏻 দ্বীপ দান, তুলসী পরিক্রমা, গীতা পাঠ ও মঙ্গল আরতিতে যোগদান, এই কাজগুলি করলে আমরা ভগবানের কৃপা পাবো 🙏 তবেই তো আমরা বৈকুন্ঠে যেতে পারবো রাধে রাধে, 🙏🙏🙏🏻

🌿দামোদর মাসে কি কি করনীয়?🌿১) আমিষাহার বর্জন করুন।২) মাসকলাই ডাল ত্যাগ করুন।৩) সব ধরনের মৈথুন বন্ধ রাখুন।৪) দুইবেলা আহার...
05/10/2025

🌿দামোদর মাসে কি কি করনীয়?🌿

১) আমিষাহার বর্জন করুন।

২) মাসকলাই ডাল ত্যাগ করুন।

৩) সব ধরনের মৈথুন বন্ধ রাখুন।

৪) দুইবেলা আহারের চেষ্টা করুন।

৫) দামোদর লীলা পাঠ করুন।

৬) হরিকথা নিত্য শবন করুন।

৭) ১৬ মালার অধিক জপ করুন।

৮) প্রতিদিন তুলসী সেবা করুন।

৯) অসৎ মানুষের সঙ্গ ত্যাগ করুন।

১০) প্রতিদিন ঘৃত প্রদিপ দান করুন।

১১) দামোদর অষ্টকম পাঠ করুন।

১২) বৃন্দাবন যাওয়ার চেষ্টা করুন।

🙏 হরে কৃষ্ণ 🙏

কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা: উৎপত্তি ও ইতিহাসশারদীয়া দুর্গোৎসবের পর আশ্বিন মাসের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আরা...
05/10/2025

কোজাগরী লক্ষ্মীপূজা: উৎপত্তি ও ইতিহাস
শারদীয়া দুর্গোৎসবের পর আশ্বিন মাসের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আরাধনা করা হয়। প্রায় প্রতি ঘরে ঘরেই দেবী লক্ষ্মীর পুজো হয়ে থাকে। লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পত্তির দেবী। ধন সম্পদের আশায় ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা হয়ে থাকে। নারী পুরুষ উভয়েই এই পুজোয় অংশ গ্রহণ করেন।অনেকেই সারা বছর প্রতি বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীর পুজো করে থাকেন। এছাড়া শস্য সম্পদের দেবী বলে ভাদ্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি ও চৈত্র সংক্রান্তিতে এবং আশ্বিন পূর্ণিমা ও দীপাবলীতে লক্ষ্মীর পুজো হয়। লক্ষণীয় বিষয় হল-খারিফ শস্য ও রবি শস্য ঠিক যে সময় হয় ঠিক সেই সময় মেতে ওঠে লক্ষ্মীর আরাধনায়।
তবে পুজোর উপাচারে পরিবর্তন হয় মাস ভেদে।বর্তমানে গৃহস্থের সুবিধের জন্যই হােক বা পুরােহিতের স্বল্পতার জন্য, লক্ষ্মী পুজো (বারােমেসে পুজো বাদে) হয় সকাল থেকেই। কিন্তু কোজাগরী লক্ষ্মী পুজোর প্রকৃষ্ট সময় প্রদোষকাল। অর্থাৎ সূর্যাস্ত থেকে দু ঘণ্টা পর্যন্ত যে সময়। যদিও প্রদোষ থেকে নিশীথ অবধি তিথি থাকলেও সেই প্রদোষেই পুজো বিহিত। কিন্তু আগেরদিন রাত্রি থেকে পরদিন প্রদোষ পর্যন্ত তিথি থাকলে পরদিন প্রদোষেই পুজো করা বিধেয়। আবার আগেরদিন রাতে তিথি থাকলেও যদি পরদিন প্রদোষে তিথি না থাকে তাহলে আগেরদিন প্রদোষেই পুজো করা কর্তব্য।

‌💥কোজাগরী শব্দের অর্থঃ

কোজাগরী' শব্দটির উৎপত্তি কো জাগতী’ অর্থাৎ কে জেগে আছ' কথাটি থেকে। বলা হয়, যার কিছু (সম্পত্তি) নেই সে পাওয়ার আশায় জাগে, আর ‘যার আছে (সম্পত্তি) যে না হারানাের আশায় জাগে। আর সারারাত জেগে লক্ষ্মীর আরাধনা করাই এই পুজোর বিশেষ আচার। কথিত আছে কোজাগরী লক্ষ্মী পূর্ণিমার দিন দেবী রাত্রে খোজ নেন। কে জেগে আছেন?

