The Dubai Journal-দ্য দুবাই জার্নাল

  • Home
  • The Dubai Journal-দ্য দুবাই জার্নাল

The Dubai Journal-দ্য দুবাই জার্নাল News

Permanently closed.
মানুষটাকে মাছের মতই পিষে দিয়ে  গেলো ! হয়তো লোকটা মাছ কেনার আগে বাড়িতে ফোন করে জানতে চেয়েছে কি মাছ আনবো? বা আগেই ঠিক ...
17/01/2025

মানুষটাকে মাছের মতই পিষে দিয়ে গেলো !
হয়তো লোকটা মাছ কেনার আগে বাড়িতে ফোন করে জানতে চেয়েছে কি মাছ আনবো?
বা আগেই ঠিক করে রেখেছে , ইলিশ মাছ কিনে বাড়ি ফিরবে !
মাছ কেনার সময় কি তার মনে হয়েছে তার রিজিকে এটা নেই ?

আচ্ছা সে কি ভেবে রেখেছিলো এই ইলিশ গুলো কয়টা পদের তরকারি খাবে ?

আমরা কত কিছু ভাবি , কত প্ল্যান করে ফেলি । তারপর হুট করে মালাকুল মউত এসে সামনে দাঁড়াবেন, আমরা কি মাফ চাইতে পারবো!

এজন্যই হয়ত হঠাৎ মৃত্যু থেকে পানাহ চাইতে বলতেন নবীজী (সঃ)।

16/01/2025

আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করায় বিএনপিকে ধন্যবাদ জানাই: হাসান মাহমুদ

Dubai daira clock tower 1966 vs 2025
16/01/2025

Dubai daira clock tower 1966 vs 2025

16/01/2025

১০ টাকা কেজি চাল খেতে চাওয়া জাতি এখন ২০ টাকার বেনসন জ্বালাইয়া মাথা ঠান্ডা রাখতে হচ্ছে।

Did you know that the view from the Burj Khalifa is the highest you can get from the 154th floor? 🤯The top of the Burj K...
15/01/2025

Did you know that the view from the Burj Khalifa is the highest you can get from the 154th floor? 🤯

The top of the Burj Khalifa is the only place of its kind in the world. You'll experience the luxury and grandeur of Dubai in the world's tallest lodge at 585 metres above the ground, or the 154th floor. You can soak in the clouds on an exclusive outdoor terrace tour. Enjoy a wide selection of the finest teas and coffees, beverages or a glass of champagne accompanied by exquisite snacks.

15/01/2025

চুপ থাকা ভালো কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আপনি আমাকে পছন্দ করেন কিন্তু জানাবেন না।

15/01/2025

শেখ পরিবার আসলেই ত্যাগী পরিবার,
দুইবোনের দেশত্যাগ,
পুতের বউত্যাগ,
মাইয়ার জামাইত্যাগ,ভাগ্নির পদত্যাগ😁😁

12/01/2025

যাদের জীবিকা শুধু রাজনীতি,
তাদের আয়ের মূল উৎস চুরি, দুর্নীতি।

The slide at Sky Views Observatory in Dubai is something crazy 😄You can book a slide with this view at Sky Views
12/01/2025

The slide at Sky Views Observatory in Dubai is something crazy 😄

You can book a slide with this view at Sky Views

11/01/2025

উন্নত জীবনের আশায় স্বেচ্ছায় বিদেশ চলে যাওয়া অনেকে এখন দেশে ফিরে এসে নিজেদের নির্যাতিত দাবি করছে!

সেলুকাস!

This is Los Angeles today, not Gaza! 🔥
10/01/2025

This is Los Angeles today, not Gaza! 🔥

বর্ডারের মানুষ কেন এমন সাহস দেখাল?বিজিবির ট্রেঞ্চের পাশে লুংগী পরা রামদাওয়ালা আর সরিষা ক্ষেতে গুলির মুখে শত শত লোকের ছবি...
10/01/2025

বর্ডারের মানুষ কেন এমন সাহস দেখাল?
বিজিবির ট্রেঞ্চের পাশে লুংগী পরা রামদাওয়ালা আর সরিষা ক্ষেতে গুলির মুখে শত শত লোকের ছবি সবাই দেখেছেন। আপনারা দেখছেন সাহস, দেখছেন ডেসপারেশন, দেখছেন দেশপ্রেম।

কিন্তু কেন এতলোক গুলির মুখে গেল?

