Ebagbd.com

Ebagbd.com Oficial Website Verified

06/06/2022

স্বামী স্ত্রীর জন্য কিছু উপদেশ ও নছিহত।❤
✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪✪
১)যে ঘরে স্বামী স্ত্রী একি কম্বলের নিচে ঘুমাবেন,
ঐ ঘরে আল্লাহ রহমত নাজিল হতে থাকে।
--বুখারী।
২)যে ঘরে স্বামী ও স্ত্রী এক সাথে তাহাজ্জুদ এর
নামায পড়বে, সে ঘরে জীবনে কোনো দিন অশান্তি
হবেনা"-- বুখারী ও মুসলিম।☆
৩)যে স্বামী তার স্ত্রীকে এক লোকমা
ভাত খাইয়ে দিবে,
আল্লাহ ঐ স্বামীর ছগীরা গুনাহগুলো মাফ করে দিবেন। এবং যে স্ত্রী তার স্বামীকে এক লোকমা
ভাত খাইয়ে দিবে, আল্লাহ ঐ স্ত্রীর ছগীরা গুনাহগুলো মাফ করে দিবেন। এবং প্রতি লোকমার বিনিময়ে ১০০০ নেকি উভয়ের আমলনামায় দান করবেন।
-- মুসলিম শরীফ.☆
৪)যে ঘরে স্বামী ও স্ত্রী একই প্লেটে খাবার খাবে যতক্ষণ খাবার খেতে থাকবে ততক্ষণ তাদের আমলনামায় সওয়াব লিখা হয়।
-- তিরমিজি।☆
৫)স্বামী ও স্ত্রী যখন একই বিছানায় শয়ন করে বা বসে অথবা, গল্প করে,হাসি খুশি কথা বলে, তখন প্রতিটা মিনিটে এবং সামী স্ত্রীর প্রতিটা কথাতে প্রতিটা সেকেন্ডে তাদের আমল নামায় ১০ টা করে নেকি লিখা হয়।
__আবু দাউদ ( স্বামী স্ত্রী অধ্যায়)☆
৬)যে স্ত্রী তার স্বামীকে সকালে ঘুম থেকে জাগিয়ে পবিত্র করে ফজরের সালাতে মসজিদে পাঠিয়ে দেয়, ঐ স্ত্রীর প্রতি স্বামীর অন্তরে আল্লাহর তরফ থেকে ভালোবাসার নুর পয়দা হয়"।
--বুখারী শরিফ।☆
৭)যে স্বামী তার স্ত্রীকে একবার চুমু
দিবে এবং যে স্ত্রী তার স্বামীকে একবার চুমু দিবে,
প্রতিটা চুমুর বিনিময়ে ১০০ টা নেকি তাদের আমলনামায় লিখা হয়।
---মুসনাদে আহমদ (স্বামী স্ত্রী অধ্যায়)☆
৮) যে স্বামী তার স্ত্রীর নিকট গমন করে
এবং শারীরিক মিলনের আগে ২ রাকাত নামাজ পড়ে নেয় ও রাসুল সঃ এর সুন্নত মতো স্ত্রীর সাথে শারীরিক মিলন করে তাদের প্রতিবার মিলনে একটি উট কুরবানি করার সওয়াব তাদের উভয়ের আমল নামায় লিখা হয়।
--বায়হাকী ( স্বামী স্ত্রী ও পারিবারিক অধ্যায়)..☆
৯)যে স্বামী তার স্ত্রীকে কোরঅানের এলেম শিখাবে, এবং নিজেও শিখবে এবং সে অনুযায়ী আমল করবে আল্লাহপাক মৃত্যুর পর তাদেরকে জান্নাত দান করবেন।
১০)যে সন্তান তার পিতামাতার
ভরণ পোষন করবে বা সেবা করবে,
এবং নিজ স্ত্রীর ইজ্জতের হেফাজত করবে তাদের জীবনের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
-- মুসলিম শরীফ।।
🕋হে আল্লাহ সকল স্বামী স্ত্রীদের মধ্যে মুহাব্বত ভালবাসা বাড়িয়ে দিন,।।।
----------------আমিন🤲

