Akanto Marak

Akanto Marak একান্তই সবার মাঝে থাকবো
(1)

05/11/2025

একটা মেয়ে কে আপন করে পাওয়ার নেশায় একটা ছেলে দিন মজুরির কাজ করেছিলো!
ঢাকা শহরের কোন এক ছোট খাটো এলাকায় থাকতো ছেলেটা শহরে থেকে, হোষ্টেলে থেকে বেশি একটা পরিশ্রম এর কাজ করে নাই ছেলে টা! আরাম আয়েশে থাকতো বাবা মার এক মাত্র সন্তান তাও আবার ছেলে! অনেক আদরের ছেলে! ভারি কোন কাজ করেনি ছেলেটি! কাজ করার মধ্যে লেখা পড়া আর আড্ডা দেওয়া শিখেছে! ছেলের নাম ছিলো স্নিগ্ধ... যেমন তার নাম তেমনি স্নিগ্ধতায় বড় হয়েছে! ছেলে কেমন করে জানি একটা ফেসবুকের অপরিচিত মেয়ের সাথে কথা বলতে শুরু করে! হায় হেলো থেকে ভালবাসায় পরিনত হয়! প্রেম ভালবাসা ভালোই চলছিলো! শুধু ফেসবুকে কথা হতো ছবি আদান প্রধান হতো! অন্য গল্পে যেমন মেয়েদের চাহিদা থাকে বেশি তেমনি ঐ মেয়েটিরও দিন দিন চাহিদা বাড়তে থাকে! আজকে বলে ফোন নষ্ট ঠিক করতে হবে টাকা পাঠাও, কালকে বলে আমার কলেজে পরে যাওয়ার মত কোন জামা নেই টাকা লাগবে! অথচ তাদের এখনও কোন দেখা সাক্ষাৎ হয়নি বা করেনি! স্নিগ্ধ ঐ মেয়ের চাহিদা পুরণ করে যখন যা লাগে মেয়েটিকে দিয়ে দেয়। বলা চলে চাহিবা মাত্র দিতে বাধ্য থাকিবে! এমন করে করে অনেক দিন যায়!
চাহিদা পুরণ করে করে স্নিগ্ধ ক্লান্ত! চাহিবা মাত্র যদি না দেওয়া হয় তাহলে ব্রেকআপ এর হুমকি দেয় এক প্রকার মানসিক টর্চার! স্নিগ্ধ এমনই ভালোবেসে ফেলেছিলো তাকে না পারে ছাড়তে আর না পারে কিছু বলতে! একদিন মেয়টা বাইনা ধরে যে আমাদের কলেজের সব মেয়ে বন্ধু গুলো কক্সবাজার যাবে আগামী মাসের ১০তারিখে টাকা লাগবে ৭হাজার! স্নিগ্ধ পরে বেকায়দা তে! সেও লেখা পড়া করে স্নিগ্ধ তার টিফিন এর টাকা বাঁচিয়ে, বাবার পকেট মেয়ে বা অন্য কোন উপায়ে মেয়ের আবদার পুরন করে এখন ও বড় একটা অংক!!! কিভাবে সম্ভব এত গুলো টাকা ম্যানেজ করতে? ওর কাছে তার কাছে টাকা ধার চাই কেউ দেয়না! ছেলে কোনদিন পরিশ্রম এর কাজ করেনি যে সে দিন মজুরির কাজ করবে!!! লেখা পড়া আড্ডাতে তেই পারদর্শী! তাও সাহস করে ভালবাসা কে টিকিয়ে রাখবে বলে রাজ মিস্তিরির হেলপার এর কাজ করে মজুরি ৫০০টাকা! যেভাবে হোক তার প্রেমিকাকে কক্সবাজার বাজার পাঠাবে! এত শক্ত কাজ সে কোন দিন করেনি প্রথম দিন যায় গিয়ে দেখে ২০/২৫বস্তা বালি ৪তলায় তুলতে হবে মাথায় হাত তাও জোর করে সে ৪তলায় নিয়ে যায়। একে একে সিমেন্ট এর বস্তা নিয়ে যায় ইট নিয়ে যায়! সারাদিন গেলো কষ্ট করে! যা আগে সে করেনি! ধকল গেলো তার শরীরে বিকেলে এসে বিশ্রাম নেয় পরের দিন উঠতে পারেনা সে! তাও জোর করে উঠে চলে যায় কাজে অভ্যাস হয়ে যাবে বলে মনে মনে স্থির করে! তাকে পারতেই হবে টাকা জোগার করতে হবে বলে!
এভাবে অনেক কষ্ট করে টাকা জোগার করে সে!
টাকা জোগার করে কামাই করে দিয়ে দেয়! মেয়েটিকে! মেয়েটি কক্সবাজার এর নাম করে যে গেলো আর ফিরে আসেনি।। মোবাইল বন্ধ যোগাযোগ এর কোন মাধ্যম ছিলো না স্নিগ্ধ এর কাছে! আর তাকে দেখেও নি পর্যন্ত! দিন যায় সপ্তাহ যায় স্নিগ্ধ ভেঙে পড়ে! কি হলো না হলো কি করছে না করছে? কিছুই জানতে পারছেনা প্রায় পাগলের মত হয়ে যায় স্নিগ্ধ! সপ্তাহ খানেক পরে জানতে পারে মেয়েটি তাদের গ্রামের কোন এক ছেলে কে নিয়ে পালিয়েছে! পালিয়ে সংসার করছে!
(১ম) পাঠ
দিন মজুরির প্রেম কাহিনী
একান্ত রেমা

