
Ovation
- Home
- Bangladesh
- Dhaka
- Ovation
mainly this page are help them who will visit the Bangladesh. It has lot of good, trusted and skilled guides who help you by giving all kind information.

12/12/2016
যে ১০ কারণে এখনই আপনার S*X জরুরি!
Oct 3, 2016, 09.09 PM IST
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: যৌন মিলন কি শুধুমাত্র তাত্ক্ষণিক তৃপ্তি দেয়? নিয়মিত যৌন জীবনের সুদূরপ্রসারী কোনও প্রভাব কি জীবনে পড়ে? কেমন সেই প্রভাব? সাম্প্রতিক সমীক্ষায় জানা গেল এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর।
নিয়মিত সুস্থ যৌন জীবন যাপনের বিবিধ উপকার আবিষ্কার করেছেন চিকিত্সা বিজ্ঞানীরা। দেখে নেওয়া যাক যৌন মিলনের দশটি সুফল, যা সুস্থ জীবনের পক্ষে একান্ত প্রয়োজনীয়।
১) নিয়মিত যৌন মিলন শারীরিক ব্যায়ামের সুফল দেয়। যে মহিলারা সপ্তাহে অন্তত দুই বার যৌন মিলনে অভ্যস্ত, তাঁদের হৃদরোগের সম্ভাবনা অনেক কম। তুলনায় যাঁরা মাসে একবার যৌন মিলনে অভ্যস্ত, তাঁদের হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা বেশি। তবে পুরুষের ক্ষেত্রে এর ফল উল্টো হতে পারে।
২) মাথা ব্যথা সারাতে যৌন মিলনের জুড়ি নেই। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, শরীরের যে কোনও ব্যথা চটপট সারাতে যৌনতা ফলদায়ী। এমনকি মাইগ্রেনের ব্যথা দূর করতেও কাজে দেয় যৌন মিলন।
৩) যাঁরা নিয়মিত যৌন জীবনে অভ্যস্ত, তাঁদের স্ট্রেসে ভুগতে হয় না। অঙ্ক কষা বা বক্তৃতা দেওয়ার মতো কাজে মানসিক চাপের হাত থেকে নিষ্কৃতি দেয় যৌনতা। তবে এ ক্ষেত্রে যৌন মিলনের কথাই বলা হয়েছে, হস্তমৈথুন অথবা স্বমেহনের মতো যৌন প্রক্রিয়ায় এই ফল মেলে না।
৪) সুস্থ নিয়মিত যৌন জীবন আয়ুবৃদ্ধি করে। একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত মহিলারা যৌন মিলনের সময় অনুভূতির শিখরে প্রায়ই পৌঁছন, তাঁরা সাধারণত দীর্ঘায়ু হন।
৫) বুদ্ধিতে শান দিতে নিয়মিত যৌন মিলন অভ্যাস করুন। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, যৌনতার সঙ্গে মস্তিষ্কের কোষ বৃদ্ধির সম্পর্ক রয়েছে। পঞ্চাশোর্ধ্বদের ক্ষেত্রে রোজ শারীরিক মিলনের ফলে স্মৃতিশক্তি ক্ষুরধার হয়। অঙ্ক কষার মতো কাজেও তাঁরা দড় হন বেশি।
৬) যৌনতাই হল আনন্দের চাবিকাঠি, দাবি মনোবিজ্ঞানীদের। সপ্তাহে একবার শারীরিক মিলনের ফলে দাম্পত্য বা প্রেমের সম্পর্ক মজবুত হয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে, এই ব্যাপারে সঙ্গী বা সঙ্গীনির প্রতি বিশ্বস্ততা যেন অটুট থাকে। অন্যথায় বিপরীত ফল অনিবার্য।
৭) যৌন মিলনের ফলে শরীরে মেদ ঝরে। যার যত বেশি যৌন উদ্দামতা, তার ভুঁড়ি কমার সম্ভাবনা ততই প্রবল। তবে এক্ষেত্রে ধন্দ একটাই-- যৌন মিলনের ফলে স্লিম হওযা যায়, না কি মেদহীন শরীর যৌনতায় বেশি সফল হয়!
৮) বিজ্ঞানীরা বলছেন, সর্দি সারাতেও জরুরী নিয়মিত যৌন মিলন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত কলেজপড়ুয়া সপ্তাহে দুই বার যৌন মিলনে অভ্যস্ত, তাঁদের লালায় অন্যদের চেয়ে সর্দির বিরুদ্ধে লড়ার অ্যান্টিবডির উপস্থিতি অনেক বেশি।
৯) যৌন মিলনের পুরস্কার নিটোল ঘুম। প্রতিবার অর্গ্যাজমের সময় পুরুষ ও নারীর শরীরে এনডরফিন এবং অক্সিটসিন হরমোন নিঃসরণ বেড়ে যায়। এতে শরীরের ব্যথা ও আড়ষ্টতাবোধ অনেকাংশেই ফিকে হয়ে যায়। তার জেরে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হন বেশির ভাগ মানুষ।
১০) নিয়মিত যৌন মিলনের ফলে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পায়। গবেষণায় প্রমাণিত, যে সমস্ত পুরুষ সুস্থ ও নিয়মিত যৌন জীবনে অভ্যস্ত, তাঁদের প্রস্টেট ক্যানসারের আশঙ্কা কমে। অন্যদিকে, মহিলাদের ক্ষেত্রে ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
সব ভুলে যাচ্ছেন? স্মৃতিশক্তি চাঙ্গা রাখতে ৫টি টিপস
Nov 15, 2016, 12.24 AM IST
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: চেনা লোকের নামটি হঠাত্ করেই মনে করতে পারছেন না? কোথায় কী রাখছেন, পরক্ষণেই ভুলে যাচ্ছেন? বই পড়ে মনে থাকছে না? কাল কী খেয়েছিলেন, আজ মনে করতে বেগ পেতে হচ্ছে? নিশ্চিত ভাবে আপনার স্মৃতিবিভ্রম হচ্ছে। কী করে চাঙ্গা রাখবেন আপনার মস্তিষ্কের কোষকে? স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ৫টি টিপস আপনার জন্য।
১. ব্যায়াম করুন, চাঙ্গা থাকুন
ব্যায়াম বা দৌড়ঝাঁপে শুধু শরীরই চাঙ্গা থাকে না, মস্তিষ্কও চনমনে থাকে। তাই সকালটা ব্যায়াম দিয়ে শুরু করলে, এর চেয়ে ভালো আর কিছু হয় না। কাজে ঠিকমতো মনোনিবেশও করতে পারবেন। দেওয়ালে বারবার বল ছুড়ে ক্যাচ ধরুন, এতেও মনোযোগ বাড়বে।
২. রাতে ভালো করে ঘুমোতে হবে
মস্তিষ্ক বা স্মৃতিশক্তিকে চাঙ্গা রাখতে রাতে ঘুম অত্যন্ত জরুরি। যাঁরা এখনই স্মৃতিবিভ্রমে ভুগছেন, রোজ ভালো করে ঘুমনোর উপর জোর দিন। রাতে ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমোতেই হবে। শুতে যাওয়ার অন্তত একঘণ্টা আগে টিভি দেখা বন্ধ করতে হবে। ওইসময় স্মার্টফোন বা ট্যাব নিয়েও ঘাঁটাঘাঁটি করা যাবে না। রাতে যাতে ঘুম ভালো হয়, তার জন্য সারাদিনে ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল কম খেতে হবে।
৩. মস্তিষ্ককে শাণিত করতে হবে
ঘষতে ঘষতে ধার হয়, মস্তিষ্কের ক্ষেত্রেও তাই। বয়সের সঙ্গে স্মৃতিবিভ্রমের ঝুঁকি এড়াতে হলে মস্তিষ্কে নানা কাজে ব্যস্ত রাখতে হবে। রোজ কাগজ দেখে শব্দছক, সুদোকু করলেও ভালো মাথা খাটানো হয়। এ ছাড়াও নতুন নতুন জিনিস শিখতে হবে। লোকজনের সঙ্গে মেলামেশা করতে হবে। তাতে মস্তিষ্ক ক্ষুরধার হবে।
৪. ধকল যত কমাতে পারবেন, ততই মঙ্গল
কাজকম্ম করতে হলে দিনশেষে শারীরিক ধকল থাকবেই। কিন্তু, সেই ধকল যতটা সম্ভব কমিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে। কাজের চাপ বাড়িয়ে নেবেন না। শরীর না দিলে, মাঝেমধ্যে 'না' বলতে হবে। কারণ ক্রনিক স্ট্রেস আপনার মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি করে। যার প্রভাব পড়ে স্মৃতিশক্তিতে। তীব্র হতাশা থেকেও স্মৃতিশক্তি নষ্ট হতে পারে।
৫. কী খাচ্ছেন, খুবই গুরুত্বপূর্ণ
স্মৃতিশক্তি পুনরুদ্ধারে চিনি বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খাদ্যতালিকা থেকে আগে বাদ দিন। প্রচুর শাকসবজি ফলমূল খাওয়ার পাশাপাশি অবশ্যই জোর দিন ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবারে। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর খাবারও খেতে হবে। কারণ, অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট মস্তিষ্কের কোষগুলোকে সুরক্ষিত রাখে। যে কারণে গ্রিন-টি খুব উপকারী। রোজের খাবার থেকে তেল-মশালা কমিয়ে, সম্ভব হলে অল্প অলিভ ওয়েলে রান্না করা খাবারে জোর দিন।
শোওয়ার আগে বালিশের নীচে জাস্ট ১ কোয়া রসুন!
