ধানের শীষ

  • Home
  • ধানের শীষ

ধানের শীষ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ধানের শীষ, Magazine, .

নৃতাত্ত্বিক এবং আদর্শিক চেতনা মিশ্র স্বতন্ত্র রূপ ও পরিচয় রাষ্ট্রীয়ভাবে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে জিয়া প্রবর্তন করেন নতুন রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’। এটি বিএনপির রাজনীতির প্রধান স্তম্ভ। এটি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ইতিহাসবোধ, অনুভূতি ও বিশ্বাসকে নাড়া দিয়েছে এবং প্রতিনিয়ত দিচ্ছে। এই রাজনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিক প্রচারনাই এই পেইজের মূল উদ্দেশ্য।

12/04/2025

‘আমরাই (বাংলা) সাগরের অভিভাবক’ কথাটার আসল অর্থ কী, অথবা কীভাবে ড. ইউনূস ভারতের খেলা ভারতের দিকেই ঘুরিয়ে দিয়েছেন

ড. ইউনূস ভারতের সাতবোন রাজ্য নিয়ে যা বলেছেন, সেই কথাটাই জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইশিবা ২০২৩ সালের মার্চে ভারত সফরের সময়ে বলেছিলেন। বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা বেইজিং সফরে গিয়ে বলেছেন ভারতের ল্যান্ড-লকড সাত রাজ্যকে সাগরের সাতে যুক্ত করতে পারে বাংলাদেশ। এতে ভারতের আপত্তি তো নাই-ই, বরং এটাই তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন।

কিন্তু স্বপ্নটাকে দুঃস্বপ্ন করে দিচ্ছে ‘ল্যান্ডলকড’ কথাটা না। ড. ইউনূস যদি ‘আমরাই সাগরের অভিভাবক’ কথাটা না বলতেন, ভারতের কোনো অসুবিধা ছিল না। কিন্তু ‘আমরাই সাগরের অভিভাবক’ (We are guardian of the ocean) ঘোষণা সরাসরি ভারতের সাগর নীতির [Security and Growth for All in the Region (SAGAR)] বিরুদ্ধে।

সাগর নীতির অধীনে জাপান-ভারত মিলে কাজ করছিল ভারত মহাসাগরে চীনকে ঠেকাতে বঙ্গোপসাগরে ওপর ভারতীয় কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করায়। জাপানি প্রধানমন্ত্রীর ২০২৩ সালের সফরে ভারত-জাপান সম্পর্কের চারটি খুঁটি বা পিলারের ৩ নম্বরের মূল কথা ছিল, ‘(the Bay of Bengal-Northeast India industrial value chain concept in cooperation with India and Bangladesh etc.) এজন্যই চীনের পক্ষ থেকে সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর প্রকল্প ঠেকিয়ে হাসিনাকে দিয়ে জাপানের অর্থায়নে মাতারবাড়িতে একটা বন্দর তৈরি করা হয় বিশেষজ্ঞদের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে।

জাপান ভারতের সাত রাজ্যের উন্নয়নে অনেক দিন ধরে কাজ করছে। তারই অংশ হিসেবে তারা বাংলাদেশের মাতারবাড়িতে বন্দর বানিয়েছে। বিপুল খরচে কর্ণফুলী টানেল বা ‘বঙ্গবন্ধু’ টানেল বানানো বাংলাদেশের জন্য অপচয় হলেও ভারতের জন্য সেটা মাতারবাড়ি বন্দরকে সাত রাজ্যের সাথে যুক্ত করার জন্য জরুরি। যাহোক, হাসিনার পতন না হলে জাপান-ভারত মিলে ভূমিতে করিডর আর সাগরে বন্দর-সংযোগ দিয়ে সাত রাজ্যের ভূবন্দি দশা কাটাতো। এমনকি চীন বিরোধী কোয়াডে ব্যবহৃত হতো বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা। এতে সর্বনাশ হয়ে যেত বাংলাদেশের।

ড. ইউনূসের প্রস্তাবে নতুন কথা এটাই যে, সাত রাজ্যকে এই সুবিধা দেওয়া হবে বটে, তবে তার মালিকানা থাকবে বাংলাদেশের হাতে। ভারত চটেছে এই জায়গাটাতেই। ভারত করিডর ও বন্দর নিয়ে এবং এগুলি হাতে রাখার জন্য বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদী শাসনে বন্দি করে দাস হিসেবে ব্যবহারের ভূরাজনীতি করতে চাইতেই পারে। কিন্তু বাংলাদেশ তো আত্মহত্যা করতে পারে না। তারপরও ড. ইউনূসের ভাষা দেখুন, তিনি ভূরাজনীতির ভাষা ব্যবহার করেন নি, তিনি ব্যবহার করেছেন অর্থনৈতিক পরিভাষা।

