Chilekothar Kabbo

  • Home
  • Chilekothar Kabbo

Chilekothar Kabbo প্রকৃতি, জীব ও জীবনের কথা....
তোমার-আমার, আমাদের গৃহ গল্প....
এই নিয়েই চিলেকোঠার কাব্য ! Welcome to Chilekothar Kabbo...

( prokkrity, jib o jiboner kotha...
tomar-amar, amader griho golpo...
ey niye chilekothar Kabbo ! )

সঞ্চয় করতে চান? জাপানি কাকেবো পদ্ধতি মেনে চলুন💰আমরা প্রায়ই মাসের শুরুতে প্রতিজ্ঞা করি - “এই মাস থেকে টাকা জমাবো!” কিন্তু...
05/11/2025

সঞ্চয় করতে চান? জাপানি কাকেবো পদ্ধতি মেনে চলুন💰

আমরা প্রায়ই মাসের শুরুতে প্রতিজ্ঞা করি - “এই মাস থেকে টাকা জমাবো!” কিন্তু মাসের শেষে দেখি, বেতন প্রায় শেষ। বড় কোনো বিলাসিতা নয়, বরং ছোট ছোট খরচ—হুটহাট বাইরে খাওয়া, নতুন পোশাক, কিংবা সন্তানের খেলনা - এসবই শেষ করে দেয় সঞ্চয়ের সুযোগটুকু।

এর সমাধান আছে শত বছরের পুরোনো এক জাপানি পদ্ধতিতে, নাম “কাকেবো (Kakeibo)” - যার অর্থ “পরিবারের হিসাবের খাতা”।

🎯 কাকেবো কী?

১৯০৪ সালে জাপানি সাংবাদিক হানি মোতোকো এই ধারণাটি চালু করেন। এর উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি খরচের হিসাব রেখে টাকার ওপর নিয়ন্ত্রণ গড়ে তোলা।
খরচ লিখে রাখলে বুঝতে পারবেন কোথায় অর্থ যাচ্ছে, এবং কোথায় কমানো সম্ভব।

কাকেবো শেখায় -“সঞ্চয় খরচের পরের বিষয় নয়, বরং খরচের অংশ।”

অর্থাৎ আগে সঞ্চয় করুন, পরে খরচ করুন।
যেমন, আপনার আয় যদি ২০,০০০ টাকা হয়, আপনি যদি ২,০০০ টাকা সঞ্চয়ের লক্ষ্য রাখেন, তাহলে বেতন হাতে পেয়েই ২,০০০ টাকা আলাদা করে রাখুন। এখন আপনার মাসিক বাজেট ১৮,০০০ টাকা - এভাবেই খরচের পরিকল্পনা করুন।

🎯 কাকেবো পদ্ধতি মেনে চলার ৫ ধাপ

১️) মাসিক আয় ও আবশ্যিক ব্যয় লিখে ফেলুন:
বাড়িভাড়া, বাজার, বিল, স্কুল ফি—এসব নির্দিষ্ট ব্যয়ের তালিকা তৈরি করুন। এতে মাসের আর্থিক ছবি পরিষ্কার হবে।

২️) সঞ্চয়কে ধরুন ‘আবশ্যিক ব্যয়’ হিসেব:
খরচের আগে সঞ্চয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং শুরুতেই টাকা আলাদা রাখুন।

৩️) প্রতিদিনের খরচ লিখে রাখুন:
খরচের হিসাব মোবাইলে নয়, হাতে লিখুন।
উদাহরণ: ২ আগস্ট – কফি: ২০০ টাকা, বিদ্যুৎ বিল: ৮০০ টাকা, বাজার: ১৫০০ টাকা।
এভাবে লিখে রাখলে টাকার প্রতি সচেতনতা বাড়বে - এটাই কাকেবোর মূল জা°দু। [ জানা-অজানা 360 ]

৪️) খরচকে চার ভাগে ভাগ করুন:

🏠 আবশ্যিক: খাবার, ভাড়া, বিল, পরিবহন ইত্যাদি

🎁 ইচ্ছাধীন: রেস্তোরাঁ, শখের কেনাকা*টা, ভ্রমণ

📚 সাংস্কৃতিক: বই, সিনেমা, কোর্স ইত্যাদি

🚑 অতিরিক্ত বা জরুরি: চিকিৎসা, উপহার, উৎসবের খরচ

৫️) মাস শেষে হিসাব পর্যালোচনা করুন:
মাস শেষে দেখুন - লক্ষ্য অনুযায়ী সঞ্চয় হয়েছে কি না, কোথায় অতিরিক্ত খরচ হয়েছে, পরের মাসে কীভাবে উন্নতি করা যায়।
উদাহরণ: আয় ২০,০০০ টাকা, সঞ্চয় ২,০০০ টাকা, খরচ ২০,২০০ টাকা ➤ ঘাটতি ২,২০০ টাকা।
এবার বোঝা গেল, পরের মাসে কোথায় কা*টছাঁট দরকার।

🌱 সচেতনতা থেকেই সঞ্চয় শুরু

কাকেবো শেখায় - সঞ্চয় কোনো জাদু নয়, বরং টাকার প্রতি মনস্তাত্ত্বিক নিয়ন্ত্রণ।
ছোটখাটো অপ্রয়োজনীয় খরচ (চা, কফি, সাবস্ক্রিপশন) বাদ দিলেই বড় সঞ্চয় সম্ভব।

🎯 এছাড়া আপনি চাইলে ব্যবহার করতে পারেন:

পারেতো নীতি (Pareto Principle): আপনার খরচের ৮০% কোথা থেকে আসছে, তা চিহ্নিত করুন, এবং সেই অংশে সামান্য কা*টছাঁট করুন।

‘মুদা’ ধারণা (Muda): অপ্রয়োজনীয় ব্যয় চিহ্নিত করে বাদ দিন।

হানি মোতোকো এক শতাব্দী আগেই দেখিয়েছিলেন—

>“সঞ্চয়ের শুরু হয় হিসাব থেকে, আর হিসাবের শুরু সচেতনতা থেকে।”

আজও কাকেবো আমাদের মনে করিয়ে দেয় —
“হিসাব রাখুন, সচেতন থাকুন, সঞ্চয় করুন।”😊

কালেক্টেড

11/08/2025

আমার মনে হচ্ছে আলিফ লাম মিম দিয়ে আল্লাহ তার নাম বুঝিয়েছেন। নিচের পোষ্ট পড়ে আমার রুহ কেঁপে উঠেছে, শরীর এর সব লোম দাঁড়িয়ে গেছে, মাথা আল্লাহর সম্মানে নত হয়ে গেছে।


