Inspired With Saimul

  • Home
  • Inspired With Saimul

Inspired With Saimul

02/12/2024

পঞ্চম পর্ব: স্বপ্নভঙ্গ
একদিন অরণ্যা স্কুল থেকে ফিরে দেখলো, তার বাবা খুব চিন্তিত হয়ে বসে আছেন। বাবা সাধারণত এমন হন না। অরণ্যা কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলো, "বাবা, তুমি এতো চিন্তিত কেন?"
বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "অরণ্যা, আমরা যেই বাড়িতে থাকি, সেটাও আর আমাদের থাকবে না। আমাদের নতুন একটা বাসা খুঁজতে হবে।"
অরণ্যার মন ভেঙে গেলো। এই শহরের বাসাটাই ছিল তার জন্য একমাত্র স্থায়ী আশ্রয়। বাবা-মায়ের কথা শুনে তার মনে হলো, শহরের এই জীবনে তারা সত্যিই টিকে থাকতে পারছে না। তার স্বপ্নগুলো যেন একে একে ভেঙে যাচ্ছে।
কিন্তু অরণ্যা জানতো, সে সহজে ভেঙে পড়ার মেয়ে নয়। সে সিদ্ধান্ত নিলো, যাই হোক না কেন, সে তার পরিবারকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করবে।

চতুর্থ পর্ব: মায়ের দৃষ্টিসেই দিনটার পর থেকে অরণ্যা ভেতরে ভেতরে অনেক পরিবর্তন অনুভব করছিল। তার মনে হচ্ছিল, সে যেনো এক অদ...
27/08/2024

চতুর্থ পর্ব: মায়ের দৃষ্টি
সেই দিনটার পর থেকে অরণ্যা ভেতরে ভেতরে অনেক পরিবর্তন অনুভব করছিল। তার মনে হচ্ছিল, সে যেনো এক অদ্ভুত দ্বিধার মধ্যে পড়ে গেছে। মনের ভেতর থেকে কিছু একটা তাকে বারবার তাড়া করছে, কিন্তু সে নিজেও সেটা ঠিকমতো বুঝতে পারছিল না। অরণ্যার এই বদলে যাওয়া মনের কথা প্রথম লক্ষ্য করেছিল তার মা।
মা সবসময় অরণ্যার মুখের দিকে তাকিয়ে থাকতো, যেনো কিছু একটা বোঝার চেষ্টা করছিল। একদিন সন্ধ্যায় অরণ্যার মা তাকে ডেকে বললেন, "অরণ্যা, তুই কি কিছু বলতে চাস? আমি তোকে নিয়ে খুব চিন্তায় আছি। তুই তো আগে এমন ছিলি না।"
অরণ্যা কিছুক্ষণ চুপ করে রইলো। তারপর বললো, "মা, আমি ভালো আছি। কিন্তু মনের মধ্যে কিছু একটা যেন খচখচ করছে। আমি বুঝতে পারছি না কীভাবে সেটা ঠিক করবো।"
মা অরণ্যাকে জড়িয়ে ধরে বললেন, "আমার মেয়ে এতটা বড় হয়ে গেছে যে মায়ের কাছেও সব কথা বলে না? যা-ই হোক, মনে যা কিছুই থাকুক, মা সবসময় তোর পাশে আছে।"

তৃতীয় পর্ব: বন্ধুত্বের আড়ালেশহরের নতুন জীবনে অরণ্যা ধীরে ধীরে নিজেকে মানিয়ে নিতে শুরু করলো। কিন্তু তার স্কুলে এক মেয়...
25/08/2024

তৃতীয় পর্ব: বন্ধুত্বের আড়ালে

শহরের নতুন জীবনে অরণ্যা ধীরে ধীরে নিজেকে মানিয়ে নিতে শুরু করলো। কিন্তু তার স্কুলে এক মেয়ের সাথে অরণ্যার সম্পর্কটা প্রথম থেকেই কিছুটা জটিল ছিল। সেই মেয়েটির নাম ছিল সৃজিতা। অরণ্যার মতোই সে ছিল ভীষণ মেধাবী, কিন্তু তার আচরণ ছিল একেবারে ভিন্ন। সৃজিতা ছিল অরণ্যার প্রতি কিছুটা ঈর্ষান্বিত।

প্রথম প্রথম অরণ্যা বুঝতে পারেনি সৃজিতার এই আচরণ। সে মনে করেছিল, হয়তো সৃজিতা এমনই। কিন্তু ধীরে ধীরে সে বুঝতে পারলো, সৃজিতা তার বন্ধু নয়। কিন্তু এ কথা সে কাউকে বলতে পারছিল না। অরণ্যা প্রতিদিন সৃজিতার সাথে মিশতো, কিন্তু তার মনে সবসময় একটা চাপা অস্বস্তি কাজ করতো।

একদিন স্কুল থেকে ফেরার পথে সৃজিতা অরণ্যাকে নিয়ে গেলো এক নির্জন জায়গায়। সেখানে গিয়ে সৃজিতা বললো, "অরণ্যা, তুমি জানো আমি তোমাকে কেন পছন্দ করি না?"