ভারতের স্বার্থ হাসিলে বাংলাদেশকে বলি দিতেও রাজি ছিলেন শেখ হাসিনা। এবং ভারত যা চায় তা দেবার ক্ষমতা একমাত্র হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকারেরই ছিল।

এই ব্যাপারটা না বুঝলে ভারতের বেচারাম দশা বা মরিয়াপনা বোঝা যাবে না।

ভারত বাংলাদেশকে দখল করে ভারতের অংশ করতে চায় না। এটা তার জন্য আত্মঘাতী হবে। মুসলমান হিসেবে ১৭ কোটি বাংলাদেশি ভারতের নাগরিক হওয়া মানে আবার বাংলা বিহার আসাম ত্রিপুরা জুড়ে আলীবর্দীর বাংলা সালতানাত কায়েম হবে। তাও যদি না হয়, তাহলে ভারতের মুসলিমরাসিহ বাংলাদেশি মুসলিমরাই ঠিক করবে কে শাসন করবে দিল্লি। আবার ১৮ কোটি বাঙালি হিসেবেও যদি ভারতভুক্তি হয়, তাহলে বাঙালিরাই হবে একক বৃহত্তম জাতি এবং দিল্লি চলে যাবে তাদরে নিয়ন্ত্রণে। সুতরাং মুসলমান বা বাঙালি কোনো পরিচয়েই আধিপত্যবাদী ভারত বাংলাদেশিদের ভারতে নেবে না।

বরং সে চাইবে চারিদিকে কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে বাংলাদেশের প্যালেস্টানিকরণ। তারা দেশেটার বুক চিরে সামরিক ও বাণিজ্যিক যাতায়াত করবে, সেটার পাহারাও দেবে তাদের বাহিনী। ক্রমশ বাংলাদেশের একটা অংশকে পশ্চিম তীর আর আরেকটা অংশকে গাজা বানাবে। বাংলাদেশ তাদের চোখে একটা ল্যান্ডম্যাস, এর বন্দর, এর সাগর, এর আকাশ এর মাটি তারা ব্যবহার করবে দেশের মানুষকে দমনের মাধ্যমে।

কোনো নির্বাচিত সরকার এই সুযোগ ভারতকে দেবে না। দেবে শুধূ ভারতের হাতে জিম্মি শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার না দিয়ে উপায়ও ছিল না। ভারত যেহেতু কোনো রকম বৈধ উপায়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কিনতে বা ভাড়া নিতে পারবে না, সেহেতু হাসিনা স্টাইলের শাসক ছাড়া তার সাত রাজ্যের নিরাপত্তা থাকবে না।

ভারতের সাগর নীতিসহ যাবতীয় নীতির অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য এটাই। এজন্যই তাদের সংখ্যালঘু নিপীড়নের গল্প বানাতে হয়, নাশকতা সাজাতে হয়, বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে হয়, শেখ হাসিনাসহ হাজার হাজার লুটেরা ও খুনীকে ভারতে রেখে পুষতে হয় এই আশায় যে, একদিন তাদের পুশ করে আবার তারা বাংলাদেশে ও বঙ্গোপসাগরের মালিকানা নেওয়া শুরু করবে। দুনিয়ার কেউ মানবে যে, আমি তোমার ভেতর দিয়ে যাব-আসব আবার আমি তোমাকে দমনও করবো কিন্তু তুমি ‘আহা উহুও করতে পারবা না। আমাদের মুখ বন্ধ করতেই তারা ‘মুক্তিযুদ্ধ, অসাম্প্রদায়িকতা, সেকুলারিজম ইত্যাকার ঠুলি পরাতে চায় চোখে, জবান বন্ধ করতে চায়। ভারতের যাবতীয় বুলিবাগীশতার তলার আসল কথাটা হলো তারা করিডর ও বন্দর পেতে চায়। ইঊনূস সেই আসল জায়গাটাতেই হাত দিয়েছেন।

‘আমরাই (বাংলা) সাগরের অভিভাবক’ কখন থাকতে পারবো? যখন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মালিকানা এর জনগণের হাতে থাকবে। এখন দেখার বিষয়, তিনি কীভাবে একই সাথে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রকে সামলে বাংলাদেশের স্বার্থ বাঁচাতে পারেন।

ড. ইউনূস ভারতের খেলা ভারতের দিকেই ঘুরিয়ে দিয়েছেন। তিনি বলছেন, আসো সুযোগ নাও কিন্তু মনে রাখবা তোমরা গ্রাহকমাত্র মালিক নও। বাংলাদেশের টাকায় পদ্মা সেতুসহ সারাদেশের যাবতীয় অবকাঠামো প্রকল্প তৈরি করা হয়েছিল জাস্ট ভারতের ট্রানজিট-করিডর চালু করবার জন্য—আপনার গাড়ি বা মটর সাইকেল হাঁকাবার জন্য না, ঈদে স্বস্তিতে বাড়ি যাবার জন্য না। ভারত এসব শুধু মাগনাই খেতে চায়নি, তাদের খাওয়ার বাধা অপসারণে বাংলাদেশকে ফ্যাসিস্ট শাসনে বন্দি রাখতে চেয়েছিল। আগস্টের অভ্যুত্থান সেই মওকাটা মাত করে দিয়েছে।