এক তরুণী স্প্যানিশ নারী “আল্লাহ” শব্দের অর্থ ব্যাখ্যা করলেন----

এই তরুণী স্প্যানিশ নারী বর্তমানে জর্ডানের ইয়ারমুক বিশ্ববিদ্যালয়ে আরবি ভাষায় মাস্টার্স করছেন। একদিন, দ্বিতীয় বর্ষের একটি ক্লাসে অধ্যাপক ফাখরি কাতানাহ তার শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞাসা করলেন:

“তোমাদের মধ্যে কে ‘আল্লাহ’ নামটির অলৌকিক ও ধ্বনিবিজ্ঞানগত দিক থেকে ব্যাখ্যা করতে পারবে?”

কেউ হাত তুলল না—শুধুমাত্র একজন তরুণী স্প্যানিশ নারী, যার নাম হেলেন। যদিও তিনি স্প্যানিশ ও খ্রিস্টান ছিলেন, তিনি সাবলীলভাবে আরবি বলতেন। তিনি বললেন:

“আরবি ভাষায় আমি যে সবচেয়ে সুন্দর শব্দটি পড়েছি, সেটি হল ‘আল্লাহ’। এই নামটি মানব ভাষায় একটি অনন্য সুরধ্বনি তৈরি করে, কারণ এর সব অক্ষর গলা থেকে উচ্চারিত হয়, ঠোঁট থেকে নয়।
এই পবিত্র নামটি ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত হয় না, কারণ এতে কোনো ডায়াক্রিটিকাল চিহ্ন (বিন্দু) নেই। এখন ‘আল্লাহ’ উচ্চারণ করুন এবং খেয়াল করুন কীভাবে এটি বলছেন!
আপনি দেখবেন, এর অক্ষরগুলি গলার গভীর থেকে আসে, ঠোঁটের কোনো নড়াচড়া ছাড়াই। এর মানে হলো, যদি কেউ ‘আল্লাহ’ শব্দটি উচ্চারণ করতে চায়, তবে তার চারপাশের লোকেরা তা লক্ষ্যও নাও করতে পারে।”

তিনি আরও ব্যাখ্যা করলেন:

“এই নামের আরেকটি অলৌকিক দিক হলো, এর কিছু অক্ষর সরালেও এর অর্থ অটুট থাকে।”

সাধারণত ‘আল্লাহ’ শব্দটি ‘اللّٰهُ’ (Allahُ) রূপে উচ্চারিত হয়।

যদি প্রথম অক্ষর (আলিফ) সরিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে এটি ‘لِلّٰهِ’ (Lillah) হয়ে যায়, যা নিম্নলিখিত কুরআনের আয়াতে পাওয়া যায়:
﴿وَلِلَّهِ ٱلۡأَسۡمَآءُ ٱلۡحُسۡنَىٰ فَٱدۡعُوهُ بِهَاۖ﴾
“আল্লাহর জন্য রয়েছে সর্বোত্তম নামসমূহ, সুতরাং তোমরা তাঁকে সেসব নাম ধরে ডাক।” (সুরা আল-আ‘রাফ: ১৮০)

যদি ‘আলিফ’ ও প্রথম ‘লাম’ সরানো হয়, তাহলে এটি ‘لَهُ’ (Lahu) হয়ে যায়, যেমন এই আয়াতে:
﴿لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلۡأَرۡضِۗ﴾
“আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে, সবই তাঁর।” (সুরা আল-বাকারা: ২৫৫)

যদি ‘আলিফ’ ও দ্বিতীয় ‘লাম’ সরানো হয়, তবে কেবল ‘هُوَ’ (Hu) থাকে, যা এখনো আল্লাহর প্রতিই ইঙ্গিত করে, যেমন এই আয়াতে:
﴿هُوَ ٱللَّهُ ٱلَّذِي لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ﴾
“তিনি আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।” (সুরা আল-হাশর: ২২)

যদি প্রথম ‘লাম’ সরানো হয়, তবে এটি ‘إِلَـٰه’ (Ilah) হয়ে যায়, যেমন এই আয়াতে:
﴿ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ٱلۡحَىُّ ٱلۡقَيُّومُ﴾
“আল্লাহ, তিনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সৃষ্টির ধারক-সংহারক।” (সুরা আল-বাকারা: ২৫৫)

তিনি আরও ব্যাখ্যা করলেন:

“বিদ্বানগণ গভীরভাবে ‘আল্লাহ’ নামটি নিয়ে গবেষণা করেছেন। তাওহিদের বাক্য, ‘لَا إِلَـٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ’ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) তিনটি অক্ষর নিয়ে গঠিত: আলিফ, লাম, ও হা।
এই তিনটি অক্ষর হালকা ও সহজে উচ্চারিত হয়, যা ঠোঁট না নড়িয়েও বলা যায়।”

তিনি আরও ব্যাখ্যা করলেন:

“আপনারা কি জানেন কেন?
যেন মৃত্যুর সময় একজন ব্যক্তি সহজেই এটি উচ্চারণ করতে পারেন, ঠোঁট বা দাঁত না নাড়িয়েও।”

আজ, হেলেনের নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘আবিদাহ’ (উপাসক)।

“আমরা মুসলিম হয়ে গর্ববোধ করি, অথচ আমরা ‘আল্লাহ’ নামটি ব্যাখ্যা করতে পারলাম না। আল্লাহ তাকে ইসলামের বরকত দান করুন।”

“কেন আমরা ধর্মীয় বার্তাগুলো মুছে ফেলি, কিন্তু সাধারণ বার্তাগুলো ফরওয়ার্ড করি?
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

﴿بَلِّغُوا عَنِّي وَلَوْ آيَةً﴾
“আমার পক্ষ থেকে পৌঁছে দাও, যদিও তা একটি আয়াতই হয়।” (বুখারি: ৩৪৬১)

“হয়তো এই বার্তাটি শেয়ার করার মাধ্যমে, আপনি এমন একটি আয়াত পাঠাবেন যা কিয়ামতের দিন আপনার জন্য সুপারিশ করবে।”

সর্বশেষে:

