ন্যায়ের বাণী

ন্যায়ের বাণী Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ন্যায়ের বাণী, Digital creator, Mymensingh, Mymensingh.

শুভ সকাল, দিনের শুরুটা হোক মহাদেবের নামে।হর হর মহাদেব 🌸❣️
29/01/2025

শুভ সকাল, দিনের শুরুটা হোক মহাদেবের নামে।
হর হর মহাদেব 🌸❣️

"ধর্ম এব হতো হন্তি ধর্ম রক্ষতি রক্ষিতঃ।"অর্থাৎ , ধর্মকে তুমি রক্ষা করলেধর্ম তোমাকে অবশ্য‌ই রক্ষা করবে ।পক্ষান্তরে যদি তু...
27/01/2025

"ধর্ম এব হতো হন্তি ধর্ম রক্ষতি রক্ষিতঃ।"

অর্থাৎ , ধর্মকে তুমি রক্ষা করলে
ধর্ম তোমাকে অবশ্য‌ই রক্ষা করবে ।

পক্ষান্তরে যদি তুমি ধর্ম থেকে বিচ্যুত হ‌ও,
তবে ধর্ম‌ই তোমাকে নির্মমভাবে বিনাশ করবে ।
তাই সর্বদা ধর্মের পথে থাকো।

22/01/2025

জয় জগন্নাথ

"একজন নাগা সন্ন্যাসী হওয়া সহজ নয়,জীবিত অবস্হায় নিজের শ্রাদ্ধ নিজেকেই করতে হয়,নিজের পিন্ড নিজেকেই দান করতে হয়।"অর্থাৎ মেন...
19/01/2025

"একজন নাগা সন্ন্যাসী হওয়া সহজ নয়,
জীবিত অবস্হায় নিজের শ্রাদ্ধ নিজেকেই করতে হয়,
নিজের পিন্ড নিজেকেই দান করতে হয়।"
অর্থাৎ মেনেই নেওয়া হয় তিনি অশরীরী বা দেহহীন।
পার্থিব এই শরীরের মোহ তাঁকে ত্যাগ করতে হয়।
শরীর নয়,
শরীরের মধ্যে আত্মার অস্তিত্বে তাঁরা বিশ্বাসী।

আমাদের অনেকেরই মনে প্রশ্ন এই সভ্য সমাজে অঘোরী কিংবা নাগা সন্ন্যাসীরা উলঙ্গ থাকেন কেন ?
অন্য ধর্মাবলম্বীদের কথা ছাড়ুন,
আমাদের সনাতন ধর্মের অনেকই এই নিয়ে দেখছি সোশ্যাল মিডিয়াতে নানান ব্যঙ্গ বিদ্রুপ ও করে চলেছেন।
কিন্ত নাগা সন্ন্যাসী হওয়ার প্রক্রিয়া কি ?
এবং কেন তারা প্রচন্ড শীতেও ভস্ম মেখে বিনাবস্ত্রে থাকেন,
আসুন সংক্ষেপে জেনে নিই।