এবং আবারো বলি, বাংলাদেশ কোনোভাবেই ভারতবিরোধী বা কারো বিরোধী না। নেগেটিভ ব্র্যান্ডিং আমাদের কাজে আসবে না। আমরা অ্যান্টি না, আমরা প্রো। আমরা বাংলাদেশপন্থী। যেসব লোক আপনাদের নেগেটিভ রাজনীতি ও অ্যানার্কির দিকে ঠেলতে চায় তারা বাংলাদেশপন্থী না।

চোখধাঁধানো নৃত্য আর মনভোলানো কন্ঠে গান গাইতে পারাটাই কাল হয়েছিলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সুন্দরী থিয়েটার কর্মী সোহাগী...
19/03/2025

চোখধাঁধানো নৃত্য আর মনভোলানো কন্ঠে গান গাইতে পারাটাই কাল হয়েছিলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সুন্দরী থিয়েটার কর্মী সোহাগী জাহান তনুর। চোখেমুখে হাসি লেগে থাকা মেয়েটি নৃত্যে প্রথম হয়েছিলো জেলা পর্যায়ে। ভিক্টোরিয়ার ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী তনুর পারফরম্যান্স জেলার সীমানা পেরিয়ে বিস্তৃত হয় বিভাগীয় পর্যায়েও। মা-বাবার সাথে কুমিল্লা সেনানিবাসে বসবাসের সুবাদে সেনাসদস্যদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও অংশ নিতো সে নিয়মিত। ভাগ্যের পরিহাস, শৈশব কৈশোর পার করা চিরদিনের চিরচেনা নিজেদের সেনানিবাসের মাটি থেকেই তনুকে উড়াল দিতে হলো আকাশে, পথভ্রষ্ট কতিপয় সেনা সদস্যদের নির্মমতার বলি হয়ে।

সাড়ে আট বছর আগের কথা। কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহকারী বাবা ইয়ার হোসেন এবং মা আনোয়ারা বেগমের জানা ছিলো না, সেনানিবাসে মঞ্চ মাতানো আদরের রাজকন্যা সোহাগী ঘুম হারাম করেছিলো কতিপয় অফিসার এবং সিপাহির। চলার পথে নিয়মিত বিরক্ত বিব্রত করা হলেও মা-বাবার কাছে তা প্রকাশ করেনি তনু। নাঁচ-গান থেকে যা উপার্জন হতো সামান্য, তার সাথে আরেকটু স্বাবলম্বী হতে পড়ন্ত বিকেলে সেনানিবাসের ভেতরে বাচ্চাদের প্রাইভেটও পড়াতো মেধাবী তনু। সার্জেন্ট জাহিদ এবং সিপাহি জাহিদের বাসায় নিয়মিত যাতায়াত ছিলো তাদের পারিবারিক টিউটর হিসেবে। ২০১৬ সালের ২০ মার্চ তেমনি একটা অশুভ বিকেল শেষবারের জন্য এসেছিলো সোহাগী জাহান তনুর জীবনে।

তনুকে পেতে লোলুপ দৃষ্টি দিনকে দিন বাড়তে থাকে জলপাই রঙের কতিপয় ক্ষুধার্ত হায়েনার মাঝে। বিয়ের প্রস্তাব গোমতির জলের মতো প্রবাহিত হয় তাদের বাড়ির আঙিনায়। মা-বাবাকে তনু জানিয়ে দেয়, অনার্স শেষ না করে বিয়ে নয়। নিজের চরিত্রেও কোন কলংক না লাগাতে সজাগ সচেতন ছিলো তনু। এরইমধ্যে সেনানিবাসে প্রভাবশালী এক অফিসারের ভালো লাগে তনুকে, ঘরে স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও। তনুর বিধিবামের যাত্রা হয় শুরু। পথভোলা ঐ অফিসারের স্ত্রী নিজ সংসার বাঁচাতে মরিয়া হয়ে উঠে, তনুকে শায়েস্তা করতে যোগাযোগ করে এদিক সেদিক। সেনানিবাসের ভেতরে পরিকল্পনায় বেগ পেতে হয়নি। সার্জেন্ট জাহিদের স্ত্রী হ্যাপির সাথে বোঝাপড়ার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হয় টিউশনি শেষে তনুকে তুলে নিয়ে যাবার।