Aug 1, 2016, 05.19 PM IST
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: রসিয়ে-কষিয়ে রান্নায় রসুনের জুড়ি মেলা ভার। তবে সেখানেই থেমে থাকে না তার মাহাত্ম্য। রসনার পাশাপাশি শরীরের নানা উপকারে বিশেষ কার্যকরী রসুন। খেয়ে তো বটেই, এমনকী বালিশের তলাতেও যদি এক কোয়া রসুন রেখে শুতে যান, তবে ফল পাবেন একেবারে হাতেনাতে।
হার্টের সমস্যা, যকৃতের সমস্যা, ঠাণ্ডা লাগা, ধমনী পরিষ্কার রাখা ও রক্ত বিশুদ্ধ করায় আপনার কাছের বন্ধু কাঁচা রসুন। গবেষকদের মতে, রসুন প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। রোজ সকালে খালি পেটে যদি এক কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়া যায়, তবে তা শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে, লিভার, পিত্তথলি ও পাকস্থলীকে সুস্থ সবল রাখতে এবং হজমশক্তি বাড়াতে রসুনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। ডায়াবিটিস, হতাশা ও বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধেও রসুনের জুড়ি মেলা ভার।
শুধু খেয়েই নয়, রসুনের সংস্পর্শে থাকলেই সে তার কাজ করে চলবে। অনেকেই বলেন, বালিশের নীচে এক কোয়া কাঁচা রসুন রেখে শুলে তার গুণ অপরিসীম। এতে আপনার ঘুম গভীর হবে। দূরে পালাবে হতাশা। পিছু হঠবে নেতিবাচক মানসিকতা। মনের মধ্যে আসবে আশ্চর্য উত্ফুল্লতা। তাই শরীর ও মন সুস্থ রাখতে সঙ্গী করতে পারেন রসুনকে। তারপরই দেখুন ম্যাজিক।
বি. দ্র. যাঁদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে, তাঁরা রসুনকে এড়িয়ে চললেই ভালো।
সঙ্গিনীর শরীরে আগুন চাই? জাস্ট এই ৯ স্পট টাচ করুন
Oct 10, 2016, 07.52 PM IST
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: নারী-শরীরের কোন কোন অংশ স্পর্শ করলে তাঁর কামোত্তেজনা বাড়িয়ে তোলা যায়? জেনে রাখুন বিশেষজ্ঞদের অমূল্য পরামর্শ যা আপনার যৌন জীবনকে আরও ঘটনাবহুল করে তুলবে।
১) নারীর কেশ তাঁর সৌন্দর্য্য বাড়াতেই শুধু সাহায্য করে না, তা স্পর্শ করলে তিনি সুখের সাগরে তলিয়ে যান। বিউটি পার্লারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কেশচর্চায় শুধুমাত্র রূপ খোলতাই হয় না, স্ট্রেস রিলিভার হিসেবেও কাজে দেয়। কপাল থেকে ঘাড় পর্যন্ত কেশদাম ম্যাসাজ করতে পারলে আপনার প্রিয় নারী মজবেনই।
২) কোমর এবং তার নীচের অংশ স্পর্শ করলে নারী-শরীরে সুখ চারিয়ে যায়। বেশি সাহসী হওয়ার দরকার নেই, তবে থাইয়ের ভিতরের অংশ এবং কোমরের ভাঁজে জিভ বুলিয়ে দিলে সুখের আতিশয্যে নারী হন পাগলপারা। তবে ভুল করেও এই সময় তাঁর যৌনাঙ্গ স্পর্শ করবেন না। তার জন্য আরও সময় চাই।
৩) ফিট ম্যাসাজের কথা এতকাল গল্পেই পড়েছেন। সঙ্গিনীকে অসীম সুখ দিতে হলে পায়ের গোছ, গোড়ালি, পায়ের পাতা ও আঙুল ম্যাসাজ করুন। মাঝে মাঝে এই সমস্ত অংশগুলিতে জিভের ডগা দিয়ে সুড়সুড়ি দিন। হাতেনাতে সুফল পাবেন।
৪) প্রেমিকার কানের লতি কখনও স্পর্শ করেছেন? যদি না করে থাকেন, তাহলে এই দিকে মন দিন। প্রথমে হাল্কা চালে আঙুল দিয়ে ছুঁয়ে যান কানের বাইরের অংশ। তারপর জিভ কাজে লাগিয়ে কানের প্রবেশদ্বার ও লতিতে স্পর্শ করুন। দেখবেন সুখস্পর্শে শিউরে উঠছেন প্রেয়সী। সুখের মাত্রা বাড়াতে অল্প কামড়ও বসাতে পারেন কানের লতিতে।
৫) নির্জনে প্রেমিকার হাত ধরে তো অনেক বসলেন। জানেন কি, তাঁর হাতের তালুতে সুড়সুড়ি দিলে কী ফল হয়? নারীর যৌন চেতনা বাড়িয়ে দিতে এই পেলব ছোঁয়ার বিকল্প নেই, মনে রাখবেন।
৬) প্রেমিকার হাঁটুর পিছনের অংশে হাত বোলানোর মতো উদ্ভট চিন্তা বেশির ভাগ পুরুষের মাথাতেই আসে না। একবার চেষ্টা করেই দেখুন না! ওই স্থানে যুগপত্ তর্জনী ও ঠোঁট বুলিয়ে দিতে থাকলে কয়েক মিনিটেই দেখবেন আপনার থেকে আরও কিছু আশা করছেন স্বপ্নের নারী।
৭) পিঠের ওপর আলতো হাত রাখলে একই সঙ্গে নারী হৃদয়ে ভরসা ও অনুরাগের ভাব বিস্তার হয়। ঘনিষ্ঠ অবস্থায় তাঁর মেরুদণ্ড বরাবর জিভ বুলিয়ে যান, দেখবে সঙ্গিনীর গায়ে সুখের প্রাবল্যে কাঁটা দিয়ে উঠেছে।
৮) স্বল্প উঁচু কণ্ঠার হাড় বহু নারীর সৌন্দর্যে নয়া মাত্রা যোগ করে। সুযোগ পেলে সেখানে একটু চুমু খান। গলা ও বুকের ওপরের অংশে হাল্কা ছোঁয়ায় নারী হৃদয় বিগলিত হয়, জেগে ওঠে শরীর।
৯) ঘাড়ের তলদেশে সুখস্পর্শ পেতে বিশ্বের বেশির ভাগ মহিলাই চান। একদা জাপানে নারীদেহের ওই অংশটি দর্শনে পুরুষের যৌন উত্তেজনা বাড়াতে সাহায্য করত। যৌন অভিযানে দুঃসাহসী হয়ে সঙ্গীনির শরীরের এই অংশে মনোনিবেশ করুন। জিভের ডগা ঠিকঠাক কাজে লাগালে ভালো পুরস্কার পাবেন, গ্যারান্টি।
বীর্য বাড়াতে হাতের কাছের এই ৫ খাবারে ভরসা রাখুন
Nov 16, 2016, 12.54 AM IST
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: টেস্টোস্টেরন কম, এমন পুরুষ আমাদের চারপাশে কম নেই। পরীক্ষা না-করানোর কারণে অনেক সময় আমরা তা ধরতেই পারি না। বা নিজেরাও নিজেদের এই খামতির কথা জানি না। টেস্টোস্টেরন বা পুরুষ হরমোন কম হওয়ার একটা কারণ নিয়মিত উচ্চ ফ্যাট যুক্ত খাবার। সেইসঙ্গে ব্যায়ামে অনিহা। বাণিজ্যিক দুধের মতো যাতে উচ্চমাত্রায় ট্রান্স-ফ্যাট রয়েছে বা মাইক্রোওয়েভে তৈরি রান্নাও কিন্তু টেস্টোস্টেরনের বারোটা বাজায়। আর এই টেস্টোস্টেরন তৈরিতে বাধা মানে কামশক্তির দফারফা। আমেরিকার মতো দেশেও প্রতিবছর গড়ে ৫ লক্ষ করে পুরুষের টেস্টোস্টেরন ঘাটতি ধরা পড়ে। মনে রাখবেন আপনার ভুঁড়ি যত বাড়বে, যত শরীরে মেদ জমবে, টেস্টোস্টেরন সেই অনুপাতেই কমবে। তাই টেস্টোস্টেরন বাড়াতে হলে শরীরে মেদ জমতে দেবেন না। এ জন্য ঘাম ঝরাতে হবে।
এই ৪ টেস্টোস্টেরন ঘাতক
১. বাণিজ্যিক দুধ, দই ও চিজ
২. প্যাকেটজাত ও খাদ্যপ্রক্রিয়াকরণ করা খাবারদাবার
৩. সোয়াভিত্তিক খাবার
৪. মাইক্রোওয়েভে তৈরি খাবার
এস্ট্রোজেনিক ও প্রোজেস্টেরন যৌগ থাকায় এই খাবারগুলো ছেলেদের যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়া উচিত। এস্ট্রোজেন বাড়লে টেস্টোস্টেরন হরমোন স্বাভাবিক ভাবেই কমবে। ক্রমে গড়নে মেয়েলি কিছু লক্ষণ প্রকাশ পাবে।
যে পাঁচ খাবারে টেস্টোস্টেরন বাড়ে:
১. গোটা ডিম
২. গোমাংস (ঘাস খায় এমন গোরুর)
৩. অ্যালমন্ডস
৪. কাজুবাদাম
৫. নারকেল তেল
উপরে উল্লিখিত খাবারগুলো হল স্যাচুরেটেড বা সম্পৃক্ত ফ্যাটের উত্স, যার মধ্যে থাকে কোলেস্টেরল। যে কোলেস্টেরল থেকে আমাদের শরীরে টেস্টোস্টেরন তৈরি হয়। তা বলে বেশি বেশি সম্পৃক্ত ফ্যাট আবার না-খাওয়াই ভালো। একটা ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। খুব কম খেলে যেমন শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা একদম কমে যাবে, আবার বেশিমাত্রায় হার্টের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক।
জার্নাল অফ অ্যাপলায়েড ফিজিওলজির একটি রিপোর্টে উল্লেখ রয়েছে, খাদ্যতালিকায় ৪০ শতাংশ ফ্যাট টেস্টোস্টেরনের মাত্রা অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। সেই তুলনায় যাঁদের খাবারে ২০ শতাংশ ফ্যাট থাকে, তাঁদের টেস্টোস্টেরনের মাত্রাও খুব কম।
ঘরে তুলসী গাছ রেখেছেন? এই ১০টি জিনিস মাথায় রাখুন
Nov 15, 2016, 11.32 PM IST
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: শাস্ত্রে বলা আছে, তুলসীগাছ থাকলে মৃত্যুর দেবতা যমরাজও নাকি ঘরে ঢুকতে পারেন না! শাস্ত্রে যদি অবিশ্বাসও থাকে, তা-ও শুধু ভেষজ গুণের জন্য আপনি বাড়িতে একটি তুলসীগাছ রাখতে পারেন। বাস্তুর দিক থেকেও তুলসীর গুরুত্ব কম নয়। তাই ঘরে তুলসী গাছ রাখলে সংসারের শুভ-অশুভ মাথায় রেখে কিছু নিয়ম মেনে চলা উচিত।
১. বাস্তু মতে, বাড়িতে বা বারান্দায় তুলসী রাখলে উত্তর বা উত্তর-পূর্ব দিকে রাখুন।
২. শিবলিঙ্গে বা শিবের পুজোয় তুলসী লাগে না। পৌরাণিক আখ্যান অনুযায়ী দানব শঙ্খচূড়ের স্ত্রী হল তুলসী। এই শঙ্খচূড় শিবের হাতেই প্রাণ হারিয়েছিল। ফলে, শিবের পুজোয় তুলসী দেওয়ার কোনও মানে নেই।
৩. রবিবার বা কোনও একাদশীর দিন গাছ থেকে তুলসীর পাতা ছিঁড়বেন না। এমনকী সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণের সময়ও নয়। এটা অশুভ।
৪. তুলসী গাছ শুকিয়ে বা মরে গেলে তুলে যেখানে সেখানে ফেলবেন না। নদী বা পুকুরে ফেলুন। বাড়িতে বা বাগানে মরা তুলসী গাছ রাখা সংসারের জন্য অশুভ। মরা গাছ সরিয়ে তুলসীর নতুন চারা বসান।
৫. তুলসীকে আমরা স্ত্রী গাছ হিসেবে দেখি। এটা খেয়াল রাখবেন তুলসী গাছের পাশেই যেন না ক্যাকটাস বা কাঁটাজাতীয় গাছ থাকে। তাতে সংসারে অশান্তি বাড়ে। সুস্বাস্থ্য ও সংসারে সুখশান্তি চাইলে তুলসীগাছের দু-পাশে কাঁটা নেই এমন ফুলের গাছ রাখুন।
৬. মনে রাখবেন তুলসী হল অক্সিজেনের 'শক্তিঘর'। দিনে একবার অন্তত তুলসীগাছের সামনে এসে প্রাণভরে শ্বাস নিন। শরীরের ভিতরে কোনও সংক্রমণ থাকলে, দূর হবে। ঘরে তুলসী রাখলে রোজ সকালে পুজো করতে ভুলবেন না। সন্ধ্যায় তুলসীতলায় প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালিয়ে আসবেন।
৭. ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে দিনে অন্তত দুটো করে তুলসীর পাতা খান।
৮. মনে রাখবেন তুলসীর পাতা চিবিয়ে না খাওয়াই ভালো। তুলসীপাতা পারলে গিলে নিন। কারণ, মার্কারির মতো কিছু যৌগ রয়েছে। এই মার্কারি দাঁতের জন্য খুবই ক্ষতিকারক।
৯. বাতাস শুদ্ধ করার পাশাপাশি তুলসী ঘরের নানা দোষও কাটায়। পজিটিভ এনার্জির জোগান দেয়।
১০. কখনোই তুলসীগাছের পাশে ঘর মোছার ন্যাতা, ঝাঁটা বা অন্য নোংরা কিছু রাখবেন না।
চোখের শান্তি
Nov 15, 2016, 02.01 PM IST
সারাদিন কম্পিউটারে কাজ করতে -করতে আপনি যতটা না ক্লান্ত হন , তারচেয়ে অনেক বেশি ক্লান্ত হয়ে পড়ে আপনার চোখ৷ ফলে চোখ জ্বালা , জল পড়া, এমনই নানা সমস্যা দেখা দেয়৷ অফিসে চোখের ক্লান্তি দূর করবেন কী করে , টিপস সাজাচ্ছে ‘অন্য সময় ’!
