Famas Islamic Stories

  • Home
  • Famas Islamic Stories

Famas Islamic Stories আল্লাহ্ ও রাসূল সাঃ এর কথা-বানী এবং আদেশ-নিষেধ প্রচার করি।

09/11/2024

উস্তাদের দুআ ও একটি শিক্ষণীয় ঘটনা
-- মুহাম্মাদ ত্বহা হুসাইন
জীবনে উন্নতি-অবনতির ক্ষেত্রে মা-বাবা ও উস্তাদের দুআ ও বদ দুআর বিরাট প্রভাব রয়েছে। বিশেষত আমরা যারা তালিবুল ইলম, তাদের দুনিয়া-আখেরাতের কামিয়াবির জন্য উস্তাদের দুআ ও তাওয়াজজুহর বিকল্প নেই। এটি আমাদের জীবন-পথের পাথেয়। উস্তাদের দুআ-তাওয়াজ্জুহ যেমন একজন তালিবে ইলমকে উন্নতির পরম শিখরে পৌঁছে দিতে পারে, তেমনি তাঁদের অন্তরের চোট ও ব্যথাও চরম হতে পারে ক্ষতির কারণ। শুধু ইলমী যিন্দেগীতেই নয়, জীবনের সকল ক্ষেত্রেই এই উন্নতি ও অবনতির প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।

এ কথা সত্য যে, মানুষের কৃতকর্মের ফলেই তার উপর বালা-মুসিবত আসে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বান্দা সুনির্দিষ্টভাবে বলতে পারে না, কোন গুনাহর কারণে কোন মুসিবতটি এসেছে। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে অনুমান করা যায় যে, সম্ভবত অমুক গুনাহর কারণেই এই মুসিবতটি এসেছে। কোনো ভুল আকীদা পোষণ না করলে নিজের ইসলাহ ও সংশোধনের জন্য এটুকু অনুমান করতে অসুবিধা নেই। সংশোধন ও শিক্ষাগ্রহণের জন্যই কয়েক যুগ আগের একটি মর্মস্পর্শী ঘটনা এখানে তুলে ধরছি।
তখন আল্লামা সাইয়েদ সুলাইমান নদভী রাহ. ভারতের নদওয়াতুল উলামা লক্ষ্মৌর নাযিমে আলা। নদওয়াতুল উলামার এই দায়িত্ব পালনকালে তিনি কিছু সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তাঁর এসব পদক্ষেপ ও তার প্রতিক্রিয়ার কথা আলোচনা করতে গিয়ে আল্লামা আবুল হাসান আলী নদভী রাহ. লেখেন, ‘দারুল উলূম নদওয়াতুল উলামার রূহানি ও ফিকরি তারাক্কীর জন্য সাইয়্যেদ সুলাইমান নদভী রাহ.-এর নতুন চিন্তা-ভাবনা ও পদক্ষেপগুলোর পক্ষে ছাত্রদের পক্ষ থেকে আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি। বরং ভেতরে ভেতরে এক ধরনের অসন্তোষ দানা বেঁধে উঠে, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল নদওয়ার ১৯৪৩ সালের অনাকাঙ্খিত ছাত্র-ধর্মঘটের মাধ্যমে। যদিও ধর্মঘটের সূচনা হয়েছিল ব্যবস্থাপনাগত কিছু বিষয় থেকে, কিন্তু এর পেছনে মূল কারণ ছিল সাইয়্যেদ সাহেবের গৃহীত সংস্কার উদ্যোগ।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই ধর্মঘটের নেতৃত্বে ছিল আমাদেরই স্নেহভাজন কিছু শাগরিদ, যারা ছিল দারুল উলূমের প্রথম সারির ছাত্র। যাদের নিয়ে আমাদের, বরং পুরো দারুল উলূমের অনেক স্বপ্ন ছিল। অনেক আশা ও প্রত্যাশা ছিল।

আন্দোলনের পুরোভাগে ছিল আমার অতি প্রিয় ও স্নেহভাজন একজন ছাত্র। আমি দারুল উলূমে দশ বছর শিক্ষক ছিলাম। এরপর নায়েবে নাযিম ও নাযিম হিসেবেও বহুদিন কাজ করেছি। এই দীর্ঘ সময়ে এই নওজোয়ানের চেয়ে মেধাবী, প্রতিভাবান ও রুচিশীল কোনো তালিবে ইলম আমি দেখিনি।
দ্বিতীয়-তৃতীয় স্তরে পড়ার সময় তাঁর অবস্থা এমন ছিল যে, সাবলিল আরবীতে সে লিখতে ও বলতে পারত। তাতে নাহু-সরফের কোনো ত্রুটি হওয়াও মুশকিল ছিল।

