2Wheelers Buddy

2Wheelers Buddy Moto blogger

বাংলাদেশে অফিসিয়ালি লঞ্চ হলো Bajaj Pulsar N250.দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩৯,৯৯৯ টাকা মাত্র।
27/11/2023

বাংলাদেশে অফিসিয়ালি লঞ্চ হলো Bajaj Pulsar N250.
দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৩৯,৯৯৯ টাকা মাত্র।

ফুয়েল ইনজেক্টরের কাজ কি?ফুয়েল ইনজেক্টর কেন নিয়মিত ক্লিন করতে হবে?ফুয়েল ইনজেক্টর কোথায় পাবেন?ফুয়েল ইনজেক্টর হচ্ছে বাইকের ...
25/07/2023

ফুয়েল ইনজেক্টরের কাজ কি?
ফুয়েল ইনজেক্টর কেন নিয়মিত ক্লিন করতে হবে?
ফুয়েল ইনজেক্টর কোথায় পাবেন?
ফুয়েল ইনজেক্টর হচ্ছে বাইকের ফুয়েল ইঞ্জিনের ভিতর সাপ্লাই দেওয়ার একটি আধুনিক টেকনোলজি।
আগে বাইক গুলোতে সাধারনত আমরা দেখতে পেতাম কার্বোরেটর ব্যবহার করা হতো। এতে করে ফুয়েল অপচয় এবং বাইকের মাইলেজ কম হতো। ফুয়েল ইনজেক্টর ব্যবহারের ফলে বাইকের ইঞ্জিনের পরিমিত ফুয়েল সাপ্লাই দেওয়ার কারনে বাইকটি অনাবরত স্মুথলি রান করে এবং ফুয়েল খরচ কমায়। শুধু নিয়মিত ক্লিন করে নিলেই হয়। ইনজেক্টর প্রতি ৩ হাজার কিঃমিঃ পর পর ক্লিন করা ভালো।

 #ইঞ্জিন_ভালো_রাখবে_যে_কাজ_গুলো_করবেন।নিয়মিত বাইক মেন্টেনেন্স করলে যেমন বাইক ভালো থাকে পাশাপাশি এই মেন্টেনেন্স নিজেই করল...
23/07/2023

#ইঞ্জিন_ভালো_রাখবে_যে_কাজ_গুলো_করবেন।

নিয়মিত বাইক মেন্টেনেন্স করলে যেমন বাইক ভালো থাকে পাশাপাশি এই মেন্টেনেন্স নিজেই করলে কমে খরচ। আর নিজেই যদি টুকটাক কাজ করতে পারেন এতে ছোট ছোট সমস্যার জন্য সার্ভিস পয়েন্টে পাগোলের মত ছুটতে হয় না।

আর যারা নিয়মিত বাইক চালান তাদের টুক টাক কিছু কাজ জানতেই হয়। কারন যন্ত্রের কোন ঠিক নেই। যে কোন সময় বেকে বসতে পারে।

তবে একটা বিষয় কি জানেন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে বড় কোন সমস্যা থাকে না। এর বেশির ভাগ আপনি নিজেই সমাধান করতে পারবেন। কি কি কারনে বাইক হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায় তা জানবো।

আজ আমরা জানবো কি কি কাজ আগে থেকে করতে থাকলে এই ধরনের সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যাবে। চলুন আলোচনা শুরু করা যাক…

#নিয়ম_করে_নির্দিষ্ট_কিঃমিঃ_পর_পর_ইঞ্জিন_অয়েল_পরিবর্তন।
প্রতি ১০০০ কিলো ব্যবধানে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন। তবে এটা ইঞ্জিন ওয়েল ভেদে তারতম্য হয়। কিছু কিছু ইঞ্জিন ওয়েল দিয়ে ১৫০০ থেকে ২০০০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত চালানো যায়। মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন অয়েলের প্রাথমিক কাজ হল লুব্রিক্যান্ট হিসাবে কাজ করা। অয়েল ইঞ্জিনের শব্দ কমাতে, আপনার ইঞ্জিনের অন্যান্য অংশগুলি শীতল রাখতে এবং পিস্টনগুলির জন্য একটি সিল হিসাবে কাজ করে। অয়েল অবশ্যই ভাল ও এর মানের এবং গ্রেডের ধারাবাহিকতা থাকতে হবে যাতে এটি সঠিকভাবে কাজ করতে পারে।