❯❯ মাঝে মাঝেই চোখ বন্ধ রাখুন
চোখের ওপর খুব চাপ পড়ছে মনে হলে চোখ বন্ধ করে ১ থেকে ১০ অবধি গুনুন৷ তারপর ধীরে ধীরে চোখ খুলুন৷ এতে চোখের ক্লান্তি অনেকটা কমে৷ এছাড়া আরেকটা ভালো অভ্যাস হল দু’হাতের চেটো ঘষে গরম হাত বন্ধ চোখের ওপর রাখা৷ এতেও চোখ অনেকটা রিল্যাক্স হয়৷
❯❯ ব্রেক নিন
কুড়ি থেকে তিরিশ মিনিট অন্তর অন্তর কম্পিউটার স্ক্রিন থেকে চোখ সরিয়ে নিন৷ পাঁচ সাত মিনিট কোনও কলিগের সঙ্গে আড্ডা দেওয়া , জল খাওয়া বা কাগজ কলমের কাজ সারুন৷ তারপর আবার কাজ শুরু করুন৷ দেখবেন মাথাব্যাথা , চোখ ঝাপসা হয়ে আসার মতো সমস্যা আর হবে না৷
❯❯ চোখের মণি ঘোরান
চোখের ক্লান্তি কমানোর আরেকটা দারুণ টোটকা হল চোখের মণি ঘোরানো৷ প্রথমে চোখের ওপর হাত দিয়ে দক্ষিণাবর্তে ও বিরোধী দক্ষিণাবর্তে চোখের মণি ঘোরান৷ তারপর কিছুক্ষণ চোখ বুজে থাকুন৷ তারপর ধীরে ধীরে চোখ খুলুন৷ কাজ করতে করতে চোখে খুব চাপ পড়লে এই অভ্যাস চাপ কমানোর ক্ষেত্রে ভীষণ কার্যকরী৷
❯❯ জলের ছিটে দিন
কাজের ফাঁকে ওয়াশ -রুমে গিয়ে চোখে জলের ঝাপটা দিন৷ তবে খুব জোরে নয়৷ নয়ত চোখে চাপ পড়বে৷ বরং হালকা করে চোখে মুখে জল ছিটিয়ে নিন৷ এতে তরতাজা লাগবে এবং কাজের ক্ষেত্রে উদ্যম ফিরতে বাধ্য৷
❯❯ বাইরে বেরোন
অফিসে অনেকক্ষণ এসি ’তে থাকার দরুন চোখ শুষ্ক হয়ে যায়৷ ফলে তা জ্বালা করে৷ এই সমস্যা যাতে না হয় তাই অফিসের বাইরে গিয়ে কিছুক্ষণ ঘুরে আসুন৷ বাইরে গিয়ে চা খাওয়া কিংবা অফিসের ছাদে কিছুক্ষণ ঘুরে বেরানো কিন্ত্ত ভালো অভ্যাস৷ কোনও অফিস কলিগকে সঙ্গী করতে পারেন৷ কাজের মধ্যে খুব বেশি সময়ের ব্রেক নেওয়া সম্ভব নয়৷ তবে ছোট ছোট বিরতি তো নিতেই পারেন৷
❯❯ চোখের ব্যায়াম করুন
অফিসের ডেস্কে কাগজে একটা ছোট বিন্দু এঁকে পিন করে নিন৷ মাঝে মধ্যে সেদিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকুন৷ তারপর ৫ -১০ সেকেন্ড রিল্যাক্স করুন৷ এবার আবার নিজেকে কাজে ব্যস্ত করার পালা৷ এই ব্যায়ামে চোখের ক্লান্তি তো কমেই আর মনোযোগও বাড়ে৷ নিজের পেনকে কিছুটা দূরে রেখে পেনের দিকে তাকিয়েও এই ব্যায়াম করতেই পারেন৷ তবে যদি দেখেন , বড় ধরনের সমস্যা , তা হলে ডাক্তার দেখান !
'টানা এক বছর প্রতিদিন S*X করেছি'
Oct 11, 2016, 06.15 PM IST
--ফাইল চিত্র।
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: একটা দাম্পত্যকে মজবুত রাখতে মনের মিলন জরুরি। একশোবার। কিন্তু একইসঙ্গে প্রয়োজন শরীরী মিলনেরও। কী ভাবে একটা গোটা বছর প্রতিদিন উদ্দাম যৌনতা একটি সম্পর্ককে মধুর করে তুলেছে সারা জীবনের জন্য, তা পাঠকদের সঙ্গে শেযার করলেন ব্রিট্যানি নামে এই মহিলা।
তিনি লিখছেন,
তিন বছর আগে আমাদের সম্পর্কটা ধীরে ধীরে খারাপ জায়গায় চলে যাচ্ছিল। নিজেকে ও সম্পর্কটাকে বাঁচানোর তাগিদ কাজ করছিল প্রতি মুহূর্তে। সেই ঝঞ্ঝা কেটে গিয়েছে। টানা এক বছর আমি প্রতিদিন স্বামীর সঙ্গে সেক্সে লিপ্ত হয়েছি। জানি না আমাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তগুলি আমাদের সন্তানরা দেখেছে কিনা। আমার মনে হয় দেখেনি। কিন্তু কোনও বাধা মানিনি। এমনকি ঋতুস্রাবের দিনগুলিতেও।
আসলে আমাদের তৃতীয় সন্তান হওয়ার পর আমরা বুঝতে পারছিলাম, আমার আর আমার স্বামী অ্যান্ডির মধ্যে কোথাও একটা দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। নিজেকে নগ্ন দেখতেও ইচ্ছে করত না। সেক্সের সময় আলো নিভিয়ে রাখতাম। কয়েক মাস পর আর দূরত্বটা আরও বাড়ল। আমরা দু'জন দু'জনকে নগ্ন দেখতেই চাইতাম না। তখনই বুঝলাম, না এটাই ভাঙার শুরু। এখনই কিছু একটা করতে হবে।
একটা বন্ধুর কাছে শুনলাম, ওরও একই সমস্যা ছিল। কিন্তু কেটে গিয়েছে শুধুমাত্র প্রতিনিয়ত মিলনে। এবং তাও দিনের আলোয়। আইডিয়াটা খারাপ লাগল না। এক বছর টানা আমি সেই পন্থ নিলাম। প্রতিদিন সেক্স করতাম। একদিনও বাদ দিইনি। শুনতে অবাক লাগছে তো? কিন্তু এটাই সত্যি। শুরুর দিকে আমাদের কাছেও ব্যাপারটা আশ্চর্যের লাগত। কিন্তু কয়েক মাস বাদে এর সুফলটা বুঝতে শুরু করলাম। আমাদের সম্পর্কটায় বাঁধন এল। আমরা সব সময় একে অপরকে মিস করতাম।
আজ এত বছর পরেও সেই বাঁধন অটুট শুধু নয়, একে অপরকে ছাড়া চলে না। এখন আর সেক্স করারও প্রয়োজন হয় না। আজ আমরা সুখী। সত্যিই সুখী। অ্যান্ডিই আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।
এ দেশে শিশুরা ভালো নেই, দয়া করে ওদের কথা ভাবুন
Nov 14, 2016, 07.23 PM IST
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: আজ শিশু দিবস। এ দেশে শিশুরা কেমন আছে জানেন? দেশের মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ যারা, তাদের অবস্থার প্রকৃত চিত্রটা দেখলে দুঃখ পাবেন। ঘাবড়েও যেতে পারেন। কারণ প্রত্যেক ঘরে এক বা একের বেশির শিশু তো রয়েছে। শহুরে শিক্ষিত পরিবারের অবস্থা দেখে গোটা দেশের সার্বিক চিত্রটা ঠিক বোঝা যাবে না। যদি এখনই সাবধান না হন, তবে ভবিষ্যতে এর বড় মাসুল গুনতে হতে পারে। এরা প্রত্যেক দিন চিত্কাোর করে বেঁচে থাকার জন্য সাধারণ কয়েকটি জিনিস চাইছে। অনেকের কান পর্যন্ত এই কথা পৌঁছচ্ছে না। আমরা পৌঁছে দিচ্ছি সেটা।
১) নিরাপত্তা চাই: গত এক দশকে শিশুদের বিরুদ্ধে অপরাধের মাত্রা ৫০০ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। ২০০৫ সালে সারা দেশে ১৪,৯৭৫টি মামলা দায়ের হয়। সেখানে ২০১৫ সালে মামলার পরিমাণ ৯৪,১৭২টি। যৌন হেনস্থা থেকে ধর্ষণ, পাচার, খুন এই তালিকায় স্থান পেয়েছে।
২) বিয়ের আগে নিজের পায়ে দাঁড়াতে চাই: ১৪ বছরের মধ্যে মেয়েদের বিয়ের ঘটনা ৩৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক, ২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী দেশে সাড়ে ৪ লক্ষের বেশি এমন মেয়ে রয়েছে যাদের ১৪ বছর বয়সের নীচে বিয়ে হয়েছে এবং এক বা একাধিক সন্তানের মা হয়েছে সে। এদের না আছে শিক্ষা, না হয়েছে দেহের বিকাশ, না আছে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা।
৩) শৈশব উপভোগ করতে চাই: ২০১১-র হিসাব অনুযায়ী দেশে ১ কোটির বেশি শিশু শ্রমিক রয়েছে। গত এক দশকে সংখ্যাটি ২.২ শতাংশ কমলেও তা খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। কারণ ৫-৯ বছর বয়সি শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ৩৭ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। ১৫-১৮ বছর বয়সি শিশু শ্রমিক বেড়েছে ২৩ শতাংশ। অর্থাত্ প্রত্যেক চার জনের মধ্যে এক জন শিশু শ্রমিক হিসাবে জীবন কাটাচ্ছে। এদের অনেকেই কোনও দিন স্কুলের গণ্ডিতে পা রাখেনি। নিজের নাম পর্যন্ত লিখতে জানে না প্রায় ১৫ লক্ষ শিশু।
৪) খালি পেটে ঘুমোতে চাই না: ২০১৫-’১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী দেশের ১৭টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, ৫ বছরের নীচে ৩৮% থেকে ৭৮% শিশু অপুষ্টির শিকার। এর শিকড় অনেক গভীরে। অল্প বয়সে মা হওয়া বা গর্ভবতী থাকাকালীন মহিলাদের সঠিক আহার না পাওয়া থেকেই এটা শুরু হয়। তারই প্রভাব গিয়ে পড়ে শিশুর ওপর।