﴿لَا إِلَـٰهَ إِلَّا ٱللَّهُ مُحَمَّدٌ رَّسُولُ ٱللَّهِ﴾
“আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, এবং মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসুল।”

আল্লাহু আকবার! সমস্ত শব্দ ও কর্মে তিনি সর্বশ্রেষ্ঠ। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ।

কালেক্টেড
©️

হে আল্লাহ আমাদের সহি বুঝ দিন। আপনার সুন্দর সব নামের অর্থ জানার তৌফিক দিন।

31/07/2025

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি হারিয়ে গেছে এবং হারিয়ে যাওয়াই মনে হয় উচিৎ।
যেমন হারিয়ে গেছে গত দুই ঈদে গ্রাম থেকে শহরে আসা যাওয়ার পথে যে ৬০০+ মানুষ।
যেমন হারিয়ে গেছে বেইলি রোডে রেস্টুরেন্ট আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া ৪৬ জন।
যেমন হারিয়ে গেছে রানা প্লাজার হাজারের উপর মানুষ, তাজরীন ফ্যাশনসের শ’য়ের উপর।
হারিয়ে গেছে পুরান ঢাকার চকবাজারের আগুনে ৭১ জন, নিমতলীতে আগুনে ১২৪ জন, বনানীর এফআর টাওয়ারে আগুনে মারা যাওয়া ২৭ জন।
হারিয়ে গেছে ১২ দিনের মধ্যে নিউ মার্কেট আর বঙ্গবাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে হাজারো ব্যবসায়ীকে রাস্তায় নামায়া দেয়ার ঘটনা।
৪৪ জন হারিয়ে গেছে নারায়ণগঞ্জ থেকে চাঁদপুর, মুন্সিগঞ্জ রুটের খেলনা লঞ্চগুলোতে উঠে।
ডেংগুতে হারিয়ে গেছে ৩ হাজারের বেশি মানুষ।
গত ১১ বছরে দুর্ঘটনায় হারিয়ে গেছেন মাত্র ১ লক্ষ ৫ হাজার মানুষ। পৃথিবীর অনেক দেশে এতো জনসংখ্যাও নাই। গা/জায়ও সম্ভবত গত ১ দশকে এতো মানুষ মারা যায় নাই।
কেনো হারিয়ে যায় এতো এতো মানুষ?
ফায়ার সার্ভিস ৩৩৬টিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অগ্নিঝুঁকিতে 'অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ' এবং এক হাজার ৭২টি 'ঝুঁকিপূর্ণ' বলে জানাইছিলো।
৫৮টি মার্কেট পরিদর্শন করে সবগুলোকেই ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষনা করেছিলো।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরও 'অধিক ঝুঁকিপূর্ণ' ৪২ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন ৭ দিনের মধ্যে খালি করে সিলগালার নির্দেশ দিছিলো।
কোথাও কোন ব্যবস্থা নেয়া হইছে বলে জানা নাই।
রানা প্লাজা দুর্ঘটনা মামলায় আসামি ৩৮ জন। এরমধ্যে ভবনের মালিক সোহেল রানা বাদে সবাই মুক্ত।
তাকেও গত ১ই অক্টোবর হাইকোর্ট থেকে জামিন দিয়ে দেয়া হয়েছিলো। পরে সম্ভবত আবার স্থগিত হয়।
বেইলি রোডের অগ্নিকান্ডের পরে শহরের সব রেস্টুরেন্টে ধরপাকড় করে হাজারখানেক মানুষকে গ্রেপ্তার করে এক বিশাল বানিজ্যের সুযোগ হয়।
তার চেয়েও ভালো খবর ঐ বিল্ডিং এর নকশার অনুমোদন দেয়া রাজউক কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরীকে গত জুনে প্রমোশন দিয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরের খুবই লুক্রেটিভ পজিশন মেট্রোপলিটন জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হইছে।
তবে কোন রেস্টুরেন্টে ফায়ার সিকিউরিটি নিশ্চিত হইছে কিনা জানা যায় নাই।
ঢাকায় রেস্টুরেন্ট আছে লক্ষাধিক।
নিমতলীর অগ্নিকান্ডের ঘটনায় কোনো মামলা হয় নাই। শাস্তিও হয় নাই কারও। শতশত মানুষ এমনি হারায়া গেলো।
সেখানে এখন এরকম দাহ্য রাসায়নিক পদার্থের গুদাম আছে ১৫ হাজারের বেশি। নেক্সট ট্রাজেডি কবে?
নারায়ণগঞ্জের খেলনা লঞ্চগুলা বারবার এক্সিডেন্ট করার পরে তাদের শর্ত দেয়া হয় ১ বছরের মধ্যে হাইডেক লঞ্চ বানাইতে। ৩ বছর পার হয়ে গেছে। আরো ৩০ বছরও সম্ভবত এগুলা দিয়াই যাবে।
বাংলাদেশে ১ লাখের বেশি শিশু তাদের পঞ্চম জন্মদিনের আগেই মারা যায়।
প্রতিবছর পানিতে ডুবে মারা যায় প্রায় ১৮ হাজার ৬৬৫ জন মানুষ। তার মধ্যে ১৪ হাজার এর বেশি শিশু।
ডেঙ্গু নিয়ে কারো কোন মাথাব্যথা নাই।
২০০০ থেকে ২০২২ পর্যন্ত ২৩ বছরে ডেংগুতে মৃত্যুর সংখ্যা ছিলো ৮৫৩।
তৎকালীন মেয়র আতিক এই শোকে তার দলবল নিয়ে আমেরিকার মায়ামিতে যায় মশা নিধন সম্পর্কে শিখতে।
কয়েকদিনের ট্যুর শেষে দেশে এসে জানান যে আগের সব পদ্ধতি ভুল ছিলো, এখন থেকে আমেরিকার অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো হবে।
সে বছর ২০২৩ এ ডেংগুতে মৃত্যু হয় ১৭০৫ জনের, আগের ২৩ বছরের সম্মিলিত সংখ্যার দ্বিগুণ।
ভূমিকম্প নিয়ে চিন্তা করা বিলাসিতা।
যদিও ঢাকা শহরে ৭ মাত্রার বেশি ভূমিকম্প হলে ৭২ হাজার ভবন তাত্ক্ষণিকভাবে ধসে পড়ার আশঙ্কা আছে।
আর সব জেলা শহরই এখন কম বেশি আরবান বস্তিতে রুপান্তরিত হইছে। শুধু ঢাকার ক্ষতি হিসাব করলে হবে না।
৯০ দিনে বাংলাদেশের আশেপাশে মৃদু তীব্র মাত্রার ৫০টিরও বেশি ভূমিকম্প হইছে এবং বিগত ১৫ বছরে ১৫০টির বেশি ছোট বড় ভূমিকম্প হইছে।
এগুলা নিয়ে না ভাবাই ভালো। আগামীর রাজনৈতিক বাস্তবতায় "আল্লাহর মাল আল্লাহ নিয়ে গেছে" বলে চালায়া দেয়া যাবে।
আমরা একটা ঝুঁকিপূর্ণ দেশে থাকি।
আমাদের আকাশ ঝুঁকিপূর্ণ, বাতাস ঝুঁকিপূর্ণ, নদী ঝুঁকিপূর্ণ, পাহাড় ঝুঁকিপূর্ণ। বিল্ডিং, রাস্তা, বেড়িবাঁধ, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল সবই ঝুঁকিপূর্ণ। এমনকি খাবারটাও ঝুঁকিপূর্ণ।
তাই যতদ্রুত সম্ভব পুরানো ট্রাজেডি ভুলে যেয়ে নতুন ট্রাজেডি দেখার বা শিকার হওয়ার জন্য প্রস্তুত হওয়াই ভালো।
©