ভয়ংকর সন্ধ্যার লালিমা তখনো কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টের পশ্চিমাকাশে। সেনাবাহিনীর একটি গাড়ি এসে থামে সার্জেন্ট জাহিদের বাসার সামনে। তনুকে টার্গেট করা প্রভাবশালী সেনা অফিসারের স্ত্রী, মাস্টারমাইন্ড ঐ মহিলার উপস্থিতিতে এবং সরাসরি তত্তাবধানে টেনেহিঁচড়ে গাড়িতে তোলা হয় তনুকে। তনুকে উঠিয়ে নেবার দৃশটি যারা দূর থেকে সরাসরি দেখেছে তাদেরই একজন পরে বিষয়টি অবহিত করে তনুর বাবাকে। এদিকে জোরপূর্বক গাড়িতে উঠাবার পর কিংকর্তব্যবিমুঢ় তনু বাসায় কল দিতে চাইলে কেড়ে নেয়া হয় ফোন। গাড়ি ছুটে চলে সেনানিবাসের ভেতরেই আরেক অফিসারের খালি বাসায়, যেখানে আগে থেকেই প্রস্তুত রাখা হয় ক্ষুধার্ত হায়েনাদের। মঞ্চের তনু তখন তাদের হাতের নাগালে।

এদিকে বাসায় ফিরতে দেরি হওয়ায় তনুর মা আনোয়ারা বেগম অস্থির হয়ে সর্বত্র যোগাযোগ শুরু করে। তনুর বাবা ইয়ার হোসেন শরণাপন্ন হয় মিলিটারি পুলিশের। তনুর ভাই আনোয়ার হোসেন রুবেল সার্জেন্ট জাহিদের বাসায় গেলে তার স্ত্রী হ্যাপি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দেয়। ওদিকে দলবেঁধে পাশবিকতার সীমা অতিক্রম করায় অচেতন হয়ে পড়ে সোহাগী জাহান তনু। ধস্তাধস্তিতে নাকে এবং মাথার পেছনের অংশে মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া সত্ত্বেও পথভ্রষ্ট সেনা সদস্যদের বর্বরতা থামেনি। তনুর নিথর দেহ গুম করার সিদ্ধান্ত হয় এক পর্যায়ে৷ ক্যান্টনমেন্টের সীমানার বাইরে অচেনা অজানা কোথাও নেয়া হলে তুলনামূলক বেশি ঝুঁকি থাকায় ভেতরেই কার্য সম্পাদনের উদ্যোগ নেয় অপরাধীরা।

সেনানিবাসের ভেতরে জঙ্গলে মাটিচাপা দেয়ার সুযোগ অবশ্য হয়ে উঠেনি, চারিদিকে তনুর খোঁজে ইতোমধ্যে তোলপাড় শুরু হয়ে যাওয়ায়। রাতের প্রথম প্রহরে নিথর দেহ খুঁজে পাবার পর সার্জেন্ট জাহিদ এবং সিপাহি জাহিদ কেউই দেখতে আসেনি তনুকে, খবরও নেয়নি। দুই জাহিদকে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় সরিয়ে নেয়া হয় অজ্ঞাত স্থানে। সার্জেন্ট জাহিদের বাসায় তনুকে অপহরণের পর থেকে আরেক অফিসারের বাসা হয়ে জঙ্গলে নিয়ে আসার মিশনে সিভিল পোশাকে ১০ থেকে ১২ জন সেনাসদস্য সম্পৃক্ত ছিলো। প্রভাবশালী অফিসারের স্ত্রী সরাসরি জড়িত থাকায় রাতেই কেঁপে উঠে কুমিল্লা সেনানিবাস। জেলার সীমানা পেরিয়ে দেশে বিদেশে শুরু হয় তুলকালাম। হত্যার বিচার দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ।

তনু হত্যার সময় সেনানিবাসের দায়িত্বে থাকা ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের এরিয়া কমান্ডার ও জিওসি মেজর জেনারেল এনায়েত উল্লাহ এবং স্টেশন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল কাজী শওকত আলম পুরো বিষয়টি খুব কাছ থেকে জানলেও নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার মিশনে মাঠে নামে। কুমিল্লার সাংবাদিকদের কল রেকর্ডের আওতায় এনে তাদেরকে নিয়ন্ত্রণে নেয়া হয় শুরুতেই। তনুর মা-বাবার মুখে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়। তালার ফাঁক দিয়ে তারা মুখ খোলার চেষ্টা করে বারবার খায় হুমকিধামকি। কর্নেল মাসুদ নামে একজন শাসায় তনুর বাবাকে। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের তৎকালীন সহযোগী অধ্যাপক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা এবং তার সহকারী ডা. শারমিন সুলতানা উভয়কেই তখন ম্যানেজ করে নেয়া হয়।