বর্ডারের মানুষ ছাড়া এর উত্তর আপনারা বুঝবেন না। আমি জন্মেছি সীমান্তের গ্রামে, তাই এই ছবিগুলোর ভেতরে থাকা সাহসের উৎস আমি জানি। চলুন, প্রমাণসহ ব্যাখা করি।

গুগল আর্থে যে দুটি ছবি দেখছেন, এটা আমার এলাকা। প্রথম ছবির জায়গাটা বাড়ি থেকে এক কিলোমিটারের কাছে। কুশিয়ারা নদী এখানে অস্বাভাবিকভাবে বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে গেছে। নদী ভাঙ্গনের অভিশাপ। শুনেছি এক সময় এই জায়গাটায় কুশিয়ারা সোজা ছিল, তারপর বাংলাদেশের পাড় ভাঙতে ভাঙতে ঢুকে গেছে ভেতরে। হাজার হাজার মানুষের বসত ভিটা এখন ভারতে। দেশভাগের সময় কুশিয়ারা নদীকে সীমানা ধরে প্রায় ৫০ কিমি জায়গা জুড়ে পাকিস্তান-ভারত আলাদা হয়েছিল। নদীই বর্ডার, এই যুক্তিতে ভাঙনে পাওয়া পুরো জায়গাটাই নিয়ে নিয়েছে ভারত। বাংলাদেশের আপত্তি কাজে আসেনি।

জুম করে দেখুন, নতুন এই ভূমিতে কোনো বাড়ি নেই। হবে কী করে? ভারতের কোনো ব্যক্তির জমি হলে তো ঘর তুলবে। এত বড় জায়গা জুড়ে শুধু কাশফুল এবং বিএসএফ স্থাপনা।

এবার শেষ ছবিটায় নজর দিন। ৫০ কিমি জায়গা জুড়ে নদীকে সীমানা মানলেও এখানে মানা হয়নি। কারণ নদীটা এবার ভারতের দিকে ঢুকেছে। বর্ডারের সাদা দাগ আগেরবার নদীর সাথে সাথে ঘুরলেও এবার আর ঘুরেনি। এটাও আমার এলাকা, আমার উপজেলা। এখানেই জন্ম নিয়েছে সুরমা কুশিয়ারা।

ভারতের সীমানা মাস্তানি মেনে না নেয়ার কারণে ঠিক এই জায়গায় ২০০৪ সালের দিকে বিডিআর বিএসএফের সাথে যুদ্ধ শুরু করে। সর্বাত্মক যুদ্ধ। আমাদের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ কিমি দূরে, তাও আমরা মর্টারের শব্দ পেতাম। যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে আশংকায় বিডিআর বাড়ির পাশে বাংকার খুঁড়ে রেখেছিল। খুব আগ্রহ নিয়ে আমরা বাংকার খনন ও বালুর বস্তা টানাটানি দেখতাম। এখনো যুদ্ধ হওয়া এলাকায় মর্টারের শেলের চিহ্ন আছে।

আশ্চর্যজনকভাবে, পুরো একটা যুদ্ধের খবর কোথাও এখন আর নেই। গুগল ইউটিউবে সার্চ দিয়ে কিচ্ছু পাওয়া যায় না।

ব্যাক টু প্রিভিয়াস পিকচার, যেখানে নদী বাংলাদেশে ঢুকেছে। এখানে আমি লাল একটা স্পট দিয়েছি, এখানে বিএসএফের ওয়াচ টাওয়ার আছে। এমনিই মাগনা পাওয়া ভূমি, তাও সেটা বদলে যাওয়া সীমানার ২০ গজের ভেতরে। তারা নো ম্যানস ল্যান্ডের নিয়মকে তুড়ি মেরে ওয়াচ টাওয়ার বানিয়ে ফেলে। স্যাটেলাইটে একটা ক্যাম্পের মতো কিছু স্থাপনা দেখা যাচ্ছে। এটা নতুন দেখছি। আমি লাস্ট যখন এখানে গিয়েছিলাম, এটা ছিল না। আবার বর্ডার রোড বলে যেটা দেখা যাচ্ছে, এই জিনিসও নতুন। আগে দেখিনি।

ছবিটায় এবার আরেকবার তাকান। নদীর এপাশে একটা স্পটের নাম, ইন্ডিয়া ভিউ। ঠিক এখানে ২০০৬-২০০৮ সময়ের মধ্যে কোনো এক সময় বিডিআর টহল দেয়ার ফাঁকে বিশ্রাম নেবার জন্য বাঁশের একটা মাচা বানাতে গিয়েছিল। বিএসএফ নো ম্যানস ল্যান্ডের দোহাই দিয়ে বাধা দেয়। অথচ বর্ডারে এপাশে আগে থেকেই জনবসতি আছে এবং বিএসএফ নিজেরাই বিরান ভূমিতে আস্তো একটা ওয়াচ টাওয়ার বানিয়ে বসেছে ঠিক অপজিটে!