‌💥নানা ভাবে লক্ষ্মী দেবীর কল্পনাঃ

১) মূর্তি: মাটির দিয়ে তৈরী ছাচে বা কাঠামাে তৈরি করে তাতে দেবী মূর্তি তৈরি করে পূজা করা হয়।

২) কলার বেড়: কলার বাকলকে গােল করে নারকেলের নতুন কাঠি দিয়ে আটকানাে হয়। তাতে সিঁদুর দিয়ে বাঙালি স্বস্তিক চিহ্ন আঁকা হয়। কলার বাকল দিয়ে তৈরী এই চোঙাকৃতি ভিতরে নিচুনি রাখা হয়। কাঠের আসনের উপরে লক্ষ্মীর পা অঙ্কিত আলপনার উপরে ৯টি চোঙা রাখা হয়। এই ৯টি বাকলের মধ্যে পঞ্চশস্য দেওয়া হয় সর্বশেষে শিস যুক্ত নারকেল রেখে লাল চেলি দিয়ে ঢেকে বউ সাজিয়ে লক্ষ্মী কল্পনা করা হয়।

৩) সপ্ততরী: নবপত্রিকা বা কলার পেটোর তৈরি নৌকা এই পূজার অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই নৌকা এখনও বহু গৃহস্থেই তৈরি হয়ে থাকে। তবে বাজারেও এখন কিনতে পাওয়া যায় কলার পেটো। একে সপ্ততরী বলা হয়। এই তরীকে বাণিজ্যের নৌকা হিসাবে ধরা হয়। তাতে অনেকেই টাকা -পয়সা, চাল, ডাল, হরিতকি, কড়ি, হলুদ সাজিয়ে রাখেন।

৪) লক্ষ্মীর মুখ সমন্বিত পােড়া মাটির ঘট: লক্ষ্মীর মুখ সমন্বিত পােড়া মাটির ঘটে চাল বা কখনাে কখনাে জল ভরে সেটিকে লক্ষ্মী কল্পনা করে পূজা করা হয়।

৫) অনেক বাড়িতেই পূর্ববঙ্গীয় রীতি মেনে সরার পটচিত্রে পুজো করা হয়। এই সরাতে লক্ষ্মী, জয়া-বিজয়া সহ কয়েকটি বিশেষ পুতুলকে চিত্রায়িত করা হয়। দেবী লক্ষ্মী ধনসম্পদ, আধ্যাত্মিক সম্পদ, সৌভাগ্য ও সৌন্দর্যের দেবী। তিনি বিষ্ণুর পত্নী। তার অপর নাম মহালক্ষ্মী। জৈন ধর্মেও দেবী লক্ষ্মী পূজিত ও স্বীকৃত ছিলেন, কারণ প্রাচীন জৈন ধর্মেও দেবী লক্ষ্মী পূজিত ও স্বীকৃত ছিলেন, কারণ প্রাচীন জৈন স্মারকগুলিতেও লক্ষ্মীর ছবি দেখা যায়।লক্ষ্মী ছয়টি বিশেষ গুণের দেবী। পৌরাণিক মত অনুসারে তিনি বিষ্ণুর শক্তিরও উৎস। বিষ্ণু রাম ও কৃষ্ণ রূপে অবতার গ্রহণ করলে, লক্ষ্মী সীতা রূপে তাদের সঙ্গিনী হন। কৃষ্ণের দুই স্ত্রী রুক্মিনী ও সত্যভামাও লক্ষ্মীর অবতার রূপে কল্পিত হন।

➡️লক্ষ্মীর রূপভেদঃ

অষ্টলক্ষ্মী হলেন সম্পদের দেবী লক্ষ্মীর আটটি বিশেষ রূপ। তারা সম্পদের আট উৎস তথা লক্ষ্মীদেবীর শক্তির প্রতীক। অষ্টলক্ষ্মী লক্ষ্মীর অপ্রধান রূপভেদ। অষ্টলক্ষ্মী “সম্পদ” কথাটির অর্থ হল সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য, জ্ঞান, শক্তি, সন্তানাদি ও ক্ষমতা। মন্দিরে অষ্টলক্ষ্মীকে একযােগে পূজা করা হয়ে থাকে।

💥শ্রীঅষ্টলক্ষ্মীস্তোত্রম্
অনুযায়ী অষ্টলক্ষ্মী হলেন:

১) আদিলক্ষ্মী বা মহালক্ষ্মী: লক্ষ্মীর আদিরূপ এবং ঋষি ভৃগুর কন্যারূপে লক্ষ্মীর অবতার।