অরণ্যা চুপচাপ সৃজিতার কথা শুনছিল। সে জানতো, আজ কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে। সৃজিতার কথা শোনার পর অরণ্যার মনে এক ধরনের কষ্ট শুরু হলো।

দ্বিতীয় পর্ব: নতুন জীবনের শুরুশহরে আসার পর অরণ্যার জীবন পুরোপুরি বদলে গেলো। চারদিকে উঁচু উঁচু বিল্ডিং, ব্যস্ত রাস্তা, হ...
25/08/2024

দ্বিতীয় পর্ব: নতুন জীবনের শুরু

শহরে আসার পর অরণ্যার জীবন পুরোপুরি বদলে গেলো। চারদিকে উঁচু উঁচু বিল্ডিং, ব্যস্ত রাস্তা, হাজারো মানুষের ভিড়। গ্রামের সেই শান্ত, নীরব পরিবেশের সাথে শহরের এই চাঞ্চল্যময় পরিবেশ ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত। অরণ্যার মনের ভিতরে এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করছিল, কিন্তু সেই অস্বস্তির মধ্যেও ছিল এক ধরনের উত্তেজনা।

অরণ্যা প্রথমবারের মতো স্কুলে গেলো। নতুন সহপাঠী, নতুন শিক্ষক, নতুন পরিবেশ—সবকিছুই তার জন্য ছিল অচেনা। প্রথম দিনটা তার জন্য খুব কঠিন ছিল। সে বুঝতে পারছিল না কিভাবে নতুন বন্ধু বানাবে, কিভাবে এই পরিবেশে নিজেকে মানিয়ে নিবে।

কিন্তু অরণ্যার ভেতরে ছিল এক অদম্য সাহস। সে জানতো, এই নতুন জীবনেও সে তার স্বপ্নের পেছনে ছুটবে, নতুন কিছু শিখবে, নতুন কিছু জানবে। অরণ্যার মনের গভীরে এখনো সেই আলোছায়ার মিশ্রণ, যা তাকে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলো অজানা এক পথের দিকে।

প্রথম পর্ব: আলোছায়ামেয়েটির নাম ছিল অরণ্যা। ছোটবেলা থেকেই অরণ্যা ছিল একেবারে অন্যরকম। সবার থেকে আলাদা। যখন অন্য বাচ্চার...
25/08/2024

প্রথম পর্ব: আলোছায়া

মেয়েটির নাম ছিল অরণ্যা। ছোটবেলা থেকেই অরণ্যা ছিল একেবারে অন্যরকম। সবার থেকে আলাদা। যখন অন্য বাচ্চারা দৌড়ঝাঁপ করতো, খেলতো, হাসতো, অরণ্যা তখন প্রকৃতির গভীরে ডুবে যেতো। তার চোখের গভীরে সবসময়ই ছিল এক অদ্ভুত আলোছায়ার মিশ্রণ, যেন কিছু বলতে চায়, কিন্তু বলতে পারে না। এই আলোছায়ার রহস্যকে কেউ কখনো বুঝতে পারেনি।

অরণ্যার বাবা-মা খুব সাধারণ মানুষ। ছোট্ট গ্রাম, ছোট্ট সংসার। কিন্তু অরণ্যার ভেতর ছিল এক বিশাল দুনিয়া। সে সবসময় আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতো, বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখতো। কিন্তু তার স্বপ্নগুলো ছিল অন্য সবার থেকে আলাদা। সে চেয়েছিল দুনিয়ার সবকিছু দেখতে, জানতে, বুঝতে।

একদিন অরণ্যা দেখলো তার বাবা-মা খুব চিন্তিত। তাদের চোখে ভয়ের ছাপ। অরণ্যা কিছু বুঝতে পারছিল না। সে জিজ্ঞেস করলো, "মা, তোমরা এতো চিন্তিত কেন?"

তার মা বললেন, "অরণ্যা, তোমার বাবার চাকরি চলে গেছে। আমাদের গ্রাম ছেড়ে শহরে যেতে হবে।"

শহর! অরণ্যা কখনো শহর দেখেনি। তার মনে হলো, এই শহরই হয়তো তার স্বপ্নের জায়গা। কিন্তু আবারও তার মনে হলো, নতুন জায়গা মানেই নতুন চ্যালেঞ্জ। কেমন হবে সেই শহরের জীবন?

দ্বিতীয় পর্ব: নতুন জীবনের শুরু

(চলবে...)

Address

Mirpur/1

4216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Inspired With Saimul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Inspired With Saimul:

Shortcuts

  • Address
  • Telephone
  • Alerts
  • Contact The Business
  • Claim ownership or report listing
  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share