বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্ট-বিএজে

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্ট-বিএজে

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্ট-বিএজে Leading organisation of the journalists community of all over the Bangladesh

https://samakal.com/bangladesh/article/255703/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%...
13/09/2024

https://samakal.com/bangladesh/article/255703/%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8B%E0%A6%AD-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BE

নওগাঁর পত্নীতলায় দুই সাংবাদিককে তুলে নিয়ে নিষ্ঠুর নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ .....

https://mzamin.com/news.php?news=127264
12/09/2024

https://mzamin.com/news.php?news=127264

নওগাঁর পত্নীতলায় দুই সাংবাদিককে তুলে নিয়ে নিষ্ঠুর নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ .....

https://www.kalbela.com/ajkerpatrika/joto-mot-toto-path/118626
06/09/2024

https://www.kalbela.com/ajkerpatrika/joto-mot-toto-path/118626

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে এরই মধ্যে কয়েকজন শীর্ষ লুটেরা আটক হ...

https://www.jugantor.com/index.php/todays-paper/sub-editorial/847217/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A...
05/09/2024

https://www.jugantor.com/index.php/todays-paper/sub-editorial/847217/%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%A4%E0%A6%BF

৫ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর। অন্ধকার যুগ অবসানের এক মাস। একেবারেই ভিন্নরকম আবহ। সহস্রাধিক জীবনের বিনিময়ে অর্জিত ন....

https://samakal.com/opinion/article/254069/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A...
03/09/2024

https://samakal.com/opinion/article/254069/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%AD%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%AA%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%8C%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE

বক্তব্যটি ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের আগের। আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা তোফায়েল আহমেদ দলীয় নেতাকর্মীকে সত...

18/08/2024
https://deshnews.net/national/2024/08/17/52037/
17/08/2024

https://deshnews.net/national/2024/08/17/52037/

নিজস্ব প্রতিবেদক।। ভারতের কতিপয় গণমাধ্যমে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বানোয়াট গল্প প্রচার ও প্রোপাগান্ডা .....

ইসরাইলী হামলায় আলজাজিরার  দুই সাংবাদিক নিহত ।। ৯ মাসে নিহত ১১===========================================ইসরাইলের হামলায় ...
01/08/2024

ইসরাইলী হামলায় আলজাজিরার দুই সাংবাদিক নিহত ।। ৯ মাসে নিহত ১১
===========================================

ইসরাইলের হামলায় কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদক ও ক্যামেরাপার্সন নিহত হয়েছেন। তারা হলেন আল জাজিরার আরবি বিভাগের প্রতিবেদক ইসমাইল আল-ঘৌল এবং তার ক্যামেরাপার্সন রামি আল-রিফি। বুধবার গাজার পশ্চিমে শাতি শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বাহিনীর গাড়ি চাপায় প্রাণ হারান ওই দুই গণমাধ্যমকর্মী।

অনলাইন আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের রাজধানী তেহরানে বুধবার ভোরে নিহত হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান ইসমাইল হানিয়ার বাড়ির কাছে সংবাদ সংগ্রহের সময় ওই নিহতের ঘটনা ঘটে। ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার জন্য হামাস ইসরাইলকেই দায়ী করছে। ইসরাইলি বাহিনীর গাড়িতে চাপা পড়লে ওই দুই সাংবাদিককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। ইসমাইল আল-ঘৌল গত ৯ মাসের বেশি সময় ধরে গাজায় ইসরাইলি হামলার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সংবাদ সংগ্রহ এবং তা পরিবেশন করেছেন।

ইসমাইল এবং রামি গণমাধ্যমকর্মীদের যে পোশাক রয়েছে তা পরিহিত ছিলেন। নিহত হওয়ার ১৫ মিনিট আগে সর্বশেষ আল জাজিরার বার্তাকক্ষে তারা যোগাযোগ করেছিলেন। আল জাজিরার বার্তাকক্ষ থেকে যখন তাদের প্রতিবেদন সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছিল তখন সেখানে হানিয়ার হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ চলছিল। এসময় তারা সেখানে ওই বিক্ষোভের সংবাদ সংগ্রহ করতে যান এবং পরে ইসরাইলি বাহিনীর গাড়ির চাপায় নিহত হন।

কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে) এর প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইসরাইলি হামলায় ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ১১১ গণমাধ্যমকর্মী নিহত হয়েছেন।

ধিক্কার জানাচ্ছি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ইসরাইয়েলের প্রতি। এ হত্যাযজ্ঞ বন্ধে বিশ্ব বিবেক জাগ্রত হোক।

দুঃখজনক-
11/07/2024

দুঃখজনক-

11/07/2024

সাংবাদিক সালমানকে পেটানোর নিন্দা জানাচ্ছি। দায়ী পুলিশ সদস্যদের শাস্তি চাই
==========================================

মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় বাড়ি থেকে সাংবাদিককে ডেকে নিয়ে বেধড়ক পিটিয়েছে পুলিশ। গতকাল বুধবার উপজেলার পূর্ব চান্দেরচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশের পিটুনিতে আহত ওই সাংবাদিকের নাম সালাহউদ্দিন সালমান (৪০)। তিনি মানবকণ্ঠ পত্রিকার সিরাজদিখান উপজেলা প্রতিনিধি এবং সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের সহসভাপতি। আহত সাংবাদিক সালমান সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

এলাকায় বিবদমান দু’পক্ষের মধ্যে একটি সংঘর্ষের ঘটনায় সাংবাদিক সালাউদ্দিন সালমানের বাড়ির পাশে সেলিনা বেগম, গুলেনুর নামের দুই নারীকে পুরুষ পুলিশ সদস্যরা মারধর করেন। সেলিনাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেতে চান তাঁরা। সে সময় আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা মুনজুরা আক্তার (২৪) তাঁর মা সেলিনাকে পুলিশের কাছ থেকে ছোটাতে গেলে তাঁকেও মারধর করে পুলিশ।

বাড়ির সামনে থেকেই এসব ঘটনার ছবি, ভিডিও করছিলেন সাংবাদিক সালমান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সালমানকেও পেটায় পুলিশ।

সাংবাদিক সালাহউদ্দিন সালমান বলেন, ‘টেঁটা নিয়ে সংঘর্ষের খবর শুনে নিরাপত্তার কারণে বাড়ি থেকে বের হতে চাইনি। সকাল পৌনে ৯টার দিকে সিরাজদিখান থানার ওসি মুজাহিদুল ফোন করে, মেসেঞ্জারে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ঘটনাস্থলের দিকে আসতে বলেন। ওসির অনুরোধে ঘর থেকে বের হই। তখন বাড়ির পাশে এসআই লোকমানের নেতৃত্বে কয়েকজন নারী ও বাচ্চাদের মারধর, গালিগালাজ এবং স্থানীয়দের বাড়িঘরে লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছিল পুলিশ। সে ঘটনা মুঠোফোনে ধারণ করছিলাম। এতে ক্ষিপ্ত হয় তারা। আমি সাংবাদিক, এটা জানা সত্ত্বেও এসআই লোকমান, পুলিশ সদস্য মামুন, ফরিদরা আমাকে বেধড়ক পেটান।

18/05/2024

সব চলবে বাংলাদেশের নিয়মে, শুধু সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োগ হবে বিদেশি নিয়ম

বিশ্বের কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে ঋণ খেলাপিরা চালায়। তারা ও বড় ব্যবসায়ীরা যখন তখন প্রবেশ করতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংককে তাদের নীতিমালা বদলে দিতে বাধ্য করতে পারে। তাদের পছন্দে নিয়োগ হয় শীর্ষ পদগুলোয়। কোন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ কর্তারা বড় খেলাপিদের সাথে সাগর ভ্রমনে বের হয়। কোন দেশের ৫-৭ টি ব্যাংকের চলতি হিসাবে টাকা না থাকলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকায় চলতে পারে। সব চলবে বাংলাদেশের নিয়মে, শুধু সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োগ হবে বিদেশি নিয়ম।
এটা কেন। কি লুকাতে চান। গুজবটাই কি সত্যি। নাকি আরও বড় কিছু।
Shanaullah Sakib