মেডিকেল বোর্ডের ময়নাতদন্ত হয়ে যায় তোতাপাখি। শিখিয়ে দেয়া বুলি উপহার দিতে থাকে কামদা প্রসাদ সাহা গং। প্রথম ময়নাতদন্তে তনুকে হত্যার কোন আলামত খুঁজে না পাবার গল্প শোনানো হয় ম্যাংগো পিপলকে। কবর থেকে মরদেহ উঠিয়ে আরেক দফায় করা ময়নাতদন্তের ফলাফল হিসেবে তনুর যৌন মিলনের হাস্যকর রিপোর্ট দেয়া হয়। একদিকে বলা হয় ডিএনএ টেস্ট ছাড়া ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেয়া যাবে না, অন্যদিকে বলা হয় নিশ্চিত না হয়ে কারো ডিএনএ টেস্ট করা যাবে না। কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলে সিআইডি'র বিশেষ পুলিশ সুপার ড. নাজমুল করিম খানের আন্তরিকতা মাঠে মারা যায় উপরের নির্দেশে। ঢাকা থেকে আইওয়াশ করতে কুমিল্লায় যায় সিআইডি'র শীর্ষ তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল কাহহার আকন্দ। থানা পুলিশ থেকে শুরু করে ডিবি, সিআইডি, পিবিআই হয়ে বিচারের মূলা ঝুলানো হয় অবিচারের হাইকোর্টে।

সোহাগী জাহান তনু হত্যার বিচারে যারপরনাই উদাসীন ছিলো সদ্য পতিত পদচ্যুত ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার আন্তরিকতার অভাবেই তনু হত্যার পর আট বছর ধরে দফায় দফায় পরিবর্তন করা হয় তদন্ত কর্মকর্তা। দেশপ্রেমিক যে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করতে সুপরিকল্পিত উপায়ে ঘটানো হয় পিলখানা হত্যাযজ্ঞ, সেই সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষায় বিগত সরকারের ভূমিকা ছিলো প্রশ্নবিদ্ধ। তনুর মা আনোয়ারা বেগম এবং বাবা ইয়ার হোসেন বহুবার বলেছে, "আমরা কোন সরকার কিংবা কোন বাহিনীর বিপক্ষে নই। সেনাসদস্য যারা অপরাধ করেছে, কলিজার টুকরাকে মেরে আমাদের পরিবারকে শেষ করে দিয়েছে, শুধু তাদের বিচারটা হোক"।

বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি, ফ্যাসিবাদের অপশাসন দুঃশাসন স্বৈরশাসনের অবসান ঘটিয়ে ছাত্রজনতার দুনিয়া কাঁপানো গণঅভ্যুত্থানে নতুন করে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ কি তনুকে মনে রেখেছে? বিচারের বাণী কি এখনো কাঁদবে নিরবে নিভৃতে? কতিপয় পথভ্রষ্ট সেনাসদস্যের পাপের প্রায়শ্চিত্ত কেন করবে সমগ্র বাংলাদেশ? কুমিল্লা সেনানিবাসের এই কলংক কি আজীবন থেকে যাবে? একাত্তরের প্রথম মুক্তিযুদ্ধে কুমিল্লা সেনানিবাসের গৌরবগাঁথার সাথে তনু হত্যা সাংঘর্ষিক নয় কি? এক ডজন ব্যক্তির অপকর্মের দায় কেন নেবে সমগ্র বাহিনী? আমরা কি একদিন সবকিছু ভুলে যাবো? বিবেক থাকলে মনে রাখবেন, সোহাগী জাহান তনুর জীবনের শেষ গান ছিলো, "অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান যেন ভুলে যেয়ো না..."।

© সংগৃহীত

একটা ফারাবীর গ্রেফতারের সময়ের ছবি অন্যটা এই সময়ের। ১২ টা বছর কারাগার ফারাবির তরুণ্য শুষে নিয়েছে। ছবি দুইটা দেখলেই মনের ভ...
28/01/2025

একটা ফারাবীর গ্রেফতারের সময়ের ছবি অন্যটা এই সময়ের। ১২ টা বছর কারাগার ফারাবির তরুণ্য শুষে নিয়েছে। ছবি দুইটা দেখলেই মনের ভেতরটা মোচর দিয়ে ওঠে। ফারাবীর ছবি এবং লেখা দেখে তার সম্পর্কে যা ভেবেছিলাম সেটা মওলানা মামুনুল হক কনফার্ম করেছিলেন উনার বইতে। তিনি ফারাবি সম্পর্কে লেখেন,

