Albi Ruhi

Albi Ruhi আসসালামু আলাইকুম
আলবি রুহি পেজে সবাইকে স্বাগতম ��
প্রতিদিন নতুন নতুন ভিডিও উপভোগ করতে আমাদের সাথে থাকুন।

27/12/2024

"পুতুল নাচের ইতিকথা" বইটি না পড়লে পরকীয়া প্রেম সম্পর্কে আমার কঠিন অজ্ঞতা থেকে যেত । ভাবতাম পরকীয়া মানেই শরীরে শরীর মিশে যাওয়া ! এই ভ্রান্ত ধারণা থেকে আমি বেরিয়ে আসতে পেরেছি এই উপন্যাস পড়ে !
স্পর্শ না করেও যে দীর্ঘদিন এক ই প্রেমে কাটিয়ে দেয়া যায় তা জানতে পেরেছি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিস্ময়কর চরিত্র কুসুম আর শশী চরিত্রে !

শশী এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। সদ্য ডাক্তারি পাস করে সে গ্রামে আসে বাবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে ভিন্নতর সংস্কৃতি কিংবা সহজ ভাষায় উন্নত জীবনের সন্ধানে বেরিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে। কিন্তু শেষমেশ সে আর প্রথাগত জীবনের বাইরে যেতে পারে না।

গ্রামীণ জীবনের প্রতিবেশ-পরিবেশের বৈচিত্র্য আর বাস্তবতার ডালপালা সর্বোপরি কুসুমের প্রতি দুর্নিবার টান এমনভাবে তাকে আঁকড়ে ধরে যা ছিঁড়ে বের হওয়া শশীর সামর্থ্যের বাইরে।তার আর গ্রাম ছেড়ে যাওয়া হয় না শহরের চাকচিক্যময় জীবনের উদ্দেশ্যে ! শশীর চরিত্র পড়তে যেয়ে আমি বিস্ময়ে"থ " হয়ে যাই । তখন মনে হয়েছে আসলেই আক্ষরিক অর্থে কিছু অসামান্য প্রেম সবকিছুর উর্ধে ! চিরকালের নমস্য ! সবাই এই প্রেম ধারণ করতে পারেনা !

কুসুম এ উপন্যাসের নায়িকা। তার পরিচয় হলো সে তেইশ বছর বয়সি মেয়ে, উপন্যাসের এক চরিত্র পরাণ-এর স্ত্রী, রহস্যময়ী এবং বিচিত্ররূপিনী নারী। তার খামখেয়ালীপনা, খাপছাড়া প্রকৃতি তাকে রহস্যময়ী করে তুলেছে।

শশীর জন্য তার ‘উম্মাদ ভালোবাসা' এই উপন্যাসের অন্তর্গত সৌন্দর্য। কুসুমের স্ফুট-অস্ফুট প্রেম শেষ পর্যন্ত অন্য রূপ নেয়, অন্য মাত্রা নেয়। 'চপল রহস্যময়ী নারী, জীবনীশক্তিতে ভরপুর, অদম্য অধ্যবসায়ী কুসুম জীবনরহস্যের দূত।

পরকীয়া প্রেম ও যে একটা উচ্চপর্যায়ের শিল্প হতে পারে আমি পুতুল নাচের ইতিকথা পড়েই অনুধাবন করতে পেরেছি ! এমন হয়ত জীবনে অনেক কিছুই পড়া হয়নি ! যে বেদনা আমাকে কুড়ে কুড়ে খায় ! কেন আমি একজীবনে সব পড়ে যেতে পারলাম না ! অন্তত সৃষ্টির সেরা বইগুলো !

হয়ত আমি অনেক ভালো বইয়ের নাম ও জানিনা ! যা জানি তাই বা পড়ে শেষ করতে পারছি কই ?

প্রিয় কথাসাহিত্যিক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় । আপনার এই বিস্ময়কর সৃষ্টির ভিতর আপনি অনন্তকাল বেঁচে থাকবেন বাংলার পাঠকের হৃদয়ে !
SNJOY GOPE এর ওয়াল থেকে নেওয়া

অদ্ভুত এক রহস্য!!!লিওনার্দো ভিঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ের ছবি বলা হয়। কিন্তু মোনালিসার ছবিতে...
24/12/2024

অদ্ভুত এক রহস্য!!!
লিওনার্দো ভিঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ের ছবি বলা হয়। কিন্তু মোনালিসার ছবিতে টর্চলাইট দিয়ে খুজেও সৌন্দর্য খুজে পাওয়াটা কঠিন!

