07/10/2017
পর্ব-১
এই অসহায় মানুষ গুলোর আয়ের একমাত্র অবলম্বন ধংশই কি যানজটের একমাত্র সমাধান??যাদের রক্ত ঘামের টাকায় দেশ চলে, আর কত দিন পর সেই সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ গুলো পাবে তাদের কর্মের নিরাপত্তা ? আর কত দিন লাগবে সংবিধানের আইন ব্যাস্তবায়ন করতে?কিন্তু যারা এই সব রিক্সা ,অটোরিক্সা বেচা কেনা করছে শোরুম খুলে বসে আছে তারা ঠিকই নিশ্চন্তায় পায়ের উপর পা দিয়ে সমাজের উচ্চ বিত্তদের তালিকা ভুক্ত হচ্ছে-----ওদের কেউ কিছুই ছিরতে পারবে না কারন ওরা টাকা ওয়ালা। হায়রে স্বাধীনতা তুমি অসহায় এর আশার প্রদিপ নও, তুমি শুধুই বিত্তশালীদের সিন্দুকের গোলাম হয়ে রইলে প্রথমে এই গাড়ী তৈরীর কার খানা বিক্রয় শোরুম বন্ধ করে দেওয়া উচিৎ
------------------------------------------------------------
----------------------------
মৌলিক অধিকারের ব্যাবস্থাঃ ১৫। রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়:(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা;
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার ,অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বাধক্যজনিত কিংবা অনুরুপ অন্যান্য পরিস্থিতিতে আয়ত্তাতীত কারনে অভাবগ্রস্থতার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্য লাভের অধিকার।
২০৷ (১) কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং “প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন৷
(২) রাষ্ট্র এমন অবস্থাসৃষ্টির চেষ্টা করিবেন, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবেন না এবং যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্র্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হইবে৷