গাড়ীর টায়ার ফেটে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে এমন সংখ্যা নেহায়েৎ কম না। ছবির গাড়ির যাত্রিরা প্রাইভেট কারে যাচ্ছিল। সামনের বামদিকে...
16/06/2025

গাড়ীর টায়ার ফেটে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে এমন সংখ্যা নেহায়েৎ কম না।

ছবির গাড়ির যাত্রিরা প্রাইভেট কারে যাচ্ছিল। সামনের বামদিকের টায়ার ফেটে গেলে ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বা-পাশে পার্ক করে রাখা এক লরীতে গিয়ে আঘাত করে। সাথে সাথেই ঝরে পড়ে ফেনী ক্যাডেট কলেজের ছাত্রী সাদেকার প্রাণ 😭

এই দূর্ঘটনার কারন কি? নিচে বলছি

১। টায়ার প্রেশার
ভারতে যখন নতুন এক্সপ্রেস হাইওয়ে তৈরী হল, ওখানেও একটার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটতে থাকল। অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারন একটাই- টায়ার ফেটে যাওয়া। নিন্দুকেরা চালকের দোষ দিল। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলল রাস্তা নির্মাণ নিয়ে। কিন্তু একজন ছিলেন ব্যতিক্রম। তিনি ভাবলেন, দেশের আধুনিকতম সড়কে বারবার এ-ধরণের দুর্ঘটনা ঘটছে কেন! এর অন্য কোন কারণ নেই তো? তিনি ব্যাপারটা নিয়ে গবেষণা করার সিদ্ধান্ত নিলেন।
কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে তিনি গাড়ী নিয়ে নেমে পড়লেন এক্সপ্রেস হাইওয়েতে। সবগুলো চাকার এয়ার প্রেশার নিলেন ২৫ পি এস আই। এটাই আন্তর্জাতিক মান। পৃথিবীর সব উন্নত দেশে চালকেরা এই প্রেশারই মেইন্টেইন করে। এরপর গাড়ী ছোটালেন ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার স্পীডে। গাড়ী চলল প্রায় দু-ঘন্টা। থামলেন। টায়ারের প্রেশার চেক করলেন।

সর্বনাশ! প্রেশার ৫২ পি এস আই! ঠান্ডা অবস্থায়, গাড়ী স্টার্ট নেয়ার আগে টায়ারের যে প্রেশার ছিল তাঁর দ্বিগুণেরও বেশী!! আর তাপমাত্রা? ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস! তাপমাত্রা আর মোটে ৭.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস বাড়লেই বয়েলিং টেম্পারেচারে পৌছে যেত; অর্থাৎ যে তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে, আর কিছুদূর ওই স্পীডে ছুটলেই হয়ত তাকেও দুর্ঘটনার শিকার হতে হত।

কেন এমন হল? এটা হলো পদার্থ বিজ্ঞানের তিনটি সূত্র অনুসরণ করে।
ক। পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্র বলে friction generates heat, অর্থাৎ ঘর্ষণে তাপ উৎপন্ন হয়। ১২০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার বেগে দু-ঘন্টা রাস্তায় ছুটতে গিয়ে গাড়ীর চাকাগুলোর সাথে রাস্তার কি পরিমাণ friction (ঘর্ষণ) হয়েছে তা আমরা কল্পনা করতে পারি। আর, এর মধ্যে যতবার আমরা ব্রেক চাপব, ততোবার হুইল ড্রামের সাথে ব্রেক প্যাডের ফ্রিকশন হবে। এই ফ্রিকশনের কারনে টায়ারের ভেতরে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বেড়ে যায়।
খ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র হল, Heat lost equals to heat gained, অর্থাৎ একজন যতটুকু তাপ হারায়, অন্যজন ঠিক ততোটুকু তাপ অর্জন করে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড দাবদাহে রাস্তাগুলো আগুনের মত গরম হয়ে থাকে। রাস্তা তার এই তাপ গাড়ীর চাকার সাথে শেয়ার করে। চলার পথে রাস্তা যতটা তাপ ছেড়ে দিয়েছে, গাড়ীর চাকা ঠিক ততোটুকু তাপ শুষে নিয়েছে।

এই এতো এতো সোর্স থেকে তাপ নিতে নিতে ওর ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসে।

গ। ফিজিক্সের আরেকটা সূত্র- তাপে যে কোন জিনিষ আয়তনে বাড়ে। সেই অনুযায়ী টায়ারের তাপে, টায়ারের ভিতরের বাতাসের আয়তন বাড়ে। কিন্তু টায়ার কিম্বা টিউবের আয়তন সহজে বাড়েনা। কারণ, ওগুলো সলিড, ওদের ‘ইলাস্টিক লিমিট’ সীমিত। ঐ লিমিট ক্রস করলেই ওরা ফেটে যায়। ওদিকে ভেতরের বাতাসের আয়তন তো বেড়েই চলেছে। ফলে বাড়ছে টায়ারের ভেতরে বাতাসের চাপ। একসময় টায়ার আর এই চাপটা নিতে পারে না। তখনই- বুমমম।