নাগা সন্ন্যাসী হওয়ার প্রক্রিয়া খুব কঠিন এবং দীর্ঘ।
একজন সাধারণ মানুষের নাগা সন্ন্যাসীর হয়ে উঠতে কমপক্ষে প্রায় ছয় বছর সময় লাগে।
নিয়ম মতে একজন উলঙ্গ নাগা সাধু শুধুমাত্র কোটি ছাড়া আর কিছুই পরতে পারেন না।
কুম্ভমেলাতেই সন্ন্যাসী হওয়ার জন্য চূড়ান্ত শপথ নেন তাঁরা।
এই সময় অনেকেই জীবন থেকে শেষ বস্ত্রটুকু ত্যাগ করেন।
এর পর সারা জীবন ওই ভাবেই জীবন অতিবাহিত করেন নাগা সন্ন্যাসীরা।
এই কারণেই বহু নাগা সন্ন্যাসী কেবল কোটি পরেই ঘুরে বেড়ান।
সন্ন্যাসী হওয়ার আগে প্রথমে কোনও ব্যাক্তিকে দীর্ঘকাল ব্রহ্মচারী থাকতে হয়,
তারপর তাকে মহাপুরুষ ও অবধূত করা হয়।
নাগা সন্ন্যাসী হওয়ার চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এই কুম্ভের সময়েই।
পুণ্য লগ্নে স্নান করে নিজের পিন্ড নিজেকে দান করতে হয়।
সারতে হয় ডান্ডি সংস্করণ প্রথা সহ আরও অনেক নিয়ম কানুন।
নাগা সন্ন্যাসীরা নিজেদের শরীরে যে ছাই মাখেন তাও কোনও সাধারণ ছাই নয়।
বিশেষ নিয়ম মেনে যজ্ঞকুন্ডে
পিপল, রসালা, বেলপাতা, কলা এবং গরুর গোবর পুড়িয়ে তারপরে প্রস্তুত করা হয় যজ্ঞের বিশেষ ছাই অর্থাৎ ভস্ম।
বিশেষজ্ঞদের মতে নাগা শব্দের অর্থ ধর্মের রক্ষক।
সনাতন ধর্মকে রক্ষা করাই তাঁদের একমাত্র কাজ।
অতএব আপনি যদি প্রকৃত সনাতনী হয়ে থাকেন তবে নাগা সন্ন্যাসীদের উপহাস নয়,
শ্রদ্ধা করুন।হর হর মহাদেব 🔱🙏🚩

চলুন জেনে আসি কুম্ভ মেলার  ইতিহাসঃ প্রকৃত কুম্ভ মেলার ইতিহাস সংজ্ঞায়িত করার জন্য, কুম্ভ মেলা ঠিক কবে শুরু হয়েছিল তা বল...
17/01/2025

চলুন জেনে আসি কুম্ভ মেলার ইতিহাসঃ

প্রকৃত কুম্ভ মেলার ইতিহাস সংজ্ঞায়িত করার জন্য, কুম্ভ মেলা ঠিক কবে শুরু হয়েছিল তা বলা কঠিন। এটি বিশ্বাস করা হয় যে পৌরাণিক যুগে যখন দুধের সমুদ্র মন্থন হয়েছিল, তখন কুম্ভ মেলা শুরু হয়েছিল। অমৃতের পাত্র (দিব্য অমৃত) অর্জনের জন্য দেবতা এবং অসুররা একত্রিত হয়েছিল এবং দুধের সমুদ্র মন্থন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। সর্পদের রাজা, বাসুকিকে সমুদ্র মন্থনের জন্য মেরু পর্বতের চারপাশে দড়ি হিসাবে কাজ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। তদনুসারে বাসুকি দড়িতে পরিণত হন এবং মেরু পর্বতের চারপাশে বাঁধা হয়। দেবতারা সর্প ও অসুরদের লেজ, মুখ ধারণ করে সমুদ্র মন্থন করা হয়েছিল।

কুম্ভ মেলে কি/কাকে বলে?

সমুদ্রমন্থনের সময় সমুদ্র থেকে চৌদ্দটি অনন্য বস্তুর উদ্ভব হয়- বিষ, কামধেনু (একটি ইচ্ছা পূরণকারী গাভী), উচ্ছাই-আশ্রব (একটি সাদা ঘোড়া), ঐরাবত (চারটি দাঁত বিশিষ্ট একটি হাতি), কৌস্তুভ মণি (একটি হীরা), পারিজাত কল্পবৃক্ষ। (একটি ইচ্ছা পূরণকারী গাছ), দেবাঙ্গনাস (আকাশীয় কুমারী) যেমন রম্ভা প্রভৃতি, শ্রী লক্ষ্মীদেবী (শ্রীবিষ্ণুর সহধর্মিণী), সুরা (অ্যালকোহল), সোম (চন্দ্র), হরিধানু (একটি দিব্য ধনুক), একটি শঙ্খ, ধন্বন্তরী এবং অমৃতকলশ বা অমৃতকুম্ভ (অমৃতের পাত্র)।