যখন সে তৃতীয়-চতুর্থ স্তরের ছাত্র তখন একবার তার পরীক্ষার খাতা দেখে আমার প্রিয় উস্তাদ আরবী সাহিত্যের পন্ডিত মাওলানা খলীল আরব বলেছিলেন, ‘খাতাগুলি দিন, এগুলো দেখিয়ে যত বেশি বলুন, নদওয়ার জন্য আমি চাঁদা তুলতে সক্ষম।

যখন সে চতুর্থ-পঞ্চম স্তরে পড়ে তখন তাৎক্ষণিকভাবে যে কোনো বিষয়ের উপর আরবী ভাষায় সাবলিলভাবে বক্তব্য দিতে পারত। স্মৃতিশক্তি এত প্রখর ছিল যে, ঐ বয়সেই ইকবাল, আকবর ইলাহাবাদী ও যফর আলী খানের মতো কবিদের হাজারো শের তার ঠোঁটস্থ ছিল।

এই হাঙ্গামার পর যখন সে করাচি গেল, এত কম বয়সী হওয়া সত্ত্বেও করাচির ইলমী ও গবেষণা মজলিসগুলোতে আল্লামা খেতাবে বরিত হতে লাগল।
আন্দোলন-হাঙ্গামাগুলো যেমন ঘটে থাকে ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় সে এই অনাকাঙ্খিত ঘটনার নেতায় পরিণত হল। এই হাঙ্গামায় তার অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বদানে তার সকল উস্তাদ, বিশেষত আমি খুবই উদ্বিগ্ন ছিলাম।

কারণ আমি জানতাম, এই হাঙ্গামার সবচেয়ে বড় আঘাত আসবে সাইয়েদ সুলাইমান নদভী রাহ.-এর ব্যক্তিত্ব ও তার পরিচালনার উপর। কারণ তিনি তখন নদওয়ার প্রধান মুরববী ও একমাত্র অভিভাবক। নদওয়ার জন্য তিনি ছিলেন জান কুরবান।
এই হাঙ্গামার কারণে সাইয়্যেদ সাহেবের দিলে খুব চোট লেগেছিল। তাঁর মনে নদওয়ার খেদমত ও ছাত্রদের তারবিয়তের বড় বড় স্বপ্ন ছিল, যা তিনি এই হাঙ্গামার মধ্য দিয়ে ধুলোয় মিশে যেতে দেখলেন। তার সকল সাধনা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হওয়ার দৃশ্যও দেখতে পেলেন। তিনি বেচাইন হয়ে গেলেন এবং তাঁর দিল ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে গেল।

এই সময়েরই ঘটনা। আমাদের সেই প্রিয় ছাত্রটি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে সম্পূর্ণ পাগল হয়ে গেল। হালত এতই নাজুক হল, আত্মীয়-স্বজনরা তাঁকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখতে বাধ্য হল। বহু চিকিৎসা করানো হল। একপর্যায়ে তার এক ভাই আমাদের বাড়িতে এসে আমার শ্রদ্ধেয় বড় ভাই ডাক্তার সাইয়েদ আবদুল আলী সাহেবকে তার চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেল। বিশেষ সম্পর্কের সুবাদে আমিও তার সাথে গেলাম। বিশ্বাস করুন, ‘রশিতে বাঁধা আমার প্রিয় ছাত্রকে দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।

আফসোস! মেধা ও প্রতিভায় যে ছিল সবার ঈর্ষার পাত্র, আজ তার এই করুণ অবস্থা!!
আমার ভাই ঔষধ-পত্র লিখে তাশরীফ নিয়ে এলেন।
সে সময় সাইয়েদ সুলাইমান নদভী রাহ. এতই ব্যথিত ছিলেন যে, রাতে দারুল উলূমে থাকতেন না। থাকতেন আমাদের ঘরে। একদিন একাকীত্বের সুযোগে আমি তাঁর কাছে আরয করি, ‘আমার ধারণা, অমুক ছাত্রটির মুখ থেকে আপনার ব্যাপারে কোনো শব্দ বের হয়ে গিয়েছিল। হাঙ্গামার তুফানে এটা অসম্ভব নয় যে, আবেগতাড়িত হয়ে কোনো অসৌজন্যমূলক আচরণ সে করে ফেলেছে। আর হাদীস শরীফে তো আল্লাহ বলেছেনই-

من عادى لي وليا فقد آذنته بالحرب

যে আমার কোনো ওলি-বুযুর্গকে কষ্ট দিবে, তার সাথে স্বয়ং আমি আল্লাহ যুদ্ধ ঘোষণা করলাম। আর আপনি তো তার অত্যন্ত মুহসিন অভিভাবক ও শফীক মুরববী!!

