Tuhin Abdullah

Tuhin Abdullah Stay with us and know the unknown what you don’t know before
(11)

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
31/01/2025

Celebrating my 3rd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

কত বিষাদে কত বিরহে কত প্রহরে কেটে গেছে এ জীবন ,আহারে জীবন। কিছুকি দেখা যায় ঐ গাছেরো মগঢালে ঝুলে আছে কোন এক মায়ের অতি আদর...
22/01/2025

কত বিষাদে কত বিরহে কত প্রহরে কেটে গেছে এ জীবন ,আহারে জীবন। কিছুকি দেখা যায় ঐ গাছেরো মগঢালে ঝুলে আছে কোন এক মায়ের অতি আদরের হৃদয়ের টুকরোখানি কত অনাদরে😢😢

লোহায় লোহায় ধ্বংঘর্ষ😎না থুক্কু সংঘর্ষ 🤐
19/01/2025

লোহায় লোহায় ধ্বংঘর্ষ😎না থুক্কু সংঘর্ষ 🤐

11/01/2025

Singer:Tuhin Abdullah

09/01/2025

যুক্তিটা ঠিক মগজের ভিতরে আর কাজ করতেছে না ,বাইরোয়া যাইতেছে গা।মুক্তিযোদ্ধা কোটায় কারো চাকরি হলে সেটা আমাদের চোখে জেনারেলদের জন্য বৈষম্য আর ২০২৪ অভ্যূত্থানে আহতদের পুলিশে চাকুরী ফাইনালাইজ করা কি তাহলে জেনারেলদের জন্য বৈষম্য নয়!!

কি জানি জেনজি তো আবার ৫ আগষ্টরে বলে ৩৬ জুলাই। তাদের যুক্তি আর আমাগো যুক্তি এক নাও হইতে পারে...

যুক্তি বিষয়টা আর ইউনিভার্সাল রইলো না এইটা এখন জেনারেশন টু জেনারেশন ডেভিয়েটেড হয়।

07/01/2025

মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষ থেকে কমিয়ে ৩ লক্ষ বলার পিছনে কি মাহাত্ম্য লুকিয়ে আছে ,কেউ বলতে পারবেন? এতে কি বাঙ্গালীর উপরে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বর্বরতাকে কোমল ,তুলতুলে বা আমাদের প্রতি দয়া মনে হবে! নাকী সে সময়ে যারা পাকিস্তানীদের কোলাবোরেটর ছিল তাদের অপরাধকে নমনীয় পর্যায়ে রাখা যাবে?

এই সংখ্যা বাড়ানো কমানোর উপর এত আগ্রহ কেন আপনাদের?

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতের সংখ্যা ৮৫৮ জন অন্তবর্তী সরকার প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে আহতের সংখ্যা প্রায় ১১,০০০(এগারো হাজার) কিন্ত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা টিভি-টকশোতে প্রতিনিয়ত বলে যাচ্ছেন ২০০০ শহীদের রক্তের বিনিময়ে সরকার পতন হয়েছে। এখানেও আমার টেইক-সংখ্যা ২০০০ হউক আর ৮৫৮ এই হত্যাকে কি নরমালাইজ করা যাবে? ২০০০ কেন বলা হচ্ছে,কারণ সংখ্যা বাড়িয়ে বলাতে এই আন্দোলনকে বেশী ডিগনিফাইড করা যায় বলেই উনারা মনে করছেন।শুধু শহর কেন্দ্রিক আন্দোলন ও ক্যাজুয়েল্টির হিসাবই যখন এখনো আপনারা করতে ব্যর্থ হচ্ছেন তখন সারা-বাংলার অজো-পাড়া থেকে ,মফস্বল,উপশহর ,শহর ,সীমান্তে কত শত লাশ শকুন আর শিয়ালে খাবার হয়েছে কতশত বধ্যভূমি আমাদের চোখের সামনে সেগুলোর হিসাব কি ১৯৭১ এর অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা করতে পেরেছিলেন? শেখ মুজিবের ৩ মিলিয়ন মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার দাবিকে বাতিল করতে পারলে আপনাদের লাভ কি?