দেবতা ধন্বন্তরী যখন অমৃতকুম্ভ ধারণ করে সাগর থেকে আবির্ভূত হন, তখন দেবতারা ভেবেছিলেন যে, অমৃত পান করে অসুররা যদি অমর হয়ে যায়, তাহলে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করবে। তারা ইন্দ্রের পুত্র জয়ন্তকে ইঙ্গিত করলেন, যিনি অবিলম্বে দেবতা ধন্বন্তরীর কাছ থেকে অমৃতকুম্ভ নিয়ে স্বর্গের দিকে ছুটে গেলেন। অমৃতকুম্ভ ধরার জন্য, দেবতা এবং অসুররা 12 দিন এবং 12 রাত ধরে একে অপরের সাথে যুদ্ধ করেছিল, যা মানুষের জন্য 12 বছর। যুদ্ধের সময়, অমৃতকুম্ভ 12 বার নিচে রাখা হয়েছিল। দেবতা সূর্য এটিকে রক্ষা করেছিলেন এবং চাঁদ খেয়াল রেখেছিলেন যে অমৃতটি বাষ্পীভূত না হয়। বৃহস্পতি গ্রহ (গুরু) রাক্ষসদের সাথে যুদ্ধ করে পাত্রকে রক্ষা করেছিলেন। 12টি স্থান যেখানে পাত্র থেকে অমৃতের ফোঁটা পড়েছিল সেগুলিকে উপরে উল্লেখিত গ্রহগুলির বিশেষ অবস্থান অনুসারে কুম্ভমেলার স্থান হিসাবে বিবেচনা করা হয়। এই 12টি স্থানের মধ্যে 8টি অন্যান্য লোকায় (অঞ্চল) এবং 4টি পৃথিবীতে – প্রয়াগ (এলাহাবাদ), হরদ্বার (হরিদ্বার), উজ্জয়িনী এবং ত্র্যম্বকেশ্বর-নাসিক। এই স্থানে কুম্ভমেলা অনুষ্ঠিত হয় যখন গ্রহের অবস্থান এবং যে তিথিতে অমৃতের ফোঁটা পৃথিবীতে পড়েছিল তা একই। কুম্ভ মেলার সময়ও অমৃত কলশ স্মরণ করা হয়।

কুম্ভ মেলা প্রতি ১২ বছর পর পর হয়ে থাকে। কিন্তু ২০২৫ এর কুম্ভ মেলা টিকে বলা হয় মহা কুম্ভ যেটা প্রতি ১৪৪ বছর পর পর হয়ে থাকে।কারন ১২×১২=১৪৪।হর হর মহাদেব।

শুভ পৌষ পার্বন/মকর সংক্রান্তি কি/কেন/কাকে/ কীভাবে বলে?চলুন জেনে আসি এর ইতিহাসঃপৌষ সংক্রান্তি বাঙালি সংস্কৃতিতে একটি বিশে...
15/01/2025

শুভ পৌষ পার্বন/মকর সংক্রান্তি কি/কেন/কাকে/ কীভাবে বলে?চলুন জেনে আসি এর ইতিহাসঃ

পৌষ সংক্রান্তি বাঙালি সংস্কৃতিতে একটি বিশেষ উৎসবের দিন। বাংলা পৌষ মাসের শেষের দিন এই উৎসব পালন করা হয়। এই দিন বাঙালিরা বিভিন্ন ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজন করে খাকে। তার মধ্যে পিঠা খাওয়া, ঘুড়ি উড়ানো অন্যতম।এই নামকরণের ইতিহাস খুঁজলে দেখা যায়,মূলত জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি ক্ষণ।মকরসংক্রান্তি' শব্দটি দিয়ে নিজ কক্ষপথ থেকে সূর্যের মকর রাশিতে প্রবেশকে বোঝানো হয়ে থাকে। ভারতীয় জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী 'সংক্রান্তি' একটি সংস্কৃত শব্দ, এর দ্বারা সূর্যের এক রাশি থেকে অন্য রাশিতে প্রবেশ করাকে বোঝানো হয়ে থাকে।১২টি রাশি অনুযায়ী এরকম সর্বমোট ১২টি সংক্রান্তি রয়েছে।তারই ধারাবাহিকতায়,ভারতের পশ্চিম বঙ্গে, মকর সংক্রান্তি বা পৌষসংক্রান্তি-তে মূলত নতুন ফসলের উৎসব 'পৌষ পার্বণ' উদযাপিত হয়। নতুন ধান, খেজুরের গুড় এবং পাটালি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠা তৈরি করা হয়,যার জন্য প্রয়োজন হয় চালের গুঁড়া, নারিকেল, দুধ আর খেজুরের গুড়। মূলত বাঙ্গালী হিন্দুরা ঐ রেওয়াজটাই পালন করে থাকে।

