কয়রা, খুলনা

কয়রা, খুলনা Koyra Upazila :
Population Total: 192534; male 95993, female 96541; Muslim 149321, Hindu 42462, Buddhist 454 and others 297.

Archaeological heritage and relics Buro Mosque (Amadi union, 15th century), Parimala Statue (Chamunda), Mali Bari Mosque, Dhali Bari Mosque, Madinabad Fakirbari Mosque, Mosque Al Hera, Barabari Puja Mandir (Uttar Bedkashi), Banskhali Bahadur Bari Mandir (Bagali), Haripur Kali Mandir (Uttar Bedkashi), Mathbari Durga Mandir (Maharajpur), Radha Govinda Mandir (Bagali), Madinabad Mandir. KoyraUpazila.

jpg
History of the War of Liberation Koyra upazila was under Sector 9 during the war of liberation. The headquarters of the sub-sector of Sector 9 was established in Koyra. Most of the operations of the freedom fighters (Muktibahini and Mujibbahini) were launched from this headquarters. The freedom fighters established two camps, one at village Jhelaghata and the other at village Bamia of the upazila. The names of these camps were Martyr Narayan Camp and Suharawardi Camp. The secret medical centre run by Dr Rafiqul Islam at Jaigirmahal played an important role in giving medical treatment to wounded freedom fighters. Marks of the War of Liberation Mass grave 1 (Koyra No. 4 Launch Ghat, Mariaghata). Religious institutions Buro Mosque (Amadi), Mali Bari Mosque, Dhali Bari Mosque, Madinabad Fakirbari Mosque, Mosque Al Hera, Barabari Puja Mandir (Uttar Bedkashi), Banskhali Bahadur Bari Mandir, Haripur Kali Mandir (Uttar Bedkashi), Mathbari Durga Mandir (Maharajpur), Radha Govinda Mandir (Bagali), Madinabad Mandir. Literacy rate and educational institutions Average literacy 32.4%; male 43.6%, female 21.4%. Educational institutions: college 3, secondary school 35, primary school 112, community school 11, satellite school 9, madrasa 27. Noted educational institutions: Kapatakha College (1984), Jobeda Khanam College (1996), Kamaruddin High School, Koyra Madinabad High School, Sundarban Secondary School, Uttar Bedkashi Secondary School, Dakshin Bedkashi Secondary School, Amadi High School. Newspapers and periodicals Kapatakha (2002). Cultural organisations Library 1, cyclone centre 12. Tourists spots The extended Sundarbans on the eastern and southern parts of Koyra upazila and the tourist resort at the entrance of the Sundarbans (Maheshwaripur) are the notable tourist spots of the upazila. Main sources of income Agriculture 66.64%, non-agricultural labourer 7.12%, industry 0.51%, commerce 12.66%, transport and communication 1.85%, service 3.54%, construction 1.31%, religious service 0.31%, rent and remittance 0.09% and others 5.97%. Ownership of agricultural land Landowner 62.76%, landless 37.24%; agricultural landowner: urban 63.51% and rural 50.74%. Main crops Paddy, potato, vegetables. Extinct or nearly extinct crops Sesame, linseed, sugarcane, kaun. Main fruits Mango, blackberry, banana, jackfruit, coconut, papaya, betel nut, watermelon. Fisheries, dairies and poultries Shrimp gher 3138, hatchery 5, shrimp depot 273, nursery 6. Communication facilities Pucca road 21 km, semi-pucca road 80 km, mud road 142 km. Extinct or nearly extinct traditional transport Palanquin, horse carriage, bullock cart. Noted manufactories Rice mill, oil mill, flour mill, saw mill, ice factory. Hats, bazars and fairs Hats and bazars are 28. Hugla Hat, Amadi Hat, Ghorilal Hat, Sutar Hat, Ghugrakati Hat, Khoralkati Hat; Jorsingh Bazar; Dakshin Betkashi Banbibir Mela, Padmapukur Rath Mela, Hariharpur Rath Mela are notable. Main exports Fish fry, timber, golpata, honey, handicraft. Access to electricity All the unions of the upazila are under rural electrification net-work. However 5.49% of the dwelling households have access to electricity. Sources of drinking water Tube-well 43.82%, tap 1.08%, pond 54.97% and others 0.13%. The presence of arsenic in an intolerable level has been detected in 199 shallow tube-well water of the upazila. Sanitation 30.97% (rural 32.43% and urban 7.36%) of dwelling households of the upazila use sanitary latrines and 59.80% (rural 58.03% and urban 88.29%) of dwelling households use non-sanitary latrines; 9.24% of households do not have latrine facilities. Health centres Hospital 1, upazila health complex 1, charitable hospital 1, family planning centre 2, clinic 8