কিন্তু মোনালিসার ছবির সৌন্দর্য ঠিক মোনালিসাতে নয়। সৌন্দর্যটা এই ছবির রহস্যে! রং তুলিতে এই ছবি আকতে গিয়ে ভিঞ্চি জন্ম দিয়ে গেছেন অসংখ্য রহস্যের…

১৫০৩ সালে ভিঞ্চি মোনালিসা আকা শুরু করেন।
১৫১৫ সালে মোনালিসা আকার সময় তিনি রহস্যজনক ভাবে মৃত্যবরণ করেন।১২ বছর সময় নিয়ে আকা মোনালিসার ছবি সম্পূর্ণ না করেই তিনি মারা যান!

অর্থাৎ আমরা মোনালিসার যে ছবিটি এখন দেখি
সেটিতে আরো কিছু আঁকার বাকি ছিল...

ভিঞ্চি মোনালিসাকে কোন কাগজ বা কাপড়ে নয়,
এঁকেছিলেন পাতলা কাঠের উপর।অবাক করার বিষয় হলো মোনালিসার ছবিটিকে যদি বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে দেখা হয় তবে মোনালিসা তার হাসি পরিবর্তন করে!

এ যেন এক রহস্যময়ী মোনালিসা!
১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামে মোনালিসার ছবিটির দেখা মিলে।কিন্তু ছবিটা মিউজিয়ামে কিভাবে এল কিংবা কে আনল এমন প্রশ্নের উত্তর মিউজিয়ামের কর্মীরাই জানতোনা! কারণ তারা কাউকে ছবিটি নিয়ে আসতে দেখিনি!

রহস্যময়ভাবে লুভর মিউজিয়ামে পৌছানো এই ছবি ১৯১১ সালে চুরি হয়ে যায়! রাতের আধারে চোরকে দেখে মিউজিয়ামের এক কর্মী পরদিনই চাকড়ি
ছেড়ে পালিয়ে যায়।পরে সে বলেছিল সে চোরকে দেখেছে। সেই চোর আর কেউ নয়।প্রায় ৩৫০ বছর আগে মারা যাওয়া ভিঞ্চি!!

১০ বছর পর এই ছবিটি আবার ওই মিউজিয়ামে পাওয়া যায়।লুভর মিউজিয়াম কতৃপক্ষ ছবিটি সংরক্ষনের জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ করে একটি নিরাপদ
কক্ষ তৈরী করে। হয়ত ভাবছেন একটা ছবির জন্য এতো টাকা খরচ!! এই ছবির বর্তমান মূল্যের তুলনায় ৫০ কোটি টাকা কিছুই নয়। মোনালিসা ছবির বর্তমান অর্থমূল্য ৭৯০ মিলিয়ন ডলার।টাকায় পরিমানটা ৫৩৮০ কোটি টাকা!!

মোনালিসা কে? প্রশ্নটির উত্তর ভিঞ্চি নিজেও দিয়ে যাননি।২০০৫ সালে খুজে পাওয়া এক চিঠিতে অনেকে মোনালিসার পরিচয় খুজে পেয়েছেন বলে দাবি করেন।

১৫০৩ সালে লেখা এই চিঠিতে ভিঞ্চির বন্ধু ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড তার স্ত্রী লিসা জিয়াকন্ডের একটি ছবি আঁকতে ভিঞ্চিকে অনুরোধ করেন। আর ওই সময় ভিঞ্চি মোনালিসার ছবি আঁকা শুরু করেন।

২০০৪ সালে বিজ্ঞানী পাস্কেল পাটে মোনালিসার ছবিকে আলাদা ভাগে ভাগ করে হাইডেফিনেশন ক্যামেরায় ছবি তোলেন। পাস্কেল আবিষ্কার করেন যে ভিঞ্চি যে রং ব্যাবহার করেছিলেন তার স্তর ৪০ মাইক্রোমিটার। অর্থাৎ একটি চিকন চুলের থেকেও পাতলা! পাস্কেল আরো আবিষ্কার করেন যে মোনালিসার ছবিতে আরো ৩টি চিত্র আছে। তাদের একটি সাথে লিসা জিয়াকন্ডের মুখের মিল খুজে পাওয়া যায়।সম্ভবত ভিঞ্চি বন্ধুর অনুরোধে লিসার ছবিটিই আঁকছিলেন। কিন্তু তিনি এমন কিছু দেখেছিলেন যা পুরো ছবিতে অন্য এক নতুন মুখের জন্ম দিয়ে দিয়েছে!

সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক সার্ভেতে মোনালিসা সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু তথ্য পাওয়া যায়।মোনালিসাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় সে হাসছে। কিন্তু কাছে গিয়ে তার দিকে তাকালে মনে হয় সে গভীরভাবে কোন কিছু চিন্তা করছে। মোনালিসার চোখের দিকে তাকালে তাকে হাসিখুশি মনে হয়। কিন্তু তার ঠোটের দিকে তাকালেই সে হাসি গায়েব!