উত্তরে সাইয়েদ সাহেব তাওয়াযূ ও বিনয়ের সাথে বললেন, আমিই বা আর তেমন কে?

আমি পুনরায় একই কথা আরয করলাম এবং সেই ছাত্রটির জন্য দুআর দরখাস্ত করলাম। কিন্তু সাইয়েদ সাহেব চুপ রইলেন। কিছুই বললেন না।

দুই কি তিন দিন পর। তিনি আমাকে বললেন, ‘মৌলভী আলী! আমি আপনার হুকুম পালন করতে পেরেছি।’
এখন আপনি একে সাইয়েদ সাহেবের কারামত বলুন বা অন্য কিছু, এর পরপরই আমাদের এই প্রিয় ছাত্রটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেল। আমি যতটুকু জানি, দ্বিতীয়বার সে এই রোগে আক্রান্ত হয়নি।

কিন্তু খুব কম বয়সেই ১৯৫০ সালে ক্ষণিকের জ্বলে উঠা এই প্রদীপ শিখা চিরদিনের জন্য নিভে গেল।

حسرت ان غنجون به جو بن كهلى مرجها كئى

আফসোস! ঐ কলির তরে, না ফোটেই যা গেল ঝরে। (দেখুন পুরানে চেরাগ ১/৪০-৪২)

প্রিয় তালিবে ইলম ভাই!
এই মর্মস্পর্শী ঘটনাটি বারবার পড়ুন এবং হৃদয়ে খোদাই করে রাখুন। উস্তাদদের ছায়ায় থেকে তাঁদের খেদমতে সঁপে দিতে না পারি, যদিও এটিই ছিল একজন হাকীকী তালিবে ইলমের প্রধান কাজ, অন্তত এতটুকু সতর্ক তো অবশ্যই থাকতে পারি যে, আমার কাজ-কর্মে এবং আচরণ-উচ্চারণে আমার উস্তাদকে ‘উফ’ বলতে না হয়।
[ মাসিক আলকাউসার » জুমাদাল উলা-১৪৩২ . এপ্রিল-২০১১ ]

আমাদের মাদরাসার ছাত্র/ছাত্রদের ভর্তি কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
10/05/2024

আমাদের মাদরাসার ছাত্র/ছাত্রদের ভর্তি কার্যক্রম প্রায় শেষ হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!

ভর্তি বিজ্ঞপ্তিঃ ভর্তি বিজ্ঞপ্তিঃ ভর্তি বিজ্ঞপ্তিঃ""""""""''''''''''''''  ''''''''''''''''''''''''''''''  ''''''''''''''...
17/04/2024

ভর্তি বিজ্ঞপ্তিঃ ভর্তি বিজ্ঞপ্তিঃ ভর্তি বিজ্ঞপ্তিঃ
""""""""'''''''''''''' '''''''''''''''''''''''''''''' ''''''''''''''''''''''''''''''
রওজাতুল কুরআন ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা নবীনগর, (হরিনগর) দরগাপাশা, শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ।
---------------------------------------------------------
রওজাতুল কুরআন ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদরাসা নবীনগর (হরিনগর)-এর ১৪৪৫-১৪৪৬ হিজরী [নতুন] শিক্ষাবর্ষে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তিকার্যক্রম আগামী ২০ এপ্রিল শনিবার থেকে শুরু হবে, ইংশা-আল্লা-হ্!

মাদরাসার বিভাগ সমুহঃ
""""""""""""""""""''''''''''''''''''''''''
#নূরানী বিভাগঃ
নূরানী শিশু শ্রেণি থেকে নূরানী ৩য় শ্রেণী পর্যন্ত।
#হিফয বিভাগঃ
১. হিফয নাযারা থেকে হিফয তাকমীল পর্যন্ত।
২. হিফয রিভিশন।

#ভর্তির জন্য যা প্রয়োজন হবেঃ
--------------------------------------------
#ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে ভর্তির সময় সদ্যতোলা পাসপোর্ট সাইজের ২ কপি ছবি।
#এনআইডি কার্ড/জন্মনিবন্ধন কার্ডের ফটো কপি সাথে নিয়ে আসতে হবে।
#মাদরাসার বৈশিষ্ট্য সমূহঃ
★ সম্পূর্ণ কোলাহলমুক্ত নিরিবিলি পরিবেশে পড়া-লেখা করার সুবর্ণ সুযোগ সম্পন্ন ক্যাম্পাস|
★অসহায় এতিম মেধাবী ও গরীব ছাত্রদের বিশেষ সুযোগ সুবিধা।
★ আবাসিক ছাত্রদের জন্য রয়েছে সার্বক্ষণিক তদারকির ব্যবস্থা।
★তা'লীমের পাশাপাশি তারবিয়্যাতের ব্যবস্থা।
★দুর্বল ছাত্রদের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ।
★হুফফাজুল কুরআনের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত অবিজ্ঞতা সম্পন্ন হাফিয সাহেবান দ্বারা পরিচালিত।
★হাফিয মেধাবী ছাত্রদের জন্য স্পন্সরের সুবিধা।