#চেইন_মেন্টেনেস
বাইকের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটা অংশ নির্বাচন করলে চেইন একটি। কেননা এই চেইনের উপরই বাইকের পারফরমেন্স, মাইলেজ এগুলো নির্ভর করে। আমরা অনেকেই মনে করি গুরুত্ব নিয়ে চেইন পরিষ্কার করার কোন প্রয়োজন নেই। এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বাইকের যদি ভালো পারফরমেন্স পেতে চান তবে অবশ্যই চেইনের যত্ন নিতে হয়। তবে যত্ন নেওয়ার ব্যাপারটা জানলেও অনেকেই জানেন না কিভাবে বাইকের চেইন পরিষ্কার করতে হয়।

#সঠিক_টায়ার_প্রেশার
মোটরসাইকেলের টায়ার প্রেশার সবসময় একুরেট রাখার চেস্টা করুন। এক্ষেত্রে সামনে এবং পিছনে কত পিএস আই প্রেশার রাখতে হবে সেটি বাইকে ওরার ম্যানুয়ালে লেখা আছে আপনার একটু চেস্টা করলেই খুজে পাবেন । সাধারনত সিঙ্গেল রাইডের জন্য এক রকম, পিলিয়ন নিয়ে চলেন জন্য আরেক রকম। তবে বৃষ্টির দিনে ভেজা রাস্তায় টায়ার প্রেশার অবশ্যই একটু কম রাখুন ভাল গ্রিপের জন্য। সঠিক টায়ার প্রেশার রাখলে ভাল গ্রিপ, ভাল ব্রেকিং এবং ভাল মাইলেজ পাবেন।

#এয়ার_ফিল্টার
আপনার মোটরসাইকেলের এয়ার ফিল্টার যদি ময়লা এবং ধূলিকণায় আবদ্ধ থাকে তবে আপনার মোটরসাইকেলের সঠিকভাবে শ্বাস নিতে সক্ষম হবে না। এটি আপনার মোটরসাইকেলের শক্তি এবং উপ-মানক কর্মক্ষমতা হ্রাস করবে। তাই নিয়মিত এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার করতে হবে। পরিষ্কার করার সময় যদি ফিল্টারটির কোন খারপ লক্ষন দেখা যায় তবে পরিবর্তন করে নিন।

#ক্লাচ_প্লেটের_ব্যাবহার
ক্লাচ লিভার মানিয়ে নেওয়ার যে ব্যাপারটা এখানটায় অনেক বাইকারেরই অভিযোগ থাকে। কিন্তু উচিত ক্লাচ লিভার সেটআপ শেষ হলেই এটাকে ফিক্সড মনে করে নিজেকে এর সাথে মানিয়ে নেওয়া। বাইক চালাতে হলে ক্লাচ লিভারের সম্পর্কটা জরুরী। যেমন কখনো হাফ ক্লাচ করা যাবে না। আর ক্লাচ লিভার ছাড়তে আর ধরবে হবে খুবই সহজ ভাবে। জোরে ধরে এটা বুঝানো যাবে না এর সাথে আপনার বা আমার যুদ্ধ হচ্ছে। আর ব্যাপারটা একদম ধরলেও ফুল আর ছাড়লেও ফুল হতে হবে। মাঝামাঝি কিছু সম্ভব নয়। এভাবেই ক্লাচ প্লেটকে দীর্ঘ স্থায়ী করতে হয়। তবুও এই পুরো ব্যাপারটি বাইকারের কাছে। আমরা কেবল বুঝিয়ে দিতে পারবো কিন্তু কাজের কাজ তাদেরই করতে হয় এবং করছেন প্রতিদিন। অনেকেই দেখা যায় এত জোরে ক্লাচ ধরা আর ছাড়ার কাজটা করে থাকেন যে কয়েকদিন পরে পরেই এই প্লেট পাল্টাতে হয়। কিন্তু এভাবে করলে নিজের লস ছাড়া লাভ বিন্দুমাত্র হবে না।

এই কাজ গুলোর প্রতি একটু যত্নশীল হলেই আপনার বাইক পাবে দীর্ঘায়ু।

#ধন্যবাদ_সবাইকে
যেকোনো তথ্যের জন্য আমাদের পেইজে ইনবক্স করুন।

ABS (Anti-lock braking system) কি?আমরা কমবেশি সবাই একটু জোরে বাইক চালাতে পছন্দ করি। বাইক জোরে চালানো সমস্যা না, সমস্যা হ...
21/07/2023

ABS (Anti-lock braking system) কি?