12/01/2025

সত্যিকারের ধার্মিক সব সময় মিষ্টভাষী ও অন্যের প্রতি সহমর্মী।
[সামবেদঃ ২.৫১]

গঙ্গায় ডুব দিলে দেহ পবিত্র হয়।কিন্তু দেহের ভিতরে আরও তিন জিনিস আছে মন, বুদ্ধি ও আত্মা সেখানে তো জল যায়নি...!         ...
12/01/2025

গঙ্গায় ডুব দিলে দেহ পবিত্র হয়।
কিন্তু দেহের ভিতরে আরও তিন জিনিস আছে
মন, বুদ্ধি ও আত্মা সেখানে তো জল যায়নি...!
মন পবিত্র হয় সত্যের দ্বারা
বুদ্ধি পবিত্র হয় জ্ঞানের দ্বারা
আত্মা পবিত্র হয় পুজা, ধ্যান,অচর্ণা আর কীর্তনের দ্বারা
💞💞 হরে কৃষ্ণ💞💞

জাগো জাগো শঙ্খ চক্র গদা পদ্মধারীজাগো শ্রীকৃষ্ণ কৃষ্ণা তিথির তিমির ও অপহারী।ডাকে বসুদেব দেবকী ডাকে,ঘরে ঘরে নারায়ন তোমাকে,...
08/01/2025

জাগো জাগো শঙ্খ চক্র গদা পদ্মধারী
জাগো শ্রীকৃষ্ণ কৃষ্ণা তিথির তিমির ও অপহারী।
ডাকে বসুদেব দেবকী ডাকে,
ঘরে ঘরে নারায়ন তোমাকে,
ডাকে বলরাম শ্রীদাম সুদাম ডাকিছে যমুনা বারি।
জাগো জাগো শঙ্খ চক্র গদা পদ্মধারী।

হরি হে তোমায় সজল নেত্রে,
ডাকিছে পান্ডব কুরুক্ষেত্রে,
দুর্যোধন সভায় দ্রৌপদী তোমায় ডাকিছে লজ্জাহারী।
জাগো জাগো শঙ্খ চক্র গদা পদ্মধারী।

মহাভারতের হে মহা দেবতা
জাগো জাগো আনো আলোর বার্তা
শ্রীমদ্ভভগবত গীতার শ্লোক অনুগত ডাকিছে বিশ্বের নর-নারী।
জাগো জাগো শঙ্খ চক্র গদা পদ্মধারী।

#বিশ্বদর্শন🙏

বিশ্বের একমাত্র ধর্ম হল সনাতন ধর্ম।যা সত্য সুন্দর শান্তি ও অহিংসার মাধ্যমে বিশ্ব শান্তির বার্তা সর্বদা প্রেরণ করে হরে কৃ...
07/01/2025

বিশ্বের একমাত্র ধর্ম হল সনাতন ধর্ম।যা সত্য সুন্দর শান্তি ও অহিংসার মাধ্যমে বিশ্ব শান্তির বার্তা সর্বদা প্রেরণ করে হরে কৃষ্ণ🙏

অবতার তত্বঃ________________অবতার ৬ প্রকারঃব্যাসাদি মুনিগণ এই ছয় প্রকার অবতার নির্দেশ করিয়াছেন, যথা- অংশাংশাবতার, অংশাবতা...
06/01/2025

অবতার তত্বঃ
________________
অবতার ৬ প্রকারঃ
ব্যাসাদি মুনিগণ এই ছয় প্রকার অবতার নির্দেশ করিয়াছেন, যথা- অংশাংশাবতার, অংশাবতার, আবেশাবতার, কলাবতার, পূর্ণাবতার এবং পরিপূর্ণতমাবতার।