সার্বিক যোগাযোগঃ
01712-328752 মুহতামীম,
01738-112466 নাযীমে তা'লীমাত।

একটি গল্প!!-----------------------------একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেক্ষন দৌড়ানো...
27/03/2024

একটি গল্প!!
-----------------------------
একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেক্ষন দৌড়ানোর পর উপায় না পেয়ে পুকুরে ঝাপ দিলো।

মাত্র শুঁকিয়ে যাওয়া পুকুরটিতে কাঁদা ছাড়া কোনো
পানি ছিল না। গরুর পেছন পেছন বাঘটিও ঝাপ দিল। বাঘ ও গরু কাঁদায় গলা পর্যন্ত আটকে গেল।

বাঘ রেগে মেগে বলে, "কিরে হারামী তুই আর লাফ দেয়ার জায়গা পেলি না? ডাঙায় থাকলে তোকে না হয় একটু কুড়মুড় করে খেতাম। এখন তো দুজনেই
মরব রে।"

গরু হেসে বলে, "তোমার কি মালিক আছে? বাঘ রেগে বলে, বেটা আমি হলাম বনের রাজা। আমার আবার মালিক কে। আমি নিজেইতো বনের মালিক। গরু বলে তুমি এখানেই দুর্বল। একটু পর আমার মালিক আসবে। এসে আমাকে এখান থেকে তুলে নিয়ে যাবে। আর তোমাকে পিটিয়ে মারবে। বাঘ বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে রইল।

ঠিকই সন্ধ্যা বেলায় গরুটির মালিক
এসে বাঘটার মাথায় বাঁশ দিয়ে কয়েকটা বাড়ি দিয়ে মেরে গরুটিকে টেনে তুলল। গরু হাসতে হাসতে বাড়ি চলে গেল আর বাঘটি মরে একা একা পড়ে রইল।
মূলকথাঃ আমরা যারা মালিকের উপর ভরসা করি আমাদের উপর যত বড় বিপদই আসুক না কেনো,
আমাদের মালিক (আল্লাহ্) ঠিকই আমাদেরকে রক্ষা করবেন। হয়তো সন্ধ্যা পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করতে হবে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফীক দান করুন আমীন। আশা করি শেয়ার দিবেন অনেকের উপকার হবে।

25/02/2024

চমৎকার একটি ঘটনাঃ

জিবরাইল (আ:) আল্লাহ তাআলাকে একদিন জিজ্ঞেসা করলেন, আল্লাহ আপনি সবচেয়ে বেশি খুশি হন কিসে?

আল্লাহ তাআলা জানিয়ে দিলেন আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হই তখন, যখন আমার বান্দা আমাকে সিজদা করে।

অতঃপর জিবরাইল (আ:) আল্লাহ্ কে সিজদা করলেন ৩০ হাজার বছর ধরে। জিবরাইল (আ:) মনে মনে খেয়াল করলেন আমার থেকে এত বড় দামি সিজদা দুনিয়ায় আর কেউ করতে পারবে না আল্লাহ তাআলা নিশ্চয়ই আমার প্রতি খুশি হবেন।

জিবরাইল (আ:) আল্লাহ্ তাআলার দিকে মতাজ্জির হয়ে রইলেন। কিন্তু আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কোনো সংবাদ জানানো হলো না।

জিবরাইল (আ:) আল্লাহ তাআলা কে জিজ্ঞেসা করলেন, "হে আমার রব! আমি যে এত বড় সিজদা করলাম আপনি কি আমার সিজদার প্রতি খুশি হন নাই?

আল্লাহ তাআলা জানিয়ে দিলেন, "আমি তোমার প্রশ্নের জবাব দেবো, তার আগে তুমি একটু আমার আরশে আজিমের দিকে তাকাও।"

জিবরাইল (আ:) তাকিয়ে দেখলেন আল্লাহর কুদরতি নূর দ্বারা লিখা রয়েছে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ্।"

জিবরাইল (আ:) আল্লাহ তাআলা কে জিজ্ঞেসা করলেন, "হে আল্লাহ! আমার সিজদার সঙ্গে ঐ কালেমার কি সম্পর্ক?