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ চলাকালীন ও পরবর্তীতে করণীয় নির্দেশনাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-১. ঘূর্ণিঝড়ের সময় ঘরের দরজা-জানালা, বিদ্য...
27/05/2024

ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ চলাকালীন ও পরবর্তীতে করণীয় নির্দেশনাগুলো নিচে তুলে ধরা হলো-

১. ঘূর্ণিঝড়ের সময় ঘরের দরজা-জানালা, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগের সুইচ বন্ধ রাখতে হবে।

২. বিচ্ছিন্ন হতে পারে বিদ্যুৎ সরবরাহ। এজন্য মোবাইল ফোন ও অন্যান্য যন্ত্রে যথেষ্ট চার্জ দিয়ে রাখতে হবে।

৩. ধারালো কোনো বস্তু উন্মুক্ত অবস্থায় রাখবেন না, খোলা অবস্থায় থাকলে দ্রুত সরিয়ে ফেলুন।

৪. পোষ্য প্রাণীদের বাঁধনমুক্ত করুন, যাতে বিপদ বুঝলে ওরাও নিরাপদ স্থানে যেতে পারে।

৫. ঝড় শুরু হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন। খোলা রাস্তায়, গাছের নিচে, জীর্ণ পাকা কিংবা কাঁচা বাড়িতে আশ্রয় নেবেন না।

৬. ভেঙে পড়া বৈদ্যুতিক খুঁটি ও তার ধারালো অংশের ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।

৭. প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় পানিবাহিত রোগ ছড়ানোর আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই বিশুদ্ধ খাবার-পানি সংগ্রহ করুন এবং পান করুন।

27/05/2024

কয়রা, খুলনায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় "রিমাল" উত্তর দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে স্কুল গভীর নিম্নচাপ হিসাবে বর্তমানে যশোর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরো উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমশঃ বৃষ্টিপাত ঝড়িয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হবে।
পায়রা ও মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৩ (তিন) দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ (নয়) নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ০৩ (তিন) স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

12/01/2023

প্রিয় কয়রাবাসী কেউ কয়রা থেকে বিশ্ব ইজতেমাতে এসে কোন সমস্যা পড়লে ম্যাসেজে নক দেয়ার অনুরোধ রইল