এ ছাড়াও স্কুলছুট হওয়া, ঠিকমতো চিকিত্সাএ না মেলা, জন্মের পর শংসাপ্রত্র না করানো, কন্যাভ্রুণ হত্যার মতো গুরুতর বিষয় জড়িয়ে রয়েছে শিশুর প্রাথমিক অধিকারের সঙ্গে। এর কোনওটি ছোটখাটো ব্যাপার নয়। শুধুমাত্র সরকারের ওপর দোষ চাপিয়ে দায় ঝেড়ে ফেললে হবে না। সমাজের প্রত্যেকটি স্তর থেকে সচেতনতা না বাড়লে এবং গোটা দেশ এক সঙ্গে এগিয়ে না এলে এই ব্যাধি থেকে মুক্তির আশা নেই। তেমনটাই মনে করছেন (CRY) চাইল্ড রাইটস অ্যান্ড ইউ-এর ডিরেক্টর কোমল গনোত্রা।
তিনি বলেন, ‘সরকার, এ বিষয়ে যুক্ত বিভিন্ন সংস্থা এবং দেশের সকল মানুষের কাছে আমাদের আবেদন, শিশুদের অধিকার সুরক্ষিত করতে এগিয়ে আসুন। আপনাদের যাঁর যেমন ক্ষমতা সে ভাবেই এ কাজে সাহায্য করুন। শিশুরা দেশের ভবিষ্যত। তাই দেশের ভবিষ্যত যদি পাল্টাতে হয় তবে ওদের দিকে নজর দিতেই হবে। তবেই সার্বিকভাবে দেশের উন্নতি সম্ভব।’
বীর্যের জোর কম? চিন্তা না-করে মধু দিয়ে এক গ্লাস দুধ খান
Nov 5, 2016, 05.22 PM IST
এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক: পুরুষত্বহীনতা বা পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের চিকিত্সায় আয়ুর্বেদে মধুর ব্যবহার নতুন নয়। আয়ুর্বেদশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, মধু মিশিয়ে নিয়মিত এক গ্লাস করে দুধ খেলে স্পার্ম কাউন্ট শূন্য থেকে বেড়ে ৬ কোটি পর্যন্ত হতে পারে।
কী ভাবে শুক্রাণু বাড়ে, সে উল্লেখও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, দুধের মধ্যে থাকা ভিটামিন এ পুরুষ সেক্স হরমোনের পরিমাণ বাড়ায়। অন্য দিকে, মধুতে থাকা ভিটামিন ই ও জিঙ্ক সেক্স স্টিমুল্যান্ট হিসেবে কাজ করে পুরুষদের যৌনশক্তি বাড়ায়।
অনলাইন এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ১৮ থেকে ৫০-এর মধ্যে বয়স এমন ১০ শতাংশ পুরুষই লো স্পার্ম কাউন্টের শিকার।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ঘরোয়া বেশ কিছু উপায়ে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ানো যায়। তবে, দুধু ও মধুই এর মধ্যে সহজলভ্য়। এক গ্রাস দুধ ভালো করে ফুটিয়ে নিয়ে, তাতে মধু মিশিয়ে পান করতে হবে। নিয়মিত কিছুদিন খেলে বীর্যে স্বাস্থ্যকর শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়বে।
এর বাইরেও যৌনশক্তি বাড়াতে চাইলে আরও কিছু ঘরোয়া দাওয়াই রয়েছে। রাতে শুতে যাওয়ার আগে দু-তিন কোওয়া রসুন মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে উপকার পাবেন।
যে ১০টি কারণে শুক্রাণু কমতে পারে
১) শারীরিক ও মানসিক ধকল
২) অনিদ্রা
৩) কোলে ল্যাপটপ রেখে কাজ করলে বা শুক্রাশয় গরম কিছুর সংস্পর্শে এলে
৪) জিঙ্কের ঘাটতি বা টক্সিক বেড়ে গেলে
৫) ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান
৬) ওবেসিটি বা স্থূলতা
৭) ক্যানসার
৮) বংশগতভাবে
৯) হরমোন সংক্রান্ত সমস্যা
১০) কিছু মেডিসিন ও স্টেরডের কারণেও পুরুষদের শুক্রাণু কমে ইনফার্টিলিটি দেখা দিতে পারে।

12/12/2016
শামলাপুর সমুদ্র সৈকতে
abashannews24.com/post_details.php
অনলাইন ডেস্ক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১০-২৩ ১৩:১৭:২৬
প্রবল বাতাসে সমুদ্র উর্মিমালার ফেনা তোলা মাতামাতি। নির্জনতায় বিশুদ্ধভাবে প্রকৃতির গান শোনা আর শেষ বিকেলের সোনারোদের আলোর রঙে আঁকা জলছবি। এর সব কিছু মিলবে এখানে। টেকনাফের কাছে বাহারছড়া ইউনিয়নের পাশের শামলাপুর সমুদ্র সৈকত ঘুরে এসে সেই কথাই জানাচ্ছেন পরিব্রাজক ও চিত্রগ্রাহক ফারুখ আহমেদ।
মাছধরার নৌকা আর জেলেরা ছাড়া সেই ভাবে কোনো মানুষজন চোখে পড়বে না, ঝাউবনে পাওয়া যাবে সবুজ ছোঁয়া। এসব দেখতে চলুন ঘুরে আসি।
কেউ কেউ তাকে বাহার ছড়া সমুদ্র সৈকত নামেও ডেকে থাকে। এখানকার দৃষ্টি নন্দন ঝাউবনে ঘেরা অপরূপে শোভিত নির্জন সৈকতে এসে ভালো লাগার ১৬ আনাই পাবেন!
গরমকাল সেই কবে শেষ হয়েছে, শরতকালও প্রায় শেষ। এখন সময়গুলো মোটেও গরমের নয়। বেশ আরামদায়ক আবহাওয়া, ক্ষণে ক্ষণে রোদ ক্ষণে ক্ষণে বৃষ্টি। আকাশে রোদমেঘেদের খেলা। এমন বৃষ্টিভেজা মেঘলা আকাশের অপরূপ একদিন বের হলাম।
যাত্রা শুরু হল হোয়াইক্যং রোড থেকে, গন্তব্য শামলাপুর। হোয়াইক্যং রোড বা শামলাপুর নাম হয়ত অনেকেই শুনে থাকবেন। আবার কারও কারও মনে হবে জীবনে প্রথম শুনলাম এই নামগুলো।
সে যাই হোক, টেকনাফ থেকে হোয়াইক্যং রোড ধরে ২০ কিলোমিটার দূরত্বের শামলাপুর গেলে যে সৌন্দর্য উন্মোচিত হবে তা সারা জীবন মনে থাকবে।
টেকনাফ বহুবার গেছি। তবে টেকনাফ উদ্দেশ্য করে গেছি খুব কম সময়। এবারের ঘোরাফেরার মূল উদ্দেশ্যই ছিল টেকনাফের জালিয়ার দ্বীপ ও নাফনদীর উপর ডকুমেন্টারি করা।
খুব ভোরে বাস থেকে সাংবাদিক বোরহানুল হক সম্রাটসহ আমরা টেকনাফ লিঙ্ক রোডে নেমে সোজা চলে আসি জালিয়ার দ্বীপ। নাফনদীর তীরের ছোট্ট দ্বীপ জালিয়া অসাধারণ। আমরা জালিয়ার দ্বীপ ভ্রমণ বা এখানে আমাদের ডকুমেন্টারির কাজ শেষ করে দুপুরে চলে আসি হোয়াইক্যং রোডে স্থানীয় সাংবাদিক আবসার কবির আকাশের বাড়ি।
রাস্তার ঠিক পাশে আবসার কবিরের সে বাড়ি থেকে নাফনদী ও পাহাড় দর্শন আর তা আপ্যায়ন অনেকদিন মনে থাকবে।
আপ্যায়ন পর্ব শেষে দুপরের ভাত ঘুমের সময়টা আমরা আকাশের বাড়িতে কাটিয়ে ঠিক সাড়ে তিনটার সময় শামলাপুরের উদ্দেশ্যে ব্যাটারি চালিত অটো রিকশায় চেপে বসি। আগেই বলেছি শামলাপুর থেকে সমুদ্র সৈকত দেখা যায়। আজ আমরা সমুদ্রের উর্মিমালায় মন হারাবো।
হোয়াইক্যং রোড ধরে কিছুটা পথ এগিয়ে ধমধমিয়ার পথে চলা শুরু করি, পাহাড়ি পথ। দুপাশের পুরোটাই ঘনজঙ্গল। জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে এগিয়ে চলেছি আমরা। পথ চলতে চলতে চোখে পড়ে রাস্তা জুড়ে বাচ্চাদের খেলাধুলা আর কাঠ কুড়ানোর দৃশ্য।
জঙ্গলের রাস্তা দিয়ে হেঁটে চলা কিছু ট্রেকারদেরও দেখা পেয়ে যাই। পুরো পথটাই যেন সবুজে মোড়া। অনেক নাম না জানা ফুলের সঙ্গে নীল বনলতা চোখে পড়ে।
এভাবেই জাদিমুরা, লেদা, মুচনি, রঙ্গীখালি ও মৌলবী পাড়া পেছনে ফেলে লাতুরিখোলায় এসে যাত্রা বিরতি নেই।
লাতুরিখোলার আশপাশে পাহাড় ছাড়া আর কিছু নাই। এখানে জীবন অনেক ধীর। কোনো ব্যস্ততা নেই এখানকার মানুষের জীবন যাত্রার মধ্যে। বেশির ভাগই চাকমা নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। গ্রামবাসিদের উপার্জন কী? জানা যায়নি বা জানতে চাইনি।
যেহেতু এখানকার প্রকৃতি অসাধারণ সেহেতু ট্রেকারদের জন্য এমন প্রকৃতিতে চলাচল দারুণ বলা চলে। ভাবতে গিয়ে মনে হয় যদি স্থানীয়রা এখানে ভারতসহ বিভিণ্ন দেশের মতো হোমস্টের ব্যবস্থা করতো তাহলে বিষয়টা হত সোনায় সোহাগা।
ইতিমধ্যে আমাদের সঙ্গী শিক্ষক জুলকারনাইন এর ছাত্রদের আপ্যায়ন ডাব চলে এসছে। আমরা ডাবের পানি পান করে দ্রুত সামনে যাই আর ভাবি প্রকৃতির মতোই সুন্দর আর ছবির মতো এখানকার মানুষগুলো।
এভাবে কতক্ষণ চলেছি মনে নেই, দূর থেকে ঝাউগাছের সারি দেখে বুঝতে পারি সমুদ্র খুব কাছাকাছি। এরপরের সময়টুকু মেরিন ড্রাইভ রোডের।
তারপরই পা রাখি শামলাপুর সমুদ্র সৈকতে। গত ফেব্রুয়ারিতে শামলাপুর সৈকতে মাস ব্যাপি ঝাউবন কাটার খবর দেশের সবকটা জাতীয় দৈনিকের হেড লাইন হয়েছিল!