এখন দেখা যাক আমরা কি করছি। বেশীরভাগ প্রাইভেটকার চালকরাই চাকার এয়ার প্রেশার ৩৫ থেকে ৪৫ এ রাখে। কারণ, চাকায় হাওয়া বেশী থাকলে তেল খরচ কম হয়। একবার ভাবুন, ভারতের ঐ ভদ্রলোকের গাড়ী দু-ঘন্টা চলার পর যদি এয়ার প্রেশার ২৫ থেকে বেড়ে ৫২ তে গিয়ে দাঁড়ায়, তাহলে আপনার ৪০ পি এস আই কত তে গিয়ে দাঁড়াবে? ৮০ বা ৮৪? ঐ পর্যন্ত প্রেশার নেয়ার ক্ষমতা পৃথিবীর কোনো টায়ারের নাই।
এখন সিদ্ধান্ত আমাদের, তেলের মূল্য বেশী, না আমার এবং প্রিয়জনদের জীবনের মূল্য বেশি?


সাবধান হই, সতর্ক হই।
১। টায়ার প্রেশার নির্ধারিত সীমার মধ্যে রাখুন।
২। মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে টায়ার পাল্টে ফেলুন।
৩। অধিক গতিতে গাড়ী চালাবেন না, গতি নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
৪। দূরপাল্লার ভ্রমনে অন্তত দু-ঘন্টা পর পর ড্রাইভারকে রেস্ট দিন, গাড়ীকে রেস্ট দিন, নিজেরা রেস্ট নিন।
সবাই নিরাপদে থাকুন।

বন্ধুদের নিরাপত্তার স্বার্থে পোষ্টটি শেয়ার করুন।

পুনশ্চঃ সংগৃহীত পোস্ট।

সতর্ক থাকুন! সব বয়সে সব ফল নয়। বাচ্চার ক্ষতি হওয়ার আগেই সতর্ক হন। এই গরমে বাজারে যেসব ফল ভরপুর — কলা, আম, তরমুজ, মাল্টা,...
21/05/2025

সতর্ক থাকুন! সব বয়সে সব ফল নয়। বাচ্চার ক্ষতি হওয়ার আগেই সতর্ক হন।

এই গরমে বাজারে যেসব ফল ভরপুর — কলা, আম, তরমুজ, মাল্টা, কাঁঠাল, আনারস, পেয়ারা, আঙুর, লিচু — সবই দেখলে মন চায় বাচ্চাকে একটু একটু করে খাওয়াই। কিন্তু ১ বছরের নিচে অনেক ফলই শিশুর জন্য নিরাপদ না। নিচে বয়স অনুযায়ী কোন ফল দেবেন, কোনটা এড়িয়ে চলবেন, সহজভাবে লিখে দিলাম।

✳️৬ মাসের পর (ফল শুরু):
পাকা কলা
পাকা পেঁপে
এই সময় ফল খুব নরম, সহজ হজম ও অ্যালার্জি কম এমনটাই দিন। চটকে বা পিউরি করে দিন।

🚫৬ মাসের শিশুকে যেসব ফল দেওয়া যাবে না:
আম (মিষ্টি হলেও এখনই নয়)
তরমুজ
আনারস
মাল্টা / কমলা
লিচু
কাঁঠাল
পেয়ারা
জাম
আঙুর
এসব ফলে চিনি বেশি, গ্যাসের সমস্যা করে, চোকার ঝুঁকি থাকে বা অ্যাসিডিক — যা ৬ মাসের হজম ক্ষমতার উপযোগী নয়।

✳️৭–৮ মাসে:
কলা, পেঁপে তো আছেই
চাইলে সামান্য চালতা দিতে পারেন
ধীরে ধীরে স্বাদ চেনানোর জন্য।

🚫৭–৮ মাসের শিশুকে যেসব ফল এখনো না দেওয়া ভালো:
লিচু (অ্যালার্জি ও হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি)
কাঁঠাল (গ্যাস ও পাতলা পায়খানার আশঙ্কা)
তরমুজ (বেশি পানি, হজমে ভারী)
আনারস, মাল্টা (অ্যাসিডিক)
জাম (চোকার ঝুঁকি)
পেয়ারা (শক্ত ও হজমে কঠিন)
আঙুর (চোকার ঝুঁকি ও বিচি)

✳️৯–১০ মাসে:
পাকা আম অল্প করে দেওয়া যায় (খুব মিষ্টি বা টক না হলে)
তরমুজ ২–৩ চামচ করে শুরু করতে পারেন
তবে খেয়াল রাখবেন, তরমুজে অনেক পানি থাকে, বেশি খেলে পাতলা পায়খানা হতে পারে।

🚫যা দেওয়া যাবেনা:
আনারস
লিচু
পেয়ারা
মাল্টা / কমলা
জাম
আঙুর (চটকে দিলে কিছুটা দেওয়া যেতে পারে, তবে এখনো ঝুঁকি থাকে)

✳️১১ মাসে:
কাঁঠাল খুব অল্প করে দেওয়া যায় (গ্যাস সমস্যা হলে এড়ান)
আঙুর দেওয়া যাবে, তবে অবশ্যই বিচি ফেলে, খোসা ছাড়িয়ে, চটকে।

✳️যা ১ বছরের আগে না দেবেন:
আনারস — খুব অ্যাসিডিক, গলা চুলকাতে পারে, র‍্যাশ হতে পারে
পেয়ারা — শক্ত, চোকার ঝুঁকি
কমলা/মাল্টা — এসিডিক, অনেক শিশুর র‍্যাশ ও গ্যাস হয়
লিচু — অ্যালার্জির ঝুঁকি ও কখনো হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে
জাম — খুব চোকার, এসিডিক, হজমে ভারী
আঙুর (পুরো ফল হিসেবে) — চোকার ঝুঁকি, তাই চটকে না দিলে নয়

✳️সবসময় মনে রাখবেন:
✔️নতুন ফল দিলেই ৩ দিনের নিয়ম মানুন
✔️খোসা ও বিচি অবশ্যই সরিয়ে দিন
✔️বাচ্চার পায়খানা, ত্বক ও আচরণে কোনো পরিবর্তন ✔️হচ্ছে কি না খেয়াল রাখুন
✔️সুস্থ খুদে মানেই শান্ত মা। খাবার হোক ভালোবাসা দিয়ে, বুঝে শুনে।