সান্দারলেন্ড ভার্সিটির ছাত্ররা মোনালিসার ছবির বামপাশ থেকে আল্ট্রা ভায়োলেট পদ্ধতি ব্যাবহার করে ভিঞ্চির লেখা একটি বার্তা উদ্ধার করে। বার্তাটি ছিল " লারিস্পোস্তা তোভাকি"। যার অর্থ "উত্তরটা এখানেই আছে।"

যুগের পর যুগ মানুষকে মুগ্ধ করে আসা মোনালিসার এই ছবি দেখে জন্ম নেয়া হাজার প্রশ্নের মাঝে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই ছবি দিয়ে ভিঞ্চি কি বোঝাতে চেয়েছিলেন?"

প্যারানোরমাল ম্যাগাজিনের একদল তরুন ছাত্র উত্তরটা বের করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে। অবশেষে তারা যা জানিয়েছে সেটাও চমকে দেয়ার মত!

ভিঞ্চি মোনালিসার ছবির বামপাশে গোপন বার্তা
দিয়েছিলেন "উত্তর টা এখানেই আছে"।

সে বাম পাশকে আয়নার কাছে আনলে একটা ছবি
তৈরী হয়। অবাক করার বিষয় এই তৈরী হওয়া ছবির জীবটিকে ভিঞ্চি ১৫০০ সালের দিকে দেখেছিলেন!

ছবিটা একটা এলিয়েনের!!!

ভিনগ্রহের এলিয়েন...!!!
©️

(সংগৃহীত)


ছবিতে দেখানো এই মেঘের আকৃতি  সাধারণত "হোল-পাঞ্চ ক্লাউড" বা "ফলস্ট্রিক হোল" নামে পরিচিত। এটি অত্যন্ত বিরল একটি ঘটনা। সাধা...
22/12/2024

ছবিতে দেখানো এই মেঘের আকৃতি সাধারণত "হোল-পাঞ্চ ক্লাউড" বা "ফলস্ট্রিক হোল" নামে পরিচিত। এটি অত্যন্ত বিরল একটি ঘটনা।

সাধারণত মেঘের মধ্যে কিছু পানির কণা সুপারকুলড অবস্থায় থাকে, অর্থাৎ ০°C-এর নিচে থাকলেও তা বরফে পরিণত হয় না। যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকা দিয়ে একটি বিমান উড়ে যায় বা কোনো শক তরঙ্গ তৈরি হয়, তখন ওই অংশে তাপমাত্রা হঠাৎ কমে যায়। ফলে সুপারকুলড পানি কণিকা তাড়াতাড়ি বরফে পরিণত হয়। বরফ কণিকার তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াটি আশপাশের পানির কণাগুলোকে দ্রুত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। যার ফলে ওই নির্দিষ্ট অংশে একটি "ছিদ্র" বা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয় এবং মেঘের মাঝখানের ফাঁকা অংশে সূর্যের আলো ভিন্নভাবে প্রতিফলিত হলে এমন মুগ্ধকর দৃশ্য দেখা যায়।
(সংগৃহীত)

22/12/2024

I got 10 reactions and 19 replies on my recent top post! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

22/12/2024

🌺শুভ সকাল🌺

21/12/2024

আজ 21 শে ডিসেম্বর" পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে সবচেয়ে ছোট দিন... আগামী কাল থেকে দিন 1 মিনিট করে বড় হবে..

21/12/2024

বাড়িতে জ্বীন সয়তান আনাগোনা থাকলে যে লক্ষ্মণগুলো দেখা দিবে।




টক্সিক মানুষ চিনেন? আপনার খুব ক্লোজ কেউ আছে, যাকে দেখে মনে হয় সবকিছু ঠিকঠাক, কিন্তু ভিতরে ভিতরে তিনি আপনাকে ধ্বংস করে দি...
20/12/2024

টক্সিক মানুষ চিনেন?

আপনার খুব ক্লোজ কেউ আছে, যাকে দেখে মনে হয় সবকিছু ঠিকঠাক, কিন্তু ভিতরে ভিতরে তিনি আপনাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

টক্সিক মানুষের উপস্থিতি ধীরে ধীরে আপনার জীবনে বিষের মতো কাজ করে। প্রথমে হয়তো টের পাবেন না, কিন্তু একটা সময় মনে হবে—আপনার চারপাশটা ভারী, মনটা ক্লান্ত।

হঠাৎ একটা দিন বুঝবেন, এই ভারটা আসলে মানুষেরই তৈরি।

কিন্তু কীভাবে বুঝবেন যে কেউ টক্সিক?