ব্রহ্মাণ্ড অসংখ্য, সেই সকল ব্রহ্মাণ্ডের অধীশ্বর গোলোকধামে বিরাজিত আছেন। সর্ব্বদা যাঁহারা কার্য্যের অধ্যক্ষতা করেন, তাঁহারা বিভু ভগবানের অংশাবতার। মরীচি প্রভৃতি ঋষিগণ অংশাংশাবতার।

যাঁহারা সেই কার্য্য নিষ্পন্ন করেন, তাঁহারা অংশাংশাবতার। ব্রহ্মাদি দেবতারা অংশাবতার।

স্বয়ং বিষ্ণু যাঁহাদের হৃদয় মধ্যে কার্য্যানুষ্ঠানের উপদেষ্টারূপে আবিষ্ট হইয়া পুনরায় বহির্গত হইয়া আইসেন, তাঁহারা আবেশাবতার বলিয়া জানিবেন। পরশুরামাদি আবেশাবতার।

যিনি সম্যকরূপে ধৰ্ম্ম বিদিত হইয়া তাহার অনুষ্ঠানপূর্বক তিরোহিত হন এবং যিনি যুগে যুগে বর্তমান থাকেন, তিনি ভগবান্ হরির কলাবতার। কপিল কূৰ্ম্মাদি কলাবতার।

যাঁহাতে বাসুদেবাদি চতুর্ব্যূহ ও নববিধ রস বিদ্যমান এবং যিনি প্রভৃত পরাক্রম, তিনি পূর্ণাবতার নামে কথিত। নৃসিংহ, রাম, শ্বেতদ্বীপাধিপতি, হরি, বৈকুণ্ঠ, যজ্ঞ, নরনারায়ণ ইহারা পূর্ণাবতার।

আর সাক্ষাৎ ভগবান্ শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং পরিপূর্ণতমাবতার বলিয়া অভিহিত। তাঁর নিজ তেজে সর্বপ্রকার তেজ বিলীন হয়, সত্তমগণ তাঁহাকে পরিপূর্ণতম অবতাররূপে কীর্ত্তন করিয়া থাকেন। এই অবতারে পূর্ণের লক্ষণ বিদ্যমান এবং জনগণ নিজ নিজ ভাবাবেশে ইহাকে পৃথক্ পৃথক্ রূপে পরিদর্শন করে। তজ্জন্য ইহাকে পরিপূর্ণতম অবতার বলা হয়। স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণই এই পরিপূর্ণাবতার,অন্য কেহ নহেন।

🌿🌸 মা আসছেন.. 🦢🦢🦢🌸🌿 🌼 বিদ্যাদেবী সরস্বতী 🌼🪕২০শে মাঘ ( ২রা ফেব্রুয়ারী ২০২৫, সোমবার) অপেক্ষার মাত্র ২৮ দিন।।🌿🌼 নমো সরস্বতী...
06/01/2025

🌿🌸 মা আসছেন.. 🦢🦢🦢🌸🌿
🌼 বিদ্যাদেবী সরস্বতী 🌼🪕
২০শে মাঘ ( ২রা ফেব্রুয়ারী ২০২৫, সোমবার)
অপেক্ষার মাত্র ২৮ দিন।।

🌿🌼 নমো সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমললোচনে।
বিশ্বরূপে বিশালাক্ষ্মী বিদ্যাংদেহি নমোহস্তুতে।।

🌿🌼 জয় জয় দেবী চরাচর সারে,
কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে।
বীনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে,
ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে।।

মন্ত্রের অর্থ:

🌿🌼দেবী সরস্বতী দেবী মহাভাগ, লোচনা দেবী পদ্ম-সদৃশ, বিশালালক্ষী বিদ্যা দয়িনী দেবীকে শুভেচ্ছা। ভদ্রকালী (মঙ্গলময়ী ভগবতী) থেকে নিত্য নমস্কার, দেবী সরস্বতীর কাছে বারবার নমস্কার এবং বেদঙ্গ বিদ্যা স্থানের কাছে বেদ। বিনা বইটি ধারণকারী ভগবতী ভারতীকে প্রনাম।