আল্লাহ তায়ালা বললেন, "ও জিবরাইল আমি আল্লাহ্ এই দুনিয়া তৈরি করবো। ঐ দুনিয়ায় মানবজাতি ও জ্বীন জাতির হেদায়েতের জন্য লক্ষাধিক নবী ও রাসুল কে পাঠাব।

সর্বশেষ এবং সর্বশ্রেষ্ট নবী হযরত মুহাম্মাদ (স:) কে পাঠাবো। ঐ নবীর উম্মতের উপর আমি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করবো আর প্রতি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে ১৭ টা রাকাত আমার জন্য ফরজ করবো। প্রত্যেকটা রাকাতের মধ্যে দুটি করে সিজদা হবে আর প্রত্যেকটা সিজদার মধ্যে তিনবার করে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা" পাঠ করবে।

জিবরাইল তুমি জেনে রাখো-
আমার ঐ মাহাবুব নবীর উম্মত যখন সিজদায় গিয়ে "সুবহা-না রাব্বিয়াল আলা" বলে আমাকে ডাক দিবে। জিবরাইল তুমি ৩০ হাজার বছর সিজদা করে যে নেকি পেয়েছো। আমি আল্লাহ্ আমার বান্দার আমলনামায় তার থেকে ৪০ হাজার গুণ বেশি নেকি লিখে দিবো!

সুবহা-ন আল্লা-হ্! 🖤

23/02/2024

জীবনে যতই অপশন থাকুক না কেন, নিজের ব্যাক্তিত্ত্বকে সুন্দর রাখুন।

১। আগে সালাম দিন।
২। হাসিমুখে কথা বলুন।
৩। শুনুন বেশি, বলুন কম।
৪। তামাশার ছলেও কখনো মিথ্যা বলবেন না।
৫। ভুল হলে বিনয়ের সাথে sorry বলুন।
৬। অকারণে বেশি হাসবেন না।
৭। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে কথা বলুন।
৮। আগে অন্যের কথা শুনুন,তারপর নিজে বলুন।
৯। কোনো বিষয়ে তর্কে জড়াবেন না।
১০। কারো কাছে নিজেকে বড় প্রমান করার চেষ্টা করবেন না।
১১। রাগ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
১২। কেও ভুল করলে ক্ষমা করুন।
১৩। ছোট বড়ো সবাইকে সম্মান করুন।
১৪। কথা দিয়ে কথা রাখবেন।
১৫। পোশাকে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।
১৬। পারলে খাওয়ান,জোর করে খাবেন না।
১৭। খাবার সামনে এলে আগে অন্যকে দিন।
১৮। মুখ ও শরীর গন্ধমুক্ত রাখুন।
১৯। চরিত্র সুন্দর রাখুন।
২০। ব্যবহারে নম্রতা বজায় রাখুন।
🌸ইংশা-আল্লা-হ্!🌸

15/02/2024

ূর্ব_সুন্দরী_নারী।

এক সুন্দরী নারী এক কৃষক কে বলল, আমি তোমাকে বিবাহ করিব!
কৃষক তো নারীর চেহারা দেখে পাগল। কৃষক দেরি না করে নারীকে নিয়ে কাজী অফিসে গিয়ে বলল, তাড়াতাড়ি আমাদের বিবাহ পড়িয়ে দাও।
কাজী নারীর চেহারা দেখেই সে নিজেও পাগল। অতঃপর আরে বেটা কৃষক! তুই তো এই নারীর উপযুক্তই না। একমাত্র আমিই তার উপযুক্ত। সূতরাং আমি বিবাহ করবো।
কৃষক বলল, না না আমিই তার উপযুক্ত!
এই নিয়ে কৃষক ও কাজীর মধ্যে ঝগড়া লেগে গেল! এক পর্যায়ে কৃষক আর কাজী বিচার নিয়ে গেলো, বাদশাহের দরবারে!!
বাদশাহ নারীর চেহারা দেখে সে নিজেও পাগল! বাদশাহ বললেন, তোরা দুজনেই এই নারীর অযোগ্য! সূতরাং আমিই তাকে বিবাহ আমি করবো।
এই ঝগড়ার এক পর্যায়ে তখন নারীকে বলা হলো, তুমিই সিদ্ধান্ত দাও কাকে বিবাহ করবে? নারী সিদ্ধান্ত দিলো, যে আমাকে দৌড়ে ধরতে পারবে। আমি তাকেই বিবাহ করিব!!!
নারী দৌড় দিলো, দৌড়াতে দৌড়াতে এক সময় ছট ফট করতে করতে, কৃষক মারা গেলো। তার কিছু দূর পর একই অবস্তায় কাজী টাও মারা গেল।
বাদশাহ নারীকে বলেন, এখন তো আমি একা, চল বিবাহ করিব।
তবুও নারী বলেঃ না, আমাকে দৌড়ে ধরতে হবে।
তখন বাদশাহ বললেন, হে নারী! দাড়াও- বল, তুমি আসলে কে??
নারী বলে, আমি হলাম দুনিয়া! আমার মধ্যে আছে শুধু চাকচিক্য, মোহ, আর লোভ লালসা। আমার পিছে যে দৌড়াবে, সে শুধু এভাবেই মরবে! বিনিময়ে কিছুই পাবে না!!!
আল্লাহ বলেনঃ
"দুনিয়ার জীবন একটি খেলা ও মন ভুলানোর সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়। (আল কুরআন)
হে' আল্লাহ! তুমি আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখো ততক্ষন, যতক্ষন বেঁচে থাকা আমাদের জন্য কল্যানকর। আর তুমি আমাদের মৃত্যূ দিও তখন, যখন মৃত্যূ আমাদের জন্য কল্যানকর। 【…আমিন…]