এমন কিছু আচরণ আছে, যেগুলো যদি লক্ষ্য করেন, তাহলে বুঝতে পারবেন আপনার জীবনের মানুষটি আসলে আপনার জন্য কতটা ক্ষতিকারক। চলুন, টক্সিক মানুষের আচরণগুলো একটু ভালোভাবে বিশ্লেষণ করি।

১. সবকিছুতে খুঁত ধরার অভ্যাস

টক্সিক মানুষ এমনভাবে সমালোচনা করে, যেন আপনি কিছুই জানেন না, পারেন না। আপনার ভালো কাজেও তারা ভুল খুঁজে পায়। মজার ব্যাপার হলো, এই সমালোচনা মোটেও গঠনমূলক নয়। বরং, তারা আপনাকে ছোট করার জন্যই এটা করে।

২. কথা দিয়ে আপনাকে বেঁধে ফেলে

তারা এমনভাবে কথা বলে বা কাজ করে যে আপনি নিজের ওপর বিশ্বাস হারাতে শুরু করেন। তারা আপনাকে দোষারোপ করে নিজের সুবিধামতো পরিস্থিতি গড়ে তোলে। সবসময় মনে হবে আপনি তাদের ইচ্ছার ক্রীড়নক হয়ে গেছেন।

৩. আপনাকে সবসময় ভুল প্রমাণ করার চেষ্টা

তারা আপনার সিদ্ধান্ত বা কাজ নিয়ে সবসময় সন্দেহ প্রকাশ করে। হয়তো আপনি নিশ্চিত ছিলেন একটা বিষয়ে, কিন্তু তাদের কথায় সেটা ভুল বলে মনে হতে শুরু করবে।

৪. তাদের সমস্যার জন্য আপনি দায়ী!

তারা সবসময় ভিকটিম। সব সমস্যার দায় তাদের না, বরং পৃথিবীর! তারা কখনো নিজের দোষ স্বীকার করবে না, বরং আপনাকেই দায়ী করবে। আপনি সবসময় অপরাধবোধে ভুগবেন।

৫. কথায় কথায় অভিযোগ

তাদের চারপাশে সবকিছুই যেন খারাপ। সবকিছুতে তারা অভিযোগ করে। এই নেতিবাচক মানসিকতা ধীরে ধীরে আপনার জীবনেও ছাপ ফেলে।

৬. আপনার অনুভূতি নিয়ে খেলা

তারা কখনোই আপনার সুখ বা দুঃখ নিয়ে ভাবে না। আপনার কষ্ট, আপনার সুখ—কিছুতেই তাদের কিছু যায় আসে না। এমনকি যখন তারা আপনাকে আঘাত করে, তখনও তাদের মনের কোণায় বিন্দুমাত্র মায়া জন্মায় না।

৭. আপনার ভালো দেখলে অস্বস্তি বোধ করা

আপনার সফলতা দেখলে তারা কখনোই আনন্দিত হয় না। বরং ঈর্ষান্বিত হয়। আপনার অর্জনকে হালকা করে দেখা, ঠাট্টা করা বা আপনাকে নিচু করার চেষ্টা তারা চালিয়ে যায়।

৮. আচরণে একধরনের দ্বিচারিতা

একদিন তারা খুব মিষ্টি, আবার পরের দিন হুট করেই দুর্ব্যবহার। এই অস্থিরতা আপনাকে সবসময় একটা মানসিক চাপের মধ্যে রাখে। আপনি বুঝতেই পারবেন না, কখন কীভাবে তাদের সঙ্গে মিশতে হবে।

৯. শুধু নেওয়ার অভ্যাস, কিছুই না দেওয়া

টক্সিক মানুষের কাছে সম্পর্ক মানে শুধু নেওয়া। তারা আপনাকে ব্যবহার করবে, আপনাকে থেকে সুবিধা নেবে, কিন্তু বিনিময়ে কিছু দেবে না।

১০. আপনার ‘না’কে গুরুত্ব না দেওয়া

তারা আপনার ব্যক্তিগত সীমানাকে রেসপেক্ট করে না। আপনার সময়, মতামত বা আরামের কোনো মূল্যই তাদের কাছে নেই।

টক্সিক সম্পর্ক থেকে বের হয়ে আসা সহজ নয়, কিন্তু এটা অত্যন্ত জরুরি।

জীবনের প্রতিটা মুহূর্তই মূল্যবান। এমন মানুষের সঙ্গে সময় নষ্ট করার চেয়ে নিজের মানসিক শান্তি এবং সুখকেই প্রাধান্য দিন।