ঝাউগাছের সারি, বালুর নরম বিছানা, তার সামনে বিশ্রামরত মাছ ধরার ট্রলার। আরও সামনে অপরূপ বঙ্গপোসাগর।
এখানে নির্জনতাও একটা বড় ব্যাপার। কক্সবাজার হিমছড়ি বা ইনানীতে কত মানুষের ভীড়। আর হৈহুল্লোড়। এখানে তার কিছুই নেই।
বেলা পড়ে আসায় মাছ ধরার ট্রলারগুলো টেনে তীরে তোলা হচ্ছে। অনেকেই জাল দিয়ে মাছ ধরছে। একঝাঁক স্থানীয় শিশুর চিৎকার আর দৌড়ঝাঁপের মধ্যে চোখে পড়লো শুধুই সমুদ্র আর তার নীল জলরাশির শোঁ শোঁ গর্জন। আবেগ কোত্থেকে উথলে উঠলো বলতে পারবো না। সারা শরীরে কারেন্টের মতো শিহরন বয়ে গেলো।
পানি আমার খুব পছন্দ, তাই তো বারবার নদীর কাছে ছুটে যাই, ছুটে আসি সমুদ্রের কাছে। সমুদ্র বা নদী কেউ আমাকে নিরাশ করে না বা করেনি। তাইতো আজ এখানে বা সমুদ্র সৈকতে পা দিয়েই দারুণ রোমান্স অনুভব করি।
এরমধ্যে স্থানীয় স্কুলের শিক্ষক খোকন স্যার আমাকে নিয়ে চলেন লাল কাঁকড়া দেখাতে। আমাদের সঙ্গে যোগ দেন জুলকারনাইন। অন্যদিকে বোরহানুল হক সম্রাট দলবল নিয়ে সমুদ্র জলে অবগাহনে মেতেছেন। সব মিলে শামলাপুর এসে সমুদ্র সৈকতের রোমান্সের সঙ্গে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য যে চমৎকার মিশেল পাওয়া গেলো তা এক কথায় অসাধারণ।
এমন অসাধারণে বারবার আমি ডুবতে চাই, কারণ আমার কাছে মনে হয় সৈকত শুধুই জীবনের উৎসব।
দরকারি তথ্য: কক্সবাজার থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে সোজা ঘণ্টা দুয়েক গেলেই শামলাপুর বা বাহারছড়া সমুদ্র সৈকতের দেখা মিলবে। আমরা গিয়েছিলাম টেকনাফ থেকে। অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য আমাদের পথে যাওয়া, মানে হোয়াইক্যং রোড ধরে শামলাপুর পর্যন্ত পথটুকু দারুণ উপভোগ্য হবে নিঃসন্দেহে।
সে জন্য আপনাদের টেকনাফের বাসে চড়ে টেকনাফ সড়কের হোয়াইক্যং রোড নামতে হবে। তারপর ধমধমিয়া হয়ে চলে আসুন শামলাপুর সমুদ্র সৈকত। সিএনজি চালিত অটো রিক্সা বা ব্যাটারি চালিত অটো বাহনই হোয়াইক্যং রোড থেকে শামলাপুর পর্যন্ত একমাত্র ভরসা।
শামলাপুর থাকা খাওয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। কক্সবাজার বা ইনানি একমাত্র ভরসা। তবে চলতি পথে ছোটখাটো কিছু বাজার ও দোকানের দেখা পাবেন। সেখানেই সারতে পারবেন প্রযোজনীয় কাজ।
একটা বিষয় খেয়াল রাখবেন আপনার বা আপনার ভ্রমণ সঙ্গীদের কারণে পরিবেশ হুমকিতে পড়ে এমন কোনো কিছু অবশ্যই করা চলবে না। পলিথিন বা প্লাস্টিকের বোতলসহ পরিবেশ বিপন্ন হয় তেমন কিছু ফেলে আসবেন না সমুদ্র সৈকতে!
কেওক্রাডংয়ের চূড়া থেকে সূর্যোদয় দর্শন! (ভিডিও)
abashannews24.com/post_details.php
নিজস্ব প্রতিবেদক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১০-২৩ ১৩:১৭:২৬
কেওক্রাডং, রুমা ঘুরে: পাহাড় আর মেঘের রাজ্য কেওক্রাডংয়ের আকাশের পূর্ব দিগন্তে তখন লালিমার সাজ সাজ রব। এক মুহূর্তের মধ্যেই রবিরাজ ঘুম ভেঙে উঠবেন। মেঘ ছুঁয়ে আসা প্রবল বাতাসের ঝাপটায় শীত লাগলেও তার উদয় দেখতে কেওক্রাডংয়ের চূড়ায়ও তখন প্রকৃতিপ্রেমী অভিযাত্রীদের ভিড়।
https://www.youtube.com/watch?v=PIovo58tG4M
ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর ৫টা ৫২ মিনিট। পুব আকাশের মেঘ ফুঁড়ে উঁকি দিতে থাকলেন আলোর দেবতা। যেন সোনারঙ উঠতে থাকলো আকাশে।
সূর্যরাজা ধীরে ধীরে উদয় হতে থাকলেন। বান্দরবানের রুমা উপজেলার মেঘ-পাহাড়ের স্বপ্নের দেশ কেওক্রাডংয়ের আকাশ যেন তখন সোনারঙে রূপ নিচ্ছে।
খানিক আগেও মেঘ আর প্রথম হেমন্তের কুয়াশায় যে কেওক্রাডং আবছা-ধূসর দেখাচ্ছিল, ক্রমেই তা হয়ে উঠতে থাকলো উজ্জ্বল-উজ্জ্বলতর। সূর্যের আলো সোনারঙ ছড়াতে থাকলো দিকে দিকে। পাহাড়ের চূড়ায়, ভাঁজে ভাঁজে, গুল্ম-লতা-পাতার ফাঁকে, মেঘেদের মিছিলে।
চোখের সামনে মাত্র ২ মিনিটের কিছু বেশি সময় নিয়ে উদয় ঘটলো রবিরাজের। যেন কতো পরিকল্পিত, কতো সময়ানুবর্তী।
কিছুক্ষণ পর লাল সূর্যের আলোয় মেঘ-পাহাড়ের সবুজ কেওক্রাডংয়ে নয়নাভিরাম এক দৃশ্যের অবতারণা হলো। যেন সদ্যই লাল ক্যানভাসে ছবি এঁকে দিয়েছেন কোনো নিখুঁত চিত্রকর।
এই সূর্যোদয়, এই ছবির মতোন দৃশ্য উপভোগের জন্যই তো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দুর্গম যাত্রায় ৩১শ’ ৭২ ফুট উঁচু কেওক্রাডংয়ে আরোহণ, সেখানে অপেক্ষার রাত্রিযাপন!
ঘড়ির কাঁটায় তখন ভোর ৫টা ৫২ মিনিট। পুব আকাশের মেঘ ফুঁড়ে উঁকি দিতে থাকলেন আলোর দেবতা। যেন সোনারঙ উঠতে থাকলো আকাশে।
সূর্যরাজা ধীরে ধীরে উদয় হতে থাকলেন। বান্দরবানের রুমা উপজেলার মেঘ-পাহাড়ের স্বপ্নের দেশ কেওক্রাডংয়ের আকাশ যেন তখন সোনারঙে রূপ নিচ্ছে।
খানিক আগেও মেঘ আর প্রথম হেমন্তের কুয়াশায় যে কেওক্রাডং আবছা-ধূসর দেখাচ্ছিল, ক্রমেই তা হয়ে উঠতে থাকলো উজ্জ্বল-উজ্জ্বলতর। সূর্যের আলো সোনারঙ ছড়াতে থাকলো দিকে দিকে। পাহাড়ের চূড়ায়, ভাঁজে ভাঁজে, গুল্ম-লতা-পাতার ফাঁকে, মেঘেদের মিছিলে।
চোখের সামনে মাত্র ২ মিনিটের কিছু বেশি সময় নিয়ে উদয় ঘটলো রবিরাজের। যেন কতো পরিকল্পিত, কতো সময়ানুবর্তী।
কিছুক্ষণ পর লাল সূর্যের আলোয় মেঘ-পাহাড়ের সবুজ কেওক্রাডংয়ে নয়নাভিরাম এক দৃশ্যের অবতারণা হলো। যেন সদ্যই লাল ক্যানভাসে ছবি এঁকে দিয়েছেন কোনো নিখুঁত চিত্রকর।
এই সূর্যোদয়, এই ছবির মতোন দৃশ্য উপভোগের জন্যই তো সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দুর্গম যাত্রায় ৩১শ’ ৭২ ফুট উঁচু কেওক্রাডংয়ে আরোহণ, সেখানে অপেক্ষার রাত্রিযাপন!
বংশীনদীতে নৌকা ভ্রমণ
abashannews24.com/post_details.php
অনলাইন ডেস্ক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১০-২৩ ১৩:১৭:২৬
সাভারের বংশীনদীতে নৌকা ভাড়া করে এই সময় ঘুরে বেড়াতে বেশ লাগে। রাজধানীর কোলাহল ছাপিয়ে এই আনন্দ উপভোগ করা যায় যে কোনো দিন। আর সেই আনন্দভ্রমণ করে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা নিয়ে এবারের বেড়ানোর আয়োজন জানাচ্ছেন পরিব্রাজক ও চিত্রগ্রাহক ফারুখ আহমেদ।
ছোট বেলায় বাব-মায়ের সঙ্গে লঞ্চে চড়ে বুড়িগঙ্গা হয়ে কাঠপট্টি নানীবাড়ি চলে গেছি। আবার কখনও একা চলে গেছি বহুবার। সেই সময়কার বুড়িগঙ্গা হয়ে ধলেশ্বরী শীতলক্ষ্যার স্বপ্নতুল্য ভ্রমণ আমার মনে এমনভাবে গেঁথে গেছে যে নদী দেখলেই মনে হয় ভেসে চলি।
আর নদীও আমায় নিরাশ না করে ভাসিয়ে নিয়ে চলে!
বর্ষাকাল শেষ হয়ে এখন মধ্য শরত শুরু হলেও আকাশে মেঘেদের ঘনঘটা কমেনি। মেঘ-বৃষ্টির সঙ্গে পেঁজাতুলোর মেঘ ভাসা নীলাকাশ। বর্ষার মতোই শরতের সঙ্গে আমাদের নাড়ির টান।
আরেক টান আমাদের নদীর সঙ্গে। বর্ষায় নদী পূর্ণ যৌবনবতী। তার সে রূপ এখনও ঠিক ঠিক রয়েছে। এই সময় নৌকায় চড়ে নদীতে ঘুরে বেড়ানোর মজাই আলাদা।
এমন এক বৃষ্টিভেজা দিনে বের হলাম নদী ভ্রমনের জন্য।
মটরবাইক শাহাবাগ আর গাবতলির কাছে দুইবার দাঁড় করিয়ে এক ঘণ্টায় সাভার চলে আসি। আসলে বাসা থেকে বের হয়েই মাঝি নূরুল ইসলামের কথা মনে পড়ে যায়।
বংশীনদীতে তার বাসায় গুড়-মুড়ি আর বড়ই খাওয়ার মধুর স্মৃতি ভুলি কী করে! আমরা আজ সাভারের কাছে বংশী বা বংশাই নদীতে ঘুরে বেড়াবো!