07/02/2024

মাওলানা আবুল ফাতাহ সাহেব এর আলোচনাগুলো হত সাধারণত জীবন-ঘনিষ্ঠ বিভিন্ন বিষয়ে।

একবারের আলোচনায় বললেন–
এক দম্পতির কথা। যাদের মধ্যে একবার সম্পর্কের বেশ টানা–পোড়েন তৈরি হয়।

আলাপ-আলোচনার পর স্ত্রীর বিরক্তি ও মনোকষ্টের যে কারণটি বের হয়ে আসে তা হচ্ছে,

#স্বামী_গোসলের_পর_লুঙ্গিটা_গোসলখানায়_রেখে_আসেন। ঐ ভেজা লুঙ্গি ধুতে তার খুব কষ্ট হয়!

স্বামী ভালো মানুষ ছিলেন। এটা জানার পর তিনি প্রতিজ্ঞা করলেন, এখন থেকে নিজের লুঙ্গি নিজেই ধুয়ে দিবেন।

সুবহানাল্লাহ! সমষ্টিগত জীবনে ছোট ছোট বিষয়েও কত সচেতনতা প্রয়োজন! ছোট ছোট বিরক্তিকর ব্যাপার নিয়মিত ঘটতে থাকলে, সেটা যে একপর্যায়ে কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো অসহনীয় হয়ে পড়ে, তা কে না বুঝে? সুখী-দাম্পত্যের জন্য এই বোধ ও চেতনা খুবই জরুরি।

পরে মারকাযুদ দাওয়াহ’য় আমার উস্তায মাওলানা আবদুল মালেক ছাহেব হুজুর সম্পর্কেও শুনেছি, তিনি তাঁর এক বিবাহিত ছাত্রকে নসীহত করেছেন, ‘প্রতিদিন রাতে শোয়ার সময় #মশারিটা তুমি টাঙ্গাবে।’

সুবহানাল্লাহিল আযিম! এ তো অনেকের চিন্তার ত্রিসীমানাতেও আসে না; এমনকি এই নসীহত শোনার পরও কারো মনে হতে পারে, এটা একটা নসীহত হলো! কিন্তু সত্যিই কি এটা ছোট কোনো বিষয়?

এ মশারি টানানো নিয়ে যে কত পরিবারে কুরুক্ষেত্র বেধে যায়, তার প্রমাণ তো আমাদের গল্প-উপন্যাসেও আছে।

-মাওলানা যাকারিয়া আবদুল্লাহ্
*জুমাদাল উলা ১৪৪০*

জান্নাতি উল্লম্ফন---আইকনিক ছবি!এই অকুতোভয় ভাইটি চোস্ত পোশাকে আল্লাহর রাস্তায় মেহনতে বেরিয়েছিলেন। পায়ে দামী কেডস, পরনে জি...
05/02/2024

জান্নাতি উল্লম্ফন
---
আইকনিক ছবি!
এই অকুতোভয় ভাইটি চোস্ত পোশাকে আল্লাহর রাস্তায় মেহনতে বেরিয়েছিলেন। পায়ে দামী কেডস, পরনে জিন্স, গায়ে আলখাল্লা। হাতে আর-পি-জি। ভিডিওতে দেখা গেছে, ভাইটি একেবারে লাইন অব ফায়ারের কেন্দুবিন্দুতে গিয়ে ট্যাংকবিধ্বংসী আরপিজিটা লঞ্চ করেছেন। যাওয়ার সময় তার লাফিয়ে লাফিয়ে চলা দেখে বিখ্যাত একটি দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠল। এভাবে লাফিয়ে শত্রুর দিকে এগিয়ে যাওয়াকে আমরা ‘বদরি’ সুন্নত বলতে পারি।

