নীল ক্যাফের ডায়েরী

  • Home
  • নীল ক্যাফের ডায়েরী

নীল ক্যাফের ডায়েরী সাহিত্যের ছোঁয়া,,(রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প) আমি নেই কোথাও _ আছে আমার শূন্যতা
শূন্য এমন নিখাদ কিছু; না থাকাটাই তার পরিপূর্ণতা।

Bijoy Islam Momin

04/12/2024

একাকিত্বে কেউ ছিলোনা মা ছাড়া।
গতকাল শারীরিক, মানসিক অশান্তিতে ভুগে কয়েকজন কাছের মানুষকে ফোন করেছিলাম।
কেউ ফোন ধরেনি, একজন ধরেছিলো কথা বলেনি!
এখানে আসলে কি সাইকোলজি কাজ করেছে আমি জানিনা।

প্রকৃতি হয়তো চাচ্ছে আমি আরও শক্তপোক্ত হয়ে ফিরে আসি।
আমার একাকিত্বের ভাগ আমারই থাক!

লেখা- ওয়াহিদ রাসেল।

29/11/2024

আমার এক্স'কে IPL এর নিলামে তোলা যায় না? ওর থেকে বড় খেলোয়াড় তো আমি আর কাউকে দেখি না! 🙂

27/11/2024

যেই ঠোঁট অন্য মাইনষে ছোঁয়, হেই ঠোঁট ক্যান আমি ছুঁইমু? যেই শরীরে অন্য মাইনষে জোর খাটায়, হেই শরীর ক্যান আমি চাইমু?

দুনিয়ায় কতকিছু মানুষ সহ্য করবার পারে, তয় নিজের মাইনষের ভাগ কাউরেই দিবার পারে না! তয় আমি ক্যান দিমু?

পোড়া কপাল নিয়া জন্মাইছি, জগতের সুখ কহনো পাই নাই! যারে সুখ ভাইবা বুকে আগলাই রাখছি, হেইডাই দুঃখ অইয়া আমার জীবনডা ছারখার কইরা দিছে!

জন্মের পর থাইক্যা সুখ কি জিনিস, আমি কইবার পারুম না। সুখ বলতে আমি তো খালি তোমারেই ভাবছিলাম, তয় ক্যান আমার কপালে তুমি নাই?

শ্যাষমেশ তোমারে সুখ ভাবলাম। অহন দেহি– অহন দেহি তুমিও মেলা দুঃখ অইয়া জীবনডারে শ্যাষ কইরা দিলা!

যে তুমি অন্য মাইনষের স্বপনে থাহো, হেই তুমিরে নিয়া তো আমি স্বপন দেহুম না। আমি যা চাই, হেইডা খালি আমারই থাহন লাগবো।

জগতের বেবাক মাইনষের ভালোবাসা পাইয়া তুমি সুখী অইবার পারো, তয় আমি অইবার পারুম না। যে সুখ সবার লাইগ্যা, হেই সুখ তো আমারে হাসাইবার পারবো না।

যেই ঠোঁটে ঠোঁট রাখবার লাইগ্যা, যেই শরীরে জোর খাটাবার লাইগ্যা জগতে যুদ্ধ লাইগা যায়, আমি যে হেই যুদ্ধ করবার চাইনা। আমি যুদ্ধ চাইনা, আমি শান্তি চাই। জনম ভইরা অশান্তির অনলে পুইড়া অঙ্গার অইয়া যাইতেছি। অহন একটু শান্তি পাইলে জন্মের ঘুম ঘুমাইমু– জন্মের ঘুম ঘুমাইমু!

27/11/2024

চাকরির পরিক্ষা দিতে গিয়ে শরবত বিক্রেতাকে বললাম " এক গ্লাস শরবত দিন তো! "।উনি মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন
" বাবা আপনে পরিক্ষা দিবেন? চাকরির পরিক্ষা? "
" হ্যা চাচা "
" এই পরিক্ষার নাম কি বাবা? "
" বিসিএস "
মনে হলো লোকটার শরীর যেন কেঁপে উঠলো।চোখ ভর্তি হয়ে গেলো অশ্রুতে।হতচকিত হয়ে জিগ্যেস করলাম
" কি হয়েছে?কাঁদছেন কেনো? "
উনি চোখের জল মুছে বললেন " আমার ছেলেটার মুখে এই পরিক্ষার কথা হাজারবার করে শুনতাম।এই পরিক্ষার জন্য দিনরাত এক করে পড়াশোনা করতো "
" ওহহ আচ্ছা।তো আপনার ছেলে এখন কোথায়? "
" ও তো আর নাই বাবা।কয়দিন আগে কোটা আন্দোলন হইলো না? ওই যে গেলো,আর ফিরলো না "
ধপ করে বসে পরলাম।বুঝতেই পারলাম না কখন আমারও চোখ ভিজে গেছে!প্রতিজ্ঞা নিলাম,ক্যাডার হই আর না হই,সামান্য চাকরি পেলেও এই অসহায় বীরযো"দ্ধার পরিবারের পাশে দাঁড়াবো।
গল্প: যোদ্ধা