09/12/2021

খুলনা জেলা | Khulna District | ৬৪ জেলা-District 64
খুলনা বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম জেলা এবং তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
খুলনা জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৮৫ সালে এবং এ জেলা জাহানাবাদ নামেও পরিচিত
বৃটিশ ভারত তথা অবিভক্ত বাংলার প্রথম মহকুমা এই খুলনা
খুলনার নামকরণ নিয়ে অনেক ধরনের মতোভেদ থাকলেও অনেকে মনে করেন
ধনপতি সওদাগরের দ্বিতীয় স্ত্রী খুলনার নামে নির্মিত খুলনেশ্বরী মন্দির থেকে খুলনা নামের উৎপত্তি। এছাড়াও ১৭৬৬ সালে ‘ফলমাউথ' জাহাজের নাবিকদের উদ্ধারকৃত রেকর্ডে লিখিত Culnea শব্দ থেকে খুলনা শব্দটি আসতে পারে। অনেক বিজ্ঞজনের মতে ‘কিসমত খুলনা' মৌজা থেকে খুলনা নামের উৎপত্তি হয়েছে। বৃটিশ আমলের মানচিত্রে লিখিত Jessore-Culna শব্দ থেকে খুলনা এসেছে বলেও অনেকের ধারণা
খুলনা বাংলাদেশের অন্যতম শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় খুলনাকে শিল্প নগরী হিসেবেও ডাকা হয়।
এছাড়াও খুলনাকে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার বলা হয়।
এ জেলার উত্তরে যশোর, নড়াইল, পুর্বে বাগেরহাট, পশ্চিমে সাতক্ষীরা এবং দক্ষিনে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত
রাজধানী সহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের সংগে স্থলপথ, রেলপথ এবং জলপথ ব্যবহার করে খুলনার সরাসরি যোগাযোগ সম্ভব
রাজধানী ঢাকা থেকে খুলনা শহরের দূরত্ব সড়কপথে ৩৩৩কি.মি
খুলনা শহর পৌর মর্যাদা অর্জন করে ১৯৮৪ সালে এবং সিটি কর্পোরেশন মর্যাদা অর্জন করে ১৯৯০ সালে
হযরত পীর খাজা খানজাহান আলী (র.) এর স্মৃতি বিজরিত ও ভৈরব-রূপসা বিধৌত খুলনার ইতিহাস-ঐতিহ্য গৌরব মন্ডিত
এ জেলার প্রধান বন হলো সুন্দরবন যা জাতিসংঘের ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ৭৯৮ তম বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
কবি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় খুলনার বকুলতলা বা জেলা প্রশাসকের বাংলোতে থাকাকালীল রচনা করেছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম প্রেমের উপন্যাস ‘কপালকুন্ডলা’।
১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলেও খুলনা স্বাধীন হয়েছিল তার এক দিন পর অর্থাৎ ১৭ই ডিসেম্বর
খুলনা শহরে ১৯০২ সালে প্রতিষ্ঠিত সরকারী বি. এল কলেজ এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষার চাহিদা মিটিয়ে আসছে। ১৯৯১ সালে খুলনাতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা মেডিকেল কলেজ স্থাপিত হয় এবং ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তারশিল্প কারখানা বাংলাদেশ ক্যাবল শিল্প লিমিটেড এই খুলনায় অবস্থিত।
খুলনাকে এক সময় বলা হত রুপালি শহর। এর কারণ এই এলাকাতে প্রচুর পরিমাণ চিংড়ী উৎপাদন করা হত।
খুলনায় আছে আন্তর্জাতিক রেলওয়ে স্টেশন যা ১৯৫৬ সালে ভারত-পাকিস্থানের যুদ্ধের কারনে কলকাতার সাথে আন্তর্জাতিক রেল চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কিস্তু ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর আবার নতুন করে খুলনা-কলকাতা রেল যোগাযোগ চালু হয়
এ জেলার উপজেলা মোট ৯টি
এগুলো হলো
রূপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া, ডুমুরিয়া, ফুলতলা, বাটিয়াঘাটা, পাইকগাছা, দাকোপ এবং কয়রা
এ জেলার শিক্ষার হার ৬০.১ শতাংশ
প্রধান যে সকল নদ-নদী এ জেলায় অবস্থিত সেগুলো হলো
পশুর, ভদ্রা, ভৈরব, রূপসা, শিবসা, কাজীবাছা, কপোতাক্ষ, আতাই, শোলমারী এবং সুতারখালী
এ জেলার কিছু গুরুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন
ব্রজলাল শাস্ত্রী, যিনি খুলনা জেলায় প্রথম কলেজ প্রতিষ্ঠকারী
শেখ আকিজ উদ্দিন , আকিজ শিল্প গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা
আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন রসায়ন বিজ্ঞানী

কবি কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার, বাংলা সাহিত্যের ‘দুটি কবিতা’ শীর্ষক ক্ষু্দ্র কবিতার স্রষ্টা
এ জেলার খেলাধূলার স্থানের মধ্যে অন্যতম হলো
খুলনা জেলা স্টেডিয়াম এবং শেখ আবু নাসের বিভাগীয় স্টেডিয়াম যেটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু হিসেবে স্বীকৃত।
খুলনার দর্শনীয় কিছু স্থানের মধ্যে আছে