নমামি বারদীচন্দ্রং নন্দন কারনেস্মরং হরিম।নমামি ত্রিলোকনাথাং কল্পতরুম।
04/01/2025

নমামি বারদীচন্দ্রং নন্দন কারনেস্মরং হরিম।
নমামি ত্রিলোকনাথাং কল্পতরুম।

"আমার বিনাশ নাই, শ্রদ্ধ নাই,আমি নিত্য পদার্থ " আমি হইলাম গীতায় বর্ণিত সেই পরমাত্মা। অস্র যাঁহাকে ছেদন করিতে অসমর্থন অগ্ন...
02/01/2025

"আমার বিনাশ নাই, শ্রদ্ধ নাই,আমি নিত্য পদার্থ " আমি হইলাম গীতায় বর্ণিত সেই পরমাত্মা। অস্র যাঁহাকে ছেদন করিতে অসমর্থন অগ্নি যাঁহাকে প্রজ্জ্বলিত করিতে অক্ষম,বরুণ যাঁহাকে আর্দ্র করিতে অসমর্থন এবং বায়ু যাঁহাকে শুস্ক করিতে বিফলকাম হয়।

শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবা🙏

বিশ্বের একমাত্র ধর্ম হল সনাতন ধর্ম।যা সত্য সুন্দর শান্তি ও অহিংসার মাধ্যমে বিশ্ব শান্তির বার্তা সর্বদা প্রেরণ করে।হরে কৃ...
30/12/2024

বিশ্বের একমাত্র ধর্ম হল সনাতন ধর্ম।যা সত্য সুন্দর শান্তি ও অহিংসার মাধ্যমে বিশ্ব শান্তির বার্তা সর্বদা প্রেরণ করে।হরে কৃষ্ণ

শীতের সময় যে..!!          রোদকে মানুষ ভালোবাসে.. গরমে সেই রোদকেই..!!                    মানুষ তিরষ্কার করে..  সুতরাং মা...
27/12/2024

শীতের সময় যে..!!
রোদকে মানুষ ভালোবাসে..
গরমে সেই রোদকেই..!!
মানুষ তিরষ্কার করে..
সুতরাং মানুষের কাছে তোমার..!!
মূল্য থাকবে ততোদিন তোমাকে..
তার প্রয়োজন যতোদিন..!!
আর ভক্তের মূল্য ভগবানের
কাছে চিরস্থায়ী, চিরদিন!!

হরে কৃষ্ণ .......

ছবিটির মাধ্যমে এক ভক্তের সাথে ঘটা ঘটনা তুলে ধরা হলোবাবার মহিমা কথা-------------------------বাস্তবের সাথে মিল ছবিকলকাতার ...
26/12/2024

ছবিটির মাধ্যমে এক ভক্তের সাথে ঘটা ঘটনা
তুলে ধরা হলো
বাবার মহিমা কথা
-------------------------
বাস্তবের সাথে মিল ছবি
কলকাতার কোনো এক রোড থেকে বাড়ি ফিরছেন, নিজের গাড়ি চালিয়ে।গাড়ির কিছু সমস্যা হওয়াতে দিকবেদিক জ্ঞানশুণ্য হয়ে পরেন উনি।গাড়ি নিজের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।। ভয়ে কাঁদতে কাঁদতে বাবা লোকনাথ বলে চিৎকার করে ডাকতে লাগলেন।হঠাৎ রোডের কোনো এক ঝোপের মধ্যে গাড়িটা ঢুকিয়ে দেন, আর গাড়িটা জড়িয়ে গিয়ে থেমে যায়, চলতে পারে না। ওই ভক্ত আর গাড়ি দুই ঠিক থাকে।এই ভাবে তিনি নাকি উদ্ধার হন বাবার কৃপায়।
উনি বলেন-"স্বয়ং বাবা আমাকে বাঁচিয়েছেন"
তাই বাবার জন্মস্থান কচুয়া আসার মানসিক করি। উনি বাবার সব মন্দিরে গেছেন কিন্তু কচুয়া তে আসেন নি তাই বাবা হয়তো ডেকেছিলেন।
ওই ভক্তদের বাড়ি কোথায় জানি না।কচুয়াধামে পুজো দিতে এসেছিলেন।আমাকে এই ঘটনা টা বলেন।