15/05/2024

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বনাম সাংবাদিকদের অবস্থা
=============================

শত ফুল ফুটতে দেওয়ার নীতি অনুসরণ করে দেশে অসংখ্য সংবাদমাধ্যমের জন্ম হয়েছে। তবে এগুলোর কয়েকটি ছাড়া বাকিগুলো এখন নানা ব্যাধিতে ধুঁকছে। খামখেয়ালিপনার কারণে গণমাধ্যমের সংখ্যা বেড়েছে, সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু প্রত্যাশিত মান অর্জনের সক্ষমতা রয়েছে অধরা।

আমাদের দেশে গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক আছে। আবার সংবাদকর্মীদের ‘কণ্ঠরোধ’ নিয়ে যতটা উতলা ভাব পশ্চিমা কিংবা আমাদের দেশের কারও কারও মধ্যে দেখা যায়, তার সিকি ভাগও সংবাদকর্মীদের বেতন-ভাতা, চাকরির নিশ্চয়তা ইত্যাদি ব্যাপারে দেখা যায় না। যেন সাংবাদিকদের কাজ হলো ‘ওয়াচডগ’ হিসেবে সবার ‘অধিকার ও স্বাধীনতা’ পাহারা দেওয়া, নিজেদের খাওয়া-পরার বিষয়টি তাদের জন্য জরুরি নয়।

পশ্চিমা দেশগুলোয় গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সব অবস্থায়, সব ক্ষেত্রে অবাধ কি না, আমি জানি না। ওই সব দেশে যাওয়ার সুযোগ আমার হয়নি। আমার কাছে সেটা অনেকটা ‘না-দেখা ফুলের গোপন গন্ধ’র মতো। তবে স্পনসরড সাংবাদিকতা যে ওই সব দেশেও আছে, তা কি মাঝে মাঝে শোনা যায় না? ২০০৩ সালে ইরাক যুদ্ধের সময় ‘এমবেডেড সাংবাদিকতা’র কথা কি আমরা শুনিনি? তখন সামরিক বাহিনীর ছাড় করা সংবাদই মার্কিন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। যারা দুনিয়াজুড়ে রাজনৈতিক আধিপত্য জারি রাখতে চায়, তারা সব সময় ‘বাস্তবভিত্তিক তথ্য প্রচার’ করতে সবাইকে সমানভাবে উৎসাহিত করে বলে অন্তত আমার মনে হয় না। যে খবর তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে যায়, সেই খবর ‘কিল’ করার ভূরি ভূরি নজির আছে। আবার ভুয়া খবর পরিবেশন করে পুলিৎজার পুরস্কার পাওয়ার নিন্দনীয় উদাহরণও আমাদের সামনে আছে।

আমরা যে অনেক সময় নানা বিষয়ে পশ্চিমের দৃষ্টান্ত দিই, এটাও আমার কাছে খুব ভালো লাগে না। পশ্চিমের সমাজ, রাজনীতি, গণতান্ত্রিক চর্চা—কোনোটাই আমাদের মতো নয়। তবে হ্যাঁ, ভালো জিনিস গ্রহণের মতো উদারতা অবশ্যই থাকা উচিত।

বাংলাদেশে গণতন্ত্রই এখনো ভঙ্গুরতা কাটিয়ে শক্ত ভিত গাঁথতে পারেনি। আমাদের দেশে যাঁরা উদার গণতন্ত্রের কথা বলেন, তাঁরাও সর্বতোভাবে সামন্ত মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি। ব্যক্তিজীবনে, পারিবারিকভাবে এবং নিজস্ব রাজনৈতিক দলের মধ্যে যাঁরা মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বরদাশত করেন না, তাঁরাই আবার গণমাধ্যমের ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে হা-হুতাশ করেন।