বংশাই ইতিবৃত্ত: সাভার একটি প্রসিদ্ধ এলাকা। এখানকার মিষ্টির সুনাম সারা দেশে। সাভারের সাপের গ্রামের মতো এমন আরেকটি গ্রাম নেই দেশে।
সাভার বংশীনদের তীরে অবস্থিত। এই এলাকার মডেল থানার সামনের বংশীনদীর তীরে বিকালে বেশ লোক সমাগম ঘটে। বর্ষা আর শরতে আরও বেশি।
এখানে নৌকা ভ্রমণের মজাই অন্য রকম। বেদের বহর আর চমৎকার নৌকা অহরহ চোখে পড়বে। সুতরাং পানি থাকতে থাকতে আপনারাও একবার নৌকায় করে বংশীনদীতে বেড়িয়ে আসতে পারেন।
বংশীনদীতে: পোড়াবাড়ি থেকে সাভার মডেল থানা যাওয়ার পথটি মেঠোপথ। প্রাকৃতিক শোভা সে অর্থে এখানে মনকাড়ে না। তবে পাশের বংশীনদীর শোভা ভারি সুন্দর।
আমরা দশ মিনিটে মডেল থানার কাছে চলে আসি। এখানে নদীতে বেড়াতে আসা মানুষের ভীড় চোখে পড়ার মতো। নূরুল ইসলাম মাঝিকে খুঁজে পাওয়া গেল না, অন্য একজন মাঝির সঙ্গে নৌকা ভাড়া দরদাম করে সে নৌকায় চড়ে বসি।
নৌকা গতি পেতেই সামনে চেয়ে দেখি একটি বাঁশের ভেলা এগিয়ে আসছে। মুখ থেকে অস্ফুট সুর- বাহ! এভাবেই আমাদের নৌকা তরতর করে এগিয়ে চলে।
উচ্ছাসে ভরা বংশাইর সৌন্দর্য অবর্ণনীয়। এপথে আামি শীতের প্রচণ্ড রূপ দেখেছিলেম। এবার এসেছি বর্ষায়।
নদীর একপাশে অনেক গাছের খড়ি, এসব দিয়ে কাঠ করা হবে। পানকৌড়ির দল আর ছুটে চলা মাছরাঙা অতিমনোহর। চলতি পথে অনেক ভেসাল দৃশ্যত; হল। আর জাল নিয়ে ছুটে চলা একদল শিশু-কিশোর। বালুর নৌকা, জেলে নৌকা, মাছের ডিঙ্গি নাও, সাম্পান, কোসা নৌকা। আসলে কি রেখে কি বলি, সঙ্গে পিকনিকের নাও তো ছিল অনেক।
তবে স্পিকারে সেই নৌকা থেকে হিন্দি গান আর উদ্ভট নাচ ভালো লাগলো না, মনে হল পরিবেশটাই শেষ হয়ে গেল, আর এভাবেই আমাদের নৌকা এগিয়ে চলে।
এরইমধ্যে হঠাৎ আকাশ কালো হয়ে এল। তারপর ঝিরিঝিরি বৃষ্টিতে বাতাসের তীব্রতা। একটু পরই আকাশ থেকে মেঘ সরতে শুরু করলে আমরাও ফেরার পথ ধরলাম।
ফিরতি পথে চোখে পড়ল একঝাঁক বেদেনৌকা। বংশীপাড়ের বেদেপল্লি কিন্তু সারাদেশ খ্যাত!
বংশীনদীতে বেড়াতে চাইলে: গুলিস্তান বা গাবতলি থেকে সাভারগামী বাসে চড়ে বসুন। সাভার বাসস্ট্যান্ডে নেমে রিকসায় সাভার মডেল থানার কাছে চলে এলেই হবে।
এখান থেকে আপনার পছন্দের নৌকাটি বেছে নেন। বিপদে পড়বেন না। তবু নৌকায় চড়ার আগে ঘণ্টা চুক্তি করে ফেলুন। মনে রাখবেন বংশীনদীতে বেড়ানোর মজাই আলাদা।
প্রচলিত ধারণা: সন্ধ্যা সাতটার পরে খাবার খেলে ওজন বাড়ে।
সত্যতা: দিনে কখন খাবার খাওয়া হচ্ছে তা গুরুত্বপূর্ণ নয়, কি খাওয়া হচ্ছে এবং কতটুকু খাওয়া হচ্ছে তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে অধিক ক্যালরি চর্বি হিসেবে জমা থাকে।
করণীয়: ঘুমাতে যাওয়ার আগে হালকা কিছু খেতে চাইলে খেয়াল রাখতে হবে যেন তা ঘুমের সময়ের মাঝে অন্তত তিন ঘন্টা আগে হয়।
প্রচলিত ধারণা: শাকাহারি হলে দ্রুত ওজন কমে ও সুস্থ থাকা যায়।
সত্যতা: ক্রিটিক্যাল রিভিউ ইন ফুড সায়েন্সয়ের এক প্রতিবেদনে ও পুষ্টিবিদদের মতে, শাকাহারি হলে ওজন দ্রুত কমে ঠিকই তবে একই সময়ে সকল পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায় না।
করণীয়: ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি কম চর্বিযুক্ত শাকাহার খাদ্যতালিকা মেনে চলুন যা শরীরের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান সরবারহ করতে সাহায্য করে।
পদ্মাপাড়ের মৈনট ঘাট
abashannews24.com/post_details.php
অনলাইন ডেস্ক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১০-২৪ ০২:৩৫:০২
ঢাকার কাছেই পদ্মা নদীতে ঘুরে বেড়ানোর মজার একটি জায়গা মৈনট ঘাট। দোহারের পদ্মার পাড়ের এই এলাকা এরই মধ্যে বেড়ানোর জায়গা হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
ঢাকার নবাবগঞ্জ থেকে আসা একটি রাস্তা সোজা গিয়ে ইতি টেনেছে দোহারের মৈনট ঘাটে। এখানে এসে সড়কটির দুই পাশের চর দেখে অনেকেরই ভুল মনে হতে পারে। এটি কী নদীর চর, নাকি সমুদ্রের কোনো বেলাভূমি!
মৈনট ঘাট ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার একটি জায়গা। এপাড়ে দোহার আর ওপাড়ে ফরিদপুর। মৈনট ঘাট থেকে ফরিদপুরের গোপালপুরের স্পিড বোটে পারাপার হন মানুষ।
নানান কারণে মৈনট ঘাট এখন ঢাকার মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এর প্রধান কারণ ঘাটের আশপাশে বিশেষ করে পূর্ব পাশে বিশাল চর আর সামনে বিস্তীর্ণ পদ্মা। এখান থেকে পদ্মা নদীতে নৌকায় ঘুরেও বেড়ানো যায় পাড় ধরে।
তাছাড়া এ মৌসুমে প্রচুর রংবেরংয়ের পালের নৌকাও দেখা যায় মৈনট ঘাটে।
মৈনট ঘাট থেকে পদ্মায় ঘুরে বেড়ানোর জন্য আছে স্পিড বোট। আট জনের চড়ার উপযোগী একটি বোটের ভাড়া ত্রিশ মিটিটের জন্য দুই থেকে আড়াই হাজার টাকা। এছাড়া ছোট বড় নানান আকারের ইঞ্জিন নৌকাও আছে। আড়াইশ থেকে ৮শ’ টাকা ঘণ্টায় এসব ইঞ্জিন নৌকায় চার থেকে ২০/২৫ জন একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানো যায়।
মৈনটঘাটে পদ্মা নদীতে পাল তোলা নৌকা।
মৈনটঘাটে পদ্মা নদীতে পাল তোলা নৌকা।
তবে পদ্মার সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে দুতিন ঘণ্টার জন্য ইঞ্জিন নৌকা নিয়ে মৈনট ঘাটের কোলাহল ছেড়ে একটু দূর থেকে ঘুরে আসাই ভালো।
মৈনট ঘাটে বেড়াতে গিয়ে পদ্মার মাছও কেনার সুযোগ আছে। নৌকা নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ দেখা হওয়া জেলে নৌকা থেকে মাছও কিনতে পারেন। তবে পদ্মার সেই টাটকা মাছের স্বাদ নিতে হলে দাম বেশ কিছুটা বেশিই গুনতে হবে।
মৈনট ঘাট ও পদ্মার সৌন্দর্য উপভোগের জন্য দিনের দ্বিতীয়ভাগই ভালো। সেখানে সূর্যাস্ত না দেখে ফেরা উচিৎ হবে না।
তবে সারা দিনের একটি ভ্রমণ সূচী করে দিনের প্রথম অংশে বেড়াতে পারেন ঢাকার নবাবগঞ্জের প্রাচীন স্থাপনা ও স্থানগুলোতে।
সকালে ঢাকা থেকে বেড়িয়ে প্রথমে দেখে নিন নবাবগঞ্জের কলাকোপার ঐতিহাসিক গান্ধী মাঠ, প্রাচীন প্রাসাদ, এন হাউজ, জগবন্ধু সাহা হাউজ এবং খেলারাম দাতার বাড়ি। এছাড়া নবাবগঞ্জের দৃষ্টিনন্দন জজ বাড়ি ও উকিলবাড়ি দেখতেও ভুল করবেন না। ঢুঁ মারতে পারেন বান্দুরার জপমালা রাণীর গির্জায়ও।
দোহারের মৈনট ঘাটে পর্যটকদের ভিড়।
কীভাবে যাবেন: গুলিস্তানের গোলাপশাহ মাজার থেকে দোহারের মৈনট ঘাটে সরাসরি বাস সার্ভিস আছে যমুনা পরিবহনের। ভাড়া ৯০ টাকা জনপ্রতি, সময় লাগে দুই থেকে আড়াই ঘণ্ট।