❝...কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার -৪ এর পাঁচ তলায় থাকতাম আমি ৷ বাইরে সাক্ষাতে কেউ এলে সাক্ষাৎ শেষে পাঁচতলায় উঠার সময় চার তলার পূর্ব-পশ্চিম দুদিকের বন্দিদের সাথেই কিছু কথোপকথন হতো ৷ চারতলার পশ্চিম দিকে একটা ছেলে খুব অনুনয় বিনয় করে তার মুক্তির ব্যাপারে চেষ্টা করতে বলতো ৷ নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে দুটি তথ্য দিত ৷ ব্লগার রাজিবের জানাযার ইমামের হুমকি দান আর হাটহাজারী মাদরাসার মুনির সাহেব তাকে চিনে ৷ এই দুটি তথ্য দিয়ে নিজের নাম ফারাবী পরিচয়ের মাধ্যমে তার মুক্তির জন্য একটু চেষ্টা করতে খুব কাকুতি-মিনতি করত ৷ আমি তখন এই তথ্যপ্রযুক্তির আধুনিক জগৎ সম্পর্কে তেমন অবগত নই ৷ আর আমার পরিবার ও মাদরাসার লোকজন ছাড়া আর কারো সাথে তেমন একটা যোগাযোগও নেই ৷ ভিতরে আটক হেফাজতের অন্যান্য আসামীদের জন্য যেমন টুকটাক কিছু করার প্রয়াস পেয়েছি, ফারাবীর জন্যও ততটুকুই করেছি৷ পরিচয়ের প্রভাব ব্যবহার করার যোগ্যতা আমার নেই৷

আমরা যারা এক ব্লকে একসাথে থাকতাম, খাওয়া- দাওয়াসহ কিছু সুন্দর ব্যবস্থা সেখানে ছিল ৷ আমাদের ব্লক থেকে হেফাজতের বন্দিদের মুক্তিতে কিছু সিট খালি হলে অন্যান্য ব্লক থেকে নতুন কিছু লোক আনার সুযোগ তৈরি হলো ৷ তখন ঐ জমাদারকে জনপ্রতি পাঁচশত করে টাকা দিয়ে পছন্দমত কিছু বন্দি আমাদের ব্লকে আনা হলো ৷ নবাগত ঐ বন্দিদের মধ্যে এই ফারাবীও ছিল ৷

পুরো নাম শাফিউর রহমান ফারাবী, ফারাবী ছেলেটার ব্যপারে আমার পর্যবেক্ষণ হলো, খুবই সরল ও আবেগী একজন তরুন ৷ ইসলামের প্রতি ভালোবাসা আছে ৷ আছে আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি অগাধ প্রেম ৷
..ওকে আগের বার যখন গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়েছিল, প্রথমে তো বিশাল একটা কিছু মনে করেছিল ডিবির লোকজন ৷ কিন্তু দুইটা বাড়ি মারতেই শিশুদের মতো এমন চিৎকার শুরু করেছিল, তাতে গোয়েন্দাদের ওকে বুঝতে সময় লাগেনি ৷ দুটো সাধারণ মারই সহ্য করার ক্ষমতা ওর নেই ৷
..আসলে ফারাবী হলো আবেগ প্রবণ সরল প্রকৃতির একজন ঈমানদার মেধাবী তরুন ৷ জ-ঙ্গিবাদ ইত্যাদির কাজ করার যোগ্যতা ওর নেই ৷ ও শুধু এই বুদ্ধিবৃত্তিক কিছু লেখালেখিই করতে পারে। ❞

রাসুল পাক সা. কে নোংরাতম আক্রমণকারী জাহান্নামের কীট রাজিব থাবা এবং তার জানাজা পরানো ব্যক্তি নিয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেবার কারনে ফারাবীকে ১২ টা বছর জেলে আটকে রাখা হয়েছে।

মামুনুল হকের আত্নীয়দের কাছে মুক্তির জন্য একটু কাজ করার অনুরোধ করার অংশটা পড়ার পর আত্নাটা কেমন যেন হয়ে যায়। না জানি গেল ১২ বছর কত মানুষের কাছে বেচারা এভাবে মুক্তির চেষ্টা করতে অনুরোধ করেছে...। শুধুমাত্র ফেইসবুকে একটা স্ট্যাটাস দেবার জন্য যে বছরের পর বছর তাকে জেলে বন্দী করে রাখা হবে সম্ভবত এটা সে বোঝে নাই বহুকাল...

আমি জানি না বাংলাদেশে জ-ঙ্গিবাদ আছে কিনা। যদি ২/৪ জন থেকেও থাকে তার একটা কারন সম্ভবত হবে ফারাবীর মত ইয়াতিম, নিস্পাপ মজলুমের উপর এই রকম নির্দয় জুলুম।

ফারাবী, ভাই আমার! জানি না কবে ফেরাউনের জিন্দান খানা তোমার থেকে মুক্তি হবে, আমাদের অক্ষমতা মাফ করে দিও...।

©️

‘হে আল্লাহ, রাজত্বের মালিক, আপনি যাকে চান রাজত্ব দান করেন, আর যার থেকে চান রাজত্ব কেড়ে নেন এবং আপনি যাকে চান সম্মান দান ...
08/01/2025