কেমন মাস্তানি ভাবেন!

অস্ত্রে সজ্জিত জনা বিশেক বিএসএফ সদস্য রণ প্রস্তুতি নিয়ে বাধা দিতে আসে। এপাশে ছিল মাত্র ৪-৫ জন বিডিআর। তারা তো আর জানত না এমন হবে। শীতকাল, নদীর পানি অনেক নিচে। একজন প্রবীণ বিডিআর সদস্য একাই একটা রাইফেল নিয়ে ঢাল বেয়ে নেমে গেলেন নদীতে। অস্ত্র উঁচিয়ে ধরে বিএসএফের কাছাকাছি গিয়ে বললেন, পারলে গুলি কর!
সিনেমাটিক, কিন্তু বাস্তব সত্য ঘটনা।

আর হ্যাঁ, প্রথম দুই ছবির মতো ততক্ষণে ৪-৫ জন বিডিআরের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে শত গ্রামবাসী।

ছোট বেলায় আমরা এই দৃশ্যগুলোর সাথে পরিচিত ছিলাম। ফ্ল্যাগ মিটিং এর সময় যে কোনো এক পক্ষকে নদী পার হয়ে অন্য দেশে যাওয়া লাগতো। বিডিআর গেলে দৃশ্যটা হতো এক রকম, বিএসএফ আসলে অন্য রকম।

বিডিআর ভারতে গেলে ৩-৪ জন যেত, এপাড়ে হাঁটাহাঁটি করতো আরো ৪-৫ জন। তাদের সাথে সাথে ঘুরত পুরো গ্রামের পুরুষ। শিশুরা কাছাকাছি গিয়ে ধমক খেতো। আর নারীরা দাঁত দিয়ে আঁচল কামড় দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতো অদূরে।

একবার বিএসএফ এসেছিল এ পাশে, মাই গড! তাদের পাশে নদীর ঢালে বন্দুকসহ পজিশন নিয়ে শুয়ে রইল অন্তত তিন প্ল্যাটুন বিএফএফ। ওপাশে সিভিলিয়ানের চিহ্নও নেই। বিএসএফ হয়তো সিভিলিয়ান এলাউ করে না, নয়তো তারাই আসে না। কোনটা সত্য জানি না।

ঢাকায় আতলামো আলাপ হয়, "ভারতের আধিপত্য"। এসব রাজনৈতিক টুলস। ঢাকাইয়া ও শহুরে মধ্যবিত্ত "ভারত" টপিকে যেসব বলে, যে পক্ষেই হোক, রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার একটা গুপ্ত উদ্দেশ্য মিশে থাকে তাতে। বর্ডারের মানুষ এত শিক্ষিত না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে দরিদ্র, অশিক্ষিত। তারা ভারতের গুন্ডামির একদম কাচা রূপ প্রতিদিন দেখে। শহুরে আলাপে প্রভাবিত হয় না তারা, শুনেও না। তারা হিসেব একান্ত নিজেদের।

আমাদের গ্রামের কথাই যদি ধরি, একটা খরস্রোতা নদী গ্রাম বেয়ে গেছে। এমন এক নদীর জলে জীবিকা থাকে অনেক মানুষের। কিন্তু ভারতের আপত্তিতে নদীতে মাছ ধরা প্রায় বন্ধ। মাছ ধরার অবাধ অনুমতি যখন ছিল তখন ভারতীয় জেলেরা এপাড়ে আসতে পারত কিন্তু বাংলাদেশের জেলে নদীর অর্ধেক গেলেই গুলির হুমকি। তাদের কাঁটাতারের আলো এত উজ্জ্বল, বর্ডারের এপাশে বসে আপনি পত্রিকা পড়তে পারবেন। বর্ডারের রাস্তায় গেলে মনে হবে, আপনার ঘরে আলো ফেলে কেউ আপনাকে দেখছে। প্রাইভেসী হারিয়ে ন্যাংটা ন্যাংটা অনুভূতি হবে।

গুলি করে মানুষ মারা যদি বাদও দেন; এসবের কারণে সীমান্তের মানুষ সব সময়ই এক ধরনের রাগ পুষে রাখে। হাসিনা-ভারত-পেঁয়াজ...এইগুলার বহু উর্ধ্বে এসব রাগ। সুযোগ পেলেই মানুষ প্রকাশ করে।

