Md. Eanur Hossain

  • Home
  • Md. Eanur Hossain

Md. Eanur Hossain This is Md. Eanur Hossain. I am highly passionate about Documentary Filmmaking, Travel, Environmental & Wildlife Journalism.

সেন্ট মার্টিনের অতিজাগতিক এক রাত।রাত তখন অনেক গভীর। ক্যালেন্ডারের তারিখ ছাপিয়ে সময় যেন থেমে গেছে এক নির্জন সৈকতে। আমার...
13/10/2025

সেন্ট মার্টিনের অতিজাগতিক এক রাত।

রাত তখন অনেক গভীর। ক্যালেন্ডারের তারিখ ছাপিয়ে সময় যেন থেমে গেছে এক নির্জন সৈকতে। আমার কাছে কিছুই নেই—না ভয়, না হারানোর কিছু—শুধু এক অদ্ভুত শান্তি ঘিরে রেখেছে শরীর ও মনকে।

সমুদ্রের বালুতে খালি পায়ে হাঁটছি। আকাশ এতটাই পরিষ্কার যে মনে হচ্ছে এক ঝলমলে ক্যানভাসে কোটি কোটি তারা জ্বলে উঠেছে একসাথে। সেই আকাশে খালি চোখে ধরা দিচ্ছে আকাশগঙ্গা—যেন দূরের কোনো স্বপ্ন হাত বাড়ালেই ছুঁয়ে ফেলা যাবে। আমি আর অনুজ—আমাদের দু’জনের নিঃশব্দ উপস্থিতি যেন এই অতল নীরবতারই অংশ।

জোয়ার চলছে ধীরে ধীরে, ঢেউ এগিয়ে আসছে তাবুর দিকে। নারিকেল বাগানের ভেতরে ছোট্ট এক কোণে আমরা তাবু ফেলেছি। বাতাসে কাঁচা নারিকেলপাতার গন্ধ, আর তার সঙ্গে লবণমিশ্রিত সমুদ্রের হালকা সুরভি—মিলেমিশে তৈরি করেছে এক অদ্ভুত আবেশ।

উপরে তাকালে নারিকেল গাছের ফাঁক গলে দেখা যায় তারা, যেগুলোর দীপ্তি কোনো শহরের আলোক দূষণ মুছে দিতে পারে না। তাবু থেকে হাত পনেরো দূরে গর্জন করে ভাঙছে ঢেউ—দিনে যেটা এত সাধারণ মনে হয়, রাতের নিস্তব্ধতায় সেটাই যেন বুকের ভেতর কাঁপন ধরিয়ে দেয়।

মাঝেমাঝে চোখের কোণায় ধরা পড়ছে উল্কা—একটি ঝলক, তারপর মিলিয়ে যাচ্ছে অনন্ত অন্ধকারে। দূরের সমুদ্রে মাছ ধরার নৌকাগুলোয় মিটি মিটি জ্বলছে নীল, লাল আর সবুজ আলো। কোনো রিসোর্ট তখনও সেখানে গড়ে ওঠেনি। চারপাশ জুড়ে নিখাদ একাকিত্ব—অপরূপ, কাঁচা, আদিম প্রকৃতি।

সবকিছু মিলে সেই রাতটা হয়ে উঠেছিল অবিশ্বাস্য—এক ধরনের অতিজাগতিক সৌন্দর্য। এমন সৌন্দর্য যা চোখ ভরিয়ে দেয়, কিন্তু মনকে অদ্ভুতভাবে কাঁপিয়ে তোলে। ভয় আর সৌন্দর্যের মাঝামাঝি এক মোহময় মুহূর্ত।

রাতভর আমরা তাবুর ভেতর বসে ছিলাম। পাশের নারিকেল গাছে বাঁধা হ্যামকে দুলছিলাম নীরবে। চারপাশে ঢেউয়ের গর্জন, নারিকেল পাতার হালকা শো শো শব্দ, আর মাথার ওপরে অসংখ্য তারা। শেষরাতের দিকে আকাশে ধীরে ধীরে উঠল কৃষ্ণ পক্ষের ক্ষীণ চাঁদ। সেই রূপালি আলো বালুর ওপর পড়ে পুরো সৈকতটা যেন সাদা এক পর্দায় মোড়ানো হয়ে গেল। ঢেউ গলে পড়ছে ধীরলয়ে—শব্দহীন কোনো প্রাচীন গানের মতো।

