23/05/2025
যশোরের অভয়নগর উপজেলার ডহর মশিয়াহাটিতে
এরপর একদল দূর্বৃত্ত ভয়বহ তান্ডব চালায় পার্শ্ববর্তী গ্রামে। যে গ্রামের অধিকাংশ মানুষ হিন্দু ধর্মাবলম্বী মতুয়া সম্প্রদায়ের। সেখানে বাৎসরিক উৎসব চলছিলো, প্রায় ৫০০ মানুষের খাবারের আয়োজন ছিলো! সরজমিনে মধ্যরাতে গিয়ে দেখা যায় ১৩ টা বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে; একজন নার্সিংএর ছাত্রকে অপহরণ করা হয়েছে। ৩১ টি গরু চুরি হয়েছে, কিছু গরু মারাত্মকভাবে আহত ও শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে গেছে৷ গোলা ভরা ধান নষ্ট করা হয়েছে, প্রত্যেকটা বাড়িতে লুটপাট চলেছে, বাজারের দোকানগুলোতে লুটপাট হয়েছে। অতর্কিত এই আক্রমনে এলাকাবাসী বাসা থেকে পালিয়েছি৷ শুধুমাত্র যাদের পালানোর সামর্থ ছিলো না অর্থাৎ অসুস্থ ও বৃদ্ধ ব্যক্তিরা ছাড়া সবাই ওই এলাকা থেকে পালিয়েছে। এলাকার প্রত্যেকটা পরিবার সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব, সর্বশান্ত হয়ে গেছে! ওই পরিবারগুলোয় এখন তীব্র খাবার কষ্টে আছে, তাদের কারো কাছে পরনের পোষাকটি ছাড়া দ্বিতীয় কোনো কাপড় নেই৷ সব আগুনে পুড়েছে।
ভয়াবহ এই সাম্প্রদায়িক হামলায় মানবিক সাহায্য প্রয়োজন ডহর মশিয়াহাটির এই মানুষগুলোর। ফায়ার সার্ভিস প্রচন্ড দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে৷
এই নিরিহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর বর্বরোচিত হামলা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম সম্পুর্ন নীরবতা পালন করছে। মানে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা যেহেতু গুজব হিসেবে প্রমান করতে হবে ,তাই এসব বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম নিউজ করছে না।