আবার ধরেন আমাদের বিজিবির অধিকাংশ সৈনিক বাঙালি। যারা পাহাড়ি, তারাও বাংলা বলতে পারে, বুঝতেও পারে। বিজিবির সংগে বর্ডারের মানুষের হৃদিক একটা সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। স্কুল লাইফে বিডিআরের জওয়ানরা আমাদের সাথে মিশে ক্রিকেট খেলতেন। বেশ আন্তরিক সম্পর্ক তৈরি হয় জওয়ান ও সিভিলিয়ানে। বর্ডার প্রহরী তো আপন মানুষ, মিলেমিশে থাকায় আরো আপন লাগে।

বিএসএফ এর জওয়ানরা ভারতের একেক এরিয়া থেকে একেকজন আসে। স্থানীয়দের সাথে ভাষাগত দূরত্ব ছাড়াও কালচারাল দূরত্ব থাকেই। ঐ যে শৈশবে বিএসএফের পাশে তাদের লোকালদের দাঁড়াতে দেখতাম না, বোধহয় এটাই তার কারণ। এটা একমাত্র কারণ না হলেও একটা কারণ তো অবশ্যই। আর অপ্রেসরের পাশে আসলে সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে কোথাও দাঁড়ায় না।

মোটাদাগে ভাইরাল ছবি দুইটার পেছনে এই হলো ব্যাখা। এটাকে সাহস বলেন, দেশপ্রেম বলেন আর যাই বলেন...বর্ডারের মানুষের কাছে এটা একটা সাধারণ ছবি। খুঁজলে এমন অনেক ভিডিও পাবেন, অস্ত্রধারী বিএসএফের সাথে খালি হাতে টানাটানি করে সাধারণ মানুষ দেশের নাগরিক ছিনিয়ে এনেছে। কোথাও গুলি খাওয়া বডি কেড়ে এনেছে দেশে। ছোটবেলায় দেখেছিলাম, আমাদের গ্রামের এক শিশু রাগ করে নদী সাতরে ভারতে আত্মীয়ের বাড়ি যেতে চেয়েছিল। বিএসএফ ধরে তাকে নদীর পাড়ে এনে চোরের মতো পেটায়। নদীর এপাশে কয়েক হাজার মানুষ প্রচন্ড ক্ষোভ নিয়ে সে দৃশ্য দেখে, আমিও তার একজন ছিলাম। নদী পার হওয়া সহজ কথা নয়। নইলে সেদিন কয়েকশ মানুষ শিশুকে উদ্ধারে ছুটে যেত বলে আমার ধারণা।

এই একটা দৃশ্য আমাকে অনেক প্রভাবিত করেছে। এখনো মানতে পারি না। সহ্য করতে না পেরে আমি বর্ডার ইস্যু নিয়ে অনেক লেখা লিখেছি। নন-এক্টিভিস্টের মধ্যে আমার চেয়ে বেশি কেউ বোধহয় এই টপিক নিয়ে লিখেনি। বর্ডারে আমাদের কিছু লোকেরও দোষ আছে। সবই জানি। কিন্তু তাদের মাস্তানি এটার জাস্টিফিকেশন হয় না, কোনোভাবেই। ২০২১ সালের বইমেলার জন্য মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক একটা উপন্যাস লিখছিলাম, উপন্যাসের শুরুটা বিএসএফের মাস্তানির দৃশ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল। বইটা আর আসেনি যদিও। কারণ যে গল্পে যা বলতে গিয়েছিলাম লিখে ফেললে তাতে তখনকার ভারতপ্রেমী সরকার আমার ছাপার অর্ধেক লাল করতো। বাকি অর্ধেক লাল করতো বর্তমান পাকিস্তানপ্রেমী ক্ষমতাধর সিভিলিয়ানদের একাংশ। (উপস, আলগা লাইনটা বলে লেখার রিচ কমিয়ে দিলাম)

চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই ছবিটা বাংলাদেশের যে কোনো বর্ডারের গ্রামের ছবি। এটা শৈশবে দেখা আমার গ্রামের ছবি। এ মানুষগুলো যেন আমার খুব চেনা জানা। বিজিবির সৈনিকেরা যেন ছোটবেলায় আমার দেখা বিডিআর জওয়ান, যাদের দিকে প্রচন্ড শ্রদ্ধা নিয়ে আমরা তাকিয়ে থাকতাম। বিডিআর জওয়ানদের দূর থেকে দেখলেও আমরা শিশুরা প্রচন্ড জোরে সমস্বরে সালাম দিতাম। ভয়ে নয়, আনন্দে। ওদের অনেকে চোরাকারনারী থেকে খুব ঘুষ খেতো, জানাও ছিল সবার। তাও আমরা এটা বুঝতাম, এরা আমাদের বাড়ি পাহারা দিচ্ছে, আমাদের দিকে গুলি আসলে আগে সেটা বুকে নেবে।