অনেকে হয়তো অখুশি হবেন, তারপরও আমি এটা মনে করি যে বাংলাদেশে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতার পরিবেশ এখন নেই। খুব শিগগির সেটা হবে বলেও আমি মনে করি না। গণমাধ্যমের মালিকানা এবং পরিচালনা যাঁদের হাতে, তাঁরা কেউ নিজেদের স্বার্থের পরিমণ্ডলের বাইরে হাঁটতে চান না, চাইবেন না।

আমি অবশ্য আজকের আলোচনাটি সীমাবদ্ধ রাখতে চাই সাংবাদিকদের বেতন ও চাকরির নিশ্চয়তার ওপর। গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের সমস্যা নিয়ে বলার মতো কথা অনেক আছে। তবে সংক্ষেপে এটাই বলা যায় যে দেশে কর্মরত সাংবাদিকদের অধিকাংশ এখন নানা ধরনের সংকটে জর্জরিত। তাঁদের বেশির ভাগের চাকরির নিশ্চয়তা নেই। চাকরি চলে গেলে তাঁদের শূন্য হাতে বিদায় নিতে হয়। অনেক প্রতিষ্ঠানেই নিয়মিত বেতন দেওয়া হয় না। সৎ সাংবাদিকতার পথে সরকার যত না অন্তরায় সৃষ্টি করে, তার চেয়ে বেশি বাধা তৈরি করেন কোনো কোনো মালিক। এটা নিয়ে কেউ বিতর্ক করতে পারেন; কিন্তু তাতে বাস্তব অবস্থার তেমন পরিবর্তন হবে না। সাংবাদিকদের যতক্ষণ পর্যন্ত বেঁচে থাকার মতো সম্মানজনক বেতন-ভাতা নিশ্চিত করা না যাবে, ততক্ষণ পর্যন্ত গণমাধ্যম মানসম্পন্ন হবে না। সৎ ও সাহসী সাংবাদিকতার দেখাও পাওয়া যাবে না।

শত ফুল ফুটতে দেওয়ার নীতি অনুসরণ করে দেশে অসংখ্য সংবাদমাধ্যমের জন্ম হয়েছে। তবে এগুলোর কয়েকটি ছাড়া বাকিগুলো এখন নানা ব্যাধিতে ধুঁকছে। খামখেয়ালিপনার কারণে গণমাধ্যমের সংখ্যা বেড়েছে, সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু প্রত্যাশিত মান অর্জনের সক্ষমতা রয়েছে অধরা। ঢাকঢোল পিটিয়ে গণমাধ্যমের যাত্রা শুরু হয়, কিন্তু অল্প পথ চলার পরই শুরু হয় আর্থিক সংকট। আয় ও ব্যয়ের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকলে মালিকের উৎসাহে ভাটা পড়ে। এই সংকট কাটানোর উপায় নিয়ে কারও কোনো গভীর চিন্তা আছে বলে মনে হয় না। আর্থিক সংকট দূর না হলে কীভাবে এগুলো চলবে?

আর্থিক সংকট দূর করার উপায় আয় বাড়ানো। আয় বাড়ানোর সুযোগ সীমিত। সরকারি বিজ্ঞাপনের ওপর নির্ভর করে এত এত ‘মিডিয়া’ চলবে না। আবার বেসরকারি বিজ্ঞাপন পেতে হলে যে সার্কুলেশন বা প্রচারসংখ্যা থাকা দরকার, তা-ও অনেক পত্রিকার নেই। বেশির ভাগ পত্রিকাই আসলে ‘আন্ডারগ্রাউন্ড’—কেতাবে আছে, গোয়ালে নেই। গ্রামবাংলায় একটি কথা চালু আছে—‘তোলা দুধে পোলা বাঁচে না’।

গণমাধ্যমের সংকট কাটাতে হলে আবেগময় এবং তাত্ত্বিক কথাবার্তা না বলে বাস্তবতার আলোকেই সমাধান খুঁজতে হবে। প্রয়োজনে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যে রোগীর জন্য শল্যচিকিৎসা দরকার, তাকে হোমিওপ্যাথি ডোজ দিয়ে বাঁচিয়ে রাখা যাবে কি?