২) ধনলক্ষ্মী: লক্ষ্মীর অর্থ ও স্বর্ণদাত্রী রূপ।

৩) ধান্যলক্ষ্মী: কৃষিসম্পদদাত্রী লক্ষ্মী।

৪) গজলক্ষ্মী: গবাদি পশু ও হস্তীরূপ সম্পদদাত্রী লক্ষ্মী। স্বামী চিদানন্দের মতে গজলক্ষ্মী রাজক্ষমতা প্রদান করেন। পুরাণ অনুযায়ী, গজলক্ষ্মী দেবরাজ ইন্দ্রকে সমুদ্রগর্ভ থেকে তার হারানাে সম্পদ ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। বসুধা নারায়ণ “গজলক্ষ্মী” শব্দটির
ব্যাখ্যা করেছেন “গজ অর্থাৎ হাতিদের দ্বারা পূজিত লক্ষ্মী”।

৫) সন্তানলক্ষ্মী: সন্তানপ্ৰদাত্রী লক্ষ্মী।

৬) বীরলক্ষ্মী বা ধৈর্যলক্ষ্মী: যুদ্ধক্ষেত্রে বীরত্ব এবং জীবনের কঠিন সময়ে সাহস প্রদানকারী লক্ষ্মী।

৭) বিজয়লক্ষ্মী বা জয়লক্ষ্মী: বিজয় প্রদানকারিনী লক্ষ্মী, কেবলমাত্র যুদ্ধক্ষেত্রেই নয় বরং কঠিন সময়ে বাধাবিপত্তি জয় করে সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রেও।

৮) বিদ্যালক্ষ্মী: কলা ও বিজ্ঞানের জ্ঞানপ্রদানকারিনী লক্ষ্মী।

‌💥কোনাে কোনাে অষ্টলক্ষ্মী তালিকায় লক্ষ্মীর অন্যান্য কয়েকটি রূপও অন্তর্ভুক্ত করা হয়ে থাকে:

১) ঐশ্বর্যলক্ষ্মী: ঐশ্বর্যপ্ৰদাত্রী লক্ষ্মী।
২) সৌভাগ্যা: সৌভাগ্য প্রদানকারিনী।
৩) রাজ্যলক্ষ্মী: “যিনি শাসককে আশীর্বাদ করেন।
৪) বরলক্ষ্মী: “যে দেবী সুন্দর বর প্রদান করেন।”




#মাতালক্ষী




মহালয়া কি? কেন এই মহালয়া ? মহালয়া কি গুরুত্ব ধারন বা পালন করে? আসুন জেনে নেই।শুভ মহালয়া শব্দটির সাথেই আমরা সকলেই কমব...
21/09/2025

মহালয়া কি? কেন এই মহালয়া ? মহালয়া কি গুরুত্ব ধারন বা পালন করে? আসুন জেনে নেই।

শুভ মহালয়া শব্দটির সাথেই আমরা সকলেই কমবেশী পরিচিত। কিন্তু কেন এই শুভ মহালয়া! আর এই শুভ মহালয়া আসার সাথে সাথেই সবাই দূর্গাপূজার দিনক্ষন গোনা শুরু করে দেন। আমরা অনেকেই এই সুন্দর শুভ মহালয়ার মাহাত্ম্য জানি না। যা আমাদের সকলের জানা উচিত। আসুন সকলে আজ জেনে নেই,

ত্রেতা যুগে ভগবান শ্রীরাম চন্দ্র অকালে দেবীকে অর্থাৎ মা দূর্গার আরাধনা করেছিলেন। লঙ্কা জয় করে মাতা সীতাকে উদ্ধারের জন্য দূর্গা পূজা করে ছিলেন। আর তখন সেই সময়টা ছিলো বসন্ত! তাই সেটাকে বাসন্তি পূজা বলা হয়। শ্রীরাম চন্দ্র অকালে-অসময়ে সেই পূজা করেছিলেন বলে, এই শরৎ এর পূজাকে এক অর্থে দেবীর অকাল-বোধন বলা হয় থাকে।

সনাতন ধর্মে কোন শুভ কাজসমুহ করতে গেলে তর্পন করতে হয়। বিবাহ করতে গেলে, প্রয়াত পূর্বরা যাদের পিতা-মাতা তাদের পিতা-মাতার জন্য, সাথে সমগ্র জীব-জগতের জন্য তর্পণ করতে হয়। এছাড়াও নানা ধরনের কার্যাদি-অঞ্জলি প্রদান করতে হয় । তর্পণ মানে খুশি করা। ভগবান শ্রীরাম লঙ্কা বিজয়ের আগে এদিনে এমনই করেছিলেন বলে জানা যায়।