শেয়ার করে দিন যেন অন্য মা-বাবারাও সচেতন হতে পারেন। পোস্ট ভালো লাগলে পেইজে ফলো দিতে ভুলবেন না।

ছবিতে যে লম্বা সাপের মত প্রাণীটা দেখতে পাচ্ছেন, এটাকে বলে 'স্নেক ইল'। একটা 'গ্রেট ব্লু হীরন' জীবিত অবস্থায় একে গিলে ফেল...
20/05/2025

ছবিতে যে লম্বা সাপের মত প্রাণীটা দেখতে পাচ্ছেন, এটাকে বলে 'স্নেক ইল'। একটা 'গ্রেট ব্লু হীরন' জীবিত অবস্থায় একে গিলে ফেলেছিলো। এরপর উড়াল দেয়, কিন্তু একটু পরেই সেই 'ইল', হীরনের বুক চিরে বেরিয়ে আসে।

ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফার স্যাম ডেভিস এই মুহূর্তটি ক্যামেরায় ধরেন।

স্নেক ইল সাধারণত সমুদ্রের বালিতে খোঁড়াখুঁড়ির জন্য নিজের শক্ত ঠোঁট ব্যবহার করে। এবার সেটাই ব্যবহার করে হীরনের পেট থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। আর তখনই দেখা যায় এই গা শিউরে ওঠার মত দৃশ্য।

'ইল'টা কম চেষ্টা করে নাই বেঁচে থাকতে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত পেরে উঠে নাই। অবাক করা বিষয় হল, বুকে গভীর ক্ষত নিয়েই 'হীরন'টি তখনও উড়ে যাচ্ছিল।

প্রকৃতি নির্মম, সাথে বিস্ময়করও বটে!

চারপাশে প্রচুর মানুষের সাথে দেখা হবে, অনেক ভিড় ঠেলে এগোতে হবে, অনেকরকম কথা কানে আসবে শুধু আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হলো...
13/05/2025

চারপাশে প্রচুর মানুষের সাথে দেখা হবে, অনেক ভিড় ঠেলে এগোতে হবে, অনেকরকম কথা কানে আসবে শুধু আপনাকে যেটা করতে হবে সেটা হলো ইগনোর। জীবনে কিছু মানুষ আবর্জনা ছড়াতে আসবে, তাদেরকে আগাছার মতো উপড়ে ফেলে দিতে হবে, লাইফ আপনার বাউন্ডারি আপনাকেই সেট করতে হবে, নেগেটিভিটি যেখানে দেখবেন সটান সেখান থেকে দূরে সরিয়ে নেবেন নিজেকে।

শুনতে খারাপ হলেও আপনার কাছের অনেক মানুষ আপনাকে খারাপ দেখতে চায়, তারা চায় সহানুভূতি নামক মলমের তলে একটু কাটা ঘায়ে নুন ছিটাতে, আপনি সিম্পলি সেই সুযোগ টাই দেবেন না, অযথা তর্কে যাবেন না, বোঝাতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই, আপনার সামনে কেউ যদি বলে আপনি মূ'র্খ তাই মেনে হেসে বেরিয়ে আসুন, ওই যে সময় আর এনার্জি বাঁচিয়ে নিলেন, ব্যাস কেল্লাফতে। যে যা বলছে শুনে নিন, আর মুচকি হেসে শিরদাঁড়া সোজা করে নিজের সিদ্ধান্তটা নিজেই নিন, যারা নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারে তারা আসলেই জীবন চেনে, বোঝে।

আপনাকে নিয়ে যখন বাকিরা সমালোচনা করতে ব্যস্ত থাকবে আপনি ঠিক সেই সময় গাছ লাগান, ঘুরে আসুন, রং তুলি নিয়ে ক্যানভাস সাজান, বাড়ি গোছান, মোটিভেশনাল বই পড়ুন, গল্প পড়ুন, আরো দুটো সাহিত্য পড়ুন, নিজের পুরোনো ফটো দেখুন, ব্যাডমিন্টন খেলুন, ফটো তুলুন, চা খেতে বেরিয়ে পড়ুন, সেলাই করুন, মোটকথা তাদের কথায় রিয়েক্ট করবেন না, যা বলছে বলুক, আপনার কানে এলেও ফেলে দিন, দিনশেষে আপনি জানেন আপনি কি, কেমন, আর এটাও জানেন যারা বলছে তারা আপনার কাছে জাস্ট ম্যাটার করেনা ঠিক এইটাই।

একটা বাউন্ডারি সেট করুন, একদম যাদের বা যার বুকে মিশে আপনি শ্বাস নেবেন, যার সামনে আপনি আয়নার মতো দাঁড়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ঠিক তাদের কাছেই ওপেন আপ হন, তাদের কাছেই এক্সপ্লেন করুন, তাদের কাছেই ঝুঁকতে শিখুন, কারণ হয়তো তারা বা সে আপনাকে খারাপ দেখতে চাইবে না।

বাদবাকি দুনিয়াকে ঝেড়ে ফেলে দিন।

একটা কথা মাথায় রাখবেন জীবন অনেক সুন্দর, আপনি যে জীবন টা বাঁচতে পারছেন সেটা অনেক সুন্দর, আপনাকে শুধু মাঝে মাঝে গজিয়ে ওঠা আগাছা গুলো মিটিয়ে ফেলতে হবে অথবা কোণে একটা কাঁটাঝোর দেখতে পেলে সাইড কাটিয়ে চলে আসতে হবে, সবকিছুর উত্তর দিতে নেই, সবকিছুতে রিয়েক্ট করতে নেই, সবাইকে বোঝানোর কোনো প্রয়োজন নেই, এগুলো বাদ না দিতে পারলে, লস টা আপনারই।

"এক গাছ, হাজার ভাষা! – পৃথিবীর সবচেয়ে 'বুদ্ধিমান' গাছটি"আপনি জানেন কি, এক ধরনের গাছ আছে যা অন্য গাছকে বিপদের বার্তা পাঠা...
11/05/2025

"এক গাছ, হাজার ভাষা! – পৃথিবীর সবচেয়ে 'বুদ্ধিমান' গাছটি"

আপনি জানেন কি, এক ধরনের গাছ আছে যা অন্য গাছকে বিপদের বার্তা পাঠাতে পারে?