07/01/2025

|| স্বাধীনতা সমাচার||

খেলার আয়োজন যদি না হয় তবে প্লেয়াররা কি খেলার সুযোগ পায়! যেমন বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজন করে ফিফা আর মাঠে খেলে নেঈমার,মেসি ,রোনাল্ডোরা।ফিফা একটি আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন যার আইনানুগ অধিকার আছে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা আয়োজন করা,এই ক্ষেত্রে মেসি,রোনাল্ডোরা কিন্ত আইনানুগ ব্যক্তি নন ফুটবল খেলা আয়োজনের। আয়োজকরা সকল স্টেকহোল্ডারের সাথে সমন্বয় করে উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী করে দিলেই পরে খেলোয়াররা খেলতে পারে এবং তাদের কারিষ্মা দেখাতে পারে।আয়োজক ও খেলোয়ারের এই পার্থক্যটুকু আশা করি সবাই বুঝেন।একটি খেলা আয়োজন করতে গিয়ে আয়োজককে কি করতে হয় চলুন দেখি-বিশ্বকাপ শুরুর প্রায় এক দুই বছর পূর্ব থেকেই পুরো পৃথিবীর সকল ফিফা র‍্যাংকিং এ থাকা দেশগুলোতে ওয়ার্ল্ডকাপ পরিদর্শন কর্মসুচি চলে। কোন কোন দেশে খেলা অনুষ্ঠিত হবে তার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয় প্রয়োজনীয় ফরমালিটিজ অনুসরন করে। খেলার খরচ মেটাতে কোন কোন দেশ এবং মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানী স্পন্সর হবে সেগুলো ম্যানেজ করে। এইভাবে খেলা উদ্ভোধন ও শেষ করার প্রতিটি মুহুর্ত পর্যন্ত আয়োজক কমিটির ভূমিকা অস্বিকার করলে তো ঐ খেলাকেই অলীক ফ্যান্টাসী মনে হয়। কারন উল্লেখিত কাজগুলো আয়োজক কমিটি ধারাবাহিকভাবে না করলে আয়োজনই হবে না আর আয়োজন না হলে মেসি ,রোনাল্ডো ,নেঈমারদের তো খেলারই সুযোগ নাই। ওরা খেলতে পারবে ঘরোয়া মাঠে কিন্ত পৃথিবীর কোটি কোটি দর্শক সেই খেলা দেখবে না। ফলে,পুরো পৃথিবীর দর্শক যখন খেলা দেখছেনা তখন আর এটিকে বিশ্বকাপ ফুটবল বলার সুযোগও আর থাকেনা।আচ্ছা আপনাদের কাছে প্রশ্ন বিশ্বকাপ ফুটবল সফলভাবে আয়োজন বা শেষ করার জন্য পূর্নাঙ্গ এই সময়কালে ফিফা প্রেসিডেন্ট বা সেক্রেটারী কোথায় কার সাথে ,কিভাবে ,কোন উপায়ে ,কার দ্বারা এবং কার পরামর্শে সম্পন্ন করবে তাদের এই কার্যপ্রণালী কি মেসি ,নেঈমার বা রোনালদো জানবে? আমার তো মনে হয় জানার কথা নয় যদি জানার সুযোগ থাকে তবে তাদের আছে যারা প্রত্যেক্ষভাবে ফিফা প্রেসিডেন্টের তত্ত্বাবধানে খেলা আয়োজন কর্মকান্ডে যুক্ত আছেন।