সেই অনুসারে এই মহালয়া তিথিতে যারা পিতৃ-মাতৃহীন তারা তাদের পূর্বপূরূষের স্মরন করে এবং পূর্বপূরুষের আত্নার শান্তি কামনা করে অঞ্জলি প্রদান করেন। আর সনাতন ধর্ম অনুসারে এই দিনে প্রয়াত আত্মাদের মর্ত্যে পাঠিয়ে দেয়া হয়। আর প্রয়াত আত্মার যে সমাবেশ হয়, তাহাকে মহালয় বলা হয়। আর মহালয় থেকে মহালয়া।

সনাতন ধর্ম অনুসারে বছরে একবার পিতা-মাতার উদ্দেশ্যে পিন্ড দান করতে হয়, সেই তিথিতে করতে হয় যে তিথিতে উনারা প্রয়াত হয়েছেন। আর সনাতন ধর্মের কার্যাদি কোন তারিখ অনুসারে করা হয় না। সমস্ত কিছু তিথি অনুসারেই গঠিত হয়ে থাকে। মহালয়াতে যারা গঙ্গায় অঞ্জলি প্রদান করেন পূর্বদের আত্নার শান্তির জন্য, তাহারা শুধু পূর্বদের নয়, পৃথিবীর সমগ্র জীব ও জগৎ এর জন্য প্রার্থনা ও অঞ্জলি প্রদান করেন।

যে-অবান্ধবা বান্ধবা বা যেন্যজন্মনি বান্ধবা - অর্থাৎ যারা বন্ধু নন, অথবা আমার বন্ধু ও, যারা জন্ম জন্মাত্নরে আমার আত্নীয় বন্ধু ছিলেন, তারা সকলেই আজ আমার অঞ্জলি গ্রহন করুন

যাদের পুত্র নেই, যাদের কেউ নেই আজ স্মরন করার তাদের জন্য ও অঞ্জলী প্রদান করতে হয়।

যেযাং, ন মাতা, ন পিতা, ন বন্ধু - অর্থাৎ যাদের মাতা-পিতা-বন্ধুকেউ নেই আজ স্মরন করার তাদেরকে ও স্মরন করছি ও প্রার্থনা করছি তাদের আত্না তৃপ্তিলাভ করুক।

এ দিন তর্পন করলে পিতৃপুরুষেরা আমাদের আশীর্বাদ করেন। এ ছাড়াও এদিনে দেবী দুর্গার বোধন করা হয়, বোধন অর্থ জাগরণ। তাই মহালয়ার পর দেবীপক্ষের (শুক্লপক্ষের) প্রতিপদে ঘট বসিয়ে শারদীয়া দুর্গা পুজার সূচনা করা হয়। প্রসঙ্গতঃ যে শ্রাবণ থেকে পৌষ ছয় মাস দক্ষিণায়ন, দক্ষিণায়ন দেবতাদের ঘুমের কাল।

তাই বোধন অবশ্যই প্রয়োজন, আরও বলা দরকার যে মহালয়ার পর প্রতিপদে যে বোধন হয় সে সময়ও সংকল্প করে দুর্গা পূজা করা যায়। একে বলে প্রতিপদ কল্পরম্ভা, তবে সাধারণত আমরা ষষ্ঠি থেকে পূজার প্রধান কার্যক্রম শুরু হতে দেখি! যাকে আমরা সবাই ষষ্ঠাদিকল্পরম্ভা হিসেবে জানি।

কিছু প্রাচীন বনেদী বাড়ি এবং কিছু মঠ মন্দিরে প্রতিপদ কল্পরম্ভা থেকে পুজো হয়। যদিও প্রতিপদ কল্পরম্ভা থেকে শুরু পুজোতেও মূল আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ষষ্ঠি থেকেই এবং সপ্তমী থেকে বিগ্রহতে। প্রতিপদ থেকে শুধু ঘটে পূজো ও চণ্ডী পাঠ চলে। এভাবেই মায়ের আগমন ও প্রতিষ্ঠা হয়ে থাকে।

শুভ মহালয়া
জয় মা দূর্গা
🚩🚩🚩🚩🚩
🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻🙏🏻

Address

Bankura Rabindra Sarani Road
Bankura
722101

Telephone

+918710062453

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hare Krishna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hare Krishna:

Share

Category