27/11/2024

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

26/11/2024

ডিভোর্সের পর বিসিএস দিলাম।।পাশ করলাম।কলেজে জয়েন করলাম।ছ' বছর আগে বিয়ে করেছিলাম তাকে।বেকার ছিলাম।কতবার বলেছি- " বাপের বাড়ি যাও,সংসার টংসার আমার ভাল্লাগেনা।
আসলে তখন বিয়ের পর ঘরে-বাইরের মানুষজন নানান কথা শোনাত।যত রাগ যত ক্ষোভ বউ এর উপরই ঝাড়তাম। বউ আমার কখনো টু শব্দ করেনি।
'বাড়ির বউ তখনই সবার কাছে প্রিয় হয়,যখন চোখ থাকতে অন্ধ হয় আর , মুখ থাকতে বোবা হয়।না পারতাম বউকে নিজের টাকায় হিজাব কিনে দিতে,না পারতাম শখের কিছু নিয়ে আসতে।ওর কোনো অভিযোগ ছিলো না।কাগজে মুড়িয়ে ১০ টাকার খুরমা নিয়ে এলেই খুশি হয়ে যেতো।
তনু খুব করে চাইতো ও মা হবে।ওকে বলতাম-চাকরি বাকরি নাই বোঝোনা,বাচ্চা নিয়ে কি আমার বাচ্চাকে চোর বানাবো আমি।
ও চুপ করে শুনতো।
একবার ওকে বাবার বাড়ি রেখে আসলাম।যাবেই না,বাইকের পেছনে চুপচাপ বসে ছিলো সেদিন।মন ভালো থাকলে একটার পর একটা কথা বলেই যেতো।বউ আমার রাগ করেছে।ওর রাগ - অভিমানে তো আমার কিছু আসে যায়না।
আমার নানি ওকে খুব ভালোবাসতো।সন্ধায় নানি এসে বললো,'তনু মনটা খারাপ করে গেলো। তুই এখন ওর ওখানে যাহ।তাছাড়া কান্নাকাটি করবিনি'।
আমি হেসে বললাম,'ও যে পরিমাণ ছ্যাচড়া,,আমি এখন গেলেই আসার জন্য গাড়ির পেছনে উঠে পড়বে। বাপের বাড়িই থাকুক। পড়াশোনা করুক।এখানে থাকলে তো ঠিকমতো পড়াশোনা করেনা।''
তনু তখন ভার্সিটিতে প্রথম বর্ষে।.....
সেদিন রাতে বার বার ফোন করছিলো।বিরক্ত হয়ে ওর নাম্বার ব্লক করে ঘুমালাম।
সত্যিই তনু ছ্যাচড়া।কোনোরকম রাতটা একা কাটিয়েছে।পরদিন রাত পোহানোর পরই ও দেখি আমার বাড়িতে এসে হাজির।সেদিন সারাদিন ওর সাথে কথা বলিনি। রাতেও কথা বললাম না।শুয়ে আছি।ও আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে।বুঝতে পারলাম ওর দু চোখই ভেজা।এক ফোঁটা পানি আমার গালে এসে পড়লো। কিছুই বললাম না। ও আমার বুকে রাখবে আর অমনি আমি অন্যদিকে মাথা ঘোরালাম। তনু আমার বুকের মাঝে জায়গা না পেয়ে পায়ের কাছে গিয়ে বসলো। আমার পা দুটো ওর কোলের কাছে নিয়ে বললো,'কি অন্যায় করেছি আসিফ,কি অপরাধ,কি ভুল আমার? ভুল যদি খুঁজেও পাও আমাকে ক্ষমা করো প্লিজ।''
আসলে ও নিজেও জানেনা ও কি ভুল করেছে।আর আমিও জানিনা কি ওর অন্যায়।। তারপর ভালোই কাটছিলো।কিন্তু দিনের পর দিন হতাশা বাড়ে।
বেকার বলে শ্বশুর বাড়িতেও পাত্তা পাইনি।তনু ওর বাবার বাড়ি থেকেও অনেক কথা শুনেছে। জামাই বেকার হলে বাবা মার কাছেও মেয়ের গুরুত্ব থাকে না এটাই স্বাভাবিক।
তনুকে আবারো বাবার বাড়ি পাঠিয়ে বললাম, -''তনু এভাবে আর হয়না।তোমারও সময় আছে, নিজের জীবন গুছিয়ে নাও।ডিভোর্স হোক প্লিজ। ''