মৈনটঘাট থেকে ঢাকায় ফেরার সর্বশেষ ট্রিপ সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়। তবে নবাবগঞ্জের সব জায়গা ও মৈনট ঘাটে ঘুরে বেড়ানোর জন্য নিজস্ব গাড়ি কিংবা কয়েকজন মিলে ভাড়া করা গাড়ি নিয়ে যাওয়া ভালো।
প্রয়োজনীয় তথ্য: মৈনট ঘাটে দুটি মাত্র রেস্তোরাঁ আছে। এগুলোতে মাঝেমধ্যে পদ্মার ইলিশ পাওয়া গেলেও ছুটির দিনগুলোতে মৈটন ঘাটের পর্যটকের ভিড় লেগে যায় বলে তা ভাগে পাওয়া দুষ্কর। তবে মৈনট ঘাটের কাছে কার্তিকপুর বাজারে তুলনামূলক ভালো খাবারের ব্যবস্থা আছে। এছাড়া মৈনট ঘাট থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে জয়পাড়া বাজারেও খাবারের ভালো ব্যবস্থা আছে।
কার্তিকপুর বাজারের রণজিৎ ও নিরঞ্জন মিষ্টান্ন ভাণ্ডারের মিষ্টির সুনাম আছে।
মনে রাখবেন: এ সময়ে পদ্মায় হঠাৎ হঠাৎই ঢেউ বেড়ে যায়। খুব ছোট নৌকা নিয়ে তাই পদ্মার ভেতরে বেড়াতে যাবেন না। সাঁতার না জানলে লাইফ জ্যাকেট ছাড়া
নবাবগঞ্জের জজ বাড়ি।
নবাবগঞ্জের জজ বাড়ি।
নৌকা ভ্রমণে যাবেন না। স্পিড বোটে কোনো ভাবেই লাইফ জ্যাকেট ছাড়া ভ্রমণ করবেন না। নৌকা ভ্রমণে গিয়ে হৈচৈ না করে প্রকৃতিকে উপভোগ করুন।
সুন্দর এ জায়গায় এরইমধ্যে আমরা পর্যটকরা নষ্ট করতে শুরু করেছি। প্রকৃতির কোমল এ জায়গাটিতে বেড়াতে গিয়ে তাই কোনো ভাবেই প্লাস্টিকের বোতল, চিপস-বিস্কুটের প্যাকেটসহ অন্য কোনো বর্জ্য ফেলে আসবেন না।
জায়গাটিতে এখনও ময়লা ফেলার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নেই। তাই নিজেদের বর্জ্যগুলো নিজ দায়িত্বে সঙ্গে এনে নিরাপদ কোথাও ফেলুন।
স্বচ্ছ জল আর সাদা পাথরের গল্প
abashannews24.com/post_details.php
অনলাইন ডেস্ক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১০-২৫ ০৫:২৯:০৩
অসাধারণ প্রাকৃতিক শোভা ভোলাগঞ্জের। সঙ্গে বাড়তি পাওনা ধলাই নদের সৌন্দর্য। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড় থেকে উৎপত্তি হয়ে সিলেটের মৌলভিবাজার জেলার কমলগঞ্জ দিয়ে আমাদের দেশে প্রবেশ করেছে। সিলেটের ভোলাগঞ্জের কাছে এসে আবার সে ভারতের মেঘালয় পর্বতমালার কোলঘেঁষে বয়ে গেছে। এই অক্টোবর মাস পর্যন্ত ভোলাগঞ্জ বেড়াতে যাওয়ার সেরা সময়। এখানে ধলাই নদের অসাধারণ রূপ, সারি সারি পাথর তোলার দৃশ্য, সবুজ পাহাড়ে বন্দী সাদা পাথর আর পাহাড় থেকে পাথরছুঁয়ে গড়িয়ে পড়া স্ফটিক-স্বচ্ছ জল যে দেখবে সে-ই মুগ্ধ হবে। সেই সাদা পাথরের স্বচ্ছ জলে গোসল করে কাটিয়ে দিন দারুণ একটি দিন।
বৃষ্টি মাথায় নিয়েই আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল সিলেটের বাদাঘাট থেকে। চলা শুরুর একটু পরই বিশাল সুরমা নদী সরু হয়ে গেল। এরপর সুরমার শাখা নদী দিয়ে চলা শুরু করলাম। স্বচ্ছ দেখে এক আঁজলা জল মুখে মাখলাম, পা ঝুলিয়ে দিলাম নদীর জলে। এভাবেই একসময় আমাদের বজরাটি গিয়ে পড়ল বিশাল এক বিলে। বিলের দুপাশ অসাধারণ সবুজ। বিল থেকে আমরা ছোট্ট এক খালে এসে পড়ি। স্থানীয় লোকজন যাকে চেনেন কাটা গাঙ হিসেবে। একসময় ছোট্ট নালার মতো ছিল, মাঝখানে দিয়ে রাস্তা। নালা বড় করে পানির ব্যবস্থা করতেই খালটি কাটা হয়। সেই থেকে এর নাম কাটা খাল, কেউ কেউ বলেন কাটা গাঙ। কাটা গাঙের পাশের গ্রাম উমরগাঁওয়ে প্রথম যাত্রাবিরতি। চা পান করে আবার আমাদের যাত্রা শুরু, এখনো অনেকটা পথ যেতে হবে।
ট্রলারের গতি বেড়ে যায়। আমরা বাঁ দিকে পাহাড় আর ডান দিকে সবুজ গ্রাম দেখে দেখে ভোলাগঞ্জর দিকে চলতে থাকি। আবার যাত্রাবিরতি, কোম্পানীগঞ্জ বাজারে। বাজার ঘুরে দেখি। চলে আসি বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের চত্বরে। ২০০২ সালে স্থাপিত এই স্কুলটির শহীদ মিনারটি দেখার মতো। আবার চলা। কোম্পানীগঞ্জ যতই পেছনে পড়ছিল, ততই চোখের সামনে স্পষ্ট হচ্ছিল ভোলাগঞ্জ। ভোলাগঞ্জ রোপওয়ে আর মেঘালয় রাজ্য। এটি দেশের সবচেয়ে বড় পাথর কোয়ারি এলাকা। ভোলাগঞ্জ থেকে ছাতক পর্যন্ত ১১ কিলোমিটার দূরত্বের রোপওয়ে বা রজ্জুপথ। যদিও ১২ বছর ধরে রোপওয়েটি অব্যবহৃত। আমাদের সামনে এখন খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়। এই পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে কিছুটা ছন্দপতন ঘটায় পাথর ভাঙার যন্ত্রের বিকট আওয়াজ। যন্ত্রের গর্জন-তর্জনে ধলাই নদ পেরিয়ে এরই মধ্যে আমরা চলে আসি ভোলাগঞ্জ বাজার। এখানে ট্রলার পরিবর্তন। এরপরের গন্তব্য সাদা পাথর এলাকা।
শান্ত পাহাড়, সঙ্গে মিশেছে আকাশের নীল। আকাশে ছোপ ছোপ শুভ্র মেঘ। আমরা জিরো পয়েন্টে দৃষ্টি ফেলি। চারদিকে পাথর আর পাথর—সব পাথর সাদা রঙা। পাথর তোলার প্রচুর নৌকা চোখে পড়ল, তবে এখানে দর্শনার্থী নেই। সাদা পাথরের অসাধারণ এক এলাকায় আমরা পা রাখি। সামনে সবুজ পাহাড়; পাশেই পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়া প্রচণ্ড স্রোতের স্বচ্ছ শীতল জল আর সে জল থেকে গড়িয়ে নামা সাদা পাথর—কী অপরূপ দৃশ্য, তা বলে বোঝানোর নয়! আমরা পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়া শীতল জলে ঝাঁপিয়ে পড়ি, আহা কী ঠান্ডা! একসঙ্গে এত এত সাদা পাথর জীবনে কখনো দেখিনি, ভাবতে ভাবতে আর সাদা পাথর দেখে দেখে, সেই সঙ্গে পাথর জলে গোসল করে সময় এগিয়ে যায়। এভাবে কখন যে পাহাড়ি রোদ তার কোলে আশ্রয় নিয়েছে টেরই পাইনি। অন্ধকার জেঁকে বসার আগেই তাই সেই অসম্ভব সুন্দরকে বিদায় জানাই!
কীভাবে যাবেন?
অক্টোবর মাস পর্যন্ত ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর এলাকায় যাওয়ার মোক্ষম সময়। সিলেট শহর থেকে ভোলাগঞ্জের দূরত্ব ৩৩ কিলোমিটারের মতো। এই পথে কোনো বাস চলাচল নেই, কোনো লেগুনা চলে না। যাতায়াতের একমাত্র বাহন সিএনজিচালিত অটোরিকশা, জনপ্রতি ভাড়া ২৫০ টাকা। রাস্তাটা বেশ খারাপ। তাই নদীপথ বেছে নেওয়াই ভালো। জনপ্রতি খরচ হবে ২০০ টাকা করে। ভোলাগঞ্জ থেকে সিলেট বাদাঘাটের শেষ ট্রলার ছেড়ে আসে বিকেল চারটায়। সে ক্ষেত্রে সময়ের ব্যাপারটা মাথায় রাখতে হবে। নদীপথে যাতায়াতে একটু বাড়তি সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে। সম্ভব হলে সঙ্গে লাইফ জ্যাকেট রাখবেন। শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ সঙ্গে রাখবেন।
অজগরের মাংস থেকে বগালেক!