হ্যাঁ, আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে জন্মানো "অ্যাকাসিয়া" (Acacia) গাছ বিপদের সময় আশপাশের গাছগুলোর সঙ্গে "যোগাযোগ" করে! যখন কোনো হরিণ বা জিরাফ এই গাছের পাতা খেতে আসে, তখন গাছটি নিজের পাতা তেতো করে ফেলে—এবং বাতাসে নির্গত করে ইথাইলিন গ্যাস। এই গ্যাস আশেপাশের গাছগুলোকে সতর্ক করে দেয়: “সাবধান! শত্রু আসছে!”

ফলাফল? পাশের গাছগুলো আগেই তাদের পাতায় বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে ফেলে।

এটাকে বিজ্ঞানীরা বলেন – “Plant Communication”।
এমনকি কিছু গবেষক বলেন, গাছের নিজেদের “স্মৃতি” থাকে, তারা অনুভব করতে পারে, সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এবং এমনকি কিছুটা সময় ধরে “শিখতেও” পারে।

প্রশ্ন ওঠে – তবে কি গাছেরা একে অপরকে ভাষাহীন ভাষায় কথা বলে?
আর যদি তাই হয়, তবে আমরা কি গাছ কাটার আগে তাদের কান্না শুনতে পারছি না?

কাক হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র পাখি যে ঈগলের পিঠের উপর উঠে, ঘাড়ে ঠোকর মেরে, তাকে বিরক্ত করার দুঃসাহস দেখায়। মজার বিষয় হচ্ছ...
09/05/2025

কাক হচ্ছে পৃথিবীর একমাত্র পাখি যে ঈগলের পিঠের উপর উঠে, ঘাড়ে ঠোকর মেরে, তাকে বিরক্ত করার দুঃসাহস দেখায়। মজার বিষয় হচ্ছে, ঈগল কিন্তু কাকের সাথে যুদ্ধ করে তার সময় ও শক্তির অপচয় করে না।

ঈগল যেটা করে সেটা হচ্ছে, সে দ্রুত গতিতে উপরে উঠতে থাকে। অধিক উচ্চতায় অক্সিজেনের স্বল্পতা এবং ঈগলের প্রচন্ড গতির কারণে কাক দুর্বল হয়ে হাঁসফাঁস করতে করতে একসময় ঈগলের পিঠ থেকে খসে নিচে পড়ে যায়।

আপনার জীবনের চলার পথেও আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও সহকর্মী রূপী কিছু কাক চরিত্রের অধিকারী সমালোচক আপনাকে পিছন থেকে টেনে ধরার চেষ্টা করবে। ওদের সাথে লড়তে গিয়ে নিজের মূল্যবান সময় ও শক্তির অপচয় না করে আপনি শুধু তাদেরকে আপনার উচ্চতায় নিয়ে যান; দেখবেন তারা পালাবে। কারণ ওই উচ্চতায় তারা কখনোই টিকবে না – ওখানে পৌঁছানোর যোগ্যতাই তারা রাখে না!


আমি যখন প্রথম চাকরি তে জয়েন করলাম,আমার আব্বা আমাকে বলছিলেন,"টাকা পয়সা বেশি জমানোর দরকার নাই,শখ পূর্ণ করো..টাকা পয়সা আরও ...
09/05/2025

আমি যখন প্রথম চাকরি তে জয়েন করলাম,আমার আব্বা আমাকে বলছিলেন,"টাকা পয়সা বেশি জমানোর দরকার নাই,শখ পূর্ণ করো..টাকা পয়সা আরও অনেক ইনকাম হবে কিন্তু শখ আজীবন থাকবেনা.."
আমি একসময় অনেক শাড়ি কিনতাম,প্রচুর জামদানী কিনতাম,এমন ও হয়েছে ইন্টার্নীতে ১২৫০০ টাকা বেতন পেয়েও ৬ হাজার টাকার শাড়ি কেনার সাহস করে ফেলতাম..
আমাকে ক্যাম্পাসে সবাই শাড়ির ভ্যারাইটিজ কালেকশন এর জন্যই চিনতো..
অমুক কালার শাড়ি লাগবে?
তারিন এর কাছে গেলে নিশ্চয়ই পাওয়া যাবে,এই কনফিডেন্সে চলে আসতো আমার রুমে..

আর এখন অনেকদিন হয়ে গেছে,লাস্ট কবে শাড়ি কিনেছি মনে করতে পারিনা..
আগে কারনে অকারণে শাড়ি পরতাম..এতই পছন্দ ছিলো শাড়ি পরা আমার,মন ভালো থাকলে পরতাম,মন খারাপ থাকলে শাড়ি পরলে মন ভালো হয়ে যেতো..

শেষ খুব কষ্ট করে আম্মা আর স্বামীর অনুরোধের ঢেঁকি গিলে শাড়ি পরেছিলাম ভাইয়ের বিয়েতে..

ইদানীং ক্রোকারিজ এর শখ হয়েছে,আমার মত মধ্যম আয়ের মানুষের জন্যে বেশ এক্সপেন্সিভ ই বলা চলে..তাও দুয়েকটা কিনেছি..

আমার সিম্পল হলেও ফার্নিশড ভাবে থাকতে ভালো লাগে..
থাকি ভাড়া বাসায়..
ব্র‍্যান্ডেড ফার্নিচার নিতে গেলাম,সবাই বলে আগে একটা জায়গায় সেটেল্ড হও তারপর নিও,ভাড়া বাসায় নিয়ে কি হবে..
পারমানেন্ট কোথাও হলে কাঠ দিয়ে বানিয়ে নিলে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম চলবে...

আমি বারান্দা ভর্তি করে গাছ লাগিয়েছি,অনেকে বলেছেন,এত ঝামেলা করে গাছ যে লাগালে,বাসা চেঞ্জ করার সময় কি হবে?

আমার কাছে মনে হয়,মানুষ নিজের কবর ছাড়া আর কোথাও কি কখনো আসলেই সেটেল্ড হয়?

সেদিন একটা লেখা পড়লাম,"যে ভবিষ্যত নিয়ে আমি এত ভাবি,সে ভবিষ্যতে কি আমি আদৌ আছি?"