মতলবি বা অসৎ সাংবাদিকতা নতুন কিছু নয়। সাংবাদিক কিংবা সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধের চেষ্টাও নতুন কিছু নয়। ১৮৮৪ সালেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবারের একটি রহস্যজনক মৃত্যুর খবর ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সংবাদপত্রে ‘ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ আছে। তবে অতীতে এসব ব্যতিক্রমী ঘটনা হিসেবে থাকলেও এখন তা প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। লুটেরা পুঁজির মালিক কিংবা পুঁজি গঠনের জন্য লুণ্ঠন প্রবৃত্তি যাদের মধ্যে প্রবল, তাদের হাতে গণমাধ্যমের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ থাকলে ‘সত্য প্রকাশের দুরন্ত সাহস’ দেখানো গণমাধ্যমের পক্ষে সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।

গণমাধ্যমের রাজনৈতিক চরিত্র নিয়ে এখন অনেক কথা হয়। সবাই গণমাধ্যমের কাছে নিরপেক্ষতা প্রত্যাশা করেন। এই ‘নিরপেক্ষতা’ বিষয়টিও আমাদের দেশে একটি বিশেষ অর্থ বহন করে। এখন অনেকের কাছে নিরপেক্ষতা মানে সরকারের বিরুদ্ধে থাকা। আবার এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁদের কাছে আওয়ামী লীগ বিরোধিতাই হলো নিরপেক্ষতা। সরকার বা আওয়ামী লীগের পক্ষে হলে ‘দালাল’ কিন্তু বিএনপি বা আওয়ামী লীগবিরোধী অন্য কোনো দলের সমর্থক হলে তাঁকে সচরাচর দালাল বলা হয় না, তাঁর অবস্থান নিরপেক্ষ। দেশের মানুষের মনোজগৎ মূলত স্ববিরোধী চিন্তা-চেতনায় ঠাসা। মানুষের মধ্যে ধারণাগত স্বচ্ছতা তৈরিতে বা বিশেষ রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটাতে গণমাধ্যম ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে। অতীতে সেটা করেওছে। ভাষা আন্দোলন-পরবর্তী সময় থেকে স্বাধীনতার সময়কাল পর্যন্ত দৈনিক ইত্তেফাক এবং দৈনিক সংবাদ প্রধানত এই দায়িত্ব পালন করেছে। দেশে বিশেষ রাজনৈতিক ধারা তৈরিতে এই পত্রিকা দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ‘কারাগারের রোজনামচা’য় লিখেছেন: ‘পূর্ব বাংলার জনসাধারণের জন্য ইত্তেফাক যা করেছে তা কোনো খবরের কাগজই দাবি করতে পারে না। এ দেশ (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) থেকে বিরুদ্ধ রাজনীতি মুছে যেত যদি মানিক মিয়া এবং ইত্তেফাক না থাকত। এ কথা স্বীকার না করলে সত্যের অপলাপ করা হবে।’ বঙ্গবন্ধু আরও লিখেছেন: ‘ছয় দফার আন্দোলন যে আজ এত তাড়াতাড়ি গণ-আন্দোলনে পরিণত হয়েছে, এখানেও মানিক ভাইয়ের লেখনী না হলে তা সম্ভব হতো কি না তাহা সন্দেহ।’