05/11/2025

আমরা যারা গাজীরভিটা ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত তারা মনে হয় আন্দাখালি বিলের কথা ভুলে গেছি, 🥹 আমিও তেমন কিছু দেখিনি অর্ধেক এরও অর্ধেক দেখেছি তবে নানা (আচ্চু) এর কাছ থেকে শুনেছি এই বিল টা অনেক বড় ছিলো এখন বিলের চিহ্ন ছিতে ফোটাও নেই আছে শুধু খাল। তাও ছোট হয়েগেছে। ধান ক্ষেত হয়েগেছে!
আগে অনেক বড় বড় কচুরিপানা ছিলো অনেক বড় বোয়াল,কাতল,চিতল পাওয়া যেতো,কৈ, শিং, মাগুর আরো নানান রকমের মাছ ছিলো!! এই বিলের আশেপাশে নাকি অনেক হাজং পরিবার ছিলো এবং গ্রামও ছিলো গ্রামের নাম মনে পড়ছে না তবে এই গ্রামের নামে মোজা আছে! হয়তো মানচিত্র দেখলে জানা যাবে গ্রামের নাম!আর যারা জানেন বা জানতেন আপনারা কমেন্ট করে জানাবেন!!! ছোট কালে যেতাম শামুক কুড়াতে নানার সাথে! নানার কাধে করে! ঐ আন্দাখালি বিলে কাঁদায় খেলতাম আর নানা শামুক কুড়াতো, মাছ ধরতো, আমি শুধু কাদা পানিতে খেলতাম! 🫣 নানা অনেক শামুক আর মাছ ধরে আনতো! ভিজিয়ে রাখতো সকাল বেলা আমার নানি(আম্বি) রান্না করতো সবাই মিলে খেতাম! এখন সেই সবই এখন স্মৃতি! মাছ তো দূর এখন ব্যঙ পর্যন্ত পাওয়া যায়না! এখন মাঝে মাঝে যায় কুচিয়া মাছ ধরতে সেই বিলে! পাওয়া যায়না এখন আগের মত সার,বিষ দিয়ে সব কিছু ধ্বংস করে ফেলছি আমরাই! আগে যে বড় বড় জোক ছিলো তাও এখন হয়তো দেখা যায়না! একদিন শামুক আর মাছ কুড়িয়ে নিয়ে আসার সময় আমার পায়ে অনেক বড় জোক কামড় দিয়েছিলো আমি তের পায়নি নানার কাধে ছিলাম পরে নানা বলতেছে যে এত রক্ত কোথা থেকে পরতাসে?? পরে দেখে আমার পায়ে অনেক বড় জোক বসে রক্ত খাচ্ছে আমি তো ভয়ে কান্না করতে করতে একখান! আমরা বলি সামসুকুড়ি বাংলায় কি যেনো বলে বন্য লতা নাকি ঐ পাতা আর লত দিয়ে আমার জোক কামড়ের ক্ষত স্থানে লাগিয়ে রক্ত বন্ধ করে! এর পর থেকে হয়তো আর যায়নি নানার সাথে শামুক কুড়োতে বা মাছ ধরতে! আর লজ্জা পেতাম শামুক কুড়িয়ে আনার সময় বাঙালি ভাই গুলো বলতো অমুক তমুক শামুক খায়! ব্যঙ খায়! ব্যঙ্গ করতো! আর এখন দেখি আমরা আদিবাসীরা কি খায়?? বাঙালিরা এখন দ্বিগুণ খায়! 🤣 আগে বলে গরুর নাড়িভুড়ি ফেলে দিতো বাঙালি ভাইয়ারা। এখন তাদের জন্য হয়ে আসেনা! এখন ৩৫০টাকা কেজি 🤣🤣🤣 কাকড়া খায়তো না মাছের জালে বা বরশিতে বাজলে আমাদের ডেকে নিয়ে দিয়ে দিতো আর এখন কাঁকড়া ও হয়ে আসেনা!! 🤣🤣 হায়রে বাঙালি?? কয়েকদিন পর ব্যঙ খুঁজে পাওয়া যাবে কিনা বাংলাদেশে?? কে জানে? যারা খায় তারা তো বলে কবুতরের মাংসের মত স্বাদ! 😁😁😁

29/10/2025

ফলো বেক দিলে আনফলো করে চলে যায়??
কি একটা অবস্থা 🤬
শুভ সকাল 💕

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! ইয়াছিন মিডিয়া, Shahidul Hoque, IQBAL HOSSEN JOY, Santos...
29/10/2025

Shout out to my newest followers! Excited to have you onboard! ইয়াছিন মিডিয়া, Shahidul Hoque, IQBAL HOSSEN JOY, Santosh Kumar Yadav, Prabhat Kumar Yadv, MoNobi Rema, Mannu Rawat, Samim Miah, Prakash Rahase, MD Anamul, Sandeep Pushpa, Manik Ahamed, Jahirul Islam, Tumpa Sardar

With Thoughts of Billal 3 – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their top engagers! 🎉
28/10/2025

With Thoughts of Billal 3 – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their top engagers! 🎉

25/10/2025
23/10/2025
শুভ রাত্রি
22/10/2025

শুভ রাত্রি

দাওয়াত রইলো ☺️☺️
22/10/2025

দাওয়াত রইলো ☺️☺️

14/10/2025

পেইজে কাজ করতে ইচ্ছে করেনা! 😔😔

ঢাকা শহরের প্রথম ওয়ানগালা ২০২৫ ☺️☺️
11/10/2025

ঢাকা শহরের প্রথম ওয়ানগালা ২০২৫ ☺️☺️

26/03/2025

With Arpita Nandi – I'm on a streak! I've been a top fan for 5 months in a row. 🎉

Address

Vatara
Dhaka
1212

Telephone

+8801606375235

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Akanto Marak posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Akanto Marak:

Share