02/06/2022

বাচ্চার মায়েদের জন্য
❤️❤️❤️❤️❤️❤️
গলায় খাবার আটকে যাওয়া & শিশুর শ্বাস নিতে না পারা (বাচ্চাকে খাবার খাওয়ানোর আগে যা জানা মাস্ট দরকার)
আমার ধারণা ছোট বাচ্চাদের মহাবিপদ যা আছে এটা তারমাঝে প্রথম দিকে। কোনো কিছু যদি বাচ্চার গলায় আটকে যায় & বাচ্চা শ্বাস নিতে না পারে আপনি মূহুর্তের মাঝে আপনার সন্তান হারাবেন (আল্লাহ মাফ করুন)। আপনি ডাক্তারের কাছে নিতে নিতে বা হসপিটালের ইমার্জেন্সিতে নিতে, বাসার পাশেও যদি হসপিটাল হয় যেতে যে টাইম লাগবে শিশু শ্বাস আটকে এতোক্ষণ থাকতে পারে না। এই লেখাটা লিখছি আর আমার দম আটকে আসছে কজ এই অবস্থা মাত্রই আমি সাফার করেছি। আল্লাহর রহমতে আমার বেবির হায়াত & আগে থেকেই এই বিষয়ে সতর্ক থেকে নেট ঘেটে নলেজ রেখেছি বলে বাচ্চা আমার বেঁচে আছে।
আমার বাচ্চা আঙুর খেতে & সবার সাথে বসে খেতে খুব পছন্দ করে। ওর বয়স ১০ মাস। ইফতারির টেবিলে আমাদের সাথে বসে এটা ওটা টান দিয়ে ফেলে দেয়, লাফালাফি করে, এটা সেটা খেতে চায় ও। খেজুর খাইয়ে তারপর আঙুর খাওয়াচ্ছিলাম সেদিন। খেজুর, আঙুর সবই উপরের চামড়ার মতো আবরণটা ছিলে অল্প করে বেবির মুখে দেই। সে সুন্দর তার মাড়ি দিয়ে একটু চিবায় তারপর খায়। সে সবার দিকে তাকিয়ে হাসছিলো আর একটু করে কামড়ে নিয়ে খাচ্ছিলো। হঠাৎ অতিরিক্ত খুশিতে সে না চিবিয়ে গিলে ফেলে নাকি টুকরোটা সামান্য বড় হয় বলতে পারিনা হঠাৎ দেখি বাচ্চা লাফালাফি হাসা অফ করে স্ট্যাচু হয়ে গেছে। আমার বাচ্চা মারাত্মক শক্ত বাচ্চা, ইনজেকশনে বা ব্যথা পেলেও কাঁদেনা। সে একেবারে শক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলো আর শ্বাস নিতে পারছিলো না। অক্সিজেনের অভাবে প্রচন্ড কষ্টে চোখ থেকে পানি পরা শুরু আর পুরো ফেস টকটকে লাল হয়ে গেছে। আমি আতংকে শেষ যে কেমনে বাচ্চাকে বাঁচাবো, সাথে সাথে বেবির বাবা অবস্থা দেখে এসে বাবুকে এভাবে ধরে ধাক্কা দেয় আমার কোলে থাকা অবস্থায় আর আমি মুখটা নিচু করে রাখি এক ধাক্কাতেই খাবারের অংশ টা বের হয়ে আসে আর বাচ্চাটা আমার শ্বাস নিতে পারে। পুরো ঘটনাটি শেষ হতে সময় লাগে সর্বোচ্চ ১ মিনিট। এই লেখাটা লিখতে গিয়েও আমার চোখ দিয়ে পানি ঝরছে & দম আটকে আসছে সেদিনের ঘটনা মনে পরে। কি যে কষ্ট বাচ্চা আমার পেয়েছে বা বর্ননা করা অসম্ভব। বাচ্চার বাবা আগে থেকেই এটা দেখে অনেকবার প্রাকটিস করেছে সেই উছিলায় আল্লাহ আমার জানটাকে আমার বুকে রেখেছেন আলহামদুলিল্লাহ।

31/05/2022

যারা রাত্রে বা ভোরে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম থেকে ওঠেন তাদের জন্য ডাক্তারদের একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ:

আমরা প্রায়ই শুনতে পাই একেবারে সুস্থ একজন মানুষ রাতের বেলা হঠাৎ মারা গেছেন। এটার একটা কারন হচ্ছে রাতে বাথরুমে যাবার জন্য ঘুম ভেঙ্গে গেলে আমরা তাড়াহুড়ো করে
হঠাত উঠে দাঁড়িয়ে পড়ি যা ব্রেইনে রক্তের প্রবাহ হঠাত কমিয়ে দেয়। এটা আপনার ইসিজি প্যাটার্নও বদলে দেয়।

হুট্ করে ঘুম থেকে উঠেই দাঁড়িয়ে পড়ার দরুন আপনার ব্রেইনে সঠিক ভাবে অক্সিজেন পৌছাতে পারেনা, যার ফলে হতে পারে হার্ট এ্যাটাকের মত ঘটনাও।

ডাক্তাররা ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার আগে সবাইকে 'দেড় মিনিট' সময় নেয়ার একটি ফর্মুলা দিয়েছেন।

এই দেড় মিনিট সময় নেয়াটা জরুরি কারন এটা কমিয়ে আনবে আপনার আকস্মিক মৃত্যুর সম্ভাবনা।

হঠাত এই উঠে পড়ার সময়ে এই দেড় মিনিটের ফর্মুলা বাঁচিয়ে দিতে পারে আমাদের জীবন।

১।যখন ঘুম থেকে উঠবেন, হুট করে না উঠে মিনিমাম তিরিশ সেকেন্ড বিছানায় শুয়ে থাকুন।

২।এরপর উঠে বিছানায় বসে থাকুন তিরিশ সেকেন্ড।

৩।শেষ তিরিশ সেকেন্ড বিছানা থেকে পা নামিয়ে বসুন।

এই দেড় মিনিটের কাজ শেষ হবার পর আপনার ব্রেইনে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন পৌছাবে যা আপনার হার্ট এ্যাটাকের ঝুঁকি একদম কমিয়ে আনবে।

খুবই গুরুত্তপুর্ন এই স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্যটি‌ ছড়িয়ে দিন আপনার পরিবার,বন্ধু এবং পরিচিত লোকজনের মাঝে। নিজে এই ফর্মুলাটি মেনে চলুন এবং অন্যদেরকেও মানতে বলুন।

মনে রাখবেন যেকোন বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেই এমন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তাই সাবধান থাকতে হবে সবাইকেই।
©

Address

Moghbazar
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ebagbd.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share