তনু বলেছিলো,''অনেক আগলে রাখতে চেয়েছিলাম আসিফ।তোমার মতো করে কে ভালোবাসবে?কি নিয়ে ভালো থাকবো আমি? আমাকে ছেড়ে তুমিও কি ভালো থাকবে?''
কথা ঘুরিয়ে আমি বললাম- তুমি খাইছো??
কিছু না বলে তনুই ফোনটা কেটে দিলো।হয়তো ''ছেড়ে দেবো,ছেড়ে দেবো",শুনতে শুনতে বউ আমার ক্লান্ত। তারপর আর কথা হয়নি। আপোষে আমাদের ডিভোর্স হয়ে যায়।
ডিভোর্সের পর কতবার ওর সাথে দেখা হলো,ও আর আমার দিকে ফিরেও তাকাইনি।কতবার ওর ভার্সিটিতে গিয়েছি,ও আমাকে দেখেই না দেখার ভান করেছে।আবারও ওর বাড়িতে বিয়ের প্রস্তাব পাঠালাম। নানিকেই পাঠালাম।জানিয়েছে,,জীবনের পঁচিশটা বছর কেটে গেলো বাকি দিন গুলোও কেটে যাবে।"
কদিন আগে হঠাৎ করেই ওর পথ আগলে দাঁড়ালাম। বললাম,-''পুরো পৃথিবী আমার করে পেলেও তোমার অভাবে আমি খুবই শূন্য,তনু।
আমার না হয় কোনো গুণ নেই। তোমার তো অনেক গুণ,সেই গুণেই আমাকে ক্ষমা করে দাও।ফিরিয়ে দিওনা প্লিজ। ''
তনু কিছুই বললো না।যেনো ওর সব বলা ফুরিয়ে গেছে,আর কিছুই বলার নেই। ওর চোখের কোণে দেখলাম পানি জমেছে কিন্তু ঝরে পড়েনি।নিজেকে আটকে রাখা শিখে গেছে।তনুও খুবই ব্যস্ত। হাইস্কুলে জয়েন করেছে ম্যাথের টিচার।হয়তো ওর ব্যস্ত শহরে কিংবা অবসরে আজ আর আমি নেই।
আজ দু'তলা বাড়ি আছে।দুটো গাড়ি আছে।মাসশেষে টাকা আছে।শুধু আমার তনু নেই।
পরিবার থেকে অনেকবার বিয়ের কথা বলেছে।কয়েকটা মেয়েও দেখেছি। বাবা সেদিন রাগ করে বলেই ফেললো,,মেয়ে ব্যাংকার।ভালো ফ্যামিলি।বিয়েতে তোমার আপত্তি কেন?
চুপ করে থাকলাম।একটু পর আবার বললো,,তনুকে ছাড়তে তো আমরা তোমাকে বলিনি,তুমিই ছাড়ছো।
একথা শুনেই বললাম, '''ছেড়ে দেওয়ার কথা তোমরা কেউই বলোনি বাবা, কিন্তু বাঁধা ও দাওনি।
বাবা আর কিছু বলেনি।
মেয়ে সুন্দরী।ভালো ফ্যামিলি।ব্যাংকার/ টিচার সবই ঠিক আছে। কিন্তু কারো চোখে আমার তনুকে খুঁজে পাইনি।
আসলে সবাই সবার জন্যে না।তারাও যোগ্য কিন্তু সবার প্রতি সবার ফিলিংস আসেনা।
টাইম পাস অনেক নারীর সাথেই করা যায় কিন্তু ঘরের বউ ঐ একজনই হয়।প্রথম বউকে যে যতই বলুক,,তোমার চেয়েও ভালো নিয়ে আসবো। আসলে তা আর হয়না। যায় দিন ভালো,আসে দিন খারাপ।..................…..........
আজ মা-বাবা,ভাই-ভাবি,বন্ধু-বান্ধব যে যার সংসার নিয়েই ভালো আছে। ভাঙ্গা গড়ার এ খেলায় টুপ করে ভেঙে ফেলা যায়,,,,,,,,,,,,,,গড়ে দিতেই যত বাহানা!ভুলতো আমারই!
প্রকৃতি ছাড় দেয়না। সুখের আশায়, সুখ পাখি ছেড়ে দিয়ে,সুখের খোঁজ করা,,, ভীষণ অন্যায়।
পাঠিয়েছেন

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ভাইয়া
#অনুগল্প

16/11/2024

দীর্ঘশ্বাস ঠিকঠাক জায়গায় ফেলতে হয়,
সাবধানে চুল সড়িয়ে ঘাড়ের পাশে,
যেন তুমি টের পাও আমি আসলেই অসহায়!!!