সুন্দরবনের কটকা, দুবলার চর, হিরণ পয়েন্ট এবং করমজল
শিরোমণি স্মৃতিসৌধ
গল্লামারী বধ্যভূমি
চুকনগর বদ্ধভূমি
রূপসা নদীর তীরে ৭ বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে অন্যতম রুহুল আমিনের মাজার
কবি কৃষ্ণচন্দ্র ইনস্টিটিউট
বকুলতলা বা (জেলা প্রশাসকের বাংলো)
স্যার পি.সি. রায়ের বাড়ি
বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের বসতভিটা অর্থাৎ (পিঠাভোগ) এবং মৃণালিনী দেবী অর্থাৎ রবীন্দ্রনাথের শ্বশুর বাড়ি
রূপসার নদীর উপর অবস্থিত খান জাহান আলী সেতু
খালিশপুর ওয়াইজমেন্ট ওয়ান্ডার ল্যান্ড শিশুপার্ক,
মুজগুন্নী শিশু পার্ক,
জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্ট শিশু পার্ক ও চিড়িয়াখানা,
প্রেম কানন,
জাতিসংঘ শিশু পার্ক
কাস্টমঘাট,
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস,
খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস,
কুয়েট ক্যাম্পাস
সরকারি বিএল কলেজ ক্যাম্পাস,
দৌলতপুর কৃষি কলেজ সংলগ্ন ছবেদা বাগান
খুলনা রেলওয়ে স্টেশন
খুলনা বিভাগীয় জাদুঘর
শহীদ হাদিস পার্ক
গল্লামারী লিনিয়ার পার্ক
এবং
সোনাডাঙ্গা সোলার পার্ক

27/09/2021

হ্যালো কয়রাবাসী আমরা সবাই কেমন আছি

21/07/2021

Eid Mubarak

26/05/2021
ঈদ মুবারক ❤
14/05/2021

ঈদ মুবারক ❤

16/03/2021

প্রিয় কয়রার ভাই বোনদের কাছে আমাদের পেজের সাথে থাকার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি https://www.facebook.com/debadm04

DEBA"Development for Ecological Biodiversity and Agri-environment". Bountiful harvests, thriving fish, and the beauty of nature captivate our senses.

আশাকরি সবাই ভালো আছেন । আমরা আমাদের কয়রার সকল ইউনিয়ন এবং গ্রাম সম্পর্কে জানব। তবে এখানে অনেক ভুলও থাকতে পারে যদি কোন তথ্...
27/01/2021

আশাকরি সবাই ভালো আছেন । আমরা আমাদের কয়রার সকল ইউনিয়ন এবং গ্রাম সম্পর্কে জানব। তবে এখানে অনেক ভুলও থাকতে পারে যদি কোন তথ্য সমস্যা মনে হয় অনুগ্রহ পূর্বক ভুল ধরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ রইল। আজ জানব সর্ব দক্ষিনের দক্ষিন বেদকাশী ইউনিয়ন এর কিছু গ্রাম সম্পর্কে। আপনি আপনার গ্রাম সম্পর্কে জানতে চাইলে ইউনিয়ন লিখে পোষ্ট করবেন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাকঃ

আয়তনঃ
কয়রা উপজেলার ইউনিয়ন গুলোর তুলনায় এটি একটি ছোট্ট ইউনিয়ন। এর আয়তন -২৪ .১৬ বর্গ কিলোমিটার।

লোক সংখ্যাঃ
দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়ন জন বা লোক সংখ্যার দিক থেকে এর স্থান ৬ষ্ঠ। এ ইউনিয়নের মোটলোক সংখ্যা=২৮,৭০০ জন। তম্নধ্যে পুরুষের সংখ্যা মোট=১৪৩৯৭ জন এবং মহিলার সংখ্যা মোট = ১৪৩০৩ জন।

জন সংখ্যার ঘনত্বঃ
দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আয়তন ও লোক সংখ্যা কম। তারপরও দেখা যায় এখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটার ১৭৬৭.২৪ জন লোক বাস করে।

গ্রামের সংখ্যাঃ
দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের আয়তন কম হলেও এ ইউনিয়নে গ্রামের সংখ্যা ১২ টি। যথা- (১) গোল খালী (২) ঘড়িলাল (৩) মাটিয়া ভাঙ্গা (৪) আংটিহারা (৫) ছোট আংটিহারা (৬) জোড়শিং (৭) পাতাখালী (৮) দক্ষিণ বেদকাশী (৯) চরামুখা (১০) মেদের চর (১১) বীনা পানি (১২) হলুদ বুনিয়া।