আমার ও তাই মনে হয়..
১০০ বছর ধরে চলা সেগুন কাঠের জিনিস এর চেয়ে আমার কাছে ১০ বছর নিজের পছন্দের জিনিস টা চললেই আমি সন্তুষ্ট..
যখন যেখানে আছি,তখন সেটাই আমার ঠিকানা..
সেখানেই সুন্দর ভাবে সৌখিন ভাবে বাঁচা উচিত।
অদূর ভবিষ্যতের জন্য জমাতে গিয়ে নিজের প্রাইম টাইমের ছোট ছোট সাধ্যের মধ্যে থাকা শখগুলো অপূর্ণ রাখার পক্ষপাতী আমি নই...
৭০ বছর বয়সে ৪০ বছর আগের বানানো সেগুন কাঠে শুয়ে মরণের দিন গুনতে চাইনা..
কারন আগামী কাল সকালে চোখ খুলবো কিনা সেটাই তো অনিশ্চিত..

সবকিছুর একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ আছে,মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেলে সেই জিনিস আর কোন কাজে লাগেনা..
তেমন ই শখের ও একটা নির্দিষ্ট বয়স আছে,যখন যে বয়সে সাধ্য অনুযায়ী শখ পূর্ণ করার সামর্থ্য থাকে,তা ফেলে রাখতে হয়না...

জীবনের প্রাইম টাইমে ভবিষ্যতের জন্য জমানো অনেক মানুষ কে আমি ৬০ বছর বয়সে সুন্দর ফার্নিশড বাসায় অসুস্থ বসে থেকে ৩০ বছর আগের অপূর্ণ শখ মনে করে আফসোস করতে দেখেছি...

ছেলে মেয়েদের কে শোনাতে দেখেছি যে,"তোমাদের পালতে গিয়ে নিজেরা অনেক কষ্ট করছি কিন্তু তোমাদের কোন অভাব রাখিনি.."

আমি কোনভাবেই শেষ বয়সে এমন আফসোস এ পরিপূর্ণ, টক্সিক একজন মানুষ হিসাবে দেখতে চাইনা..

শখ পূর্ণ করার জন্য খরচ করা কে আমি কখনোই টাকা নষ্ট মনে করিনা,টাকা দিয়ে সুখ কেনা, শখ কেনা মনে করি..

একদিন সব হবে, একদিন সব হবে...
সেই একদিন টা যখন আসে তখন আজকের এই মুহূর্তের এই আপনিটা আর থাকবেন না...

©

সন্তানদের মধ্যে যে জেদ, অভিমান, হঠাৎ রাগ বা চুপচাপ হয়ে যাওয়া- এসব আচরণ হ্যান্ডেল করতে গেলে দরকার ধৈর্য, বুদ্ধিমত্তা আর ল...
08/05/2025

সন্তানদের মধ্যে যে জেদ, অভিমান, হঠাৎ রাগ বা চুপচাপ হয়ে যাওয়া- এসব আচরণ হ্যান্ডেল করতে গেলে দরকার ধৈর্য, বুদ্ধিমত্তা আর লেগে থাকা।

এধরণের বাচ্চাদের স্বভাব বুঝে কিছু পরামর্শ :

১. ওর আবেগটাকে আগে বুঝে নিন (আবেগ অস্বীকার না করে পাশে দাঁড়ান):

বলুন: “তুমি রাগ করেছো? আমি বুঝেছি।” তারপর চুপ থাকুন কিছুক্ষণ।

কেন জরুরি: এতে ওর মন বুঝবে-মা তার কথা শুনছে, লড়ছে না। ধীরে ধীরে সে নিজেই শান্ত হবে।

২. জেদ ধরলে আপনি শান্ত কিন্তু শক্ত থাকুন (রাগ নয়, নিয়ম দিন):

জোর করে কিছু করাবেন না। আবার হাল ছেড়েও দেবেন না।

যেমন বলুন:

“তুমি খেলনা ভেঙেছো, তাই ওটা আজ আর দিচ্ছি না। কাল যদি ভালো আচরণ করো, তখন দিব।”

“যদি মারো, আমি কিছুক্ষণ আলাদা থাকবো। মারলে পাশে কেউ থাকে না।”

৩. ভালো-মন্দ আচরণ রাসূল (সা.) এর ভাষায় বুঝিয়ে দিন:

“চিৎকার, মারা -এগুলো রাসূল (সা.) কখনো করতেন না। তিনি শান্ত থাকতে শিখিয়েছেন।”

সাহাবিদের রাগ নিয়ন্ত্রণ বা কোমল ব্যবহারের গল্প বলুন। যেমন হযরত আলী (রাঃ) এর ঘটনা।

৪. ভালো আচরণে প্রশংসা, খারাপ আচরণে নীরবতা (চাপ নয়, শেখানো):

যখন ও ভালো কিছু করে, তখন জোরে প্রশংসা করুন।

খারাপ কিছু করলে ডেকে ডেকে না বলেও, চুপচাপ কিছুক্ষণ একা থাকতে দিন। ও বুঝবে।

৫. আদেশ না দিয়ে পছন্দের সুযোগ দিন (ছোট্ট চয়েস, বড় ফল):

যেমন বলুন:

“লাল জামা পরবে, না নীলটা?”

“পানি খাবে আগে, না হাত ধুবে আগে?”

ওর মনে হবে সে নিজেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, কিন্তু আপনি থেকেই যাচ্ছে নিয়ন্ত্রণ।

৬. আপনি যেমন হবেন, ও তেমন শিখবে (আচরণ শেখার সবচেয়ে বড় বই আপনি):

আপনি যদি রেগে গিয়ে চিৎকার করেন, ও শিখবে চিৎকার করতেই হয়।
আপনি যদি শান্ত থাকেন, ধীরে ধীরে ওও তা শিখবে।

৭. দোয়া ও শান্ত পরিবেশ ওর মন শান্ত করবে:

“রব্বি হাবলি মিনআস-সালিহীন”, প্রতিদিন এই দোয়া করুন সন্তানের জন্য।

✅রাতে মাথায় হাত রেখে সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, তিন কুল পড়ে ফুঁ দিন।

✅ঘরে প্রতিদিন কিছুটা সময় কুরআন তিলাওয়াত চালিয়ে রাখুন, এতে ওর ভেতরটা নরম থাকবে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা সহজ করুন

' শিশুদের মেজাজ ওয়ার্কশপ রেকর্ডেড ক্লাস পেতে ইনবক্স করুন। মাত্র ১০০ টাকা ফি।

Address

Mirpur Dohs

1216

Telephone

+8801886615578

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chilekothar Kabbo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chilekothar Kabbo:

  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share