অনেকক্ষণ খেলা খেলা করছি এতে করে আমার পাঠকদের বিরক্তি চলে আসতে পারে তাই উপরের আলোচ্য ঘটনাবলির আলোকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে একটু ব্যাখ্যা করি। ইপিআর ,পুলিশ ,সেনাবাহিনীর বিভিন্ন রেজিমেন্ট তো মেসি ,রোনাল্ডো আর নেঈমারের মত মাঠের যোদ্ধা খেলোয়ার।বাংলাদেশ কিভাবে স্বাধীন হবে ,কবে স্বাধীন হবে ,কার পরামর্শ ,সহযোগীতায় ,কোন এজেন্ডা বাস্তবায়নের পথ ধরে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে যাবে সেটাতো মাঠের খেলোয়াদের জানার কথা না। এটা জানবে ফিফার মত ঐ সময়ে স্বাধীনতার নেতৃত্বে থাকা মানুষগুলো যাদের মুক্তিযুদ্ধের মত ঘটনার ডাক দেয়ার আইনানুগ অধিকার তৈরী হয়েছিল অথবা জানবে তাদের ঘনিষ্ঠ অনুচর যারা ছিলেন তারা।অনেক আগ্রহ থাকলে বাতাসে কিছু উড়ো খবর থেকে নিজেদের ক্ষুদা হয়তো মেঠাতে পারবেন ইপিআর ,সেনাবাহিনীর লোকেরা কিন্ত আসল ঘটনা জানার সুযোগ তো তাদের জন্য অত্যন্ত ক্ষীণ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ তো দুইটি আলাদা দেশের মধ্যে হয় নাই।এখানকার যুদ্ধ পৃথিবীর ইতিহাসে নজীরবিহীন।দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ চলেছে মুক্তিকামীরা এই মাটিকে শত্রুমুক্ত করার জন্য মরণপণ যুদ্ধ করেছে অথচ এই দেশে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ দুপুর ১২ টা পর্যন্ত পাকিস্তানী প্রশাসন বহাল ছিল। এটা রাশিয়া থেকে ইউক্রেনে মিসাইল ক্ষেপন করার মত যুদ্ধ নয় তাই ওদের যুদ্ধের রণকৌশল আর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের কৌশল কখনোই এক হবে না এবং ছিলও না।শেখ মুজিব বাংলাদেশের স্বাধীকার আন্দোলনের সংগ্রামকে কিভাবে স্বাধীনতা যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ধীরে ধীরে নিয়ে গেছে এর সঠিক ইতিহাস তো পাবেন এইদেশকে স্বাধীন করার জন্য নিউক্লিয়াস গঠন করেছিলো যারা তাদের কাছে ,ইতিহাসের রসদ পাবেন স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের নেতৃবৃন্দের কাছে যারা ২৫ মার্চ রাত অবধি শেখ মুজিবের সাথে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে যোগাযোগ রেখেছেন পরবর্তী একশন কি হবে সেই নির্দেশনা পাওয়ার জন্য। অথচ আপনারা মাঠের নেঈমার যার ফিফা প্রেসিডেন্টের কর্মকান্ড সম্পর্কে ধারণা থাকলেও একচুয়ালী উনি কোন উপায়ে কোন পদ্ধতি অবলম্বন করে কাজটা করতে চাচ্ছেন সে কথা জানার কথা নয় তেমনি একজন মাঠের যোদ্ধা বিশেষ করে ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাই শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত যারা পাকিস্তান সরকারের অর্ডার পালন করে আসছিলেন তেমন একজন ডালিমের কাছে ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ কিভাবে সংগঠিত হয়েছে সেই গল্প শুনার জন্য অধির আগ্রহ নিয়ে থাকেন সেটা কেমন যৌক্তিকতা আমার আপাতত বোধগম্য নয়।আপনাকে যদি নির্মোহ ইতিহাস জানতে হয় তবে যেতে হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম সংগঠক ,নিউক্লিয়াস ,স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদের মুখ্য নেতা তৎকালীন জাতীয় চার নেতারও নেতা সিরাজুল আলমের কাছে ,যেতে হবে তৎকালীন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে অথবা সেই সময়কে নিয়ে নিরপেক্ষ পর্যালোচনায় যারা থিসিস করেছেন তেমন রাইটারের কাছে । মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগের প্রতিদিনের সঠিক ইতিহাস জানতে চাইলে আপনাদের জন্য নিচে কয়েকটি বইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে রাখলাম অনেক তথ্য উপাত্তে আপনি সমৃদ্ধ হবেন ১. "আমি সিরাজুল আলম খান একটি রাজনৈতিক জীবানালেখ্য ,২.আপনাকে পড়তে হবে মহিউদ্দিন আহমেদের লেখা প্রতিনায়ক ঐতিহাসিক বই, ৩. বিচারপতি হাবিবুর রহমানের গঙ্গারিডই থেকে বাংলাদেশ। একজন খুনীর কাছ থেকে বিচারক আত্মপক্ষ সমর্থনের বক্তব্য শুনে কিন্ত বিচারক ন্যায় বিচার করে সারকামশিয়াল এভিডেন্স ও স্বাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে।আমাদের দেশের নতুন প্রজন্মের একটি অংশের টেইক হলো সাম্প্রতিক মেজর ডালিমের সাক্ষাতকার বিষয়ে যে তারা বাংলাদেশের ইতিহাসকে নতুন করে জানলেন এবং সব সত্য উন্মোচিত হল। বিষয়টা কি তবে এমন হয়ে গেলো না ,বিচারক আদালত এজলাসে বসে আছেন শুধু এই শুনার জন্য যে খুনী কাস্টডিতে দাড়িয়ে বললেই হবে আমি খুন করি নাই তবেই সত্য উন্মোচিত হয়ে যাবে এবং ন্যায় বিচার ইস্টাবলিশ হবে। রিডিকিউলাস লজিক হ্যাজ বিন প্রডিউসড বাই সাম ইনটেনশাল স্যাটান।