কারো কারো মতে বদরে প্রথম শহিদ হলেন ওমায়ের বিন হুমাম আনসারি রা.। বিখ্যাত একটি হাদীসে তার ঘটনাটি বিবৃত হয়েছে। হাদীসখানা পড়ি--

বদরের ময়দানে ঈমান ও কুফর মুখোমুখি অবস্থানে। মুসলমানদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য নবিজি বললেন: তোমরা জান্নাতের দিকে অগ্রসর হও যার প্রশস্ততা আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার মত।

নবিজির বয়ান শুনে ওমায়ের ইবনে হুমাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! জান্নাতের প্রশস্ততা কি আসমান ও যমীনের প্রশস্ততার মতো? নবিজি বললেন, হ্যাঁ। উমায়র বলে উঠলেন, বাহ, বাহ, কী চমৎকার! নবিজি বললেন, ‘বাহ, বাহ্’ কেন বললে?

ওমায়ের: হে আল্লাহর রসূল! আল্লাহর কসম! আমি সেই জান্নাতের অধিবাসী হওয়ার আশায়ই এমনটা বলেছি।

নবিজি: তুমি নিশ্চয়ই তার অধিবাসী (হবে)।
নবিজির কথা শোনার পর, ওমায়ের থলে থেকে কয়েকটা খেজুর বের করে খেতে শুরু করলেন। তারপর বললেন, আমি যদি এ খেজুরগুলো খেয়ে শেষ করা পর্যন্ত বেঁচে থাকি তবে তাও হবে এক দীর্ঘ জীবন।
একথা বলে তিনি সব খেজুর ছুড়ে ফেলে জি-হা-দে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। শহীদ হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেন।

নবিজির কাছ থেকে উঠে যাওয়ার সময় তিনি একটি কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন। কবিতার প্রথম শব্দটি ছিল (ركضا)। এর অর্থ লাফিয়ে দৌড়ে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়া। কবিতার ভাবমতো তিনিও লাফিয়ে উঠে শত্রুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন।

এ তো গেল বদরের দৃশ্য। ওহুদেও এমন এক ‘উল্লম্পনের দৃশ্য আছে।

ওহুদযুদ্ধ চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। উভয়পক্ষই তুমুল লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। নবিজি একটা তরবারি উঁচিয়ে ধরে বললেন:

-আমার কাছ থেকে কে এই তরবারি নিতে চায়?
নবিজির পাশে থাকা সব সাহাবী সমস্বরে বলে উঠলেন: আমি নিতে চাই।

নবিজি আবার ঘোষণা দিলেন,
-কে এই তরবারির হক পুরোপুরি আদায় করতে পারবে

এবার সবাই থমকে গেল। আবু দুজানা রা. এগিয়ে এসে দীপ্ত কণ্ঠে বললেন,

-আমি এর হক আদায় করব।
তরবারিটা হাতে নিয়েই আবু দুজানা মুশরিক বাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন।
সীরাতে ইবনে ইসহাকে একটি অসমর্থিত সূত্রে উপরোক্ত ঘটনাটির বর্ধিতাংশ বর্ণিত হয়েছে:
তরবারি হাতে নিয়ে আবু দুজানা বললেন,
-ইয়া রাসুলাল্লাহ, এই তরবারির হক কী?

- শত্রুকে আঘাত করতে করতে তরবারিটা বাঁকিয়ে ফেলা।

আবু দুজানা মাথায় একটা লাল কাপড় বেঁধে নিলেন। তরবারিটা হাতে নিয়ে গর্বোদ্ধত ভঙ্গিতে হেলেদুলে মুশরিকদের দিকে ছুটে গেলেন। আবু দুজানাকে গর্বোদ্ধত ভঙ্গিতে ছুটে যেতে দেখে নবিজি বললেন,
যুদ্ধক্ষেত্র ছাড়া এভাবে হাঁটা আল্লাহকে ক্রুদ্ধ করে।
কবিতাটি কমেন্টে রইল। যাদের ইচ্ছা মুখস্থ করে নিতে পারি।

কারো সময় থাকলে কবিতাটা অনুবাদ করে দিতে পারি। হাদীসের কিতাবে এর তরজমা আছে।

এই যুগের ওমায়ের বিন হুমামকে দেখতে চাই?
এই যুগের আবু দুজানাকে দেখতে চাই?