মনে রাখবেন,

যারা আপনাকে ভালোবাসে, তারা কখনো আপনাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলবে না।

©️ NH Nur Hossain

(সংগৃহীত)

Y ক্রোমোজম ভ্রূণে পুরুষের লিঙ্গ নির্ধারণের জিন। সময়ের সাথে কমে যাচ্ছে এ জিনের সংখ্যা। তাহলে পুরুষের ভবিষ্যৎ কী!২০২০ সালে...
18/12/2024

Y ক্রোমোজম ভ্রূণে পুরুষের লিঙ্গ নির্ধারণের জিন। সময়ের সাথে কমে যাচ্ছে এ জিনের সংখ্যা। তাহলে পুরুষের ভবিষ্যৎ কী!

২০২০ সালে Proceedings of the National Academy of Science এ টপিকে গবেষণা প্রকাশিত হয়। এরপর বারবার আলোচনায় আসে এই তথ্য।

জিনে প্রতিনিয়ত মিউটেশন হয়। সহজে বললে জিন বদলাতে থাকে। মিউটেশন ভালো খারাপ দু-রকমই হতে পারে। যেমন জিনের ক্ষয় একটি খারাপ মিউটেশন।

X ক্রোমোজম মা বাবা দুজনের দেহেই থাকে। কিন্তু Y ক্রোমোজম শুধু বাবা থেকেই আসে। মা ও বাবার দেহ থেকে আসা দুটো X ক্রোমোজম বাহু অদলবদল করে। কিন্তু Y ক্রোমোজম এই সুযোগ পায় না। কারণ Y একা, নিঃসঙ্গ, নিরুপায়।

প্রত্যেকবার বাহু অদলবদলের সময় X ক্রোমোজমের খারাপ মিউটেশনগুলো সেরে ওঠে। কিন্তু Y ক্রোমোজমে তা ঘটে না। ফলে দিন দিন ক্ষয় হতে থাকে Y ক্রোমোজম। এই ধারা মানব সৃষ্টির শুরু থেকেই চলে আসছে।

তবে এতে পুরুষের বিলুপ্তি ঘটবে না। কেননা সে সময় পুরুষের লিঙ্গ নির্ধারণ করবে অন্য কোনো জিন। তবে সেটাও ঘটবে মিলিয়ন বছর পর। তাই চিন্তার কিছু নেই।
Source: Hindustantimes

বাসায় তো প্রতিদিন অন্তত তিনটা পেয়াজ ব্যবহার করেন আপনারা।পেয়াজের পেট বরাবর কেটে নিন,শিকড়ের অংশ রাখুন,বাকি অংশ রান্নায় ব্য...
17/12/2024

বাসায় তো প্রতিদিন অন্তত তিনটা পেয়াজ ব্যবহার করেন আপনারা।পেয়াজের পেট বরাবর কেটে নিন,শিকড়ের অংশ রাখুন,বাকি অংশ রান্নায় ব্যবহার করুন।প্রথম ছবির মত। তিন বা চারদিনের কাটা অংশ জমিয়ে রেখে বা ডেলিরটা ডেলি রোপণ করতে পারেন।ছয় ইঞ্চি পুরুত্বের পাত্রে জৈব সার মিশ্রিত মাটি নিন কোন টব,পরিত্যক্ত বালতি,ট্রে, ৫ লিটারের তেল বা পানির কন্টেইনার লম্বালম্বিভাবে কেটে নিতে পারেন।হাফ ইঞ্চি মাটির গভীরে ৪ ইঞ্চি পরপর পেয়াজের শিকড়যুক্ত কাটা অংশ রোপন করুন।

জমিতে হলে তিন ফুট প্রশস্ত বেড তৈরি করুন,দুই পাশে এক ফুটের ড্রেন/সেচ নালা রাখুন।টবের মাটিতে রসের অভাব হলে সেচ দিন।জমিতে রসের অভাব হলে ড্রেনগুলো পানিতে ভরে দিন।

১২ থেকে ১৫ দিন পর নিয়মিত পেয়াজ পাতা ছিড়ে মোগলাই পরোটা বানিয়ে খান!মাত্র ৩০/৪৫ দিন ওয়েট করুন।এবার দেখুন বাজিমাৎ! একটা কাটা পেয়াজের গোড়া থেকে ৫ টা পর্যন্ত পেয়াজ পাওয়া যায়।দ্বিতীয় ছবির পেয়াজ থেকে ৫ টা গাছ উঠবে,৫ টা পেয়াজ হবে।