১) আংটিহারা গ্রামঃ

এ গ্রামটি দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত। এ গ্রামের পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে গেছে শাকবাড়িয়া নদী। কয়রা উপজেলার সর্ব দক্ষিণে অবস্থিত আড় পাঙ্গাসিয়া নামক বিখ্যাত নদী। এই আড়পাঙ্গাসিয়া নদী থেকে শাকবাড়িয়া নদীর ঊৎপত্তি। শাকবাড়িয়া নদীটি আড়পাঙ্গাসিয়া থেকে উৎপত্তি হয়ে উপজেলার পূর্ব পাশ দিয়ে সুন্দরবন ও লোকালয়কে বিভক্ত করে দক্ষিণ প্রান্ত থেকে উত্তর সীমান্ত পর্যন্ত চলে গেছে। শাকবাড়িয়া নদীর কূল বরাবর উত্তর দক্ষিণ লম্বা আংটিহারা গ্রাম। ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দে এছম শেখ সাতক্ষীরা জেলার কাশীমাড়ী গ্রাম থেকে এ আয়টিহারা গ্রামে এসে (সর্ব প্রথম) জঙ্গল কেটে আবাদ শুরু করে। এছম শেক, ফটিক গাজী সহ মোট ৮ (আট) ঘর লোক এখানে এসে জঙ্গল কেটে বসবাস আরম্ভ করে। আংটিহারা গ্রামে সর্ব প্রথম শেখ বংশ আধিপত্য বিস্তার করায় এই শেখ বংশের নামানুসারে নদীর নাম হয় শেখবড়িয়া। পরে শেখ বাড়িয়া থেকে হয় শাকবাড়িয়া নদী। আংটিহারা গ্রামের লোক সংখ্যা মোট ২২১২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১১২০ জন এবং মহিলা ১০৯০ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ১৭৯৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮৯৫ জন এবং মহিলা ৮৯৮ জন। গ্রামের লোক সংখ্যার সধ্যে বেশীর ভাগ মুসলমান। যদিও আংটিহারা গ্রামটি কয়রা উপজেলার সর্ব দক্ষিণে সুন্দরবনের কোলে প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত, তথাপি এর একটা বিশেষ গুরুত্ব আছে। কেননা বাংলাদেশের দক্ষিণাংশ দিয়ে সাগর বা নদী পথে এ দেশে জাহাজ প্রবেশের একমাত্র পথ এ আংটিহারা নামক স্থান। বিশেষ করে ভারত থেকে সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে যে সমস্ত জাহাজ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে মোংলা বন্দরে আসে, তাদের একমাত্র প্রবেশ পথ এই আংটিহারা।

২) ছোট আংটিহারা গ্রামঃ

দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নে আয়টিহারা নামে ২টি গ্রাম। গ্রাম দুটিকে পৃথক করে বুঝানোর জন্য একটির নাম করণ করা হয়েছে ছোট আংটিহারা। তাই বলে অপরটির নাম বড় আংটিহারা রাখা হয়নি। অর্থাৎ একটির নাম আংটিহারা এবং অপরটির নাম ছোট আংটিহারা। আংটিহারা গ্রামের পরেই অবস্থান এ ছোট আংটিহারা গ্রামের। আয়টিহারা গ্রামের নাম করণ সম্বন্ধে লিখিত কোন তথ্য, প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে লোক মুখে জানা যায় যে, এ গ্রামে সর্ব প্রথম যখন বন কেটে আবাদ করা হয়, তখন বন কাটার সময় জনৈক ব্যক্তির হাতের আংটি হারিয়ে যায়। সেই থেকে আংটিহারা কে কেন্দ্র করেই এ গ্রামের নাম করণ করা হয় আংটিহারা গ্রাম। এ গ্রামের লোক সংখ্যা মোট- ১২৭৩ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ৬৩৫ জন এবং মহিলা ৬৩৮ জন। ভোটার সংখ্যা মোট ৩৯৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ১৮০ জন এবং মহিলা ২১৬ জন। লোক সংখ্যার মধ্যে অধিকাংশ মুসলমান।

