31/07/2024
আমার ছোট ভাই, (আবু সাঈদের হত্যা মামলায় গ্রফতার, ভাইকে হত্যা করেছে পুলিশ নিজেই স্পষ্ট ভিডিও ফুটেজ সারা বাংলাদেশ দেখেছে)
মো: আলফি শাহরিয়ার মাহিম
বয়স:১৬বছর ১০মাস
শ্রেণি: একাদশ (এইচএসসি ২৫)
কলেজ আইডি: 17660
বিদ্যালয়: পুলিশ লাইন্স স্কুল এন্ড কলেজ রংপুর।
সিদ্দিক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ছাত্র।
আমার ভাই অত্যন্ত মেধাবী, শান্ত ভদ্র একটা ছেলে।
ভাইয়ের এক্সাম চলছিল, ১৫তারিখ কলেজে পরিক্ষা দেয়ার পর সে অসুস্থ হওয়ায় ১৫-৭-২৪ বিকেল থেকে ১৭-৭-২৪সে রংপুর মেডিকেলে সে এডমিট ছিল।(সমস্ত প্রমাণাদি বিদ্যমান) এর পর ১৮তারিখ সে কলেজের উদ্দেশ্যে বের হলে জানতে পারে পরীক্ষা স্থগিত, তখন বন্ধুদের সাথে মিছেলের মাঝে জরিয়ে পরে, এবং পুলিশের টিয়ারসেলে বন্ধুদের থেকে আলাদা হয়ে যায়। পরবর্তীতে আমরা ১৮তারিখ আনুমানিক ৪টায় ওর বন্ধুদের থেকে জানতে পারি তার পায়ে রাবার বুলেট লেগেছে, সেখানের লোকাল মানুষজন কোনো হসপিটালে এডমিট করিয়েছে। রাত ১০টা পর্যন্ত সব হসপিটাল ক্লিনিক খুঁজেও যখন পাচ্ছিলাম না। বাবার কাছে একটা কল আসে, তারা জানায় আপনার ছেলে আমাদের হেফাজতে আছে জানাজানি করিয়েন না তাতে ছেলের ক্ষতি হবে, তাকে আগামীকাল সকালে ছেড়ে দেয়া হবে চিন্তার কিছু নেই। কিন্তু পরের দিন ১৯-৭-২৪ সকালে আমরা খোঁজ নিলে তারা অস্বীকার করে বলে তাদের কাছে এই নামে কেউ নেই। এরপর আনুমানিক বিকেল ৪:৩০টায় কোর্ট থেকে কল আসে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা কোর্ট থেকে নথিপত্র নিয়ে জানলাম তাকে আবু সাইদ ভাই এর হত্যা মামলা দেয়া হয়েছে। সেদিন থেকে বার বার কারাগারের দরজা থেকে ফিরে এসেছি একটা বার দেখা তো দূর তার কন্ঠও শুনতে দেয়নি কেউ। মেট্রো কোর্ট তার মামলা কিছুতেই শিশু কোর্টে দিতে চায়নি অনেক চেষ্টা করে গত ৩০জুলাই শিশু কোর্টে নেয়া হলে ডেট দেয় আগামী ৪ই আগস্ট। ৪তারিখ কি রায় দিবে আমার জানা নেই, তবে আমি আমার ভাইকে ফিরে চাই, বেকসুর খালাস দেওয়া হোক এটা চাই।🙏🙏
যে ছেলেটা লিগাল ডকুমেন্টস অনুযায়ী শিশু, এমনকি মামলায় প্রদত্ত ঘটনার সময় সরকারি হাসপাতালে এডমিট ছিল, তাকে তারা কোন হিসেবে এভাবে হ্যারাস করাচ্ছে? সব থেকে বড় কথা তার গায়ে কলেজ ড্রেস ছিল, আইডি ছিল, সে পুলিশদের ইনস্টিটিউট এরই ছাত্র। এক্ষেত্রে কি তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, সহপাঠী, আইনজীবী কারো কিছুই করার নাই? আমার ভাই কে কোন লজিকে তারা আটকে রেখেছে, দেখাও করতে দিচ্ছে না!
🛑রংপুরের আইনজীবী ভাইদের কাছে সাহায্য চেয়েছেন তার পরিবার এগিয়ে আসুন😥
©Sanjana Sneha(Victim's sister)