17/12/2025
এই শীতে কয়েকটা ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে।
১. রাতে পানি গরম করে ফ্লাক্সে রাখুন।
সকালে ঠান্ডা পানি খাবেন না। পানির সাথে গরম পানি মিশিয়ে দিন জগে একবারে।
বাচ্চাদেরকে বললেও ওরা গরম পানি মিশায় খায় না।
একবারে আপনি মিশায়ে দেন।
২. বাচ্চাদেএ সোয়েটার এর মধ্যে উলের অপশন রাখবেন না। তিনটা বা চারটা রাখবেন যাতে একটা ধুইলে আর তিনটা এভেলেবল থাকে।
৩. আদা, দারচিনি, গোলমরিচ দিয়ে রং চা করে খাওয়াবেন।
৪. রাতে ঘুমানোর সময় এক গ্লাস দুধ সাথে একটু করে হলুদের গুড়া মিশিয়ে খাওয়াবেন। এটাই ন্যাচারাল এন্টিবায়োটিক।
৫. খাবারে রসুনের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন।
৬. শীতের সবজিগুলাই গরম একটু পেটে গ্যাস করে তাই খাবার রান্নার সময় একটু মেথি ফোড়ন দিন।
মেথি হচ্ছে ন্যাচারাল গ্যাসের মেডিসিন।
৭. বাচ্চা সর্দি কাশি লাগলে steambath শুরু করতে হবে।
৮. ক্রিমির মেডিসিন সময় মত দিতে হবে যদি কক্সবাজার ঘুরে আসেন তাহলে মেডিসিন আবার দিতে হবে।
৯. বাচ্চাদের কে থেকে প্রতিদিন গোসল করানোর দরকার নেই এখন একদিন পরপর করাবেন, চুলে যে ন মোটেও পানি না থাকে এমন ভাবে মুছবেন। চুল ভেজা থাকলেই এদের ঠান্ডা লেগে যায়।
১০. সকালবেলা একটু ভেজলিন লাগিয়ে দিন শিশুর নাকের চারপাশে এতে করে শুকনা সর্দি জমে থাকবে না।
১১. ভিটামিন সি চুষতে দেন।
১২. আপনি যদি gluthathaon নিতে থাকেন তাহলে অবশ্যই সাথে c vit নিতে হবে
১৩.ভিটামিন ডি লেভেল যাদের 15 থেকে ২৫ এর ভিতরে
তারা ভিটামিন ডি ৪০ হাজার সপ্তাহে দুইবার নিবেন। সাথে ম্যাগনেসিয়াম নিবেন।
১৪.রোদে বসলে ভারী কাপড় চোপড় দিয়ে রোদে বসলে তাহলে কোন উপকার হবে না।
১৫. এই শীতে বাচ্চারা প্রচুর ঘামে।
ব্যায়াম বা খেলাধুলার পরে যে ঘামটা আসে সেটার একটা নিয়ম আছে ফ্যানের বাতাসে শুকিয়ে ফেলতে হয়। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে নিবেন। ঘাম থেকে আসা অবস্থায় যদি বাথরুমে ঢুকে বাচ্চা পানি ঢালতে থাকে অবশ্যই ঠান্ডা লাগবে।
১৬.বিকাল তিনটা বাজলেই ঘরের জানালা সব বন্ধ করে ফেলুন ঘর গরম করে ফেলেন।
বাচ্চারা পড়তে বসলে যাতে কোনভাবেই ঠান্ডা না লাগে।
১৭. যে বাচ্চার কফের রঙ একদম হলুদ হয়ে যাবে সে বাচ্চাকে প্রতিদিন একটু একটু করে গোসল দিতে হবে যাতে পাতলা হয়ে নাক দিয়ে ঝরে চলে আসে।
১৮. যেসব বাচ্চা শ্বাসকষ্টের সমস্যা আছে অবশ্যই বাইরে নিয়ে যাওয়ার সময় মাস্ক পড়ান।
১৯. টনসিলের সমস্যা যাদের বড়দের বা বাচ্চাদের অবশ্যই বাইরে যাওয়ার সময় মানকি cap পড়তে হবে।
২০.পিরিয়ডের যেই প্যান্টি গুলো থাকে এগুলো ভালো হবার পরে গরম পানিতে ভালো করে ধুয়ে রোদে শুকায়ে খটখোটা করে তারপর রাখবেন। ছয় সাত মাস পরে পাল্টে ফেলুন।
২১. যে বাচ্চা একদম কথা শুনে না গায় কোন গরম কাপড় রাখেনা অনেক বেশি ঠান্ডা যে জায়গায় সেখানে অবশ্যই বাচ্চাকে রসুন তেল মালিশ করে রাখুন।
২২. এখন গ্রামে বেশ ঠান্ডা পড়ছে খুব সাবধানে থাকুন।
২৩. প্রতিদিন নিয়ম করে বাচ্চাকে রোদে দিন।
২৪. সন্ধ্যার পর বাচ্চাদেরকে আর বের না করেন।
২৫. কাশি অনেক বেশি থাকলে ডাক্তার ছাড়া কোন ওষুধ দিবেন না। যতক্ষণ পর্যন্ত বুকে সর্দি বা কফ বসে গেছে কিনা আপনি শিওর না হবেন উল্টাপাল্টা ওষুধ দিবেন না।
২৬. যে বাচ্চার নাক দিয়ে পানি পড়ছে কিন্তু খালি পায়ে হাঁটতেছে ওকে আপনি ঠিকমতো সারায়ে তুলতে পারবেন না।
২৭. ওষুধের থেকেও যত্ন ইম্পরট্যান্ট।
২৮. যে বাচ্চার প্রতিমাসে ঠান্ডা লাগতেছে তার মানে সেই বাচ্চার রক্ত সল্পতা হচ্ছে, ভিটামিন D সল্পতা থাকতে পারে।
২৯. বাচ্চাকে নিয়ে ঘুরবেন ফিরবেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার আনন্দ যেন মাটি না হয় সে ক্ষেত্রে সব প্রিকশনস আপনি নিয়ে রাখবেন। কারণ ও অসুস্থ থাকলে আপনি আনন্দ নিয়ে ঘুরতে পারবেন না।
৩০. দৈনিক একটা কমলা বাচ্চারা খাবে।
©️