সেই রাতটা আজও চোখে ভাসে।
মনে হয়, আমি যেন কোনো পৃথিবীর নয়—বরং আকাশ আর সমুদ্রের মাঝখানে এক চিরন্তন মুহূর্তে আটকে গিয়েছিলাম।

গলাচিপা | সেন্ট মার্টিন | ডিসেম্বর, ২০২০

আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে রঙিন উৎসব—মনিপুরী রাস উৎসব। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ও আদমপুরে প্রতিবছর এই অনন্...
07/10/2025

আমার দেখা বাংলাদেশের সবচেয়ে রঙিন উৎসব—মনিপুরী রাস উৎসব। মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ও আদমপুরে প্রতিবছর এই অনন্য আয়োজন হয়।

মাধবপুরে রাস উৎসবের আয়োজন করে বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরীরা, আর আদমপুরে আয়োজনের নেতৃত্বে থাকে মৈতৈ মনিপুরীরা।

মাধবপুরের (জোড়া মণ্ডপ) রাস উৎসবের বয়স এখন প্রায় ১৮০ বছরেরও বেশি, আর আদমপুরে মৈতৈ সম্প্রদায় আলাদা ভাবে রাস উৎসব শুরু করেছে ১৯৮৬ সাল থেকে। শত বছরেরও বেশি সময় ধরে এই ঐতিহ্য টিকে আছে এখানকার জীবন ও বিশ্বাসের সঙ্গে।

দিনে আয়োজিত হয় রাখাল নৃত্য বা গোষ্ঠলীলা—যেখানে কৃষ্ণের বাল্যজীবনের নানা ঘটনা, রাধা–কৃষ্ণের শৈশবলীলা ও রাখালদের আনন্দঘন মুহূর্ত মঞ্চস্থ হয়। দুপুর থেকে শুরু হওয়া এই আয়োজনের নৃত্যে অংশ নেয় স্থানীয় শিশু ও কিশোরেরা।

আর রাত বারোটার পর মঞ্চে শুরু হয় রাসলীলা বা মহারাস—রাধা–কৃষ্ণের প্রেম ও গোপীদের ভক্তির রূপায়ণ। গান, সঙ্গীত, ঢাক-করতাল আর রঙিন আলোর মেলবন্ধনে সৃষ্টি হয় এক মুগ্ধকর সুরের জগৎ, যা অনুভবে ধরা দেয়, কিন্তু বর্ণনায় ধরা যায় না।

আমার সৌভাগ্য হয়েছিল দুই আয়োজনেই যাওয়ার। মাধবপুরের আয়োজন বড় ও জমকালো, ভিড়ে ঠাসা। সেখানে রাসকে ঘিরে বসে বিশাল মেলা। অন্যদিকে আদমপুরের আয়োজন ছোট হলেও ভিড় কম থাকায় বেশি উপভোগ্য।

এবারের রাস উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ৫ নভেম্বর—রঙ, সুর ও ভক্তির এক মায়াময় রাতে আবারও প্রাণ ফিরে পাবে মনিপুরী সমাজের প্রাচীন এই ঐতিহ্য।

ছবিগুলো ২০২৩ সালের রাস উৎসবের।

প্রবারণা পূর্ণিমার রাতে ট্রেকিং, চাঁদ মামা আমাদের সাথে সাথে হাঁটছিলো!থানচি | বান্দরবান | নভেম্বর, ২০২০
06/10/2025

প্রবারণা পূর্ণিমার রাতে ট্রেকিং, চাঁদ মামা আমাদের সাথে সাথে হাঁটছিলো!