মৃত্যুর পূর্বে একজন পিতা তার সন্তানকে কাছে ডেকে বললেন, 'এই নাও! এই ঘড়িটা আজ আমি তোমাকে দিলাম। আমাকে দিয়েছিলো তোমার দাদা।...
26/01/2024

মৃত্যুর পূর্বে একজন পিতা তার সন্তানকে কাছে ডেকে বললেন, 'এই নাও! এই ঘড়িটা আজ আমি তোমাকে দিলাম। আমাকে দিয়েছিলো তোমার দাদা। ঘড়িটা দুইশত বছর আগের। তবে, ঘড়িটা নেওয়ার আগে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে🥀

ছেলেটা বললো, 'কি কাজ?🥀

- 'এই ঘড়িটা নিয়ে রাস্তার পাশের ঘড়ির দোকানে যাবে। তাদের বলবে যে এই ঘড়ি তুমি বিক্রি করতে চাও🥀

ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা রাস্তার পাশের একটা ঘড়ির দোকানে বিক্রি করতে নিয়ে গেলো। সে ফিরে এলে তার বাবা বললো, 'ঘড়ির দোকানদার কতো টাকা দিতে চাইলো ঘড়িটার বিনিময়ে?🥀

ছেলেটা বললো, 'একশো টাকা মাত্র। ঘড়িটা নাকি অনেক পুরাতন, তাই'।🥀

বাবা বললেন, 'এবার পাশের কফি শপে যাও🥀 তাদেরকে বলো যে তুমি এই ঘড়ি বিক্রি করতে চাও।🥀

ছেলেটা তা-ই করলো। ঘড়িটা নিয়ে পাশের এক কফি শপে গেলো৷ ফিরে এলে তার বাবা জানতে চাইলো, 'কি বললো ওরা?🥀

- 'ওরা তো এটা নিতেই চাইলো না। বললো, এতো পুরোনো, নোংরা ঘড়ি দিয়ে আমাদের কি হবে?🥀

বাবা হাসলেন। বললেন, 'এবার তুমি এই ঘড়ি নিয়ে জাদুঘরে যাও। তাদের বলো যে এই ঘড়িটা আজ থেকে দুই'শতো বছর আগের।😍😍

ছেলেটা এবারও তা-ই করলো। সে ঘড়িটা নিয়ে জাদুঘরে গেলো। ফিরে এলে তার বাবা বললো, 'কি বললো ওরা?🥀

'ওরা তো ঘড়িটা দেখে চমকে উঠেছে প্রায়! তারা এই ঘড়ির দাম বাবদ এক লক্ষ টাকা দিতে চাইলো আমাকে!🥀

ছেলের কথা শুনে বাবা হাসলেন। বললেন, 'আমার সন্তান! আমি তোমাকে এটাই শিখাতে চাচ্ছিলাম যে, যারা তোমার মূল্য বুঝবে তারা ঠিকই তোমাকে জীবনে মূল্যায়ন করবে। আর যারা তোমার মূল্য বুঝবে না, তারা কোনো দিনও তোমাকে মূল্যায়ন করবে না।

তাই যারা তোমাকে মূল্যায়ন করবে না, তাদের দেখে হতাশ হয়ে পড়ো না। তারা তোমার মূল্য বুঝতে অক্ষম। তুমি তাদের কাছেই যাবে তারা তোমার সত্যিকার মূল্য বুঝবে!🙂🙂🥀🥀

17/01/2024

সাহাবীদের যুগে দুজন সমকামী ধরা পড়লো!

তখন আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন খলিফা। খালিদ বিন ওয়ালিদ রাদিয়াল্লাহু আনহু চিঠির মাধ্যমে তাদের ব্যাপারে খলিফাকে অবগত করেন।

খলিফা দ্রুত মিটিং ডাকলেন। মিটিংয়ে উপস্থিত বিজ্ঞ সাহাবীগণ। সবাই মতামত দিলেন।

আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু সাহাবীদের মধ্য থেকে আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতামত গ্রহণ করলেন।

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছিলেন, "ইতোপূর্বে একটি জাতি এই কর্মে লিপ্ত ছিলো। আপনারা জানেন আল্লাহ তাদের সাথে কেমন আচরণ করেছেন....।"

আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু মত দিলেন, তাদেরকে যেন মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। খলিফা আবু বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর মতের আলোকে বিচারের রায় ঘোষণা করেন। সেই দুই সমকামীকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

[ড. আলী সাল্লাবী, আলী ইবনে আবি তালিব: ১/২২৯]
©

Address


Telephone

8801742025464

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Famas Islamic Stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share