শুধু আপনাদেরকে দেখানোর জন্য ৩০ দিন বয়সী একটা পেয়াজ তুলল কৃষাণী।

১০/১২ দিন পর বাজারে দেশি পেয়াজ নামবে।খেয়াল করলে দেখবেন ৩/৪ পেয়াজের গোড়া একসাথে। দোকানদারেরা ছিড়ে ফেলে।খেয়াল করলে ছেড়া বা কাটা অংশ বুঝা যায়।

উপকারী টিপস হলে শেয়ার করে অন্যের উপকার করুন☺️।

(সংগৃহীত)



With Explore Hill Tracts – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their top engagers! 🎉
17/12/2024

With Explore Hill Tracts – I just made it onto their weekly engagement list by being one of their top engagers! 🎉

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা, বিনম্র শ্রদ্ধা সকল বীর শহীদদের প্রতি। রক্তস্নাত বিজয়ের ৫৪ তম বার্ষিকী।পাকিস্তানি হানা...
16/12/2024

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা, বিনম্র শ্রদ্ধা সকল বীর শহীদদের প্রতি।
রক্তস্নাত বিজয়ের ৫৪ তম বার্ষিকী।পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের মুক্তিকামী মানুষের ওপর অত্যাচার-নির্যাতনের পর এদিন আত্মসমর্পণ করে।দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী আন্দোলনে বহু প্রাণ আর এক সাগর রক্তের বিনিময়ে এইদিনে বাঙালি ছিনিয়ে আনে বিজয়ের লাল সূর্য।
আজ ১৬ ডিসেম্বর সেই মহান বিজয় দিবস।আমাদের চির গৌরবের দিন।পৃথিবীর মানচিত্রে লাল-সবুজের পতাকার স্থান পাওয়ার দিন আজ।
ডিসেম্বরের এই দিনে কুয়াশা ঢাকা বাংলার আকাশে উদিত হয়েছিল বিজয়ের সূর্য। 'আমার সোনার বাংলা,আমি তোমায় ভালোবাসি'অগণিত কন্ঠ সুরের ধ্বনিতে মুখরিত হয়েছিল বাংলার আকাশ-বাতাস।

১৯৭১! লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া এক স্বাধীনতা পেয়েছি মহান ১৬ই ডিসেম্বরে। এই মহান দিনে কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করি মহান শহীদদের।

#১৬ইডিসেম্বর #বিজয়দিবস

হেলাল হাফিজের সেই হেলেন - শেকলে আটকে বদ্ধ উন্মাদ অবস্থায় কাটে যার জীবন :নেত্রকোণার মগড়া নদী। এই নদীর ধারেই ছবির মত সুন্দ...
15/12/2024

হেলাল হাফিজের সেই হেলেন - শেকলে আটকে বদ্ধ উন্মাদ অবস্থায় কাটে যার জীবন :

নেত্রকোণার মগড়া নদী। এই নদীর ধারেই ছবির মত সুন্দর মেঘময় আকাশের নিচে ১২-১৩ বছর বয়সের কিশোর হেলাল হাফিজ প্রেমে পড়েছিলেন হেলেন নামের এক কিশোরীর। দীর্ঘদিনের প্রেম, একসাথে গ্রামের মাঠে মাঠে ছুটে বেড়ানো, নদী থেকে কচুরিপানা তুলে হেলেনের খোপায় গুঁজে দেয়া - কত স্মৃতি, কত ভালোবাসার শৈশব কৈশোর কাটে তাদের একসাথে। কিন্তু তাদের এই সুন্দর প্রেমের উপন্যাসে বাঁধ সাধলো দুই পরিবার। কোনোভাবেই কেউ মেনে নিলো না তাদের এই প্রেমকাহিনী। অভিমান করে ঢাকায় এসে পড়লেন কবি। হেলেনের থেকে অনেক দূরত্ব তখন তার। তবুও মনের মধ্যে আশা রাখেন, একদিন হেলেন তার হবে। কিন্তু তা না হয়ে হুট করে একদিন হেলেনের চিঠি আসলো কবির কাছে - "কবি! আগামীকাল আমার বিয়ে, নেমন্তন্ন রইলো।"
চিঠির দিকে চেয়ে থাকা ছাড়া আর কিছুই তখন করার ছিলো না কবির। লিখলেন,
"হয়তো তোমাকে হারিয়ে দিয়েছি
নয়তো গিয়েছি হেরে,
থাক না ধ্রুপদী অস্পষ্টতা
কে কাকে গেলাম ছেড়ে।'