৩) জোড়শিং গ্রামঃ

জোড়শিং গ্রামটি আংটিহারা গ্রামের উত্তর দিকে অবস্থিত। গ্রামটি উত্তর- দক্ষিণ লম্বা। গ্রামের উত্তর মাথায় শাকবাড়িয়া নদী। নদীর ধারে ওয়াপদার রাস্তা। এখানে একটি স্লুইজ গেট আছে। স্লুইজ গেট থেকে জোড়শিং গ্রামের সামনে দিয়ে একটি খাল প্রবাহিত হয়েছে। উক্ত খালের দুপারেই গ্রাম। গ্রামের উত্তর মাথায় জোড়শিং বাজার বা হাট। এখানে ওয়াপদার রাস্তার নিচে সপ্তাহে ২দিন র্অথাৎ সোম ও শুক্রবার হাট বসে। এ ছাড়া প্রতিদিন বাজার বসে। অনেক গুলো বসতি দোকান আছে। সুন্দরবনের মধ্যে কর্মজীবী- বাওয়ালী, মউয়ালী, মৎস্যজীবী ও অন্যান্য পেশার লোকজন সহ ফরেষ্ট ষ্টেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ও এখানে এ বাজারে বা হাটে আসে তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র কেনা-কাটার জন্য। জোড়শিং গ্রামের নাম করণের ক্ষেত্রে জনশ্রুতিতে যা জানা যায়, জোড়শিং গ্রামের মধ্য দিয়ে একটি খাল দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে চলে গেছে। উক্ত খালের মাথায় যেয়ে খালটি দুভাগে বিভক্ত হয়ে দু’দিকে চলে গেছে। খালটির মাথা এমন ভাবে ভাগ হয়ে গেছে দেখলে ঠিক যেন মনে হয় গরু বা মহিষের জোড়া শিং এর মতন। আর অবিকল জোড়া শিং এর মত দখায় বলে এই নামানুসারে গ্রামের নাম করণ হয় জোড়শিং র্অথাৎ জোড়াশিং থেকে জোড়শিং। এ গ্রামের সর্ব প্রথম জমিদার দেবেন্দ্রনাথ সরকার ভারতের রাঁচী থেকে এখানে আসেন। তিনি এখানে জঙ্গল কেটে আবাদ করার জন্য রাঁচী থেকে আদিবাসী বা মুন্ডা বাঁকা সরদারের নেতৃত্বে কিছু লোক (মুন্ডা সম্প্রদায়) নিয়ে আসেন। তারপর তাদের দ্বারা এখানে আবাদ পত্তন শুরু হয়। জোড়শিং বাজারের পশ্চিম দিকে কিছুদূরে অর্থাৎ পাতাখালী গ্রামের পূর্ব মাথায় ছিল কাছারী বাড়ি (শাকবাড়িয়া নদীর পাশে ছিল এ কাছারী বাড়ি)। বর্তমান তা নদীগত হয়ে গেছে। এই কাছারীতে জমির কর-খাজনা দিত অত্র এলাকার জমিদারের প্রজারা।

৪) পাতাখালী গ্রামঃ

পাতাখালী গ্রামটি জোড়শিং গ্রামের পশ্চিম দিকে অবস্থিত। গ্রামটি পূর্ব- পশ্চিম লম্বা। পাতাখালী গ্রামের নাম করণের সঠিক ইতিহাস পাওয়া যায় না। তবে জনশ্রুতিতে জানা যায় যে, এখানে এক সময় জঙ্গল ছিল। অর্থাৎ সুন্দরবনের অংশ বিশেষ। আর সম্ভবতঃ এ এলাকাতে শুধু পাতা ভরা ছিল। কারণ হিসেবে বলা যায়, সুন্দরবনের মধ্যে এক এক জায়গায় এক এক রকম গাছ পাওয়া যায়। দেখা যায় যেখানেগরান বন; সেখানে বেশ কিছু জায়গা জুড়ে শুধু গরান গাছ। আবার যেখানে কেওড়া বন, সেখানে অনুরুপ জায়গা জুড়ে শুধু কেওড়া গাছ। এমনি ভাবে হেতাল বন, হুদু বন, গোলপাতার বন ইত্যাদি। পাতাখালীতে ও অনুরুপ গোলপাতার বন ছিল বলে অনুমান করা হয়। এখানে শুধু গোল পাতা ছিল বলে গোল শব্দটি বাদ দিয়ে পাতা রাখা হয়েছে। আর এ কারনে এ গ্রামের নাম করণ করা হয়েছে পাতাখালী গ্রাম। গ্রামের লোক সংখ্যা মোট ৯৬৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৬৫ জন এবং মহিলা ৫০১ জন। ভোটার সংখ্যা ৫৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৫৯ জন এবং মহিলা ৩১২ জন। গ্রামের লোক সংখ্যার সবাই মুসলমান।