13/11/2024

এই দেশে,
জনসংখ্যা বেশি' কিন্তু মানুষ কম..

13/11/2024

টাকাই মেরুদণ্ড, টাকাই খ্যাতি, টাকাই বিচার, টাকা ইজ এভরিথিং। যারা বলে টাকা কিছুই না, তাদের বেশীরভাগই এই বাক্য অর্থের অভাবে ব্যর্থ হয়ে নিজেকে স্বান্তনা দেয়ার জন্য বলে! নাথিং মোর দ্যান দ্যাট।🖤

04/11/2024

একই পথ, দুঃখ একই, তবে কান্নার বেলায় কেন আলাদা? ভালোবাসা মানেই তো, তুই কাঁদলে আমি হাসবো কী করে? বল...

তুই কাঁদিস বলেই বেদনার রং নীল। তুই হাসিস বলেই জাগতিক সৌন্দর্য মেকি লাগে তোর হাসির কাছে।

একই পথ, একই অনুভূতি, ভালোবাসাও তো একই। তবে কেন কান্নার সঙ্গী আমায় করিস না? তুই কাঁদিস একা একা নীরবে। আর এদিকে আমার পৃথিবীতে নেমে আসে শোকের ছায়া! সবকিছুই কেমন অগোছালো, অনিয়মে চলে। রাতের ঘুম, খাওয়া দাওয়া, প্রেম আর বেলকনিতে দাঁড়িয়ে চাঁদ দেখা।

03/11/2024

টাকা না থাকলে সব পুরুষের মূল্য ০,
তাকে কেউ পাত্তা দিতে চায়না,
যেমন দেখ আমি।

03/11/2024

আমাকে ভুলে গেছেন?
আমি সেই পথিক যার কোনো নাম নেই.....

21/09/2024

একটা শান্ত জীবন চাই। একেবারে শীতল জলের মত শান্ত। যেখানে নেই আকাঙ্খা, হতাশা কিংবা ঐশ্বর্য। বেঁচে থাকার শেষ দিনটা অবধি এভাবেই থাকতে চাই। কত মানুষ আসে, কত যায়। কে বা কাকে মনে রাখে। সেইতো ফুরোয় জীবন ফুরোয় সময়। আমিও আছি, এই নদী, মাঠ আর শান্ত বিকেলে। একদিন থাকবোনা। এখানে পড়ে রবে এই বিকেলগুলো অন্য কারো জন্য। সেইতো পৃথিবীর আয়ুরেখা ধরে এসেছিলো আমার পূর্বপুরুষেরা। আজ কতশত বছর হলো তারা নেই।একদিন আমিও থাকবোনা থেকে যাবে এই ধূসর বিকেলগুলো!🌻❤️

03/06/2024

লাস্ট যে খাবার খেয়েছেন তার সাথে চৌধুরী লাগিয়ে দেন!🙂

চা চৌধুরী 😌

18/05/2024

বিচ্ছেদের পরে প্রাক্তন কে অসম্মান করে কথা বলা কোনো আদর্শ প্রেমিক বা প্রেমিকার কাজ না।যেকোনো কারনে বিচ্ছেদ হতে পারে।তাই বলে তাকে ছোট করে কথা শোনানো কিংবা বন্ধুবান্ধবদের সাথে তাকে নিয়ে আজেবাজে কথা বলার মাঝে কোনো মহত্ত্ব নেই।

বরং আপনি আপনার সম্পর্ক কে সম্মান করতে শেখেন নি এখনো।ভালোবাসতে পারেন নি অপর পাশের মানুষটা কে।ভালোবাসলে তাকে তার মতো চলে যেতে দিন।তার মতো থাকতে দিন।

যদি সে আপনার সাথে অন্যায় করে থাকে,যদি সে আপনাকে ঠকিয়ে থাকে তাহলে তার শাস্তি তাকে প্রকৃতি দিবে।আমরা যে যেখানে যেই অন্যায় কি করবো ঘুরেফিরে তার প্রতিদান আজ না হয় কাল আমরা পাবোই পাবো।এর জন্য কারো অভিশাপ দেওয়া টা জরুরি নয়।তার ভালো কামনা করুন।