ধুমধাম করে হেলেনের বিয়ে হয়ে গেলো ঢাকার বিখ্যাত এক সিনেমা হলের (মুন সিনেমা হল) মালিকের সাথে। বিয়ের পরও বারকয়েক হেলেনকে চিঠি দিয়েছিলেন কবি। বারবার লিখতেন, "পত্র দিও, পত্র দিও।" কিন্তু ফিরতি পত্র আর কখনো আসত না কবির ঠিকানায়। এক বুক ভরা বিষণ্ণতা নিয়ে বসে থাকেন কবি, লিখেন :
"প্রতিমা
শুনেছি সুখেই বেশ আছো,
কিছু ভাঙচুর আর
তোলপাড় নিয়ে আজ আমিও সচ্ছল,
টলমল অনেক কষ্টের দামে জীবন গিয়েছে জেনে
মূলতই ভালোবাসা মিলনে মলিন হয়, বিরহে উজ্জ্বল।"
নিজের সব বিষণ্ণতা কবিতার খাতায় তুলে আনেন কবি। সারাদিন পাগলের মত কবিতা লিখেন। কবিতার খাতা ভর্তি করে বইমেলায় বের করলেন তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ - "যে জলে আগুন জ্বলে।"

নিয়তির কি করুণ পরিহাস! বইমেলা থেকে আরো অনেক বই এর সাথে সেই কাব্যগ্রন্থও কিনে আনেন হেলেনের স্বামী। বাসায় বইমেলা থেকে কিনে আনা বই এর মধ্যে নিজের প্রাক্তন প্রেমিকের বই দেখে চমকে উঠেন হেলেন। বই এর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা উল্টাতে থাকেন। কবিতার পর কবিতা পড়ে যেতে থাকেন। প্রতিটা কবিতায় হেলেনকে নিয়ে লেখা কবির আর্তচিৎকার, হাহাকার, পেয়েও হারানো বেদনা হেলেনের বুকের মধ্যে যেয়ে হাতুড়ি পেটা করে। নিজেকে আর বেশিদিন ঠিক রাখতে পারে না হেলেন। ধীরে ধীরে মস্তিষ্কবিকৃতি ঘটতে থাকে তার। উচ্চতর চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন দেশ ঘুরিয়ে আনলেও হেলেন আর ভালো হয়নি৷ শেষমেশ স্বামীর থেকে তালাকপ্রাপ্তা হয়ে হেলেনের আবার ঠাঁই হয় নেত্রকোণায় তার নিজের বাসায়। হেলেন তখন বদ্ধ উন্মাদ। শিকল দিয়ে বেঁধে রাখতে হয় তাকে। এদিকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় শাহবাগের মেসে যখন হেলাল হাফিজ তার শেষ দিনগুলা কাটাচ্ছিলেন, ওদিকে হেলেন তখন নেত্রকোণার এক গ্রামে শেকলে বাঁধা অবস্থায় বদ্ধ উন্মাদ অবস্থায় দিনাতিপাত করছিলেন। দুইজনই দুইজনকে ভালোবেসেছিলেন, কিন্তু কারোরই আর কাউকে পাওয়া হয় নাই। নিঃসঙ্গতার কঠিন বেড়াজালে কাটলো তাদের জীবন। মানুষের ভালোবাসা বোধহয় কবির কবিতার পঙক্তির মতই - মিলনে হয় মলিন, বিরহে হয় উজ্জ্বল। কিন্তু সেই উজ্জ্বলতার পাশাপাশি সেই ভালোবাসা মানুষকে অদ্ভুত এক নির্জনতাও উপহার দিয়ে যায়। আর সেই নির্জনতা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায়ই বোধহয় মৃত্যু।

(সংগৃহীত)

ইচ্ছা থাকলেও পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুলটি দিয়ে আপনি কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে পারবেননা। কারণ এটি গাড়ির টায়ারের চেয়েও চওড়া। ব্যাস ...
15/12/2024

ইচ্ছা থাকলেও পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুলটি দিয়ে আপনি কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে পারবেননা। কারণ এটি গাড়ির টায়ারের চেয়েও চওড়া। ব্যাস ৩ দশমিক ৩ ফুট। ওজন প্রায় ১১ কেজি।পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ফুল হলো রাফলেসিয়া আর্নোল্ডি (Rafflesia arnoldii)। এটি ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া ও সুমাত্রার বনাঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় ফুল।
মজার ব্যাপার হলো,,,,রাফলেসিয়া নিজেই ফুল, নিজেই গাছ। গাছ বলতে এর বিশেষ কিছু নেই। গোটা গাছটা দেখতে মোটা সুতার মতো।

রাফলেসিয়া ফুলের আরেকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো এর গন্ধ। ফুলটি থেকে পঁচা মাংসের মতো তীব্র দুর্গন্ধ বের হয়, যার কারণে এটি "কর্পস ফ্লাওয়ার" বা "লাশের ফুল" নামেও পরিচিত। এই দুর্গন্ধ আসলে মাছি ও পোকামাকড়কে আকর্ষণ করার জন্য, যারা ফুলের পরাগায়নে সাহায্য করে।

