
13/12/2024
প্রেমের ফাঁদে ফেলে তরুণীর স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ আত্মসাৎ।
শান্ত ইসলাম :
বিশেষ প্রতিনিধি : গত ১২/১২/২০২৪ খ্রিঃ ভিকটিম সীমা রাণী(১৭) ( ছদ্মনাম) ডিএমপি,ঢাকা লালবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ সাহেবের নিকট সঙ্ঘবদ্ধ প্রতারক চক্র দ্বারা অপহরণ স্বর্ণালংকার নগদ টাকা আত্মসাৎ এর ঘটনার একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ভিকটিমের অভিযোগের বিষয়ে অফিসার্স ইনচার্জ ডিএমপি ঢাকা ভিকটিম ও তার পরিবারের লোকজনদের এয়ারপোর্ট থানায় প্রেরণ করেন। ইনচার্জ লালবাগ থানা ঢাকা পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত এয়ারপোর্ট থানার জানান যে সীমা রাণী পাল এর সাথে বিএনপির এয়ারপোর্ট থানাধীন নাফিজুর রহমান(২২) নামে এক যুবকের সাথে অনুমান দেড় মাস পূর্বে অনলাইন গেম ফ্রী - ফায়ার খেলার মাধ্যমে পরিচয় হয়। এর পর নাফিজুর রহমান কৌশলে ভিকিম সীমা রাণীর সাথে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন। পরবর্তীতে পরে ভিকটিম সীমা রানীকে কৌশলে প্রেমের ফাঁদে ফেলে গত ১০-১২-২০২৪ খ্রিস্টাব্দ তারিখ অনুমান ১১ ভরি ও নগদ ৫৫ হাজার এবং বিভিন্ন সময়ে নগদ ও বিকাশ একাউন্ট এর মাধ্যমে ৩৬,০০০ টাকা প্রতারণা করে নিয়ে অজ্ঞাত স্থানে পালিয়ে যায়। ভিক্টিমের অভিযোগে প্রাথমিক ও প্রযুক্তিগত সত্যতা পাওয়া গেলে ওসি লালবাগ থানাকে মামলার রুজু করতঃ এজাহার ও এফ আই আর এর কপি পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন। লালবাগ থানা উক্ত সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করে তদন্তকারী অফিসার এর মাধ্যমে এফ আই আর, এজাহারের কপি ও রিকুইজিশন প্রেরণ করলে উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) জনাব রুনা লায়লা মহোদয় দিকনির্দেশনায় পুলিশ তদন্ত সঞ্জিত চন্দ্রনাথ এর নেতৃত্বে বিএনপি'র এয়ারপোর্ট থানার একটি চৌকস টিম অভিযান পরিচালনা করে এয়ারপোর্ট থানা দিন রহমতপুর এলাকা থেকে প্রতারক ১। মো: নাফিজুর রহমান (২২), পিতা: মোঃমিজানুর রহমান, সাং - পশ্চিম পাংশা থানা এয়ারপোর্ট বিএনপি, বরিশাল ২। শফিউল আলম প্রিন্স (২৩) পিতা মৃত শামিউল আলম সাং- রাধাগঞ্জ থানা- কোটালীপাড়া, জেলা- গোপালগঞ্জদ্বয়কে গ্রেপ্তার করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন কৌশলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদে কে বিশেষ কায়দায় লুকানো ও হেফাজত হতে বের করে দেয়া মতে প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতকৃত ১১ ভরি ২ আনা ২ রতি স্বর্ণালংকার, নগদ ৭১০ টাকা ও প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে পরবর্তীতে জব্দকৃত মালামাল ও গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে উপ- পুলিশ কমিশনার (উত্তর)মহোদয়ের কার্যালয় প্রেস কনফারেন্স শেষে মামলার তদন্ত কারী কর্মকর্তা এস আই (নিঃ)/ অপু মিত্র, লালবাগ থানা, ডি এমপি, ঢাকা এর নিকট পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জনয় প্রেরন করা হয়েছে।