যুদ্ধ গুলি, লাশ কোনোটাই ভালো না। মরে যাওয়া মানেই প্রাণের খরচ। তবুও যখন কেউ অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহস নিয়ে বুক পেতে দাঁড়িয়ে থাকে, বড় গর্ব হয়। আনন্দ হয়।

আমাদের প্রতিটা সৈনিক আমাদের জমি দখলের প্রতিবাদে এভাবে অস্ত্র নিয়ে আগের মতো সটান দাঁডাক।

আমরা লুংগী পরা, প্যান্ট পরা সবাই তাদের পাশেই থাকবো।

- Joynal Abedin

বাংলাদেশের মানুষের কোথাও একটা জেনেটিক্যাল গড়বড় আছে!এই ছবিটা দেখলেই বুঝবেন কেন এই দেশে ৭১ হয়, ২৪ হয়!পৃথিবীর দূরতম  ইতিহাস...
09/01/2025

বাংলাদেশের মানুষের কোথাও একটা জেনেটিক্যাল গড়বড় আছে!

এই ছবিটা দেখলেই বুঝবেন কেন এই দেশে ৭১ হয়, ২৪ হয়!

পৃথিবীর দূরতম ইতিহাস ঘাটলেও
আপনি কোথাও এই রকম অদ্ভুত জনগোষ্ঠীর খোঁজ পাবেন না।

যারা নিজের দেশ রক্ষায়, অস্ত্রের মুখে
খালি হাতে, হাসি মুখে দলে দলে এসে দাড়ায়া থাকে!

ভয় নাই, ডর নাই, লোভ নাই, লালসা নাই
বুক জুড়ে শুধু বিষ্ময়কর একটা সাহসের নদী।
একটা অদ্ভুত জেদ!

মাথা না নোয়ানোর একটা ভয়ংকর সংকল্প!

এদেরকে কে দাবায়া রাখবে?

1978 🇦🇪: Dubai
08/01/2025

1978 🇦🇪: Dubai

গত ৫ মাসে ড: মুহাম্মদ ইউনূস দ্রব‍্যমুল‍্যের লাগাম টেনে ধরেছেন ।লুট হওয়া ব‍্যাংকগুলোকে বন্ধ না করে ধিরে ধিরে বাচিঁয়ে তুলছ...
08/01/2025

গত ৫ মাসে ড: মুহাম্মদ ইউনূস দ্রব‍্যমুল‍্যের লাগাম টেনে ধরেছেন ।লুট হওয়া ব‍্যাংকগুলোকে বন্ধ না করে ধিরে ধিরে বাচিঁয়ে তুলছেন !
২০০ টাকার পেঁয়াজ ৪০ টাকা কেজি, ৪০০ টাকার কাঁচা মরিচ ৫০ টাকা কেজি, ১০০ টাকার তরকারি এখন ৪০/৫০ টাকা।
দাম বাড়লে আমরা পোস্ট দেই বলি আগেই ভাল ছিলাম কমলে পোস্ট দেই না ! এটা মোনাফেকদের কাজ !

থ্রী জিরো থিউরীর জন্য উনি আবার নোবেল মঞ্চে দাড়াবেন হয়ত ! উনি চা বিক্রেতা নন । তিনি একজন উচ্চশিক্ষিত ভদ্রলোক । ভালো কাজের প্রশংসা করতে এতো কস্ট কেনো ।তথা কথিত টক শো এর বক্তারা এখন কোথায় ?

ধন্যবাদ গুণীজন❤️

কেমনে কি বুঝলাম না🤣🤣
08/01/2025

কেমনে কি বুঝলাম না🤣🤣

ক্যাম্পাসের খুব ক্লোজ বড় ভাই যখন ছোট ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ডকে খেয়ে দেয়! 🤭
08/01/2025

ক্যাম্পাসের খুব ক্লোজ বড় ভাই যখন ছোট ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ডকে খেয়ে দেয়! 🤭

Dubai Night view from the ✈️Traveling To Dubai UAE 🇦🇪 — in Dubai.
07/01/2025

Dubai Night view from the ✈️
Traveling To Dubai UAE 🇦🇪 — in Dubai.

Address


Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Dubai Journal-দ্য দুবাই জার্নাল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Videos

Shortcuts

  • Address
  • Alerts
  • Videos
  • Claim ownership or report listing
  • Want your business to be the top-listed Media Company?

Share