আমরা কমবেশি সবাই একটু জোরে বাইক চালাতে পছন্দ করি। বাইক জোরে চালানো সমস্যা না, সমস্যা হলো সঠিক সময়ে বাইক থামানো। এখানেই একজন দক্ষ বাইকারের ক্রেডিট। বাইক থামাতে প্রয়োজন সঠিক ভাবে ব্রেকিং, সঠিক ব্রেকিং এর জন্য প্রয়োজন ভালো ব্রেকিং সিস্টেম।

#ব্রেক_কি?
ব্রেক হলো একটি মেকানিক্যাল সিস্টেম যা একটি মেশিনের গতি বা শক্তিকে নিয়ন্ত্রন করে।

আমাদের দেশে মোটরসাইকেলের ব্রেকিং এর জন্য সাধারনত নীচের সিস্টেমগুলো ব্যবহার করা হয়।

#ড্রাম_ব্রেক
ড্রাম ব্রেকের উদ্ভব হয় ১৯০০সালের দিকে। এই সিস্টেমে চাকার সাথে লাগানো ড্রাম আকৃতির ব্রেকিং সিস্টেমে ব্রেক করলে ব্রেকসু গুলো ড্রামের গায়ে গিয়ে চাপ প্রয়োগ করে চাকার ঘুর্নন কমিয়ে দেয়।আমাদের দেশের অধিকাং বাইকের ব্রেকিং সিস্টেম ড্রাম ব্রেক। বিশেষ করে পেছনের চাকায় এটি বেশি ব্যবহৃত হয়।

#ডিস্ক_ব্রেক
এটিকে ২য় প্রজন্মের ব্রেকিং সিস্টেম বলা যেতে পারে। এই ব্রেকিং সিস্টেমের প্রচলন হয় ১৯৬০সালের দিক থেকে। (আমাদের দেশে ডিস্ক ব্রেক প্রচলিত কথায় হাইড্রোলিক নামে ব্রেশি প্রচলিত)।

এই সিস্টেমে চাকার সাথে ডিস্ক আকৃতির একটি যন্ত্র লাগানো থাকে, সাথে তাকে ব্রেক প্যাড। ব্রেক করা হলে ব্রেক প্যাড গিয়ে ডিস্ককে চেপে ধরে, ফলে চাকার ঘুর্নন বাধাগ্রস্থ হয়। সাধারন ড্রাম ব্রেকের তুলনায় এটি বেশি শক্তিশালী ও কার্যকর। অল্প চাপেই অনেক শক্ত ব্রেকের সুবিধা পাওয়া যায়।

(ABS)
এটাকে ৩য় প্রজন্মের ব্রেকিং সিস্টেম বলা যেতে পারে। ১৯৮৮ সালে BMW তাদের মোটরসাইকেলে সর্বপ্রথম ABS যুক্ত করে। ABS যুক্ত ব্রেকিং সিস্টেমকে বর্তমান সময়ের নিরাপদতম ব্রেকিং সিস্টেম বলা যেতে পারে। ইনস্যুরেন্স কোম্পানীর রিসার্চ অনুযায়ী বলা হয় সাধারন ব্রেকিং এর তুলনাতে ABSযুক্ত ব্রেকিং সিস্টেমে এক্সিডেন্টের হার ৩৭% কম।

ুবিধা
দ্রুত গতির বাইককে থামানো সহজ কাজ নয়। বিশেষকরে জরুরী ব্রেকিং এর সময় জোরে ব্রেক করতে গিয়ে চাকা পিছলে দুর্ঘটনা ঘটে।এটিকে হুইল লক বলে।

ABS যুক্ত ব্রেকিং এর বড় সুবিধা হলো হুইল লক হয় না, অর্থাত জোরে ব্রেক করলে চাকার ঘুর্নন থামিয়ে দিয়ে চাকাকে পিছলাতে দিবে না।ফলে ব্রেক চেপেও চালক তার বাইকের হ্যান্ডেল ঘুরিয়ে দিক পরিবর্তন করে নিরাপদ দিকে যেতে পারে। যেটি সাধারন ব্রেকিং এ সম্ভব হয় না।

#কিভাবে_ABS_কাজ_করে?
সহজভাবে যদি বলা হয় তাহলে বলতে হয় ব্রেক চেপে আবার ছেড়ে দিয়ে আবার চেপে ধরা এভাবেই মুলত ABS কাজ করে। ABS সিস্টেমে সেনসরের মাধ্যমে বাইক কত স্পীডে চলছে সেটি পরিমাপ করে ব্রেক কে নিয়ন্ত্রন করে। এবং সেই হিসেবেই সুনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্রেককে চেপে ধরা এবং ছেড়ে দেবার কাজ করে, এতে বাইক কোন অবস্থাতেই “হুইল লক” হয না, ফলে ব্রেকিং অবস্থাতেও প্রয়োজনে বাইকের দিক পরিবর্তন করে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

নিয়ন্ত্রিত গতি কম দুর্ঘটনার কারন। নিরাপদে থাকুন।

Address

Begumganj Noakhali
Begumganj
3860

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 2Wheelers Buddy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to 2Wheelers Buddy:

Videos

Share