থানচি | বান্দরবান | নভেম্বর, ২০২০

বগুড়ার শিবগঞ্জের বিহারহাট গ্রামে শামুকখোল পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় গড়ে উঠেছে। বট ও আম গাছে শত শত শামুকখোল পাখি থাকে, বাচ্...
04/10/2025

বগুড়ার শিবগঞ্জের বিহারহাট গ্রামে শামুকখোল পাখিদের নিরাপদ আশ্রয় গড়ে উঠেছে। বট ও আম গাছে শত শত শামুকখোল পাখি থাকে, বাচ্চাদের জন্ম দেয়!

দুথাইথোঃ, পাহাড়ে পথের ধারেই পাওয়া যায় এদের, বিশেষত বর্ষাকালে। স্বাদ প্যাশন ফ্রুটের মত। সেদিন ফিরতে ফিরতে অনেকগুলো পেয...
02/10/2025

দুথাইথোঃ, পাহাড়ে পথের ধারেই পাওয়া যায় এদের, বিশেষত বর্ষাকালে। স্বাদ প্যাশন ফ্রুটের মত। সেদিন ফিরতে ফিরতে অনেকগুলো পেয়েছিলাম।

দুথাইথোঃ ত্রিপুরা শব্দ, এর বাংলা নাম জানা নাই।

আলীকাদম, বান্দরবান | আগষ্ট, ২০২৪

পাহাড়ে অসংখ্যবার গয়াল দেখেছি, কিন্তু সর্বশেষ ভ্রমণে দেখলাম গয়ালের বাচ্চা। গয়ালকে সবসময় শান্ত দেখা গেলেও সাথে বাচ্চা...
01/10/2025

পাহাড়ে অসংখ্যবার গয়াল দেখেছি, কিন্তু সর্বশেষ ভ্রমণে দেখলাম গয়ালের বাচ্চা। গয়ালকে সবসময় শান্ত দেখা গেলেও সাথে বাচ্চা থাকলে খুব আক্রমণাত্মক রূপে দেখা যায়। এই অভিজ্ঞতা হল সামনাসামনি বাচ্চা সমতে গয়াল দেখতে যেয়ে।

মূলত গয়ালের বাচ্চা থমকে দাড়াই, মা ও বাবা গয়াল আমাকে চোখে চোখ রাখছিলো। বাচ্চা খুব উৎসাহী, বার বার সামনে চলে আসছিলো। বাবা-মা, বারবার মাথা দিয়ে ঠেলে আড়াল করার চেষ্টা করছিলো।

গয়ালের রঙ কালচে হলেও বাচ্চার গায়ের রঙ কিন্তু বাদামী।

আলীকদম | বান্দরবান | সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মাইসিংগা মাইসিংগার স্বাদ মিষ্টি, অনেকটা আখের মত। দেখতেও আখের মত কিন্তু সাইজে খাটো ও চিকন। মাইসিংগা চাষ হয় জুমে। বিশেষত ...
01/10/2025

মাইসিংগা

মাইসিংগার স্বাদ মিষ্টি, অনেকটা আখের মত। দেখতেও আখের মত কিন্তু সাইজে খাটো ও চিকন। মাইসিংগা চাষ হয় জুমে। বিশেষত পাহাড়ের বাচ্চাদের খুব পছন্দ, খুব মজা করে খায়।

আমি এর সাথে পরিচিত হই ২০২০ সালের আগষ্টে। এরপর যে কয়বার পাহাড়ে গেছি জুমের মৌসুমে প্রতিবারই খেয়েছি।

মাইসিংগা ত্রিপুরা শব্দ, এর বাংলা নাম জানা নেই।

আলীকদম | বান্দরবান | আগষ্ট, ২০২৪

19/05/2025

ঠিক একবছর আগে আজকের দিন এভারেস্ট চূড়া আরোহন করেছিলেন Babar Ali ভাই, আজকে নতুন ইতিহাস সৃষ্টা করবেন Ikramul Hasan Shakil ভাই, জাতি অপেক্ষায়!

Address


Telephone

+8801777187444

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Eanur Hossain posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md. Eanur Hossain:

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share