জিনিস দুইখান 😎
31/12/2024

জিনিস দুইখান 😎

31/12/2024

যে-সমাজ থেকে আনন্দ-উল্লাস নাই হয়ে যায়, সে-সমাজ অপরাধপ্রবণ, দুঃখপ্রধান, ও দুর্নীতিগ্রস্ত। নববর্ষের দিন ও রাতে প্রাণভরে আনন্দ করুন। উল্লাস করুন। দুঃখবাদী সাপদের ফতোয়া কানে নেবেন না। লেজকাটা শেয়াল যেমন সবার লেজ কাটতে চায়, দুঃখবাদী নিরামিষরাও সবাইকে দুঃখে রাখতে চায়।

-জনৈক বুদ্ধিজীবী

30/12/2024

ক্ষমতায় গিয়াই যারা সকল ধর্ম বর্ণকে ব্রুক্ষেপ করে নিজ বিশ্বাসকে রাষ্ট্রিয় বিশ্বাসে পরিণত করার স্বপ্ন দেখেন। যাদের দলীয় ভাব আদর্শই হলো একটি বিশেষ ব্যবস্থাকে প্রতিষ্ঠিত করা তারা যখন বলে ক্ষমতায় গিয়েই বৈষম্যহীন সমাজ গঠন করবে সেটার চেয়ে বড় তামাশা আর কি হতে পারে?

এত মিথ্যা আশ্বাস এই লেভাসে কিভাবে দিতে পারেন আপনারা!!!