‘হে আল্লাহ, রাজত্বের মালিক, আপনি যাকে চান রাজত্ব দান করেন, আর যার থেকে চান রাজত্ব কেড়ে নেন এবং আপনি যাকে চান সম্মান দান করেন। আর যাকে চান অপমানিত করেন, আপনার হাতেই কল্যাণ। নিশ্চয় আপনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান’।

ক্ষমতা মানুষকে কতটুকু পশু বানায়তোমাদের ১০০ রাউন্ড চাইনিজ গু*লি দিয়ে কয়টি লাশ ফেলতে পেরেছ?’ "প্রতিটি গলিতে লা*শ ফেলতে ফে...
08/01/2025

ক্ষমতা মানুষকে কতটুকু পশু বানায়
তোমাদের ১০০ রাউন্ড চাইনিজ গু*লি দিয়ে কয়টি লাশ ফেলতে পেরেছ?’
"প্রতিটি গলিতে লা*শ ফেলতে ফেলতে যাবে; যাতে কেউ সামনে আসতে সাহস না পায় "
- বানীতে কুখ্যাত সুদীপ কুমার

২১ জুলাই দুপুর ৩টার দিকে তার নির্দেশে একটি সাদা গাড়ির পিছনের দরজা খুলে ২ জন পুলিশ সদস্যকে দিয়ে চাইনিজ রা/ই/ফে/ল দিয়ে শুধুমাত্র পাঞ্জাবি পড়াদের টার্গেট করে গু/লি করার নির্দেশ দেন।

ঘন্টাখানেক পর র‍্যাবের এক অফিসার দেখে জিজ্ঞেস করেন তোমাদের গু/লি করার অনুমতি কে দিয়েছে। তারা উত্তর দেয় সুদীপ স্যার।
সুদীপকে জিজ্ঞেস করলে হাসতে হাসতে উত্তর দেয় " না আমি ওভাবে নির্দেশ দেইনাই আর কি "।

বৈ*ষ*ম্য*বি*রো*ধী ছাত্র আ-ন্দো-ল-ন-কালে ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপির) যুগ্ম-কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী। তখন তিনি ট্রাফিক উত্তর বিভাগের দায়িত্বে থাকলেও ছাত্র-জনতা দমনে হাতে তুলে নেন চাইনিজ রা/ই/ফে/ল।

সেনাদের নিষেধ সত্ত্বেও ছাত্র-জনতা হ/ত্যা/য় মাতেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে পুলিশের যারা বেপরোয়া ছিলেন তাদের অন্যতম ছিলেন পুলিশের এ কর্মকর্তা।

যাত্রাবাড়ী-শনির আখড়া এলাকায় তার গু/লিতে নি/হ/ত হন অনেক আ-ন্দো-ল-ন-কা-রী।

গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর পুলিশের এই কর্মকর্তাকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তাকে ট্রাফিক বিভাগের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে ডিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হলেও পলাতক রয়েছেন। শোনা যাচ্ছে, সুদীপ কুমার পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গেছেন। তার স্ত্রী পুলিশ সুপার সুনন্দা রায়ও (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত) দেশেই আছেন। তাকে গত ৮ অক্টোবর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে রাজশাহী রেঞ্জে সংযুক্ত করা হলে ইতিমধ্যে রাজশাহীতে যোগ দিয়েছেন। অপরদিকে কর্মে যোগ না দেওয়া সুদীপ কুমারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ঘটনার দিন ওই এলাকায় র‍্যাব-সেনাবাহিনী একটিও লাইভ বুলেট ফায়ার করেনি। সুচতুর সুদীপ কুমার র‍্যাব ও সেনাবাহিনীকে সামনে রেখে রাতের অন্ধকারে এই নৃশংস হ/ত্যাকা-ন্ড চালায়।

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচের এই কর্মকর্তা বিরোধী দলগুলোর ওপর নানা দমন-পীড়ন চালিয়ে সরকারের আস্থা অর্জন করেছিলেন। বগুড়ার পুলিশ সুপার থেকে গেল বছর পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি হন। পরে তাকে ডিএমপিতে পদায়ন করা হয়। এরপর তিনি ডিএমপির ট্রাফিক উত্তর বিভাগের দায়িত্ব পান।

07/01/2025

এমন একটি দৃশ্য দেখবো কল্পনাও করিনি। আজ সীমান্তে ভারতীয় সেনারা অ'বৈ'ধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করতে আসলে বাংলাদেশী বর্ডার গার্ডের সাথে স্থানীয় মুসলিমরাও এগিয়ে আসে। একসময় ভারতীয় সেনারা গু"লি করতে চাইলে, বাংলাদেশের জনগণ তাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ে। তাদের অস্ত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে!!!