প্রাক্তনের সাথে আপনার যোগাযোগ আছে কি নাই এটা বড় কথা না।বড় কথা আপনার মনে তার জন্য সম্মানের জায়গা টা সারাজীবনের জন্য বরাদ্দ রেখে দিন।যেসব প্রেমিক ভালোবাসে তারা প্রেমিকার বিয়ের পরে তার সন্তান কে কোলে নিয়েও আদর করে।
আবার সত্তিকারের প্রেমিকাও তার প্রাক্তন প্রেমিক কে বলে বউ বাচ্চা নিয়ে সুখে থাকো।ওদের খেয়াল রেখো।

বিচ্ছেদ কেনো ঝামেলা দিয়েই করতে হবে?কেনো দুজন দুজন কে নানা ধরনের গা'লাগা'ল দিয়ে সম্পর্ক শেষ করতে হবে?সম্পর্ক শেষ করুন সম্মানের সাথে।যে যেতে চায় তাকে যেতে দিন।প্রতিশোধ আপনার নিতে হবেনা।যে পাপ করবে তার ভোগান্তি সে পাবেই।

সম্মানের সাথে দূরত্ব বাড়ুক।
সম্মানের সাথেই বেঁচে থাকুক শতশত বিচ্ছেদের গল্প,
ভালোবাসার গল্প.....💔

07/05/2024

জীবনের এমন একটা সময় পার করতেছি যেখানে সবসময় আমার চোখে মুখে 'I'm not interested' ভাসে,.!

কাউকে ইম্প্রেস করার তাড়না নাই। কাউকে পছন্দ করলে বলার ইচ্ছা নাই। ভালোবাসলে প্রকাশের ইচ্ছা নাই..
নিজেকে সুদর্শন বা স্মার্টভাবে প্রেসেন করার করার কোন তাড়না নেই।

নিয়মিত চ্যাটিং করবার শক্তি নাই। কেউ ভুল বুঝলে ব্যাখা করার ইচ্ছা নাই৷যে যার মতো দূরে চলে যাচ্ছে।
আমার কিচ্ছু করার নাই 🙂

07/05/2024

যে তোমার সে তোমারই থাকবে, রাগে অভিমানে, অভিযোগের রাতে,অভিযোগ করতে করতে বুকের ভেতর বাক্স ভর্তি করবে।তোমাকে ছেড়ে দেওয়ার যুক্তির মুক্তি যখন শেষ অভিযোগ রাখার জায়গাও পাবে না,তখনও দেখবে সে তোমার তোমারই।যে তোমার,দেখবে তোমার মানুষটা তোমারই আছে মায়া, মমতায়। দেখবে সব রাগ, অভিমান, অভিযোগ মায়ার কাছে বন্দী হয়ে গেছে।

আর যে তোমার না সে দেখবে ঠান্ডা মাথায় রাগ, অভিমান,অভিযোগ এসব না দেখিয়ে আগে আবেগের থলেতে প্রয়োজন নেই বলে মায়া ছুড়ে ফেলে দিবে তোমাকে। আসলে সে তোমায় মায়াও করেনি, সে তোমার হয়েছিল করুণার পাত্রে।

তুমি যার সাথে আছো, সে তোমাকে ভুলবসত দূরে সরিয়ে দিলে দেখবে যতটা দূরে সরিয়ে দিয়েছিল,পর মুহুর্তে দ্বীগুণ ভালবাসা নিয়ে তোমার চোখে তাকিয়ে থাকবে, তোমার বুকের কাছে এসে অধিকার চর্চায় ব্যস্ত হয়ে পড়বে।

পাখি যেমন নীড়ের হলে নীড়ে ফিরতেই হয়, তেমন মানুষ যদি বুকের হয় যতই দূরে যাক বুকের কাছে ফিরবেই।

তাই কেউ যদি তোমার কাছে এসে অধিকার চর্চায় স্বপ্ন দেখিয়ে মাঝপথে ছেড়ে দেয়, বুঝবে সে তোমার কখনোই ছিল না। তাই তার জন্য আফসোস করে জীবন দুর্বিষহ, দুর্বিপাকে ঘুড়িও না, তার জন্য ক্ষমা ছুড়ে দিয়ে নিজের কাছে ফিরে আসো। দেখবে আবার জীবন সুন্দর।

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নীল ক্যাফের ডায়েরী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to নীল ক্যাফের ডায়েরী:

Videos

Shortcuts

  • Address
  • Telephone
  • Alerts
  • Contact The Business
  • Videos
  • Claim ownership or report listing
  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share