abashannews24.com/post_details.php
অনলাইন ডেস্ক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১০-২৬ ০৭:৫৩:০৪
সে অনেক আগের কথা। এই পাহাড়ে ৬০টি পরিবার বসবাস করতো। তারা একদিন বড় আকারের একটি অজগর সাপ পেলো। সবাই সিদ্ধান্ত নিলো, সাপটি কেটে সব পরিবার ভাগ করে মাংস খাবে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অজগরটি কেটে সবাই মাংস ভাগ করে নিলো। এক বিধবার ভাগে পড়লো মাথাটি।
বিধবা বললেন, আমাকে যেটি রান্না করে দেবে তাতে মরিচ বেশি দেবে না। বেশি দিলে চোখ জ্বলবে। সাপের মাথাটি রাখা হলো একটি মুরগির ঘরে। তখন মাথাটি কথা বলে উঠলো! একটি সময়ও বলে দিলো। বললো সবাই এখান থেকে চলে যাও। এই পাড়া ডুবে যাবে। যারা মাংস খেয়েছো সবাই ডুবে মরবে। কিন্তু সবাই গেলো না। ডুবে গেলো পাড়া। শুধু ডুবলো না সেই বিধবা নারীর ঘর। যিনি শেষ পর্যন্ত মাংস খাননি। যে বাড়িটির চিহ্ন এখনও রয়ে গেছে লেকের পাড়ে।
দেখে আসুন নাফাখুম
abashannews24.com/post_details.php
অনলাইন ডেস্ক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১০-২৮ ০৫:২৩:১৮
দূরন্ত গতিতে ঝেঁপে পড়ছে অজস্র গ্যালন পানি। তারপর গড়িয়ে চলে যাচ্ছে। অবিরাম গতিতে ছুটে চলা এই ঝরনা দেখতে চাইলে থাকতে হবে দৃঢ় মনোবল। আর থাকতে হবে পাহাড়ি পথ অতিক্রম করার সাহস। সেই দুর্গম পথ জয় করে নাফাখুম ঝরনা উপভোগ করার কথা জানানো হচ্ছে।
যে ঝিরি পথ পায়ে হেটে পার হওয়া যায় শুনেছি, সেই ঝিরি পথ নদী হয়ে ওঠায় আশ্চর্য হলাম খুব। পায়ে হেঁটে নয় আমরা ট্রলারে সেই ঝিরিপথ ধরে এগিয়ে চললাম। মজাই লাগছিল, জীবনে প্রথম আমার এমন অভিজ্ঞতা। পাহাড়েই এসেছি এই প্রথম। আমাকে গাইড করবে বলে যার আগমন আহারে বেচারা! আমারই তাকে গাইড করতে হচ্ছিল। ফেরার পথে তার সেকি এক চিৎপটাং অবস্থা। তবে ভয় যে পাইনি বলা যাবে না।
শীতলতা জড়ায় বিছনাকান্দি
abashannews24.com/post_details.php
অনলাইন ডেস্ক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১০-৩১ ০৬:৪৯:৩০
স্বচ্ছ জলে ছড়িয়ে আছে সফেদ রূপের বাহার। পাথর-কণায় লুকিয়ে থাকা জলতলের সৌন্দর্য মেলে ধরেছে প্রকৃতি। পাথর ছুঁয়ে ধেয়ে নামছে মেঘালয়-চেরাপুঞ্জি পাহাড়ের স্বচ্ছ জল। সেই জলে বাসা বেঁধেছে পাথর। সঙ্গে নুড়িকণা। আশ্চর্য করা এই সৌন্দর্য সিলেটের গোয়াইঘাট সীমান্তে অবস্থিত বিছনাকান্দিতে।
পাহাড়ের খাঁজের নিচে বিছনাকান্দি গ্রাম। গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে পাথর। পাথুরে বালুর ওপর দিয়ে গড়িয়ে বাংলাদেশের খাল বিলে প্রবাহিত হচ্ছে সেই জল। এই জলের উৎসমুখ বিছনাকান্দি। ছোট-বড় বিশালাকায় পাথরের সাথে পানির স্রোতের তোড়ে যে কারও মন ভেসে যেতে পারে। ব্যক্তি নিজেও ভেসে যেতে পারে সাদা পানির আঁচড়ে। স্বচ্ছতা দেখে স্নান না করে ফিরতে পারেন না কেউ।
পাথরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ায় এ পানিতে কাদা নেই মোটেও। বালুকণা আর পাথুরে ভরা শীতল জল। ডুব দিলেই রূপ মেলে ধরে। সাগরতলের মণিমুক্তার মতো এক জগত সামনে এসে দাঁড়ায়। বার বার তাই ডুব দিয়ে দেখতে হয় রূপ জল। এখনও ততটা পর্যটকের ভিড় নেই রূপের ডালি বিছনাকান্দিতে। অনেকের অজানা এই রূপময় বিছনাকান্দি যাওয়ার পথটাও একটু কঠিন। তাই এতদিন ধরে আড়ালেই থেকে গেছে তার রূপের জাদু। ভ্রমণপিপাসু কেউ কেউ খুঁজে বের করে দিন কাটিয়ে আসছেন সেই পাথুরে রূপের জগত বিছনাকান্দিতে।
পাহাড়-পাথর আর নদীর মিতালীতে বিছনাকান্দি ভরা যৌবন রূপ বর্ষায়। তবে সারা বছরই পাথর ছুঁয়ে পাহাড়ি ঢল নামতে থাকে বিছনাকান্দিতে। সেই জলের শুভ্রতা শান্ত করে দেয় ভ্রমনপিপাসু মন। যান্ত্রিকতাকে দূরে ঠেলে দিতে পারে-এমন স্থানই বিছনাকান্দি।
সিলেট থেকে বিমানবন্দর সড়ক ধরে তারপর সালুটিকর মোড় ঘুড়ে সব মিলিয়ে দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিলেই বিছানকান্দি চলে যাওয়া য়ায়। তার আগে পথে পথে গ্রামীণ সৌন্দর্য। বিলে-ঝিলে ধরা পড়ছে মাছ। সালুটিকর থেকে সরু সড়কপথে প্রায় বিশ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে হাদারপাড়া বাজারে থেমে যায় গাড়ি। বাকিপথ হেঁটে অথবা নৌকায় যেতে হয়। এই পথ মাত্র দুই কিলোমিটার। এর পরেই পাথুরে পথ মারিয়ে যেতে হয় বিছনাকান্দি। তার আগেই শত শত ক্যামেরার ক্লিক ক্লিক শব্দে উঠে আসবে রূপ বাংলার ছবি। দূর পাহাড়ের ভাঁজ দেখে শুরু হবে পথচলা। সেই ভাঁজ পেছনে রেখে ছবি তুলে নিয়ে ছুটতে ছুটতে জলে ঝাঁপ দেওয়ার লোভ সামলানো দায়।
বেহুলা-লক্ষ্মিন্দরের বাসর ঘর
abashannews24.com/post_details.php
অনলাইন ডেস্ক, আবাসন নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
নিউজ আপলোডের সময় : ২০১৬-১১-০৩ ১২:৩৬:২৪
শিবের ঔরসে সর্পদেবী মনসার জন্ম। জন্মের পর সে পালক মাতা বাসুকীর কাছে লালিত-পালিত হয়। বাসুকী তার কাছে গচ্ছিত শিবের ১৪ তোলা বিষ মনসাকে দিয়ে দেয়। এদিকে মনসার সৎ মা পার্বতী তাকে মেনে নিতে পারল না। তাই যুবতী মনসার এক চোখ পার্বতী অন্ধ করে দিল। সেই ক্ষোভে মনসা পার্বতীকে দংশন করে। দংশন করার অপরাধে তাকে দীর্ঘদিনের বনবাস দেওয়া হয়। এরইমধ্যে ব্রহ্ম বীর্য ধারণ করে মনসা নাগ সন্তান জন্ম দেয় এবং সর্পদেবী আকারে হাজির হয়।
বনবাস থেকে ফিরে সে পিতার কাছে নিজের পূজা প্রচলনের দাবি করে। শিব বলেন, ‘যদি আমার একনিষ্ঠ ভক্ত ও পূজারী চাঁদ সওদাগর তোমার পূজা দিতে রাজি হয় তবে দুনিয়ায় তোমার নামে পূজার প্রচলণ হবে।’ কিন্তু শিব ভক্ত চাঁদ সওদাগর এক তুচ্ছ নারীকে পূজা দিতে রাজি তো হয়-ই না, উল্টো লাঠি নিয়ে মনসাকে তাড়া করে। যে কারণে মনসা চাঁদের চম্পক নগরে সাপের উপদ্রব বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে সর্পদংশনে একে একে চাঁদের ছয় সন্তানের মৃত্যু হয়।
বেহুলার বাসর ঘর নিয়ে এরকম সুন্দর একটি গল্প প্রচলিত আছে। এটি বগুড়া সদর থানাধীন গোকুল গ্রামে খননকৃত একটি প্রত্নস্থল যা গোকুল মেধ নামে পরিচিত। গোকুল গ্রামটি মহাস্থানগড় থেকে দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। প্রত্নস্থলটি এদেশের জনপ্রিয় লোকগাঁথার নায়ক-নায়িকা বেহুলা-লক্ষ্মিন্দরের বাসর ঘর বলে জনসাধারণের কাছে পরিচিত। এ স্থানটিকে লক্ষ্মিন্দরের মেধও বলা হয়ে থাকে। ১৯৩৪-৩৬ সালে এন.জি মজুমদার কর্তৃক উৎখননের ফলে এখানে একটি বিশাল মন্দিরের বা স্তূপের ভিত্তি উন্মোচিত হয়েছে। এ ভিত্তিটি স্তরে স্তরে উঁচু করে কুঠুরি নির্মাণ রীতিতে নির্মিত।
বেহুলার বাসরঘরে ১৭২টি কুঠুরি বিভিন্ন তলে মাটি দিয়ে ভরাট করে নিচ থেকে উপরের দিকে ক্রমহ্রাসমান করে এমন ভাবে সাজানো হয়েছিল যাতে এগুলি কোনো সুউচ্চ মন্দির বা স্তূপের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহূত হতে পারে। এ রূপ স্তরে স্ত্তরে উঁচু করা বহুতল বিশিষ্ট সমান্তরাল ঠেস দেওয়ালযুক্ত ভিতের উপর প্রকৃত স্থাপত্য নির্মাণ রীতি প্রাচীন বাংলাদেশের একটি তাৎপর্যপূর্ণ স্থাপত্য বৈশিষ্ট্য। এ মন্দিরের সঙ্গে পরবর্তী গুপ্তযুগের (ছয়-সাত শতক) কতগুলি পোড়ামাটির ফলক পাওয়া গেছে। সেন যুগে (১১শ- ১২শ শতক) এখানে বারান্দাযুক্ত একটি বর্গাকৃতির মন্দির নির্মিত হয়েছিল। এ মন্দিরে বহু গর্তযুক্ত একটি ছোট প্রস্তর খন্ডের সঙ্গে ষাঁড়ের প্রতিকৃতি উৎকীর্ণ একটি সোনার পাত পাওয়া গেছে। এ থেকে ধারণা করা হয় যে, এটি একটি শীব মন্দির ছিলো।
বেহুলার বাসরঘর একটি অকল্পনীয় মনুমেন্ট। বর্তমান গবেষকদের মতে, এ মনুমেন্ট ৮০৯ থেকে ৮৪৭ খ্রিস্টাব্দে দেবপাল নির্মিত একটি বৈদ্যমঠ। এ স্তূপটিই বাসরঘর নয়। এ স্তূপটির পশ্চিমার্ধে আছে বাসরঘরের প্রবাদ স্মৃতিচিহ্ন। পূর্বার্ধে রয়েছে ২৪ কোণ বিশিষ্ট চৌবাচ্চা সদৃশ একটি বাথরুম। ওই বাথরুমের মধ্যে ছিল ৮ ফুট গভীর একটি কূপ। কথিত আছে কূপটিতে বেহুলা লক্ষিনদর মধুনিশি যাপনের পর কূপে রক্ষিত জলে স্নান করে তাতে শুদ্ধতা লাভ করতে সক্ষম হতেন। বগুড়ার মহাস্থানগড় দেখে ফিরবার পথে আপনি বেহুলার বাসরঘর দেখে ফিরতে পারবেন।
কিভাবে যাবেনঃ
ঢাকা থেকে খুব সহজেই সড়ক পথে বগুড়া যাওয়া যায়। বগুড়া শহর থেকে সিএনজি, টেম্পো, রিকশা করে বেহুলার বাসরঘর যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে যে সব বাস বগুড়া যায় তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যঃ
১। টি আর ট্রাভেলসঃ সকাল ৭টা থেকে শুরু করে রাত ১১:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ গাবতলি-০১১৯১-৪৯৪৮৬৫, মহাখালি-০১১৯১-৪৯৪৮৬৬
২। শ্যামলী পরিবহনঃ সকাল ৬টা থেকে শুরু করে রাত ১:০০ টা পর্যন্ত প্রতি ১ ঘণ্টা পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ আসাদ গেইট-০২-৯১২৩৪৭১, কলাবাগান-০১৭১১১৩০৮৬২, সায়েদাবাদ-০১৭১২৫৯৬৯৪০
৩। এস আর ট্রাভেলসঃ সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে শুরু করে রাত ১১:৩০ মিনিট পর্যন্ত প্রতি ৩০ মিনিট পরপর এটি বগুড়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ফোনঃ গাবতলি-০২-৮০১১২২৬, উত্তরা-০১৫৫২৩১৫৩১৮
৪। হানিফ এন্টারপ্রাইজঃ ঢাকা বাস স্ট্যান্ড, ফোনঃ ০৫১-৬০৯৪০, ৬০৮০৩, ০১৯১১-৫৬০৮৮২
কোথায় থাকবেনঃ
বগুড়ায় থাকার জন্য রয়েছে বেশ কিছু হোটেল ও মোটেল। এগুলোর মধ্যে হোটেল নাজ গার্ডেন, পর্যটন মোটেল, সেফওয়ে মোটেল, নর্থওয়ে মোটেল, সেঞ্চুরি মোটেল, মোটেল ক্যাসল এমএইচ, হোটেল আকবরিয়া উল্লেখযোগ্য। আপনি এখানে চা
Address
Dhaka
1000
Telephone
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Ovation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.