রাফলেসিয়া আর্নোল্ডি পরজীবী উদ্ভিদ, যা তার আশেপাশের উদ্ভিদের শিকড় থেকে খাদ্য সংগ্রহ করে। ফুলটি পাপড়ি, পাতা বা মূল নেই এবং এটি কেবল ফুল ফোটার সময়ই দেখা যায়।

সূত্র: ইন্টারনেট

যে কাঁকড়ার রক্ত প্রাণ বাঁচিয়েছে হাজার মানুষের  একটি কাঁকড়া! যার এক লিটার রক্তের দাম প্রায় ১৫ লাখ টাকা। একটি দুটি নয়, ...
14/12/2024

যে কাঁকড়ার রক্ত প্রাণ বাঁচিয়েছে হাজার মানুষের
একটি কাঁকড়া! যার এক লিটার রক্তের দাম প্রায় ১৫ লাখ টাকা। একটি দুটি নয়, এর শরীরে রয়েছে ১০টি চোখ। শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও সত্যি। এর রক্ত লালের বিপরীতে নীল হয়। শুধু তাই নয়, করোনা মহামারির বিশ্বজুড়ে যেখানে সবার নজর ছিল কীভাবে দ্রুত একটি নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিন তৈরি করা যায়। সেখানে সমুদ্রের এই ছোট্ট প্রাণি মানুষের জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু ভাবছেন তা আবার কিভাবে? আর এই কাঁকড়ার রক্তে এমন কী আছে, যা এত মূল্যবান?

সাধারণ মানুষের কাছে এটি পরিচিত না হলেও চিকিৎসাবিজ্ঞানে এর জনপ্রিয়তা ব্যপক। বিশেষ এই কাঁকড়ার নাম হর্সশু ক্র্যাব। মানুষের রক্তে অক্সিজেন পরিবহনের জন্য লোহা-ভিত্তিক প্রোটিন হিমোগ্লোবিন ব্যবহৃত হয়, যা রক্তকে লাল রঙ দেয়। অন্যদিকে, হর্সশু ক্র্যাবের রক্তে অক্সিজেন পরিবহনে তামা-ভিত্তিক প্রোটিন হেমোসায়ানিন ব্যবহৃত হয়, যা রক্তকে নীল রঙ প্রদান করে। যার এক লিটারের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে গুনতে হবে ১৫ হাজার মার্কিন ডলার।

হর্সশু ক্র্যাবের রক্তে আছে লিমুলাস অ্যামেবোসাইট লাইসেট নামক এক বিশেষ উপাদান যা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া শনাক্ত করতে পারে। করোনার ভ্যাকসিন তৈরি হলেও, সেটি মানুষের শরীরে প্রয়োগ করার আগে নিশ্চিত হতে হয় যে এতে কোনো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নেই। আর তখন ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া পরীক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়েছে এর রক্ত। এছাড়া অন্যান্য অনেক ওষুধের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া পরীক্ষায় এই রক্তের ব্যবহার হচ্ছে। যার ফলে এই কাঁকড়ার রক্ত অত্যন্ত দামি।

হর্সশু ক্র্যাবকে "জীবন্ত জীবাশ্ম" বলা হয় কারণ এটি পৃথিবীতে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন বছর ধরে টিকে আছে, অর্থাৎ ডাইনোসরদেরও আগে থেকে! এদের মাথায় দুটি বড় চোখ ছাড়াও, শরীরের বিভিন্ন অংশে ছোট ছোট চোখ রয়েছে যা বিভিন্ন দিক থেকে আলোর উপস্থিতি শনাক্ত করতে সাহায্য করে। হর্সশু ক্র্যাবের স্ত্রী প্রজাতি পুরুষ প্রজাতির তুলনায় বড় আকারের হয়। প্রজনন মৌসুমে এরা তীরে এসে প্রায় এক লক্ষ ডিম পাড়ে।

মূলত আমেরিকা ও এশিয়ার কিছু উপকূলবর্তী অঞ্চলে পাওয়া এই কাঁকড়ার রক্তের চাহিদা ব্যাপক। তবে বাণিজ্যিকভাবে রক্ত সংগ্রহ ও পরিবেশগত কারণে এদের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। তাই এর নির্ভরতা কমাতে বিকল্প রাসায়নিক প্রস্তুতের চেষ্টা চলছে।

(সংগৃহীত)

Address

Barishal

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Albi Ruhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Videos

Share