জয় বাবা লোকনাথ
জয় কচুয়াধাম 🙏
তিন তীর্থ এক গ্রাম

২৫ ডিসেম্বর একইদিনে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ক্রিস্টমাস ও তুলসী পূজন দিবস। দুই ধর্মের দু'টো অনুষ্ঠান কিন্তু সংস্কারের দিক...
25/12/2024

২৫ ডিসেম্বর একইদিনে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে ক্রিস্টমাস ও তুলসী পূজন দিবস। দুই ধর্মের দু'টো অনুষ্ঠান কিন্তু সংস্কারের দিকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এক সংস্কৃতিতে হাজার হাজার গাছ কাটা হচ্ছে, অন্য সংস্কৃতিকে গাছের প্রতীকী সংরক্ষণ হিসেবে পূজা করা হচ্ছে। তাই গাছ কেটে আলোকসজ্জায় ভিন্ন সংস্কৃতির উৎসব পালন না করে সনাতন সংস্কৃতিতে মানবের জন্য সবচেয়ে উপকারী বৃক্ষ ও অত্যন্ত পবিত্র বৃক্ষ তুলসী পূজনই শ্রেয়তর। সনাতন সংস্কৃতি বৃক্ষ নিধন নয় বরং বৃক্ষ পূজনকেই মান্যতা দেয়।

তুলসী সনাতন সংস্কৃতিতে সবচেয়ে পবিত্র হিসেবে পূজিত এবং ঔষধী গুণেও অতুলনীয়। তুলসী গাছের ইংরেজি হলো Holy Basil. অর্থাৎ এখানে পবিত্র (Holy) শব্দটি এসেছে। এমনকি তুলসীগাছের বৈজ্ঞানিক নাম হিসেবে Ocimum Sanctum নির্ধারণ করা হয়েছে। এখানে স্পেসিস হিসেবে Sanctum নেওয়া হয়েছে। এর অর্থও কিন্তু পবিত্র স্থান। অর্থাৎ বিজ্ঞানীরাও তুলসীকে পবিত্র হিসেবেই গ্রহণ করেছে।

এছাড়া সনাতন শাস্ত্রেও তুলসী বৃক্ষ সর্বোচ্চ মর্যাদায় পূজিত।

ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণে তুলসীকে 'সীতাস্বরূপা', স্কন্দপুরাণে 'লক্ষীস্বরূপা' এবং বৈদিক শাস্ত্রে 'কল্যাণী' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। ভগবান বিষ্ণুও তুলসীপত্র নিবেদনে সর্বাধিক প্রসন্ন হয়। সকল সনাতন গৃহে তুলসীবৃক্ষ নিত্য পূজিত হয়। তুলসীগাছ সনাতন সংস্কৃতিতে প্রকৃতিস্বরূপা হিসেবে মাতৃরূপেই পূজিত।

তুলসী গাছের নানা ঔষধি ব্যবহার রয়েছে। প্রাচীনকাল থেকে সর্দি, কাশি, ঠাণ্ডা লাগা ইত্যাদি নানা সমস্যায় তুলসী ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঠাণ্ডা ও সর্দিজনিত যেকোনো সমস্যায় তুলসী রস ও মধু একত্রে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এ গাছের রস কৃমি ও বায়ুনাশক৷ ঔষধ হিসাবে এই গাছের ব্যবহার্য অংশ হলো এর রস, পাতা এবং বীজ। আয়ুর্বেদ ও ভেষজ চিকিৎসায় তুলসীর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে বিশ্বব্যাপী। ইদানীং ক্যান্সার চিকিৎসায়ও তুলসী পাতার ব্যবহার বাড়ছে।

জয় সনাতন🙏
জয় তুলসী মাতা🙏

Address

Mymensingh
Mymensingh
2051

Telephone

+8801780352631

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ন্যায়ের বাণী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Videos

Share