এমন দৃশ্য বাংলাদেশের মানুষ পূর্বে কখনো দেখেছে বলে আমার মনে নাই।

যে জাতি খালি হাতেই শ'ত্রু'র সশস্ত্র বাহিনীর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে, তাদের বিরুদ্ধে ভারত যু'দ্ধে ঘোষণা করলে রাজধানী দিল্লি হারাবে। ইনশাআল্লাহ

আজকে আমার দেশ-এ জনাব এম ইলিয়াস আলীকে নিয়ে করা প্রতিবেদন।
06/01/2025

আজকে আমার দেশ-এ জনাব এম ইলিয়াস আলীকে নিয়ে করা প্রতিবেদন।

আজ সেই কালো ৫ জানুয়ারি, গণতন্ত্র হত্যা দিবস। ২০১৪ সালের এই দিনে বাংলাদেশের মানুষের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া...
06/01/2025

আজ সেই কালো ৫ জানুয়ারি, গণতন্ত্র হত্যা দিবস। ২০১৪ সালের এই দিনে বাংলাদেশের মানুষের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রথম ধাপ শুরু করে স্বৈরাচার হাসিনা। ৩৯ টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে সেদিনের এই একতরফা নির্বাচন বয়কট করেছিলো ৩১ টি রাজনৈতিক দল। দেশের অন্যতম প্রধান দুইটি রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামী ২০১৪ সালের নির্বাচন বয়কটের কারণে অর্ধেকের বেশি আসনে ভোট গ্রহণের প্রয়োজন হয়নি।

জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ১৫৪ জন আওয়ামী প্রার্থী বিনা ভোটে এমপি হয়েছিল। নির্বাচনের দিন ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছিল মাত্র ১৪৬টি আসনে। এই নির্বাচনের ভোট পড়েছিলো মাত্র ১১ %। তখন থেকেই একদলীয় শাসনব্যবস্থা কায়েম করে, ভোটারবিহীন ১৫৪ জন বিনাভোটের সাংসদ সদস্য নিয়ে সরকার গঠন করে দেশের শাসন ব্যবস্থা, বিচারবিভাগ ও প্রশাসনকে দলীয়করণ করে স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা, খুন-গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যাকান্ড এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি চর্চার নতুন ধাপ শুরু করেছিল।

আমাদের দেশের শীর্ষ আলেম-ওলামা ও ইসলামী চিন্তাবিদদের গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কী নির্মমতার শিকার হয়েছে সেটা জাতিকে জানতে...
05/01/2025

আমাদের দেশের শীর্ষ আলেম-ওলামা ও ইসলামী চিন্তাবিদদের গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কী নির্মমতার শিকার হয়েছে সেটা জাতিকে জানতে দেওয়া হয়নি এতদিন!!

হাসিনা দিল্লি পালানোর ৫ মাস হয়ে গেছে এখনো নিজেদের শীর্ষ নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মুক্ত করতে পারেননাই আপনারা। আর এখন ...
05/01/2025

হাসিনা দিল্লি পালানোর ৫ মাস হয়ে গেছে এখনো নিজেদের শীর্ষ নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মুক্ত করতে পারেননাই আপনারা।

আর এখন আসছেন এই সন্ত্রাসীদের পক্ষাবলম্বন করতে। এইসব বন্ধ করেন।

আরেকটা খেলা দেখবেন দখলকৃত দেশ টিভির? গতকাল একটা নিউজ ভাইরাল হয়েছে। " ফেনীতে লীগ নেতাকে সংবর্ধনা দিয়েছে ডিসি,এসপি,এবং ফেন...
04/01/2025

আরেকটা খেলা দেখবেন দখলকৃত দেশ টিভির?

গতকাল একটা নিউজ ভাইরাল হয়েছে।
" ফেনীতে লীগ নেতাকে সংবর্ধনা দিয়েছে ডিসি,এসপি,এবং ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব"

উক্ত লীগ নেতা সাখাওয়াত কাতার লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এটা সত্য।
নিজাম হাজারীর সাথে তার অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিলো এটাও সত্য।

তবে যে সত্যটি দেশ টিভি এড়িয়ে গেছে তা হলো,
উক্ত প্রোগ্রাম আয়োজন করেছে ফেনীর জামাত সমর্থিত প্লাটফর্ম "আলোকিত ফেনী ফাউন্ডেশন "।
এবং
উক্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ফেনী জেলা জামাত আমীর আব্দুল হান্নান উপস্থিত ছিলেন।

~ছবিতে উক্ত প্রোগ্রামে বক্তব্য দেয়া ব্যক্তি হলেন ফেনী জেলা জামাত আমীর।

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামানের দুর্নীতি ফাঁসের ঘটনায় আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। অথচ, যে পুলি...
03/01/2025

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আসাদুজ্জামানের দুর্নীতি ফাঁসের ঘটনায় আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। অথচ, যে পুলিশ কর্মকর্তারা তার দুর্নীতি ফাঁস করেছিলেন, তাদেরকে আবার নতুন করে হয়রানি করা হচ্ছে।

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ধানের শীষ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ধানের শীষ:

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share