27/12/2024

aim to drop these balls into the jar

25/12/2024

https://www.facebook.com/share/v/12AqanHndua/?mibextid=wwXIfr
২০-১২-২০২৪ ঢাকা কলেজ ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের জন্য একটি অবিস্মরণীয় দিন।ডিসিয়ানদের ঐক্য ,ফেলো ফিলিংস বা ভ্রাতৃত্বের টান যে শিকড় থেকে শিখরে সেটা প্রমান করার মাইলফলক হতে পারে ঢাকা কলেজ ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এল্যামনাই এসোসিয়েশন; হয়তো ম্যানেজমেন্টের পদাঙ্ক অনুসরণ করে অন্য সকল ডিপার্টমেন্টও এই ধরণের প্ল্যাটফর্মে আসার অনুপ্রেরণা পাবে।সেদিন স্টেজে আমাদের একজন শ্রদ্ধাভাজন টিচার বক্তব্যে বলেছেন আপনাদের যার কাছে সুযোগ আছে ,আমাদের ছেলেদের একটা চাকুরীর ব্যবস্থা করে দেবেন। ইন্টার্নশীপের ব্যবস্থা করে দিবেন,শিক্ষক হিসেবে আপনাদের কাছে এটাই চাওয়া।
এই ধরনের সংগঠনের অনেক শত লক্ষ্য উদ্দেশ্য থাকলেও সেদিনের সেই শিক্ষকের ঐ দুটি চাওয়ার পিছনেই এল্যামনাই এসোসিয়েশনের সফলতার সোনার যাদুর কাঠি লুকিয়ে আছে বলে ব্যক্তিগতভাবে মনে করি।ঢাকা কলেজ ম্যানেজমেন্ট এল্যামনাইর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ব্যবসা সম্প্রসারণ কিংবা নতুন স্টার্ট আপেও ভূমিকা রাখার বিশাল সুযোগ তৈরী হয়েছে ইতোমধ্যেই, দরকার ইতিবাচক ও কল্যাণমূলক দৃষ্টিভঙ্গি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই এরেনাতে ইন্টারনেট ,টেকনোলজি ,আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স ভবিষ্যতে অনেক আনএমপ্লোয়েমেন্ট থ্রেট এরাইজ করবে বলে অনেকের ধারণা কিন্ত এই যুগে সফল হওয়ার সম্ভাবনাও অপার। বৈদিশিক মুদ্রা দেশের জন্য বাগিয়ে আনার সুযোগ করে দিয়েছে এক্স, ইনস্ট্রাগ্রাম ,ফেসবুক।দেশের বাজার অর্থনীতির অনেকাংশই এখন দখলে গেছে অনলাইন এফিলিয়েট মার্কেটিং আওতায়,ভবিষ্যতে এই মার্কেট শেয়ার আরো অনেকগুন বড় হবে। তাই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আমাদের ম্যানেজমেন্ট ফ্যামিলি যারা কাজ করেন তাদের সকলকে আমাদের অকৃত্রিম সাপোর্ট দেয়া উচিৎ । হয়তো আপনার সামান্য ইচ্ছাই গড়ে দিতে পারে অন্য একজনের বিজনেস ক্যারিয়ার।আমাদের এই ডেডিক্যাটেড গ্রুপে এখন মেম্বার প্রায় ২০০০ হাজারের উপরে আপনি চাইলে আপনার একটি পেইজ শেয়ার ,পরিচিতি এনে দিতে পারে দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনে আমাদের কোন ডিসিয়ান ভাইদের ছোট কোন ব্যান্ডদলকে,পরিচিতি দিতে পারে কোন কবি ,সাহিত্যিক কিংবা ইসলামিক স্কলারকে, প্রতিষ্ঠিত করে ফেলতে পারেন আমাদের কোন ট্রাভেল এজেন্সিকে, সফলতা এনে দিতে পারেন আমাদের কোন একজন ট্রাভেল ব্লগারকে। অনলাইন মার্কেটিং করে বিভিন্ন বিজনেসে সেলস টার্ণওভারের প্রবৃদ্ধি বাড়িয়ে দিতে পারেন অনায়াসে।এতে হয়তো আপনার কোন লাভ হবে না তবে আপনার চেষ্টায় কোন একজন ডিসিয়ানের ভাগ্যে পরিবর্তন হয়েছে এই ভেবে তৃপ্ত হবেন,হিউম্যান সাইকোলজির ভাষা অন্তত তাই বলে।

আপনাদের যে কোন বিজনেস পেইজের লিংক আমার কমেন্ট বক্সে শেয়ার করতে পারেন। আমি শেয়ার করে আমার ৩ হাজার ফেসবুক ফলোয়ারদের সামনে আপনার পেইজকে প্রমোট করবো।

ঢাকা কলেজ ম্যানেজমেন্ট এল্যামনাই ,হিপ হিপ হুররেহ!

আবদুল হক তুহিন
ব্যাংক কর্মকর্তা ,ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি।

বিঃদ্রঃ ব্যাংকে ইন্টার্ণশীপের বিষয়ে আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো।

23/12/2024

Grand Celebration with our venerated Teacher.