৫) দক্ষিণ বেদকাশী গ্রামঃ

এ গ্রামের নামানুসারে ইউনিয়নের নাম করণ। এ গ্রামটি ইউনিয়নের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত। উত্তর-দক্ষিণ বরাবর লম্বা। গ্রামের লোক সংখ্যা ১৬৬৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮৬৭ জন এবং মহিলা ৭৯৭ জন। ভোটার সংখ্যা ১০৮৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ- ৫২৭ জন এবং মহিলা ৫৫৮ জন। এ গ্রামের লোক সংখ্যার মধ্যে অধিকাংশই মুসলমান।

৬) গোলখালী গ্রামঃ

গোলখালী গ্রামটি দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের দক্ষিণ সীমানায় অবস্থিত। অর্থাৎ এ গ্রামের দক্ষিণ পাশেই রয়েছে বিখ্যাত নদী আড়পাঙ্গাসিয়া। তারপর রয়েছে অবারিত জঙ্গল সুন্দরবন আর বঙ্গোপসাগর। গোখখালি গ্রামের নাম সম্বন্ধে জানা যায়, এখানে গোলপাতার বাগান ছিল। তাই সেই শুধু বা খালি গোলপাতা থাকার কারণে নাম করণ করা হয়েছে গোলখালী গ্রাম। গ্রামটি পূর্ব পশ্চিমে লম্বা। এ গ্রামের লোক সংখ্যা মোট ২৮৬৩ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ১৪৪৫ জন এবং মহিলা মোট ১৪১৮ জন। ভোটার সংখ্যা মোট ১৬৯৪ জন। এর মধ্য পুরুষ ৮১৮ জন এবং মহিলা ৮৭৬ জন।

৭) মাটিয়া ভাঙ্গা গ্রামঃ

গোলখালী গ্রামটি দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অর্থাৎ আড়পাঙ্গাসিয়া ও কপোতাক্ষ নদের মোহনায় অবস্থিত। এ গ্রামের নাম করণ সম্বন্ধে যা জানা যায় তা হলো, গ্রামটি দুই নদীর মোহনায় অবস্থিত। ফলে দুই নদীর গভীর খর স্রোতের কবলে পড়ে গ্রামের মাটি ভেঙে নদীতে যায়। বার বার এ মাটি ভাঙার কারণে গ্রামের নাম করণ করা হয় মাটিয়া ভাঙ্গা গ্রাম।গ্রামটি ছোট। এখানে মোট লোক সংখ্যা ১০৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৩৭ জন এবং মহিলা ৫০৩ জন। ভোটার সংখ্যা মোট ৬২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩১০ জন এবং মহিলা ৩১৮ জন।

৮) ঘড়িলাল গ্রামঃ

ঘড়িলাল গ্রামটি দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত। গ্রামের পশ্চিম পাশেই কপোতাক্ষ নদ। ঘড়িলাল গ্রামের নাম করণ সম্পর্কে জানা যায় যে, এ গ্রামটি নদীর পাশেই অবস্থিত। এখানে এক সময় খুব জঙ্গল ছিল। তাছাড়া নদীর চরে জঙ্গল থাকাটাই স্বাভাবিক। কাজেই এ চরে তখন কুমীরের ন্যায় এক প্রজাতির ঘড়িয়াল বাস করতো প্রচুর। এই ঘড়িয়াল থেকে পরবর্তীতে গ্রামের নাম করণ হয়েছে ঘড়িলাল। অর্থাৎ ঘড়িয়াল হয়েছে ঘড়িলাল। ঘড়িলাল গ্রামের লোক সংখ্যা ১৬৫১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৮৪৫ জন এবং মহিলা ৮০৬ জন। ভোটার সংখ্যা মোট ৯৬৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৭৮ জন এবং মহিলা ৪৮৬ জন।

৯) চরামুখা গ্রামঃ

দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত চরামুখা গ্রাম। গ্রামটি উত্তর দক্ষিণ বরাবর। গ্রামের নাম করণ সম্বন্ধে জানা যায় যে, এ গ্রামের পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবাহিত কপোতাক্ষ নদ। এ গ্রামের পাশেই নদের মুখে চর পড়ায় সেই অনুসারে এই গ্রামের নাম করণ হয়েছে চরামুখা। অর্থাৎ চর থেকে চরা এবং মুখ থেকে মুখা। গ্রামের নাম চরামুখা। গ্রামের লোক সংখ্যা ১০৯৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৮৯ জন এবং মহিলা ৫০৭ জন। ভোটার সংখ্যা মোট ৬৫০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩২৪ জন এবং মহিলা ৩২৬ জন। গ্রামের লোক সংখ্যার মধ্যে বেশীর ভাগ হিন্দু।

