
31/12/2024
অনেক মায়েরা আত*ঙ্কে আছেন, কেমন করে নিজের ছোট্ট শিশুটিকে আতশবাজি নামক এ ভয়ং*কর শব্দ থেকে রক্ষা করবেন!
▶️ বিশেষ করে ০-১৮ মাস বয়সী শিশুরা এমন শব্দে আত*ঙ্কিত হওয়ার শ*ঙ্কা বেশি। শব্দ শুরু হয় রাত ১১.৩০ থেকে। এরপর ১.৩০-২.০০টা পর্যন্ত চলে।
📌তাই এ সময়টুকুতে বাবুর মা হিসেবে আপনি যা করতে পারেন, তা হলো
♦️বাসার সব দরজা, জানালা ভালো করে বন্ধ রাখবেন।
♦️ঘরের যে রুমে সবচেয়ে কম শব্দ যায়, বাবুকে নিয়ে সে রুমে থাকবেন।
♦️যতটা সম্ভব বাবুকে পেট ভরে খাইয়ে রাত ১১টা থেকে ১১.৩০ এর মধ্যেই ঘুম পারিয়ে দিবেন। চেষ্টা করবেন যেন একটু গভীর ঘুম দেয়।
♦️ঘুমের বাবুকে একদম নিজের বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে রাখবেন যেন সে মায়ের কোলে নিরাপদ অনুভব করে।
♦️ধীরে ধীরে কুরআন তিলওয়াত করবেন এবং পিঠে হাত বুলিয়ে আদর করতে থাকবেন।
♦️ঘুম পাড়ানোর আগেও, বাবুকে অনেক আদর করবেন, তার সাথে কথা বলবেন, অবশ্যই অনেক অনেক চুমু দিবেন। এতে করে তার শরীরে অক্সিটোসিন হরমোন প্রবাহিত হবে। এ হরমোন তার মাঝে নিরাপদ রাখার অনুভূতি তৈরি করবে, ইন শা আল্লাহ।
♦️এরপরও যদি সে জেগে ওঠে কান্না শুরু করে দেয়, তাহলে আদর দিয়ে হালকা শান্ত করে এরপর বুকের সাথে জড়িয়ে ধরে ব্রেস্ট ফিড করাবেন। কান্নারতো অবস্থায় খাওয়ানোর জোরাজুরি করবেন না। হালকা শান্ত করবেন, এরপর ব্রেস্ট ফিড করাবেন।
♦️আবার ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করবেন। না ঘুমালেও বুকের সাথে জড়িয়ে ধরেই কুরআন তিলওয়াত বা সূরা পাঠ করে শুনাতে থাকবেন।
♦️আল্লাহ তা'আলার কাছে বেশি বেশি দুয়া করতে থাকবেন।
♦️অনেক ক্ষেত্রে বড় শিশুরাও ভয় পেয়ে যায়। সেক্ষেত্রে তাদেরকে আগে থেকেই এ ব্যাপারে বুঝিয়ে রাখতে পারেন। মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলে কিছুটা হলেও ভয় কম পেতে পারে।
আল্লাহ সব বাবা-মা ও শিশুদের জন্য সহজ করুক, আর এ দেশের অবুঝ মানুষদের হেদায়েত দান করুক।
©ইসরাত জাহান তৃষা
রৌদ্রময়ী প্রিনেটাল কোর্স এসোসিয়েট