21/12/2024

রিক্সাওয়ালা মামারা রাস্তায় কি খেলা দেখে!!

20/12/2024

Mr.Shakhawat Hossain Bulbul owner of Alhana Electronics arranged the event for 2008-2009 students of Mgmt. Special thanks to Anisur Rahman Sohel and Tanvir Shakil also.

10/12/2024

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে অন্য কোন দল যদি এই স্লোগানকে মুক্তিযুদ্ধের অমীয় শক্তি ভেবে নিজস্ব করে নিত তাহলে আওয়মীলীগ কাউকে মানা করার উপায় পেত না এখনো পাবে না কারন এটা আওয়ামিলীগের দলীয় স্লোগান নয়, এটা মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান। আওয়ামিলীগ এটা ব্যবহার করেছে অন্যরা করে নাই। এখন যদি বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষ এই স্লোগান জাতীয় স্লোগান মনে করে তাহলে এই স্লোগান আর আওয়ামিলীগের স্লোগান থাকবে না। এদেশের মানুষের স্লোগান হয়ে যাবে ,এই বাংলার স্লোগান হয়ে যাবে। আমাদের যেখানে ভুল হচ্ছে তা হলো ,জয় বাংলা স্লোগানের ইতিহাস না জানা। কবে কখন কোথায় এই স্লোগান প্রথম উচ্চারিত হয়েছিল কিভাবে গণমানুষের স্লোগান হয়েছিল সেটা না জানা।অবশ্য এটা জানতে দেয়া হয় নাই কিংবা জানার আগ্রহই আওয়ামিলীগ ছাড়া অন্য কারো ছিল না। এই অগ্নিঝরা দুটি শব্দ কোন দলের স্লোগান ছিল না, বামপন্থি ডানপন্থি সকল রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ,সাধারণ মানুষ যারা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলো তারা সবাই মুক্তিযুদ্ধের প্রত্যেকটি অপারেশনে এই স্লোগান দিয়ে যুদ্ধ করেছে।দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আওয়ামিলীগ যখন ক্ষমতা নেয় তখন আওয়ামিলীগ জয় বাংলা স্লোগানকে মুক্তিযুদ্ধের স্পীরিট হিসেবে সকল জায়গায় প্রতিধ্বনিত করে।আস্তে আস্তে এই স্লোগান আওয়ামিলীগাররা ও তখনকার বিরোধীদল গুলো ভাবতে শুরু করে এটি আওয়ামিলীগের নিজস্ব সম্পত্তি ।এভাবেই একটি দেশের মুক্তিযুদ্ধাদের রক্তে আগুন ধরানো স্লোগান একটি দলের কাছে চলে যায়। অন্য দল যারা ৭২-৭৫ কিংবা তার পরে গঠিত হয়েছে তারাও এই স্লোগানকে প্রোমোট করে নাই,পার্টির স্লোগান হিসেবে বেছে নিয়েছে নারায়ে তাকবীর কিংবা বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। এভাবেই একটি জাতীয় স্লোগানকে আওয়ামিলীগের সম্পত্তি বানিয়ে দিতে তাদের দায়ও কম নয়।

জয় বাংলা এদেশের মুক্তিকামী মানুষের স্লোগান ,এই স্লোগান ব্যবহার করে অনেক অপকর্ম হয়েছে এটা সত্যি তাতে এই স্লোগানের সামান্যতম মহীমা কমেছে বলে আমি মনে করি না। এই স্লোগানকে যারা কলুষিত করেছে ,অপকর্মে ব্যবহার করেছে তাদের প্রতি ঘৃণা।

মহান মুক্তিযুদ্ধ আমাদের দিয়েছে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র আর যেই স্লোগান এই মুক্তিযুদ্ধকে করেছিল আরো তেজদিপ্ত ,আমি নির্ধিদ্বায় সেই স্লোগানকে বুকে ধারন করে বলতে চাই

জয় বাংলা।

28/10/2024

Address

Dhaka
1000

Telephone

+8801794107510

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tuhin Abdullah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tuhin Abdullah:

Videos

Share