আমাদের দেশে গণমাধ্যম এখন আর জনমত গঠনে ভূমিকা পালন করাকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে না। প্রতিটি গণমাধ্যমের মালিক-সম্পাদকদের হয়তো একটি রাজনৈতিক পরিচয় আছে, তবে সেটা গণমাধ্যম পরিচালনায় বড় ভূমিকা পালন করে না। ব্যবসায়িক স্বার্থই নিয়ন্ত্রকের ভূমিকা পালন করে। জনমত গঠন নয়, জনমতকে বিভ্রান্ত করাই বেশির ভাগ গণমাধ্যমের দায়িত্ব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমার এই বক্তব্য নিয়েও হয়তো কেউ কেউ বিতর্ক করবেন, কিন্তু নির্দিষ্ট করে একটি গণমাধ্যমের নামও বলতে পারবেন না, যে গণমাধ্যম বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কল্যাণের জন্য লাগাতার কাজ করছে। সংবাদ পরিবেশন এমনকি উপসম্পাদকীয় কলামে মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রেও অনুদারতার চরম প্রকাশই দেখা যায়। কোনো না কোনো কোটারি স্বার্থের বাইরে যাওয়ার ইচ্ছা বা প্রবণতা কোনোটাই লক্ষ করা যায় না।

এই অবস্থার পরিবর্তন দরকার। গণমাধ্যমকে জনস্বার্থের অনুকূল করতে হলে বর্তমান মালিকানা কাঠামোয় সেটা সম্ভব হবে না। তাহলে পথ কী? উপায় কী? আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, প্রকৃত গণউদ্যোগে যদি পেশাদারি মনোভাব নিয়ে গণমাধ্যমের জন্ম দেওয়া যায়, তাহলে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতার ধারা তৈরি হতে পারে। এখানেও প্রশ্ন আসবে, এমন উদ্যোগ কার্যকর করা কি আদৌ সম্ভব? আমার জবাব: কেন নয়? মানুষের পক্ষে সবই সম্ভব। পথের বাধা যেমন মানুষ তৈরি করে, তেমনি বাধা অপসারণের কাজও মানুষই করে। মন্দের সংখ্যা বেড়েছে, তাই বলে ‘ভালো’ বিলীন হয়ে যায়নি। এক বা একাধিক মানুষের সৎ ও আন্তরিক উদ্যোগ গণমাধ্যমে নতুন প্রাণপ্রবাহ তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে।

-বিভুরঞ্জন সরকার, জ্যেষ্ঠ সহকারী সম্পাদক, আজকের পত্রিকা

13/05/2024

গণমাধ্যমকর্মী আইন নিয়ে অংশীজনদের মতামত নেওয়া শুরু

13/05/2024
বাসস, ঢাকা

গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইন-২০২১-এর খসড়ার ওপর আবার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও অংশীজনদের মতামত নেওয়া শুরু করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতের সভাপতিত্বে গতকাল রোববার দুপুরে অনুষ্ঠিত পর্যালোচনা সভায় মতামত নেওয়া শুরু করে মন্ত্রণালয়।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমকর্মী আইনে শ্রম আইনের অধীনে সাংবাদিকদের প্রাপ্য সব ধরনের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। সংবাদমাধ্যমকর্মীরা শ্রম আইনের আওতায় যে সুবিধাগুলো পান, সে সুবিধাগুলোর শতভাগ সুরক্ষা প্রস্তাবিত আইনে আছে কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হবে। যদি কোথাও ব্যত্যয় থাকে, সে জায়গাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শ্রম আইনের অধীনে সংবাদমাধ্যমকর্মীরা যে সুরক্ষা পান, তার কোনো ব্যত্যয় বা ঘাটতি প্রস্তাবিত গণমাধ্যমকর্মী আইনে থাকবে না। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমের জন্য একটি সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টির জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের কল্যাণ নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। এ জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গণমাধ্যমকর্মী আইন পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সভায় বেসরকারি টেলিভিশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (অ্যাটকো) সহসভাপতি ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, এডিটরস গিল্ডের সভাপতি মোজাম্মেল বাবু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যোগ্য হলে চেষ্টা করতে পারেন।
08/05/2024

যোগ্য হলে চেষ্টা করতে পারেন।

Address

18 Topkhna Road
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব জার্নালিস্ট-বিএজে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Videos

Share