১০) মেদের চর গ্রামঃ

মেদের চর নামক গ্রামটি চরামুখা গ্রামের পাশেই অবস্থিত। ছোট একটি গ্রাম। মেদের চর গ্রামের নাম করণে জানা যায়, ‘মেদে’ অর্থ নির্জীব বা নিস্তেজ। অর্থাৎ যে চরটি নিস্তেজ। সেখানে স্রোতের গতিগীন। সেই মেদের চর থেকে এ গ্রামের নাম করণ। কেননা এ গ্রামটি এই চরেই অবিস্থত। গ্রামের লোক সংখ্যা মোট ৫৪৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২৬২ জন এবং মহিলা ২৮৭ জন। এ গ্রামের অধিকাংশ লোক হিন্দু। ভোটার সংখ্যা- ৩৯৭জন। এর মধ্যে পুরুষ-১৮৬ জন এবং মহিলা ২১১জন।

১১) হলুদ বুনিয়া গ্রামঃ

দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের মধ্যে হলুদ বুনিয়া একটি ছোট্র গ্রাম। চরামুখা গ্রামের উত্তরে অবস্থিত এ গ্রামটি। উত্তর-দক্ষিণ লম্বা। এ গ্রামের নাম করণের ক্ষেত্রে জানা যায় এ গ্রামের অধিকাংশ লোক কৃষক। তারা কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। আর তাদের মধ্যে বেশীরভাগ লোক হলুদ বুনতো বা হলুদের চাষ করতো। সেই হলুদ বোনা থেকে পরবর্তীতে গ্রামের নাম করণ করা হয়েছে হলুদবুনিয়া গ্রাম। গ্রামের লোক সংখ্যা মোট ৭০১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৩৬৭ জন এবং মহিলা- ৩৩৪ জন। ভোটার সংখ্যা ৪৩৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ- ২০৯জন এবং মহিলা ২২৬ জন।

১২) বীনা পানি গ্রামঃ

পাতাখালী গ্রামের উত্তরে অবস্থিত বীনা পানি গ্রাম। এ গ্রামের পূর্বে নাম ছিল বেদকাশী ৫নং গ্রাম। কিন্তু ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে উক্ত গ্রামের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বীনা পানি গ্রাম। যেহেতু এ গ্রামটি দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র হিন্দু অধ্যুষিত গ্রাম। যেখানে কোন মুসলমানের বসবাস নেই। আর এই সম্পুর্ণ হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাসকারী গ্রাম হেতু এর নাম করণ হয়েছে হিন্দুদের বিদ্যার অধিষ্ঠাত্রী দেবী স্বরসতীর নামে। ‘বীনা’ অর্থ বাঁশি আর পানি অর্থ হাত অর্থাৎ যার হাতে বাঁশি। এখানে উল্লেখ্য যে, স্বরসতীর হাতে বাঁশি দেখতে পাই। তিনি রাজ হংসের পিঠের উপর বসে পদ্মফুলের উপর পা রেখে হাতে বীনা বা বাঁশি নিয়ে আছেন। যাহোক হিন্দু ধর্মের বিদ্যার দেবীর নামে এ গ্রামের নাম করণ করা হয়। গ্রামটি দক্ষিণ বেদকাশী ইউনিয়নের উত্তর সীমানায় অবস্থিত। এ গ্রামটি পূর্ব-পশ্চিমে লম্ব। গ্রামের পূর্ব মাথায় শাকবাড়িয়া নদী।

ধন্যবাদ।

আজ থেকে শুরু হয়েছে ২ দিন ব্যাপী ১৮৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী বনবিবির মেলা।স্থানঃ চরামূখা গেটের পার্শ্বে, দক্ষিন বেদকাশী, কয়রা, খ...
15/01/2021

আজ থেকে শুরু হয়েছে ২ দিন ব্যাপী ১৮৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী বনবিবির মেলা।
স্থানঃ চরামূখা গেটের পার্শ্বে, দক্ষিন বেদকাশী, কয়রা, খুলনা, বাংলাদেশ

Address

Thana Road , Koyra
Khulna
9290

Telephone

01923572948

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কয়রা, খুলনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to কয়রা, খুলনা:

Share